লাহুন্দ জামিয়া হুসাইনিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Kishoreganj
  • লাহুন্দ জামিয়া হুসাইনিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা

লাহুন্দ জামিয়া হুসাইনিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা আধুনিক ও দ্বীনি শিক্ষার সমন্বয়ে অনন্য এক ধর্মীয় শিক্ষালয় — লাহুন্দ মাদ্রাসা

এক নজরে top 10
15/08/2026

এক নজরে top 10

15/08/2026

হাফেজ গড়ার দায়িত্ব কার?
শিক্ষক-অভিভাবকের দায়িত্বহীনতা!!

কৃতজ্ঞতায় স্মরণীয় কাটালকান্দি ও নোয়াপাড়া সফরআলহামদুলিল্লাহ!কিছু সফর শুধু পথচলা নয়; কিছু সফর মানুষের ভালোবাসা, আন্তর...
14/08/2026

কৃতজ্ঞতায় স্মরণীয় কাটালকান্দি ও নোয়াপাড়া সফর

আলহামদুলিল্লাহ!
কিছু সফর শুধু পথচলা নয়; কিছু সফর মানুষের ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও মেহমানদারির এমন স্মৃতি উপহার দেয়, যা হৃদয়ে দীর্ঘদিন অমলিন থাকে।

সম্প্রতি লাহুন্দ মাদ্রাসা থেকে ছাত্র-উস্তাদ ও এলাকার কিছু সাথীসহ ৪৬ জনের একটি জামাত তিন দিনের জন্য দাওয়াতে তাবলীগের সফরে কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের কাটালকান্দি গ্রামে গিয়েছিলাম।

জামাতটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে এক জামাত কাটালকান্দি জামে মসজিদে এবং অপর জামাত নোয়াপাড়া মাদ্রাসা মসজিদে অবস্থান করে। আলহামদুলিল্লাহ, উভয় জামাতের প্রতি এলাকাবাসীর যে আন্তরিকতা, ভালোবাসা, সম্মান ও মেহমানদারি আমরা পেয়েছি—তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

তিন দিন ধরে তাঁরা আমাদের মেহমান হিসেবে যে যত্ন নিয়েছেন, খাবার-দাবার থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে যে সহযোগিতা করেছেন, তার প্রতিদান দেওয়ার মতো ভাষা আমাদের জানা নেই। আমরা শুধু বলতে পারি—আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

ভাটি অঞ্চলের মানুষের মন যে খাঁটি—এ কথা আগে অনেকবার শুনেছি। কিন্তু এই সফরে এসে তা যেন নিজের চোখে দেখার এবং হৃদয় দিয়ে অনুভব করার সুযোগ হলো। তাঁদের সরলতা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসা আমাদের সকল সাথীকে মুগ্ধ করেছে।

সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো—শেষ দিনে উভয় মসজিদের অনেক সম্মানিত মুসল্লি অচিরেই দাওয়াতে তাবলীগের সফরে বের হওয়ার জন্য নিজেদের নাম লিখিয়েছেন।
এটি আমাদের জন্য এই সফরের সবচেয়ে সুন্দর প্রাপ্তিগুলোর একটি।

কাটালকান্দি ও নোয়াপাড়া মসজিদের সম্মানিত মুসল্লি, মুরব্বি ও এলাকাবাসী—আপনাদের প্রতি আমাদের অন্তরের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা।

আমরা আপনাদের মেহমান ছিলাম, কিন্তু আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতায় মনে হয়েছে—আমরা যেন আপনাদেরই আপনজন।

আল্লাহ তাআলা আপনাদের মেহমানদারি কবুল করুন, আপনাদের ঘর-বাড়ি, পরিবার-পরিজন ও রিজিকে বরকত দান করুন। আপনাদের অন্তরে দ্বীনের মহব্বত আরও বৃদ্ধি করুন এবং আপনাদেরকে দ্বীনের জন্য কবুল করুন।

