23/05/2026
🌙 ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটির নোটিশ 🌙
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আল ইনসাফ ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদরাসা-এর সকল সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাদরাসার সকল ক্লাস ও অফিস কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
🗓️ ছুটির সময়সূচী:
ছুটি শুরু: ২৬ মে, ২০২৬ (মঙ্গলবার) থেকে।
ছুটি শেষ: ০৩ জুন, ২০২৬ (বুধবার) বিকাল ৫:০০ ঘটিকা পর্যন্ত।
📖 ক্লাস শুরুর তথ্য:
ছুটি শেষে ইনশাআল্লাহ আগামী ০৩ জুন, ২০২৬ (বুধবার) বিকাল ৫:৩০ মিনিট থেকে মাদরাসার সকল শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় নিয়মিতভাবে চালু হবে।
"আমরা সকল অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি যেন শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে মাদরাসায় উপস্থিত হয়ে তাদের পাঠ্যক্রমে মনোনিবেশ করতে পারে।"
(আল্লাহ আমাদের সবার কোরবানি কবুল করুন এবং ঈদ কাটুক আনন্দ ও ইবাদতে)
শুভেচ্ছান্তে,
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক.....
হাফেজ ক্বারী মাহফুজ বিন জামাল
আল ইনসাফ ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদরাসা
📍 সাইফুল্লাহ মার্কেট ২৯৮, বিআইডিসি রোড, খালিশপুর, খুলনা।
📞 যোগাযোগ: ০১৯৭৫-৬৫২৩৬৯
12/05/2026
আল ইনসাফ ইন্টারন্যাশনাল-এর পক্ষ থেকে সকলকে পবিত্র ঈদুল আযহার
আগাম শুভেচ্ছা। কুরবানি কবুল হওয়ার জন্য সহিহ মাসআলা জানা অত্যন্ত জরুরি।
{কুরবানির মাসায়েল: কি করবেন এবং কি করবেন না}
✅ যা করবেন (করণীয়):-
১- নিয়ত শুদ্ধ রাখা: লোক দেখানো কুরবানি না করে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির
জন্য কুরবানি করা।
২- সুস্থ পশু নির্বাচন: কুরবানির পশু অবশ্যই সুস্থ, সবল এবং ত্রুটিমুক্ত হতে হবে।
৩- যিলহজ মাসের চাঁদ দেখা: যিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী
করা পর্যন্ত নিজের নখ, চুল বা অপ্রয়োজনীয় লোম না কাটা মুস্তাহাব।
৪- তাকবিরে তাশরিক: ৯ই যিলহজ ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ আসর
পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর একবার 'তাকবিরে তাশরিক' বলা ওয়াজিব।
৫- বর্জ্য অপসারণ: কুরবানি শেষে পশুর রক্ত ও বর্জ্য নিজ দায়িত্বে
পরিষ্কার করুন বা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন।
❌ যা করবেন না (বর্জনীয়):-
১- অপ্রাপ্তবয়স্ক পশু কুরবানি: গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে ২ বছর এবং ছাগল/ভেড়ার ক্ষেত্রে ১ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া জরুরি (তবে ভেড়া বা দুম্বা যদি ৬ মাসে দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তবে জায়েজ)।
২- পশুর ওপর নিষ্ঠুরতা: ভোঁতা ছুরি দিয়ে যবেহ করা বা পশুর সামনে ছুরি ধার দেওয়া যাবে না।
৩- যবেহ করার পর পশু নিস্তেজ হওয়ার আগে চামড়া ছাড়ানো বা পা কাটা সম্পূর্ণ নিষেধ।
৪- চামড়া বা গোশত বিক্রয়: কুরবানির গোশত বা চামড়া বিক্রি করে কসাইয়ের পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে না। চামড়া দান করতে হবে অথবা বিক্রি করলে সেই টাকা গরীব-মিসকিনকে দিতে হবে।
৫- অংশীদারে হারাম টাকা: কুরবানির বড় পশুকে অংশীদার নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কারো টাকা সুদি বা হারাম উপার্জনের না হয়।
শুভেচ্ছান্তে ও প্রচারে:- {আল ইনসাফ ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা}
বিআই ভিসি রোড, খালিশপুর,খুলনা, বাংলাদেশ
10/05/2026
📖 এক টুকরো রাজকীয় আতিথেয়তা: যেখানে ছাত্র-উস্তাদের সম্পর্ক হয় ইতিহাসের অংশ!
