#প্রতারনার_নতুন_ফাঁদ
"ইন্টারনেট ঠিক করতে এসে সব নিয়ে গেলো!"
ঢাকার বসুন্ধরা এলাকার এক ফ্ল্যাটে থাকেন রাহাত ভাই, বেসরকারি একটা আইটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার গ্রামের বাড়িতে, উনি একাই থাকেন ঢাকায়। কাজের চাপ থাকলে অফিস থেকেও বাসায় কাজ চালিয়ে নেন। তাই ইন্টারনেট ছাড়া যেন কিছুই চলে না।
গত সপ্তাহে শুক্রবার সকাল বেলা, হঠাৎ করে ইন্টারনেট কানেকশন কাজ করা বন্ধ করে দিলো। বারবার রাউটার রিস্টার্ট করেও কাজ হচ্ছে না। রাহাত ভাই তখন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারকে কল দেন। ওরা বলে, “আজকে ফিল্ড টিম পাঠানো হবে, চিন্তা করবেন না।”
প্রায় আধাঘণ্টা পরে, দুইজন ছেলে ও এক মেয়ে এসে দরজায় নক করে। হাতে সার্ভিস টুলস, গায়ে ইউনিফর্ম টাইপ কিছু, গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো। পরিচয় দিলো— “স্যার, আমরা BanglaConnect থেকে এসেছি, রাউটার চেক করতে হবে।"
রাহাত ভাই ভাবলেন, ঠিকই তো, আমি তো ফোন দিয়েছিলাম। দরজা খুলে তাদের ভেতরে আসতে দেন।
তারা এসে প্রথমেই বলেন, “স্যার, আপনার রাউটারটা কোথায়?”
রাহাত ভাই দেখিয়ে দেন, তারা খুব কনফিডেন্টলি রাউটার খুলে চেক করা শুরু করে।
মেয়েটি বলে, “স্যার, আমরা ওভারঅল স্পিড টেস্ট করবো। আপনার ল্যাপটপ লাগবে।”
রাহাত ভাই তাঁর অফিস ল্যাপটপ দেন। মেয়েটি বলে, “আপনার ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটা দিন প্লিজ।”
সেটাও দিয়ে দেন।
আরেকজন তখন বলে, “স্যার, আমাদের টিম হেড বলেছে বিলিং সংক্রান্ত একটা কনফার্মেশন নিতে হবে। একটা OTP যাবে আপনার ফোনে।”
রাহাত ভাই কিছু না ভেবে OTP দিয়ে দেন, যা আসলে ছিল তার ব্যাংক অ্যাপে লগইন করার জন্য।
মিনিট দশেকের মধ্যে তারা সব কিছু চেক করে, কিছু বুঝে উঠার আগেই বলে, “স্যার, একটা পার্টস আনতে হবে। আমরা আধা ঘণ্টায় আসছি।”
তারা চলে যায়।
রাহাত ভাই ভাবেন, "ঠিক আছে, ওরা তো প্রফেশনাল লাগলো।"
কিন্তু তারপরই ফোনে নোটিফিকেশন আসে— “Your transaction of BDT 85,000 has been processed.”
তিনি তখনই ব্যাংক অ্যাপ খুলে দেখেন—আরও দুটি লেনদেন হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যাংকে কল করে সব ব্লক করান, কিন্তু ততক্ষণে মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্রেডিট কার্ড থেকে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উধাও।
পরে যখন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারকে আবার ফোন দেন, তারা জানায়—তারা কাউকে পাঠায়নি!
এই ঘটনার পর রাহাত ভাই থানায় যান, অভিযোগ দেন, কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।
ছবি ব্যক্তিগত, পোস্ট :সংগৃহীত
Mahmud Hasan
I love to be mirror. You will get me as you treat others.