আল্লাহ তাআলা আপনাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং আমাদের এই সফরকে দুনিয়া ও আখিরাতের নাজাতের উসিলা বানিয়ে দিন।

آمين يا رب العالمين

— লাহুন্দ জামিয়া হুসাইনিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার সকল সাথীর পক্ষ থেকে
কাটালকান্দি ও নোয়াপাড়ার প্রিয় মেহমানদার ভাইদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।

09/08/2026
07/08/2026

আমাদের ভালবাসা সে মহামানবের জন্য, যিনি হাশরের মাঠে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সুপারিশকারী।
"সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"।

06/08/2026

ইলমের মধ্যে কখন বরকত হবে ?

উস্তাদের সাথে যে পরিমাণ মহব্বত সৃষ্টি হবে ইলমের মধ্যে ও ঠিক সেই পরিমাণ বরকত হবে। মহান আল্লাহ তাআলার সাধারণ নিয়ম এটাই যে, যে ছাত্রের প্রতি উস্তাদ রাজী খুশী নন, তিনি তাকে ইলমে নববী দান করেন না। অভিজ্ঞতা দ্বারা জানা গেছে যে, শাগরেদদের প্রতি উস্তাদের দিল যতটুকু খুশী থাকে ইলমের মধ্যে ততটুকু বরকত লাভ হয়।

03/08/2026

আপনার সন্তান কে মেধাবী করতে চাইলে মোবাইল হতে দুরে রাখুন। ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত মোবাইল দিবেন না। অতি প্রয়োজনে বাটন মোবাইল দিতে পারেন।

বর্তমান প্রতিটি ঘরে বাচ্চাদের এই কাটুন দেখার জন্য মোবাইল টিভি তুলে দিয়েছে। মোবাইল আপনার সন্তানের মেধা শক্তি নষ্ট করে দিচ্ছে।
আপনি সন্মানিত সন্মানিতা মা বাবা, আপনার কোন অধিকার নেই এই বাচ্চা গুলোর মেধা ও চোখ নষ্ট করে দেওয়ার।আপনাকে বুঝানোর কোন ক্ষমতা আমার নেই।
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার ঘুমের অসুবিধা করে,মানসিক চাপ বাড়ায়। হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হাসপাতাল, মার্কেট বা অন্যান্য জনসমাগমস্থলে মোবাইল ব্যবহার করলে ডিভাইসটি জীবাণুর সংস্পর্শে আসতে পারে। এ থেকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয়।শ্রবণক্ষমতা কমায়। দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে। মেরুদণ্ডের ব্যথা তৈরি করে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

মোবাইলের যাদু,ধ্বংস হচ্ছে মানব সমাজ, বিদ্যা শিক্ষা হচ্ছেনা আজ।নারী পুরুষ সবাই মিলে,খেলছে আজব খেলা লেখাপড়ার সময় নাই, বসাই দেয় মোবাইলের মেলা,এটা বড় আজব একটা খেলা। রোকসানা ইয়াসমিন রোকেয়া বলে দেয়
সকালে আর বিকালে,চোখের জ্যোতি, যৌবন শক্তি
চলে যায় অকালে।ব্রেইনের ক্ষতি করছে মানুষ
নিজের মনে থাকেনা হুশ,মোবাইল নিয়ে সবাই এখন বেহুশ।সর্ব অঙ্গের ক্ষতি করে বিশেষ যন্ত্র মোবাইলে,
কঠিন রোগে মরতে হবে অকালে।
আরও আসবে কত রঙের লীলা,
এটা বড় আজব একটা খেলা।

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতি। আসলে মোবাইল ফোনের স্ক্রিন থেকে যে নীল ও সাদা আলো বিচ্ছুরিত হয়, তা মানুষের মস্তিস্ক থেকে মেলাটোনিন নামের হরমোনের ক্ষরণে বাধা দেয়। আর এই হরমোনই শরীরকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ফলে স্বভাবতই সেই মেলাটোনিন ক্ষরণে যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে অনিদ্রা এবং ঘুমের অভাব দেখা দেয়। ’

