JAYED TTC জায়েদ টিটিসি

JAYED TTC জায়েদ টিটিসি

Share

Our Services: - We generally create and sell all kinds of websites and software. This is my official YouTube channel � JAYED TTC.

We have many government approved courses here which provide certificates after completion of training. this channel uploads all types of tested courses starting from premium courses, all that is available on this channel is the opportunity to watch the courses for free for you by collecting from various institutes, channel channels and institutes. If you have any suggestions or comments, please se

09/03/2025
25/02/2025

আলহামদুলিল্লাহ আমার প্রতিষ্ঠানের ৬মাস এবং ১বছর মেয়াদী কোর্সের সমাপনী পরীক্ষায় ৬টা এ+ আসছে। ধন্যবাদ জানাই সবাইকে। যারা পারনি আশা করি তোমরা সামনের দিনে ভালো কিছু করবে।

সবার প্রতি আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অফুরন্ত ভালোবাসা এবং দোয়া রইলো।

27/10/2024

যেভাবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন।
অন্যান্য বারের মতো এই অর্থবছরেও (২০২৪-২৫) বাসায় বসেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রতিটি ধাপ কীভাবে পেরোবেন, তা তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে- যাদের জন্য আয়কর প্রযোজ্য?

বাংলাদেশে ব্যক্তি পর্যায়ের করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। রিটার্ন দাখিলের আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইট থেকে চলতি অর্থবছরের কর নির্দেশাবলী পড়তে ভুলবেন না। এনবিআরের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হলে তাকে আয়কর দিতে হবে। তবে নারী ও ৬৫-ঊর্ধ্ব নাগরিকদের করমুক্ত আয়ের সীমা চার লাখ টাকা। আর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এটি পাঁচ লাখ টাকা। এছাড়া, পূর্ববর্তী কর মূল্যায়ন, শহরে বাসস্থান, গাড়ির মালিকানা, নির্দিষ্ট কিছু পেশার সদস্যপদ, ব্যবসা পরিচালনা এবং দরপত্র বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্যও আয়কর পরিশোধ করতে হয়। এটি নিবন্ধিত কোম্পানি ও এনজিওগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আর মনে রাখবেন, করদাতা সনাক্তকরণ নাম্বার (টিআইএন) থাকলে আপনার করযোগ্য আয় থাকুক বা না থাকুক, আপনাকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতেই হবে। করযোগ্য আয় না থাকলে শূন্য রিটার্ন দাখিল করা যাবে। সেটা না করলে আইনে শাস্তি ও জরিমানার বিধান আছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
কর দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—ইটিআইএন, জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) ফটোকপি, বিস্তারিত ঠিকানা এবং আগের বছরের রিটার্নের নথি সরবরাহ করুন। একাধিক আয়ের উৎস থাকলে প্রয়োজন মোতাবেক কাগজপত্র সংগ্রহ করুন। বিনিয়োগের বিবরণ, সম্পত্তির তথ্য এবং করমুক্ত আয়ের সার্টিফিকেট অন্তর্ভুক্ত করুন।

যেভাবে ধাপে ধাপে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করবেন: টিআইএন সনদ প্রাপ্তি টিআইএন (করদাতা শনাক্তকরণ নাম্বার) সনদধারী প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য প্রতিবছর আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। বয়স ১৮ অতিক্রম করলে টিআইএন সদন নেওয়াও বাধ্যতামূলক। আপনি যখন টিআইএন-এর জন্য আবেদন করবেন, আপনাকে কর দাখিলের জন্য একটি নির্দিষ্ট এলাকা বরাদ্দ করা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করে তখন আপনাকে আয় বিবরণী জমা দিতে হবে। এরপর নিজে গিয়ে অথবা কোনো প্রতিনিধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কর অফিসে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে প্রথমে এনবিআরের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করতে, ওয়েবসাইটের ই-রিটার্ন শাখায় ক্লিক করুন। সেখানে 'সাইন আপ' অপশনে গিয়ে প্রথম বক্সে আপনার টিআইএন নাম্বার লিখুন। দ্বিতীয় বক্সে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত মোবাইল নাম্বারটি লিখুন (প্রথম শূন্য বাদ দিয়ে)। এরপর ক্যাপচা কোড দিয়ে 'ভেরিফাই' বাটনে ক্লিক করুন। ফোনে আসা ওটিপি ব্যবহার করে আপনার ফোন নাম্বারটি নিশ্চিত করুন। সবশেষে ই-রিটার্ন সিস্টেমে লগ ইন করতে একটি পাসওয়ার্ড ঠিক করুন।

