রাস্তার ধারে, কোনও গলির মোড়ে কিংবা বাজারের এককোণে সামান্য সবজি, ফলমূল কিংবা অন্য কিছু বিক্রির আশায় বসে-থাকা বৃদ্ধ চাচাটির কাছ থেকে কিছু-না-কিছু কিনুন, দরকার না থাকলেও, কোনও দরদাম করা ছাড়াই। ওদিকে বৃদ্ধ রিকশাওয়ালা চাচাকে মাত্র দশ টাকা বাড়িয়ে দিলে আপনার বিত্ত একটুও কমে যাবে না, বরং চিত্তের উন্নয়ন ঘটবে।
স্টেশনে স্টেশনে ফেরি করে ঘুরে-বেড়ানো ক্লান্ত বাচ্চা ছেলেটির কাছ থেকে বিনা প্রয়োজনে হলেও কিছু-একটা কিনুন।
কড়া রৌদ্র মাথায় রেখে যে মুচি লোকটা জুতা সেলাই করে যাচ্ছেন অবিচল হাতে, তিনি যত চান, বিনা বাক্যব্যয়ে ঠিক তত মজুরি দিন, পারলে পাঁচ-দশ টাকা বাড়িয়ে দিন।
আপনার কাছ থেকে পাওয়া সামান্য এই টাকায় তিনি গাড়ি, বাড়ি কিংবা বিলাসদ্রব্য কিনবেন না। সন্ধ্যেশেষে এক কেজি চাল-ডাল-নুন নিয়ে তিনি হয়তো ঘরে ফিরবেন। আধপেটা-খাওয়া কয়েকটা মুখে একমুঠ ভাত তুলে দেবেন আপনার এই সামান্য টাকায়।
আপনার আমার প্রিয়জনের মতো তাঁরও খুব প্রিয় কেউ আছে ঘরে। তাঁর জন্যও কেউ কেউ সারাটা দিন অপেক্ষা করে থাকে কখন তিনি ঘরে ফিরবেন, সে আশায়।
ঘরে ফিরলেই কোনও এক শুকনো ক্ষুধার্ত শিশুমুখ বড়ো আহ্লাদে তাঁকে জড়িয়ে ধরে হয়তো বলে উঠবে, 'ও বাবা, আমার জন্য কী এনেছ?'
Dildarpur High School
দিলদারপুর উচ্চ বিদ্যালয়। দিলদারপুর, ?
06/08/2020
অবিলম্বে পূর্বের পদে ন্যস্ত করা হোক
হ্যাংলা পাতলা চিকন স্বাস্থ্যের এক লোক, অন্ধকার এই দেশে আলো আনতে চায় শুধু।
আইডি নংঃ ৪২৫৪,
পদবী: অতিরিক্ত সচিব।
নামঃ মাহবুব কবির মিলন
এই লোককে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ন্যাস্ত করার পর, তিনি যা যা স্টেপ নিয়েছিলেন, তাতে অনেকের আতে ঘা লেগেছিলো।
টিকিট যার, ভ্রমণ তার-- এই প্রজেক্টের জন্য তিনি তার ক্ষমতার পুরোটাই খরচ করেছিলেন, যাতে সাধারণ যাত্রীরা নিজের NID দিয়ে নিজের টিকেট নিজে পায়। কালোবাজারির পেটের ভাত বন্ধ হয়।
সাধারণ অর্থে মনে হবেঃ এইটা এমন কি বড় ইস্যু?
জাস্ট একটা আন্তঃনগর ট্রেনের একটা Voyage থেকে আনসার, রেলওয়ে স্টাফ, আরএনবি এমনকি রেলওয়ে ক্যাটারার্সের স্টাফও বেশুমার টাকা মারে যাত্রীর পকেট থেকে।
বিনা টিকেটের যাত্রী থেকে টাকা নিয়ে রেলভ্রমণ করায়।
এতে সরকার যেমন নিজের আয় হারায়, সেই সাথে আরো সিন্ডিকেট গড়ে উঠে, রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট করতে কিংবা বেঁচে দিতে।
জনাব মাহবুব কবির মিলন শুধু এই একটা সিন্ডিকেটে হাত দিয়েছিলেন।
ফলাফলঃ আজ তাকে OSD করে রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তার নেওয়া সকল executive ডিসিশনও নিশ্চয় রদ হয়ে যাবে!
যে মানুষগুলো স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন দেখায় এবং আলো আনতে চায়ঃ তাদের পরিণতি এটাই।
এই দেশকে নিয়ে এইজন্য স্বপ্ন দেখতে ভয় লাগে। লাভ নাই ত!
আশেপাশের সবাই করাপ্টেড। তুমি ওদের সাথে তালমিলাইয়া লুটপাটে অংশ নিলেই ত ভালো থাকবা৷
মূর্খ জনগণের জন্য দরদ দেখাইয়া, প্রথা ভেঙে কিছু করতে গেলে, এমন OSDময় দিন দেখতেই হবে!
