22/10/2025
সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম,
আজ আমরা খুলনা ইউনিভার্সিটি এর প্রশ্ন প্যাটার্ন সম্পর্কে অবগত হব। অনেকেই হয়তোবা জানো, আবার অনেকে জানোনা। অলরেডি জানানো হয়েছে যে ১৮ই ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে খুলনা ইউনিভার্সিটি তাদের 'A' এবং 'B' unit এর এক্সাম নিবে এবং ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৫ সালে খুলনা ইউনিভার্সিটি এর অফিসিয়াল পেজে এ সম্পর্কিত তথ্য জানা যাবে। সবচেয়ে ভালো দিক হলো সেকেন্ড টাইমারদের জন্য কোনো mark কর্তন করা হয় না এবং first timer দের GPA 5.00 না থাকলেও marks কাটা যায় না।
এখন আমরা আলোচনা করবো আমাদের মূল বিষয়ে:
KU A Unit:- (মোট সীট ৩০৩ সাধারণ, কোটা সহ ৩২০ according to last year)
১. এক্সাম নম্বর আর সময় কত?
→এক্সাম নম্বর ১০০, সময় ৯০ মিনিট
২. নম্বর ও সময়ের ভাগ হবে কিভাবে?
→
★অব্জেক্টিভ অংশে- ৬০ নম্বর
(i)ফিজিক্স -২০
(ii)ক্যামিস্ট্রি -২০
(iii)ম্যাথ -২০
সময় ৪৫ মিনিট
★রিটেন অংশে - ৪০ নম্বর (৮ টি প্রশ্ন)
(i)ফিজিক্স - ৫
(ii)ক্যামিস্ট্রি - ৫
(iii)ম্যাথ - ৫
(iv)আইসিটি - ১৫
(v)ইংরেজি - ১০
KU B Unit:- (মোট সীট ২৬৬ সাধারণ, কোটাসহ ২৮১ according to last year)
১. এক্সাম নম্বর আর সময় কত?
→এক্সাম নম্বর ১০০, সময় ৯০ মিনিট
২. নম্বর ও সময়ের ভাগ হবে কিভাবে?
→
★অব্জেক্টিভ অংশে- ৬০ নম্বর
(i)জীববিজ্ঞান -১৫
(ii)ক্যামিস্ট্রি -১২
(iii) ম্যাথ-১২
(iv) ফিজিক্স -১২
(v) ইংরেজি - ৯
★ রিটেন অংশে - ৪০ নম্বর
(i) জীববিজ্ঞান -১০
(ii) ফিজিক্স -৮
(iii) ক্যামিস্ট্রি - ৮
(iv) ইংরেজি - ৬
শুভকামনা রইলো তোমাদের জন্য
~ সাদিন হোসেন ইনান কুয়েট'২১ এবং তরিকুল ইসলাম তানিম বুয়েট'২৩
21/10/2025
সুপ্রিয় ফার্স্ট এন্ড সেকেন্ড টাইমার স্টুডেন্টরা, আসসালামু আলাইকুম..
আশাকরি সবাই ভালো আছো। তোমাদের এডমিশন Journey টা অনেক চাপের, এর মাঝে গুছিয়ে পড়া অনেক টা টাফ হবার পথে। তাছাড়া ডিসেম্বর এই সম্ভাবনা আছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি এর এক্সাম নেয়ার। তাই তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম ২০০০-২০২৪ ব্যাচে DU তে আসা সকল (ইন্টিগ্রেশন) অধ্যায়ের ৪৫ টি এক্সক্লুসিভ ম্যাথ।
আশাকরি এইগুলো করে গেলে এই টাইপের ই ৮-১০ টা অব্জেক্টিভ তোমরা ঢাবিতে পাবা।
পাশাপাশি অন্যান্য ইউনিভার্সিটি তেও কিন্তু এই টাইপ গুলা থেকে প্রশ্ন আসার হার অনেক বেশি। তবে আর দেরি কিসের কাজে লেগে যাও।
তোমরা সলভ করে কমেন্ট বক্সে বা আমাদের ইনবক্সে উত্তর পাঠাতে পারো এবং নেক্সট এ কোন অধ্যায়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দিব ম্যাথের জানাতে পারো।
সাদিন হোসেন ইনান
কুয়েট'২১
29/08/2025
ইন্টারে প্রথম গিয়াস স্যারের বইতে দেখেছিলাম এই সূত্রখানা, তখন বুঝি নি যে এই 1/3 এর রহস্য কী? ১/২ বা শুধু M কেন না! আশা করি তোমরা এখন থেকে জেনে খাটাবা যে কেন হচ্ছে এমনটা।
বি.দ্র. : হাতের লেখা বা কোনো লেখা না বুঝলে feel free to comment down. যথাসম্ভব রিপ্লাই দাওয়ার চেষ্টা করা হবে।
10/08/2025
শুরু করা যাক ছোটকালের এক প্রশ্ন দিয়ে, সূর্য থেকে আমরা কী পাই? এক কথায় চোখ বুঝে উত্তর শক্তি! কিন্তু আসলেই কী তাই?
সূর্য থেকে আমাদের পৃথিবী যতখানি শক্তি পায় ঠিক ততখানি শক্তিই আবার মহাবিশ্বে radiate করে বা ফেরত পাঠায়। তাহলে? সূর্যের পিছে পিছে এতো ঘুরে আমরা আসলে পাচ্ছি টা কী?