ধাপ ১: ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রবেশ-
একবার নিবন্ধন করা হয়ে গেলে এরপর আপনি ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার টিআইএন, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা দিয়ে সাইন ইন করতে পারবেন। এরপর একটি ড্যাশবোর্ড পাবেন। এর বাম দিকে থাকা 'রিটার্ন সাবমিশন' অপশনে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ ২: কর যাচাইয়ের তথ্য-
ই-রিটার্ন ফরমের শুরুতেই থাকবে 'ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট ইনফরমেশন'। সেখানে আয়কর সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য– রিটার্ন স্কিম, আয়ের সাল ও উৎস দিতে হবে। আপনার আয় যদি করমুক্ত হয়, তাহলে আয়ের পরিমাণের পাশাপাশি 'রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস' দিতে হবে।

ধাপ ৩: আয়ের বিবরণ-
এই পর্যায়ে, 'হেডস অফ ইনকাম'-এ গিয়ে আপনার বিভিন্ন আয়ের উৎস দিন। এখানে আপনার বেতন, নিরাপত্তা সুদ, বাড়ি-সম্পত্তি থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা থেকে আয়, মূলধন লাভ এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
যদি আপনার বেতন আপনার আয়ের একমাত্র উৎস হয়, তাহলে 'স্যালারি' অপশনে ক্লিক করুন। এর বাইরে আয় থেকে থাকলে 'ইনকাম ফ্রম আদার সোর্সেস' অপশনে ক্লিক করুন। সেখানে অন্যান্য যেসব উৎস থেকে আয় করে থাকেন, তাতে ক্লিক করুন।
এরপর 'সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ' অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান।

ধাপ ৪: অতিরিক্ত তথ্য-
এই ধাপে একটি ড্রপডাউন মেনু থেকে আপনার প্রাথমিক আয়ের উৎসের স্থান ঠিক করবেন। সেখানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মতো অনেকগুলো অপশন থাকবে।
আপনি যদি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আইনি অভিভাবক হয়ে থাকেন, সেটিও এখানে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এছাড়া, বিনিয়োগের জন্য আপনি করমুক্তির দাবিদার কি না এবং আপনি কোনো সংস্থার শেয়ারহোল্ডার পরিচালক কি না, তা 'হ্যাঁ' বা 'না'-এর মাধ্যমে উত্তর দেবেন।

ধাপ ৫: আইটি১০বি পূরণ-
যদি আপনার সম্পূর্ণ সম্পদের পরিমাণ ৪০ লাখ টাকা বা তারচেয়ে বেশি হয়, তাহলে আপনাকে অবশ্যই স্টেটমেন্ট ফর্মের ব্যয় বিভাগটি পূরণ করতে হবে। এজন্য 'আইটি১০বি ফর্ম' পূরণ করতে হবে। সম্পদের পরিমাণ ৪০ লাখের কম হলে তা পূরণ করতে হবে না। এক্ষেত্রে, আপনার ও আপনার পরিবারের বার্ষিক খরচের হিসেব দিতে হবে।
এরপর 'সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ' অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান।

ধাপ ৬: আয়ের বিবরণ-
অন্যান্য উৎস থেকে আসা আয়, বৈদেশিক আয় বা কর-অব্যাহতিপ্রাপ্ত আয়ের বিবরণ দিন। বেতন বা করযোগ্য বিনিয়োগ ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে আসা আয়ের তথ্য দিতে আপনি ড্রপডাউন মেনুতে বিভিন্ন অপশন পাবেন।

এনি আদার ইনকাম' অপশনে ক্লিক করলে সেখানে আপনার অন্য আয়ের উৎস, অর্থ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, প্রাপ্ত সর্বশেষ আয়ের তারিখ ও পরিমাণ, এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের হিসেব দিতে হবে। এসব তথ্য দেওয়ার পর আপনার নেট আয়ের হিসেব দেখানো হবে। আবার 'সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ' অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান।

ধাপ ৭: বিনিয়োগ বিভাগ-
আপনি যদি বর্তমানে জীবন বীমা প্রিমিয়াম, ডিপোজিট প্রিমিয়াম সার্ভিস (ডিপিএস), অনুমোদিত সঞ্চয়পত্র, সাধারণ প্রভিডেন্ট ফান্ড, বেনেভোলেন্ট ফান্ড, গ্রুপ বীমা প্রিমিয়াম, অনুমোদিত স্টক বা শেয়ার, কিংবা অন্যান্য ক্যাটাগরিতে বিনিয়োগ করে থাকেন, সেগুলো এখানে উল্লেখ করবেন। ধরুন আপনি যদি 'ডিপিএস' অপশনে ক্লিক করেন, তাহলে সেখানে ব্যাংকের নাম, অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং জমাকৃত অর্থের পরিমাণ দিতে হবে। এভাবে অন্যান্য অপশনে গেলেও আপনাকে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। আবার 'সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ' অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান।

ধাপ ৮: ব্যয়-
এই বিভাগে, মোট আয়ের বিপরীতে আপনার মোট ব্যয় পর্যালোচনা করতে পারবেন। এখানে বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের বিভাগ থাকবে। খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান (পরিবহন, গৃহস্থালি, ইউটিলিটিসহ), বাচ্চাদের শিক্ষা এবং অন্য কোনো ব্যয়ের খাত থাকলে তা অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। এই বিবরণগুলো পূরণ করলে আপনার বকেয়া করের হিসেব দেওয়া হবে।

ধাপ ৯: কর এবং পেমেন্ট-
এখানে আপনি ইতোমধ্যে কোনো উৎস কর এবং অগ্রিম কর প্রদান করে থাকলে তার হিসেব দিতে পারবেন। এই হিসেব দেওয়ার পর আপনার মোট প্রদেয় করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে। আপনার আয়ের উপর কোনো কর বকেয়া না থাকলে আপনার প্রদেয় করের পরিমাণ হবে শূন্য। একে 'শূন্য রিটার্ন' বলা হয়।

ধাপ ১০: রিটার্ন ভিউ-
অনলাইন রিটার্ন' অপশনে ক্লিক করলে আপনি রিটার্ন ফর্মটি দেখতে পাবেন। তার নিচে 'ইয়েস' অপশনে ক্লিক করলেই আপনার রিটার্ন চলে যাবে। কোনো তথ্য নিয়ে সন্দেহ থাকলে আপনি 'নো' অপশনে ক্লিক করতে পারেন এবং আবার সব তথ্য দেখে নিতে পারেন।

ধাপ ১১: রসিদ ডাউনলোড করুন-
যদি আয়কর রিটার্ন সফলভাবে জমা হয়, তাহলে আপনাকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি বার্তা লেখা দেখবেন। সেখানে আপনি একটি রেফারেন্স আইডি ডাউনলোড করার অপশন পাবেন। সেটি ডাউনলোড করে অনলাইনেই আপনি আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। অথবা সেটি প্রিন্ট করে আয়কর অফিসে পাঠাতে পারেন।

বিস্তারিতঃ-
Md. Jahidul Islam Jayed
JAYED TTC জায়েদ টিটিসি
JAYED TTC ♥ জায়েদ টিটিসি
জায়েদ এন্টারপ্রাইজ এন্ড কম্পিউটার্স

30/06/2024

🙋‍♂️আপনি কি মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ?
তবে অবশ্যই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিন, নাহলে চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়বেন। তাই আজই আসুন বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত এবং মাইক্রোসফ্ট সার্টিফায়েড সর্বাধুনিক ও বিশ্ব মানের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার ।

এখানে অফিস এপ্লিকেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, উইন্ডোজ, হার্ডওয়্যার, ইত্যাদি কোর্স বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

🫅আমাদের দেওয়া সার্টিফিকেট দেশের প্রতিটি রাজ্যে এবং বিদেশে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য।

আমাদের বৈশিষ্ট্য:-
🔴কেন্দ্র সরকার অনুমোদিত ও রেজিঃ সেন্টার।
🔴অনলাইন এডমিশন, সার্টিফিকেটে ভেরিফিকেশন ও এক্সাম এর ব্যবস্থা।
🔴কোর্স ফিতে থাকছে বিশেষ ছাড়।
🔴অত্যাধুনিক হাটটেক কম্পিউটার ল্যাব।
🔴একবার কোর্স করার পর সারাজীবন ফ্রিতে প্র্যাকটিস এর সুযোগ।
🔴সফ্ট স্কিল ও পার্সোনালিটি ডেভলপমেন্ট এর উপর আলাদা এক্সট্রা ক্লাস। (সম্পূর্ণ বিনামূল্যে)

.
CEO Of Owner:- Md. Jahidul Islam Jayed
Our Business Office:- জায়েদ এন্টারপ্রাইজ
Our Official FB Page:- JAYED TTC জায়েদ টিটিসি
Our Official FB Group:- JAYED TTC ♥ জায়েদ টিটিসি

Want your school to be the top-listed School/college in juri?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Jüri

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00