09/03/2026
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মাজহারুল ইসলাম আজ কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং এর সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। মাননীয় সংসদ সদস্যের এ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার মহোদয়, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
05/03/2026
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্যারকে আন্তরিক অভিনন্দন।
02/03/2026
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মাননীয় উপাচার্যের বাণী
21/02/2026
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত
20/01/2026
https://mzamin.com/news.php?news=199645
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী, তিনবারের .....
20/01/2026
প্রেস রিলিজ
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোষহীন নেত্রী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় একটি স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। “মহাকালের সমাপ্তি” শীর্ষক এই স্মরণ সভা ২০ জানুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব নায়লা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া। স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য ড. মো. সফিকুল ইসলাম এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক মো. ইমান আলী। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্মের ওপর গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে আলোকপাত করে মাননীয় উপাচার্য ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা, মননশীল আচরণ ও ন্যায়ভিত্তিক প্রজ্ঞা তাঁকে নৈতিক উচ্চতার এক অনন্য দৃষ্টান্তে পরিণত করেছে। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি কখনো অসৌন্দর্যপূর্ণ ভাষার আশ্রয় নেননি এবং সর্বদা ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ কারণেই তিনি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন।”
মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল তাঁর বিনয়। তিনি কখনো নিজেকে ইতিহাসের নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করেননি; বরং ক্ষমতার ভাষার পরিবর্তে নীরব সহিষ্ণুতায় বিশ্বাস করেছেন। বিরোধী রাজনীতির মধ্যেও ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিহার করে নীতিগত অবস্থানে দৃঢ় থাকার যে দৃষ্টান্ত তিনি রেখে গেছেন, তা আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে। তাঁর নেতৃত্বের মাহাত্ম্য এখানেই যে, নেতৃত্ব মানে কণ্ঠ উঁচু করা নয়, বরং দায়িত্ব বহন করা; নেতৃত্ব মানে প্রতিশোধ নয়, বরং ধৈর্য এবং নেতৃত্ব মানে নিজেকে বড় করা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা।”
মাননীয় উপ-উপাচার্য ড. মো. সফিকুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের অভিভাবকস্বরূপ এক ব্যক্তিত্ব। সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কখনো আপোষ করেননি। একজন গৃহিণী থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের নেতৃত্বে উঠে আসার তাঁর জীবনগাথা দেশের রাজনীতিতে এক বিরল দৃষ্টান্ত।” তিনি আরও বলেন, “দলের প্রয়োজনে জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে সংগঠন গড়ে তুলতে তিনি অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা ও অপার মমতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি কখনো ক্ষমতা আঁকড়ে ধরেননি; বরং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জনমুখী রাজনীতি ও শোভন আচরণের মাধ্যমে সমানভাবে জনপ্রিয় ছিলেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর অবদান অনন্য। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন এবং স্বৈরাচারবিরোধী সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর জীবনের সমাপ্তি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী হলেও চরিত্র চিরস্থায়ী, এবং সময়ের বিচারে মানুষ শেষ পর্যন্ত মানবিকতা, বিনয় ও সহনশীলতাকেই স্মরণে রাখে।”
মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক মো. ইমান আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মৃত্যু শাশ্বত, অবিনশ্বর, অবিসংবাদিত এবং চিরন্তন। সকলকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটা অবধারিত এবং চিরসত্য। কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু মানসপটে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে—বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু তারই প্রতিচ্ছবি। আমরা তার মৃত্যুতে শোকাহত। মৃত্যুকে তিনি আলিঙ্গন করেছেন সততা, শুদ্ধতা, স্বচ্ছতা এবং দৃঢ়তায়। অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করেন নি। এজন্যই তো তিনি আপোষহীন। তিনি বলেন, আজ তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি আমাদের নিজেদের কাছেও একটি প্রশ্ন থেকে যায়—আমরা কি তাঁর মতো ধৈর্যশীল হতে পারব, এবং মতভিন্নতার মধ্যেও কি শালীনতা ও সহনশীলতা বজায় রাখতে পারব।”
স্মরণ সভায় কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও বক্তব্য রাখেন। শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মো. রাকিবুল আলম, গণিত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব মো. সাইফুল ইসলাম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব আসমা আকতার সুমি এবং সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব সাবাব জুলফিকার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. তাজুল ইসলাম, গণিত বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী কনক সিদ্ধ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহেদুল আবেদিন নাফসি এবং সিএসই বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী শাফিউল মুজনিবীন।
সবশেষে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে স্মরণ সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
18/01/2026
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উক্ত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষভাবে আমন্ত্রিত।
15/01/2026
স্মরণ সভা এবং দোয়া মাহফিল
30/12/2025
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মাননীয় উপাচার্যের শোকবার্তা