সকল ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
17/01/2025
রিলিফের মালের লাইন না মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরিক্ষার লাইন
মুরুব্বিরা যদি বাড়ায়ে না বলে এক সময় নাকি এই দেশে সরকারি চাকরি দেওয়ার লোক পাওয়া যাইত না।
সবাই বলে ডাক্তার কসাই চাকরিজীবী রা ঘুষখোর দূর্নিতীবাজ
আবার তারাই ১টা সিটের জন্য ১০০০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ।
একজন পাশ করে সেও পরে ঘুষখোর নাহয় কসাই হয়ে যায় কেউ তো ভালো হয়ে দেখাই না।
তাই নিজেকে পরিবর্তন করেন তাহলে সমাজ পরিবর্তন হবে।
জামিল বাংলাদেশে থাকে দূর্নীতি চাঁদাবাজী ছিনতাই ঘুষ রাজনৈতিক মামলা হামলা এসব দেখে যেখানে জীবনের নিরাপত্তা কম সেখানে থাকবেনা সিদ্ধান্ত নিল চলে গেল ব্যবসায় বান্ধব দেশ চীনে সেখানে বাংলাদেশের মত দূর্নীতি চাঁদাবাজী ছিনতাই ঘুষ রাজনৈতিক মামলা হামলা নাই কিন্তু তারা এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে হুট হাট ভাইরাস ছরিয়ে পরে জীবনের হুমকি কভিড থেকে কোন রকম জীবন বাচিয়ে চলে গেল প্রাই ১০০০ বছর বিশ্ব শাসন করা তুর্কিতে নিরাপদ জীবনের খোঁজে সেখানে এমন ভূমিকম্প হলো হাজার মানুষ মারা গেল আর সেখানে দূর্নীতি চাঁদাবাজী ছিনতাই ঘুষ রাজনৈতিক মামলা হামলা বা ভাইরাসের ভয় না থাকলেও সেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয় আছে হুট হাট মাত্রাতিরিক্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগে যে কারো জীবন যাইতে পারে।
তাই এবার জামিল ১ কোটি ৬০ লক্ষ ইহুদিরা অলিখিত ভাবে বিশ্ব শাসন করে সেই ইহুদিদের দেশ ইসরাইলে চলে গেল প্রযুক্তি টাকা ক্ষমতা সব যাদের হাতে সেই ইজরায়েলের আইরন ডোম ভেদ করে বোমা হামলা হল তাই আবার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত জামিল গেল আমেরিকা সেখান আগ্নেয়গিরির দাবানলে সারা শহর পুরে ছাই।
এখন জামিল উপলব্ধি করলো দুনিয়াতে আসলে কোন কিছুই স্থায়ী না। আজ আছে তো কাল নাই চেষ্টা করতে হবে সতর্ক থাকতে হবে। তবে সৃষ্টিকর্তার বিধান বলেন বা ইচ্ছা বলেন যে যে যেভাবে বিশ্বাস করেন সেটা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কারো নাই সেটা ঘটবেই সতর্কতা আর চেষ্টা আপনাকে সর্বোচ্চ নিরাপদ রাখতে পারে কিন্তু স্থান কাল পাত্র ভেদে খুব যে লাভবান হবেন তেমন সম্ভাবনা কম
সুতরাং অহংকার হিংসা লুটতরাজ এগুলা করে দীর্ঘ মেয়াদে আপনি আসলে লাভবান হবেন না যে এটা প্রতি শতাব্দী তে দীর্ঘ সময় পরে হলেও প্রমানিত হয়েছে বারংবার সময় বলেন বা প্রকৃতি বলেন বা বিধাতা যে যেমনে বলতে বা ভাবতে চান ঠিক আপনাকে আপনার প্রাপ্য ফিরত দেয় এই দুনিয়াতেই. প্রমান আমি দিতে পারবো যদি কেউ চান
আমরা শৈশবে পরেছি এক ইহুদী বুড়ী আমাদের প্রিয় নবীজী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) যে পথে সকালে নামাজ পরতে যেতেন সে পথে কাটা বিছিয়ে রাখতেন। সেই বড়ই গাছের কাটা আমাদের নবীজী কে কষ্ট দিতেন। হটাৎ যখন একদিন নবীজী দেখলেন উনার পথে কাটা নেই তিনি ভাবলেন এমন তো কখনো হয়নি হয়ত বুড়ী আজ আসতে পারে নাই এমনে তিন দিন কাটা না পেয়ে নবীজী ওই বুড়ীর জন্য চিন্তিত হলেন এবং বুড়ীর খোঁজ করে তার বাড়িতে গিয়ে দেখলেন বুড়ি অসুস্থ নবীজি কে দেখে বুড়ি ভয় পেলেন এবং ভাবলেন যে নবীজি হয়তো প্রতিশোধ নিবেন। কিন্তু নবিজী বুড়ির ভয় দুর করে তাকে দিনরাত সেবা করে সুস্থ করে তুললেন। বুড়ি মনে মনে বুঝতে পারলো এতদিন সে ভুল করেছে তাই সে তওবা করলো এবং পরবর্তীতে ইসলাম প্রচার করলো যতদিন বেচে ছিলেন।
ইসলাম কে শান্তির ধর্ম কোন কারন ছারা বলা হয়না।
ইসলামে কোথাও নেই জোর করে বা অত্যাচার করে ইসলাম গ্রহন করানোর কথা।
এমন কি ক্ষিলাফত যখন ছিল খলিফারা যখন প্রাই অর্ধেকের বেশী বিশ্ব শাসন করতো তখনো কারো উপর জুলুম করে ইসলাম চাপানো হয়নি।
এটাই ইসলামের সুন্দর্য।
কিন্তু কাফের বিশেষ করে ইহুদী রা মুসলমানদের ভিতর মুসলিম নেতা সেজে আসে এবং জুলুম করে। এটাকে দেখিয়ে অন্য কাফের রা ইসলামের নিন্দা করে।
তাই আপনার পবিত্র কোরআন আছে আপনি সেটি বাংলা অর্থ সহ পাঠ করুন।
নিজে অনুধাবন করুন।
কাফেরদের দ্বারা প্রতারিত হয়েন না।
উপরে গিয়ে কি জবাব দিবেন যে বুঝতে পারেন নি।
কেন আপনার সামনে কুরআন শরীফ থাকতে আপনি এই অযুহাত দিবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
2300