যারা দিনে ৮ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অর্থাৎ ঘুমনোর আগে মোবাইল ঘাঁটার অর্থ— কার্যত অস্বাভাবিক এবং অকাল মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনা।তার ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। ডায়াবেটিস, স্থূলতা, হার্টের রোগ এমনকী ক্যান্সারের সম্ভাবনা পর্যন্ত নিদ্রাল্পতার কারণে বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা যৌন ইচ্ছা হ্রাসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

বর্তমান দুনিয়ার অন্যতম প্রধান দ্বীনি ও ইলমি অভিভাবক আল্লামা মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানি (হাফিযাহুমুল্লাহ) বলেন---
02/08/2026

বর্তমান দুনিয়ার অন্যতম প্রধান দ্বীনি ও ইলমি অভিভাবক আল্লামা মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানি (হাফিযাহুমুল্লাহ) বলেন---

বরকতময় স্ত্রী, বরকতময় জীবন। জীবনে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ভুলে গেছি, যার মধ্যে অন্যতম হলো—ফজরের নামাজের পর না ঘুম...
01/08/2026

বরকতময় স্ত্রী, বরকতময় জীবন।

জীবনে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ভুলে গেছি, যার মধ্যে অন্যতম হলো—ফজরের নামাজের পর না ঘুমানো।এই মাধ্যমে আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে বরকত, রহমত।তার জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে রিযিকের পেরেশারি, মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতা। ইসলাম এই সময়টিকে বরকতময় ঘোষণা করেছে এবং নবী করিম (সা.) এ সময়ে আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকতে উৎসাহ দিয়েছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে, নামাজের স্থানে বসে থেকে সূর্যোদয়ের পর ইশরাকের দুই রাকাআত নামাজ আদায় করে, তার জন্য হজ ও ওমরাহর পূর্ণ সওয়াব লেখা হয়।” (তিরমিজি: ৫৮৬)

এক হাদিসে ফাতেমা (রা.) বলেন, একদিন সকালে তিনি ঘুমিয়ে থাকলে নবীজি (সা.) তাঁকে পা দিয়ে নাড়া দিয়ে বলেন, “ওঠো! তোমার রবের রিজিক বণ্টন দেখো, অলস হয়ো না। আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের রিজিক ভাগ করে দেন।” (শুআবুল ঈমান: ৪৪০৫)

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফজরের পর দেহের কোষগুলো সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। এ সময় ডোপামিনের মাত্রাও সর্বোচ্চ থাকে, যা স্মরণশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়ক। অথচ বাস্তবতায় এ সময়টিই আজ ঘুমের সময় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাসুল (সা.) আরও দোয়া করেছেন: “হে আল্লাহ, আমার উম্মতের সকালকে বরকতময় করো।” (আবু দাউদ: ২৬০৬)। সাহাবি সাখর গামেদি (রা.) ফজরের সময় ব্যবসা শুরু করতেন, ফলে তিনি প্রচুর লাভবান হন।

পরিবারের মাঝে এই বরকত ধরে রাখার দায়িত্ব হল নারীদের। এজন্যই আরবিতে তাদেরকে বলা হয় রাব্বাতুল বাইত মানে ঘরের মালিকিন। একজন বরকতময় স্ত্রী পারে একটি বরকতময় পরিবার উপহার দিতে। যে ঘরে পুরুষেরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম করেন কিন্তু নারীরা বরকতময় সময় সকালে ঘুমিয়ে থাকে সে পরিবারে বরকত আশা করা যায় না।


এই পবিত্র সুন্নাহ আবার জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে আনলে শুধু আধ্যাত্মিক নয়, বরং শারীরিক ও মানসিকভাবে উপকার পাওয়া সম্ভব। চলুন আমরা নবীজির এই শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করি।

Address

Lahundo Korgau, Kotiady, Kishorganj
Kishoreganj
2330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when লাহুন্দ জামিয়া হুসাইনিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category