আসসালামুআলাইকুম,
গুনাহ মাপের ছোট্ট একটা আমল।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ
"সুব্হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী"
(আমি আল্লাহ তা'আলার পবিত্রতা বর্ণনা করি এবং তারই প্রশংসা করি)
..তার পাপসমূহ মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে।
📑বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৫; মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯১
Maxim Of Islam
"Maxim Of Islam" provides you Bangla islamic waz mahfil videos, Islamic Life Style, Islamic life upd
দরদ মাখা কন্ঠে কান্নার ওয়াজ।
মুফতীঃ রেজাউল করীম পীর সাহেব।
হুজুরদের কোন কাজে ভাতা নেওয়া জায়েজ।
নুরুল ইসলাম অলিপুরী
"রিদজাল আহমেদ" যার কোরআন তেলাওয়াত শুনে পুরো বিশ্ববাসী মুগ্ধ হয়েছিল।
05/10/2021
– ইবনে মাজাহ
05/10/2021
আল হাদিস
01/10/2021
★১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি।★
১. আল্লাহও লাগে ইল্লাও লাগে।
২.তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।
(ফুল চন্দন হিন্দুদের পূজা করার সামগ্রী)
৩.কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে
(কেষ্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জন্য কষ্ট করছেন?)
৪.মহাভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?
(মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)
৫.মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।
(এটি ইসলামের নামে কটুক্তি করা)
৬.লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে লক্ষী স্ত্রী বলা।
(হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)
৭.কোন ওষুধকে জীবন রক্ষাকারী বলা।
(জন্ম-মৃত্যু একমাত্র আল্লাহর হাতে)
৮.দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।
(এর অর্থ রাজাদের রাজাধীকার)
৯.নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলসি পাতা বলা।
(এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)
১০.ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাউস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।
(এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)
১১.ইয়া আলি, ইয়া রাসূল (সঃ) বলে ডাকা( মানে দোয়া করা অর্থে, আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে কিছু চাওয়া)
(আল্লাহ ছাড়া পৃথিবীর কারোর কাছে কিছু পার্থনা করা শির্ক)
১২.বিসমিল্লায় গলদ বলা।
(এটি সরাসরি কুফরি)
১৩. মৃত্যুর সাথে পান্জালড়া বলা।
(কুফরি বাক্য, তাই সাবধান)
১৪. মধ্যযুগ বর্বরতা বলা।
(মধ্যযুগ ছিল ইসলামের স্বর্ণযুগ)
১৫.মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।
(ইসলাম ধ্বংসকারী মতবাদ)
১৬ নামায না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা। (ইসলাম থেকে বের করার মূলনীতি)
তাই মুসলমান ভাই ও বোনেরা যখন কথা বলবেন খুব সাবধানে বলবেন।
আর এসব কথা ভুলেও কখন মুখে আনবেন না।
Maxim of islam
22/09/2021
14/09/2021
☘️🍀☘️ইস্তিগফার☘️🍀☘️
♠ ইস্তিগফার কি?
♠ইস্তিগফার কিভাবে করতে হয় ?
♠ ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা কি?
♥♥ইস্তিগফার কি:→
🍁ইস্তিগফার হলো, আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা ।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ′′আল্লাহর ক্বসম !
আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও অধিক ইস্তিগফার করি
(আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই) এবং তাওবাহ করি ।′′
{বুখারী ৫/২৩২৪}
♦ইস্তিগফার কীভাবে করবো:---->
🍁ইস্তিগফার যে কোন শব্দেই করা যায় । এমনকি {ইয়া আল্লাহ ! আমাকে ক্ষমা করে দিন !} - বলে দুয়া করলেও হবে ।
তবে রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে বাক্যে ইস্তিগফার করেছেন, সে বাক্যে ক্ষমা চাওয়া নিঃসন্দেহে অতি উত্তম ! নিম্নে হাদীসে বর্নিত কিছু ইস্তিগফার দেয়া হলো ! মুখস্থ করে নিতে পারেন ইনশাআল্লাহ ।
♦১| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ (আস্তাগফিরুল্লাহ) শুধু ❝আস্তাগফিরুল্লাহ❞ বলা ।
রসূল (ﷺ) নামাজ শেষে ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলতেন ।
(মুসনাদে আহমদ- ২২৪০৮)
♦২| ﺃﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﺍﻟﻌَﻈِﻴﻢَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇﻟَﻪَ ﺇﻻَّ ﻫُﻮَ، ﺍﻟﺤَﻲُّ ﺍﻟﻘَﻴُّﻮﻡُ، ﻭَﺃﺗُﻮﺏُ ﺇﻟَﻴﻪِ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ❝যে ব্যক্তি এই দু‘আ পাঠ করবে সে জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করলেও তাকে ক্ষমা করা হবে ।❞
(আবু দাঊদ ১৫১৭)
♦৩| ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻰَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) মাসজিদে অবস্থানকালে একই বৈঠকে একশো বার এ দু'আ পাঠ করেছেন এবং আমরা তা গণনা করেছি ।
(আবু দাঊদ ১৫১৬)
♦৪| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﻭ ﺃﺗﻮﺏ ﺇﻟﻴﻪ
আবু হুরাইরা (রা.) বলেনঃ ❝আমি রাসূল (ﷺ)-র চাইতে কাউকে অধিক এই ইস্তিগফার বলতে শুনি নি - ❝আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি❞!
❞ (নাসায়ী কুবরা ১০২১৫)
♦৫| ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺑِﺤَﻤْﺪِﻩِ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুব বেশি বেশি এই দুয়া পড়তেন । এমনকি রাসূল (ﷺ) ইন্তিকালের আগেও এই দুয়াটা অনেকবার করেছেন ।
(সহীহ মুসলিম ৪৮৪)
তবে, সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইস্তিগফার হলো, ❝সাইয়িদুল ইস্তিগফার❞।
♦৬| ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ، ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ، ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ، ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ، ﺇِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
যেটি সকালে পড়লে ওই দিন সন্ধ্যার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল হওয়ার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। (সহীহ বুখারী ৬৩০৬)
♥ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা:---->
🍁
♣১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয় । বাগান ও শস্যে ভালো ফসল হয় । নদী-নালা থাকে জীবন্ত ।
♣২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন ।
♣৩। দ্বীন পালন সহজ হয়। এবং কর্মজীবন হয় সুখের ।
♣৪। আল্লাহ ও বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায় ।
♣৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয় ।
♣৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয় ।
♣৭। দ্বীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায় ।
♣৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয় ।
♣৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায় ।
♣১০। দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয় ।
♣১১। বেকারত্ব দূর হয় ।
♣১২। আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জিত হয় । তার তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন ।
♣১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে ।
♣১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে ।
♣১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে ।
♣১৬। মন্দ কজ থেকে বিরত থাকা যায় ।
♣১৭। আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন ।
{{নাযরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ২/৩০২}}
♦আল্লাহ্ আমাদেরকে নিয়মিত ইস্তিগফারের আমল করার তৌফিক দান করুন, আল্লাহুম্মা আমীন ।♦
💮Maxim of Islam 💮