সিস্টেম যখন এতোটা পঁচে যায়, ভবিষ্যত প্রজন্মকে এমন সিস্টেমে রাখার ইচ্ছাটাও মরে যায়।
এই মূহুর্তে আমি দেশেই বাস করছি।
বাংলার এই জমিনে, এই মুহুর্তে এক বঙ্গবন্ধুর রক্ত, জিন, ক্রোমোসোম ও মেন্ডেলের বংশগতি ছাড়া, আর কাউকে বিশ্বাস করা যায় না।
বঙ্গবন্ধুর কন্যা এখনো জীবিত আছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওয়ারেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর জায়গায়।
জাতির পিতার ব্লাডলাইন, সেটার রিস্পেক্টের জায়গাটা অন্যরকম। হয়তো এটাই আশা ভরসার শেষ জায়গা।
প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে আওয়াজ তুলেন ত!আওয়াজ পৌছাক বঙ্গবন্ধুর সন্তানের কাছে।
এরপর দেখি কার কার বাড়া ভাতে ছাই দেওয়ার কারণে, OSD এর এই আদেশটা আসলো!!!
আমলাতন্ত্রের সবচেয়ে সেক্সি জিনিস কি জানো?
স্মারক নং দিয়ে টুকপলান্তি খেলা যায় এখানে।
আজ পাবলিক সঠিক জনমত তৈরি করুক।
আগামিকাল কেউ এসে বলবেঃ এই বদলি রুটিন বদলি। তিনি যে OSD হবেন, সেটা ৩৪ সপ্তাহ আগেই এক মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। সেই মিটিং এর মিনিট শীটের ছবিও চলে আসবে ব্যাখ্যা হিসেবে।
আর পাবলিক যেহেতু মূর্খ, গোল্ডফিশ ব্যাকটেরিয়া তাদের পক্ষেও নিশ্চয় SOP পড়া সম্ভব না! অতএব, মাহবুব কবির OSD থাকবেন, এটাই তারা হয়ত মেনে নিবে।
এই দেশে সবসময় এমনই হয়ে আসছে!
ব্যাকটেরিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠতার এই দেশে, ব্যাকটেরিয়ারা জনমত তৈরি করতে পারবে, প্রশাসনকে চাপ দিতে পারবে-- এমনটা আমি স্বপ্নেও ভাবিনা।
তবে, যে দুইচার জন 'মানুষ' আমার লেখা পড়েন, তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, একটু জনমত গড়ে তুলেন।
এই লোকটাকে তার অপারেশনাল এরিয়াতে থাকতে দেন।
OSD করে ফেলে রাখতে দিয়েন না।
তিনি একজন দক্ষ সার্জন, যে সিস্টেমে ঢুকবেন, সেই সিস্টেমের Cancer গুলোকে সার্জারি করতে পারবেন।
এমন দক্ষ হাতকে OSD এর শিকল দিয়ে বাঁধতে চাওয়া আমলাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার উৎসঃ জনগণ!
ডিয়ার জনগণ,
একটুখানি জাগেন, একটুখানি আওয়াজ তোলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি অনেক।
সেই শক্তি দিয়ে দেশ ও দশের জন্য চিন্তা করা একটা মানুষকে অপারেশনাল থাকতে সাপোর্ট দিন। তার পাশে দাঁড়ান।
জনমত গড়ে তুলুন।
আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে?
কেমনে আলো আসবে?
C: Abu Sayeed Nur Ahmed
11/06/2020
|| করোনা নির্দেশনা ||
কোভিড ১৯ (করোনাভাইরাস) থেকে সুরক্ষা পেতে
০> শারীরিক দূরত্ব মেনে চলুন
০> মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন
০> চোখে গগলস ব্যবহার করুন
#নিরাপদ
#দূরত্ব
#বজায়
#রাখুন
#সুস্থ
#থাকুন।
আজব সত্য কথা=পর্ব-১
√• ৮১টি চাঁদের সমান আমাদের
পৃথিবীর ওজন।
√• আপনার নাকের দৈর্ঘ্য ও বুড়ো আঙুলের দৈর্ঘ্য
মিলে গেছে? যদি মিলে যায়
তবে আপনি স্বাভাবিক।
আর যদি না মেলে তবে আর কী
করা?
এমন ব্যতিক্রম খুব কমই হয়। √• খুব জোরে হাঁচি দিলে
পাঁজরের হাড়ে চিড়
ধরতে পারে। আবার চেপে
রাখলে মাথা বা ঘাড়ের
শিরা ছিঁড়ে যেতে পারে।
সামান্য হাঁচির কী জোর রে বাবা! ও, আরেকটি কথা।
আপনি কিন্তু চোখ
খোলা রেখে হাঁচি দিতে
পারবেন না।
√• ফুটবল খেলার সময় একেকজন
খেলোয়াড় কতখানি দৌড়ায় জানেন? নব্বই
মিনিটের
প্রতি খেলায় সাধারণত ৭ মাইল।
√• প্রজাপতির চোখের সংখ্যা ১২
হাজার!
√• যখন আমরা কোনো কিছু স্পর্শ করি,
তখন ঘণ্টায় ১২৪ মাইল বেগে
তথ্যটা
মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
ভালো লাগলে শেয়ার করতে
ভুলবেন না!
Click here to claim your Sponsored Listing.