ভোর থেকেই মাদ্রাসার আঙিনায় আজ এক অন্যরকম আমেজ। সাধারণত ইলমের বাগানে কিতাবের পাতায় সময় কাটলেও, আজ সময়টা ছিল ছাত্র ও উস্তাদদের মধ্যে এক বিরল এবং রাজকীয় সেতুবন্ধন তৈরির।
আমাদের দস্তরখানে আজ যখন ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাতের সাথে 'ছাগলের পায়ের নেহারি' পরিবেশন করা হচ্ছিল, তখন ছাত্রদের চোখেমুখে ছিল বিস্ময় আর তৃপ্তি। এই দৃশ্যটি কেবল একটি দুপুরের খাবারের নয়—এটি একটি সংস্কৃতির গল্প। এমন এক গল্প, যা সচরাচর মাদ্রাসার চার দেয়ালে দেখা যায় না।
আমাদের এই আয়োজনের বিশেষত্ব:
মর্যাদার শীর্ষে শিক্ষার্থী: আমরা বিশ্বাস করি, যারা দ্বীনের পথে নিজেকে সঁপে দিয়েছে, তাদের জন্য সেরা খাবার ও সেরা পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
আভিজাত্যে অনন্য: ছাগলের নেহারির মতো দুর্লভ ও অভিজাত একটি মেনু নির্বাচন করে আমরা প্রমাণ করেছি যে, মাদ্রাসা মানেই শুধু সাধারণ জীবন নয়, বরং এখানেও আধুনিক ও মানসম্পন্ন জীবনবোধের চর্চা সম্ভব।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড: খাবারের স্বাদ থেকে শুরু করে পরিবেশনার মার্জিত রূপ—সবখানেই আমরা ফুটিয়ে তুলেছি এক আন্তর্জাতিক মান, যা আমাদের প্রতিষ্ঠানকে অন্যদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে রাখে।
আমরা কেবল মেধাবী আলেম গড়ার কারখানা নই, বরং আমরা এমন এক পরিবার যেখানে ছাত্ররা নিজেদের সবচেয়ে সম্মানিত অনুভব করে। আজকের এই আয়োজন সেই ভালোবাসারই এক ছোট প্রতিফলন।
আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের মেলবন্ধনে আমরা গড়ছি আগামী দিনের শ্রেষ্ঠ মানুষ।
#মাদ্রাসা_জীবন #রাজকীয়_আয়োজন #হরিণের_নেহারি #অনন্য_প্রতিষ্ঠান #শিক্ষার_পরিবেশ #তালিবে_ইলম #আভিজাত্য #গল্পের_মত_মাদ্রাসা
08/05/2026
{এক টুকরো কেক আর একঝাঁক নির্মল হাসি}
বিকেলের শান্ত আবহে মাদ্রাসার পরিবেশটা ছিল আর দশটা দিনের মতোই স্বাভাবিক। কিন্তু হঠাৎ করেই আনন্দটা দ্বিগুণ হয়ে গেল যখন আমাদের অত্যন্ত প্রিয় এবং কাছের একজন ভাই আমাদের মাঝে হাজির হলেন। তবে খালি হাতে নয়, তাঁর হাতে ছিল একটি সুন্দর কেক।
মজার বিষয় হলো, কেকটি তিনি এনেছেন আমাদের ছাত্রদের প্রতি ভালোবাসা থেকে। এই কোমলমতি শিশুদের মেধা, আদব আর দ্বীনি শিক্ষার প্রতি একাগ্রতা দেখে তিনি এতটাই মুগ্ধ হয়েছেন যে, নিজের আনন্দটুকু তাদের সাথে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন।
ছাত্রদের গোল হয়ে বসার সেই দৃশ্য, তাদের চোখের কৌতূহল আর এক টুকরো মিষ্টি মুখের অপেক্ষা—সব মিলিয়ে এক দারুণ মুহূর্ত। যখন কেকটি কাটা হচ্ছিল, তখন ছোট ছোট মুখগুলোতে যে নির্মল হাসি ফুটে উঠেছিল, তা যেন দুনিয়ার সব দামী উপহারকেও হার মানায়।
আসলে উপহারটা কত বড় তার চেয়ে বড় ছিল ভাইয়ের ওই আন্তরিকতা। দ্বীনি বন্ধন যে কতটা শক্তিশালী হতে পারে, তা আজ আবারও অনুভব করলাম। আল্লাহ আমাদের ছাত্রদের এই সুন্দর শৈশবকে কবুল করুন এবং ভাইয়ের এই ভালোবাসাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
(মিষ্টি মুখের এই স্মৃতিটুকু আজীবন মনের ফ্রেমে অমলিন হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ)