13/05/2026
বলছিলাম অভিভাবকরা খোঁজ রাখুন সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কী করছে! শিক্ষকরা খোঁজ রাখুন শিক্ষার্থীদের।
গত সোমবার (১১ মে) ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা কমিউটার ট্রেনটি জয়দেবপুর রেলস্টেশন থেকে যাত্রাবিরতি শেষে ছাড়ার কিছুক্ষণ পরই গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজের একাদশ শ্রেণির ইউনিফর্ম পড়া এক শিক্ষার্থী ট্রেনের ইঞ্জিন লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে। এতে ট্রেনের কর্তব্যরত সহকারী লোকোমাস্টার পাথরের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এই ঘটনায় জয়দেবপুর জংশন স্টেশনের কর্তব্যরত আরএনবি সদস্যগণ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে আটক করেন। পরবর্তীতে অভিভাবক ডেকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয় তাকে।
স্কুল - কলেজের ছাত্র -ছাত্রীরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে, বাসায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে এমনটি করে আসছে দীর্ঘদিন থেকে।ট্রেনের ইঞ্জিনে,ছাদে বেআইনি ভ্রমণ তাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে।তাদের কারণে ঝুঁকিতে পড়ছে রেল স্টাফ সহ সাধারণ যাত্রীরা। ট্রেনের ভেতর হচ্ছে যাচ্ছে তা ব্যবহার! এইতো গতকালই এমন একটি দল ঢাকা থেকে নরসিংদী আসে,তাদের মধ্যে একজন পানিতে ডুবে মারা যায়।
স্কুল - কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব অপকর্ম বন্ধ হউক, হওয়া উচিত।
#কালেক্টেড
07/05/2026
খাজা এম চিশতি আর ডি ইউ ডি মাদরাসা কিশোরগঞ্জ সদর এঁর সম্মানিত সুপার জনাব মাও: মো. ফজলুর রহমান সাহেব আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসারত আছেন
সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী আল্লাহ তায়ালা যেন উনাকে পুরাপুরি সুস্থতা করে আমাদের মাঝে ফিরে আনেন।আমিন।।
#কালেক্টেড
03/05/2026
---রাতে ঘুমের সময় পাঁচ জন ছাত্র হুজুরের কাছে না বলে মাহফিলে চলা গেছে।
অতপর রাত বারটায় মাদ্রাসায় ফিরেছে।
তখনি দারোয়ান তাদের দেখে ফেলে।
তাই হুজুরকে জানানোর জন্য তাদের নাম জিজ্ঞেস করে খাতায় লেখা শুরু করল।
তখন ছাত্ররা তাদের নাম বলতে বাধ্য হলো।
অতপর তিনি বড় হুজুরের নিকট লিস্টিটা দিলেন।
হুজুর তা পড়তে শুরু করলেন।
১/ সরফ ইবনে নাহুবেমির।
২/ কাফিয়া ইবনে সিরাজি।
৩/ মানতেক ইবনে নাফহাতুল আদব।
৪/ নুরুল আনওয়ার ইসলাম।
৫/ মেশকাত ইবনে কাছির।
হুজুর তা পড়ে
মুচকি মুচকি হাসতে থকলেন।😆😆😆
এবং বললেন,
আর কারো নাম লিস্টি করবেন না।
বরং সরাসরি আমার কাছে নিয়ে আসবেন।
©
27/04/2026
এই এক জীবনে আর কতো কী যে দেখতে হবে আল্লাহই ভালো জানেন🙂⛈️
25/04/2026
কল্পনা করুন,
আপনার দেশে এমন একটা স্থান আছে যেখানে চার হাজার নারী যৌ*ন পেশায় জড়িত।
একই পরিবারের সকল নারী সদস্য একই সাথে সামনা সামনি পরপুরুষের সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হচ্ছে। হাতে সিগারেট, টেবিলে ইয়াবা, মদের বোতল। মা মেয়ে একই খাটে একজন পুরুষের সাথে যৌ*নতা করছে বিনা সংকোচে।
