03/08/2026
আপনার সন্তান কে মেধাবী করতে চাইলে মোবাইল হতে দুরে রাখুন। ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত মোবাইল দিবেন না। অতি প্রয়োজনে বাটন মোবাইল দিতে পারেন।
বর্তমান প্রতিটি ঘরে বাচ্চাদের এই কাটুন দেখার জন্য মোবাইল টিভি তুলে দিয়েছে। মোবাইল আপনার সন্তানের মেধা শক্তি নষ্ট করে দিচ্ছে।
আপনি সন্মানিত সন্মানিতা মা বাবা, আপনার কোন অধিকার নেই এই বাচ্চা গুলোর মেধা ও চোখ নষ্ট করে দেওয়ার।আপনাকে বুঝানোর কোন ক্ষমতা আমার নেই।
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার ঘুমের অসুবিধা করে,মানসিক চাপ বাড়ায়। হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হাসপাতাল, মার্কেট বা অন্যান্য জনসমাগমস্থলে মোবাইল ব্যবহার করলে ডিভাইসটি জীবাণুর সংস্পর্শে আসতে পারে। এ থেকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয়।শ্রবণক্ষমতা কমায়। দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে। মেরুদণ্ডের ব্যথা তৈরি করে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
মোবাইলের যাদু,ধ্বংস হচ্ছে মানব সমাজ, বিদ্যা শিক্ষা হচ্ছেনা আজ।নারী পুরুষ সবাই মিলে,খেলছে আজব খেলা লেখাপড়ার সময় নাই, বসাই দেয় মোবাইলের মেলা,এটা বড় আজব একটা খেলা। রোকসানা ইয়াসমিন রোকেয়া বলে দেয়
সকালে আর বিকালে,চোখের জ্যোতি, যৌবন শক্তি
চলে যায় অকালে।ব্রেইনের ক্ষতি করছে মানুষ
নিজের মনে থাকেনা হুশ,মোবাইল নিয়ে সবাই এখন বেহুশ।সর্ব অঙ্গের ক্ষতি করে বিশেষ যন্ত্র মোবাইলে,
কঠিন রোগে মরতে হবে অকালে।
আরও আসবে কত রঙের লীলা,
এটা বড় আজব একটা খেলা।
রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতি। আসলে মোবাইল ফোনের স্ক্রিন থেকে যে নীল ও সাদা আলো বিচ্ছুরিত হয়, তা মানুষের মস্তিস্ক থেকে মেলাটোনিন নামের হরমোনের ক্ষরণে বাধা দেয়। আর এই হরমোনই শরীরকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ফলে স্বভাবতই সেই মেলাটোনিন ক্ষরণে যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে অনিদ্রা এবং ঘুমের অভাব দেখা দেয়। ’
যারা দিনে ৮ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অর্থাৎ ঘুমনোর আগে মোবাইল ঘাঁটার অর্থ— কার্যত অস্বাভাবিক এবং অকাল মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনা।তার ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। ডায়াবেটিস, স্থূলতা, হার্টের রোগ এমনকী ক্যান্সারের সম্ভাবনা পর্যন্ত নিদ্রাল্পতার কারণে বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা যৌন ইচ্ছা হ্রাসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়।