হ্যাঁ, এটা বৈধ। আপনার দেশেই হচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই হচ্ছে।
বলছি গোয়ালন্দ, রাজবাড়ির দৌলতদিয়া পতিতা পল্লীর কথা। বাংলাদেশে সরকারিভাবে অনুমোদিত পতিতালয়ের মধ্যে দৌলতদিয়া সবচেয়ে বড় যৌন পল্লী। এশিয়ার সবচেয় বড় পতিতালয়ের অন্যতম এই পল্লীতে প্রতিদিন ৩ হাজারের বেশি পুরুষ সেবা নিতে যায়। যাদের অধিকাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী।
মরণব্যাধি এইডস, ক্যান্সার এবং ভয়াবহ সব ছোঁয়াছে রোগ ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে এসব নোংরা পল্লী থেকেই।
১৯৮৮ সালে সরকারিভাবে অনুমোদনের পর থেকে আজ অব্দি নিরলসভাবে এখানে পতিতাবৃত্তি হচ্ছে অত্যন্ত স্বাভাবিক নিয়মে। অধিকাংশ যৌন কর্মীর বয়স ১৫ এর নিচে।
যৌনতার পাশাপাশি প্রত্যেক আড্ডাখানায় আছে জুয়া, মদের আসর, ইয়াবা, গাঁজা অর্থাৎ ইসলামী শরিয়ায় নিষিদ্ধ সকল কার্যক্রম চলছে কোনোপ্রকার বাঁধা বিপত্তি ছাড়াই।
১৪টি অনুমোদিত পতিতালয়, সহস্রাধিক অনুমোদনহীন পতিতালয় আছে বাংলাদেশে।
প্রায় ৩৮ বছর যাবত বাংলাদেশে কয়েক কোটি ওয়াজ মাহফিল হয়েছে। এখনও প্রতিদিন হচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। আজ অব্দি কোনো ওয়াজ মাহফিলে এসব পতিতালয়ের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। ইসলামী শরিয়া আইনে পরপুরুষ পরনারী সঙ্গমে লিপ্ত হলে এটাকে 'জেনা' বলা হয়। যার শাস্তি পাথর মেরে হত্যা করা।
ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে যেহেতু বন্ধ করা যায়নি, এর অর্থ দাঁড়ায় ৩৮ বছরের সব ওয়াজ মাহফিল ব্যর্থ।
এবার আসি দ্বিতীয় পয়েন্টে।
৩৮ বছরে বাংলাদেশে ক্ষমতায় ছিলেন এরশাদ, যিনি বাংলাদেশকে ইসলামী জমহুরিয়াত বানাতে চেয়েছিলেন। ক্ষমতায় ছিল বি এনপি, এরপর আওয়ামী লীগ, চারদলীয় জোট (বি এনপি জামায়াত), মইনুদ্দিন ফখরুদ্দিন, আবার আওয়ামী লীগ টানা ৩ সেশন, এরপর ইউনুস রেজিম যিনি আমূল পরিবর্তন করে ফেলবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। এখন আবার বি এনপি জামায়াত। কোনো সরকারই দৌলতদিয়ার ৪ হাজার নারী পতিতার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেনি। সংসদে দাঁড়িয়ে বড় বড় বক্তৃতা দিতে দেখা যায়। স্বার্থে আঘাত লাগলে ওয়াক আউট। দৌলতদিয়ার নারী যৌ*নকর্মীদের কর্মসংস্থানের দাবীতে ওয়াকআউট করলে অন্তত একটা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ পাওয়া যেত।
প্রায়শই ছাত্রদের আন্দোলন করতে দেখি। রাস্তায় বসে, বৃষ্টিতে ভিজে ঢাবির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে। এটা চাই ওটা চাই, দাবী পূরণ করতে হবে। কিন্ত কারও দাবীতে যৌ*নকর্মীদের কথা নেই।
একটি দেশে ১৪ টি অনুমোদিত (এবং সহস্রাধিক অনুমোদনহীন) যৌ*ন পল্লী থাকা নিশ্চয়ই গর্বের বিষয় নয়। বরং এটি আমাদের জাতীয় লজ্জা।
যতদিন অবাধে এসব যৌ*নতা চলবে, ততদিন এদেশে কোনো ওয়াজ মাহফিল, তাবলীগ জামাত, ইজতেমা, নামাজ রোজা হজ্ব অর্থহীন।
যৌ*ন পল্লী বন্ধ না করে উন্নয়ন প্রকল্পের পদক্ষেপ নিলে সেটাও অর্থহীন।
সরকারের উচিত দ্রুত এগুলোর অনুমোদন বাতিল করে হালাল পন্থায় যৌ*ন কর্মীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা...
📌©
11/02/2026
আগামীকাল বৃহস্পতিবার, ১২ফেব্রুয়ারি খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি (রঃ) দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে❤️❤️
09/02/2026
পলিথিনে করে ক্যাশ টাকা নিয়ে হাঁটতেছেন।
যত টাকা আছে, ঠিক ততটাই আছে—
👉 কোনো ট্রান্সেকশন চার্জ নেই
👉 কোনো কাটাকাটি নেই
👉 যতক্ষণ হাতে আছে, ততক্ষণ ভ্যালু একদম সেম।
কিন্তু এই টাকাই যদি অনলাইন বা মোবাইলে ঢোকান…
তখনই ম্যাজিক শুরু
ভ্যালু কমতে থাকে 😃
ধরেন—
ক্যাশ টাকা মোবাইল/অনলাইনে ঢোকালেন,
তারপর আবার সেই টাকা ক্যাশ হিসেবে তুলবেন—
এই ঢোকাতে চার্জ,
ওই তুলতে চার্জ,
শেষে দেখবেন
👉 যেটা দিলেন, সেটা আর পুরোটা ফিরে পেলেন না 😅
এখন প্রশ্ন আসবে—
ক্যাশ টাকা সঙ্গে রাখা কি নিরাপদ?
উত্তর:
এটা আসলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
রাষ্ট্র যদি নিশ্চিত করতে না পারে যে মানুষ নিশ্চিন্তে টাকা নিয়ে চলাফেরা করবে,
তাহলে সেটা সিস্টেমের ব্যর্থতা।
আর ছবিটা যে রাষ্ট্রের-
সেখানে কেউ ক্যাশ চুরি করতে চায় না।
কারণ?
কে যাবে সামান্য ক্যাশের জন্য হাতখানা হারাতে 😂
#কালেক্টেড
31/01/2026
মসজিদে নববীর মধ্যে নবীজি ﷺ এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে; তারা কোনো কথা না বলেই তড়িৎ গতিতে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু'হাত বেঁধে ফেলে।
যুবক পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগলো তোমাদের কী হয়েছে; আমিতো চোর নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?!
দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বী পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন,
"আমি এই যুবককে চিনি।"
পুলিশরা তাকে বললো: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?
মুরব্বী বললেন: আমি তাকে দেখি সে সবসময় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দুরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটি করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন, সে কি চোর?
যুবকটি ছিলো আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথা ভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখ ভর্তি হালকা দাড়িতে।
পুলিশ বললো: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী, সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়া মাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না!
মুরব্বী লোকটি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে?
পুলিশ বললো: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করবো। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দিবো এবং তারপর সে আলবেনিয়ায় চলে যাবে.....
যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতি বিজড়িত মদীনা শহর ছেড়ে যেতে হবে!
কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগলো: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বা কারো সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে, এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
পুলিশরা বললো: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়, তোমাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।
পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেলো। যুবক পথিমধ্যে তাদের বললেন: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনলো এবং সুযোগ দিল।
যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বললো:
"ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল! 😰
হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হবো, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না। এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।😰😥
পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে, সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে , হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে...
পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠালো, দেখল সে সত্যিই অচেতন, মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না।
তাদের মধ্যে একজন বললো: তার হয়তো হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এক্ষুনি অ্যাম্বুলেন্স আনো। অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল, ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরো দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই। 😰
পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি।
এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে বাকি কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই নবীজির শহর মদিনায় সাহাবায়ে কেরামের অসংখ্য কবরের মাঝেই তাকে দাফন করা হয়।
আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, চিরকালের জন্য নবীজির প্রতিবেশী হয়ে রইলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা।
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মোহাম্মদ ﷺ
আমিও আপনাকে ভালোবাসি, আপনারই প্রতিবেশী হতে চাই ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ
ছবি; আরেকজন রাসুল প্রেমিকের
#কালেক্টেড