আচ্ছা একটু পুরানো দিনে ফিরি, উনিশ শতাব্দীর শুরুর দিককার ঘটনা। ফ্রান্সকে বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলায়ে চলার যোগ্যতা এনে দিতে ব্যস্ত এক বিজ্ঞানী। নাম সাদি কার্নো। তখন স্টিম ইঞ্জিনের হুমাহুম প্রচলন ইউরোপে। কার্নো ভাবলেন আরও ভালো কী করা যায়। তিনবছর থার্মাল ইঞ্জিন নিয়ে পড়াশোনা করলেন। চেষ্টা ফ্রিকশানলেস, ১০০% এফিসিয়েন্ট এক ইঞ্জিন বানানোর। থিওরি দিয়ে দাড় করাতে দিয়ে দেখলেন এ আসলে অবাস্তব। কারণ আমরা ফিজিক্স সেকেন্ড পেপারে দেখে এসেছি যে তাপীয় ইঞ্জিনের ইফিসিয়েন্সির সূত্র দাঁড়ায় (1 - T2/T1). এর মানে কী? যতই যা ম্যাটেরিয়াল ইউজ করি বা ফ্রিকশান কমাই। দক্ষতা আসলে নির্ভর করে তাপ বা তাপমাত্রার ওপর। এখন শতভাগ দক্ষ হতে হলে হয় উৎসে হয় অসীম তাপ দিতে হবে নয়তো গ্রাহকের থেকে কোনো তাপ নির্গত হতে দাওয়া যাবে না। যা পারত পক্ষে অসম্ভব।
এরপর দৃশ্যপটে প্রবেশ আরেক বিজ্ঞানীর। রুডলফ ক্লসিয়াস। তিনি কার্নোর ইঞ্জিন নিয়ে ঘাটাঘাটি করে দেখেন যে কেনো আসলে সম্ভব হচ্ছে না! তিনি দেখেন যে শক্তির টেন্ডেন্সি হলো চারিদিকে তার সিস্টেমে ছড়িয়ে যাওয়া। শুরুতে শক্তি কেন্দ্রিভূত থাকলেও যখন ই কার্নো ইঞ্জিনের সিলিন্ডার, পিস্টন, আইল, শ্যাফটে ছড়িয়ে যাচ্ছে, তার কার্যকারিতাও কমে আসছে। তিনি নাম দিয়ে দিলেন এর "এনট্রপি"। অর্থাৎ এনার্জির যে এই ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা, এটাই মূলত এনট্রপি। আরও দিলেন থার্মোডিনামিক্সের দুটি সূত্র.....
১. মহাবিশ্বের শক্তি সর্বদা ধ্রুব।
২. আর এই শক্তি সবসময় তার সর্বোচ্চ অবস্থায় থাকতে চায়(অর্থাৎ আমাদের প্রিয় এন্ট্রপি সবসময় বাড়তে চায় বা বিশৃঙ্ক্ষলার দিকে ধাবিত হয়)
আর এই এনট্রপির ধর্ম হলো সবসময় বেশির দিকে ছোটা। সেই বিগব্যাং এর সময় সব এনার্জি কম্প্যাক্ট ছিলো। ধীরে ধীরে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে আর এই এনার্জি স্প্রেড আউট হচ্ছে। যদি তা না হতো তাহলে আমাদের সময়ের কন্সেপ্ট ই ভুল হয়ে যেত। কারণ আমরা আমাদের আসেপাশে যা দেখি সব ই ভবিষ্যতের দিকে আগাচ্ছে। ধরো, তুমি গ্লাসে পানিতে চিনি দিয়ে নাড়ালে তা বেশি মিক্স হবে। এর উল্টোটা কিন্তু হয় না। যে নাড়ালে আনমিক্স হচ্ছে। বা দুটো এস্ট্রয়েড কলাইড না করে দূরে সরে যাচ্ছে। অর্থাৎ আমাদের ভাষায় আমরা অতীতে চলে যাচ্ছি। দেখেছো, ক্যানো আমরা কখনোই অতীতে টাইম ট্রাভেল করতে পারবো না?!
এখন বলতে পারো যে তাহলে এসি চালালে তো ভাইয়া রুম ধীরে ধীরে ঠান্ডা হচ্ছে। তাহলে তো এনট্রপি কমছে। হ্যা কমছে, কারণ এসি চালালে আউটডোর থেকে পরিবেশে আরও বেশি হিট রেডিয়েট করে। মানে রুমের এন্ট্রপি কমা তখনই সম্ভব যখন ওই সিস্টেমের দ্বারা অন্য কোথাও এনট্রপি আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে।
তাহলে শুরুর সেই কথায় আসি! যদি শক্তি যা পাই, তাই ই দিয়ে দি।তাহলে লাভটা কোথায় হচ্ছে?! লাভ হচ্ছে এন্ট্রপিতে। সূর্য থেকে আমরা যে এনার্জি পাচ্ছি তা বেশি কম্প্যাক্ট। এই এনার্জি ইউজ করা সোজা, ইফিসিয়েন্ট। আমাদের গাছ এই এনার্জি নিয়ে বেড়ে ওঠে, পশুপাখি সেই গাছ থেকে ফল বা গাছটাকেই ধরে খেয়ে ফেলে বেচে থাকে। বড় প্রানী আবার তাদেরকে খায়। এভাবেই ইকোসিস্টেম টিকে আছে।
যদি আমরা সূর্য থেকে ১ টা ফোটন পাই, তাহলে তার প্রেক্ষিতে আমরা মহাবিশ্বে ২০ টা ফোটন আবার ছাড়তেছি। কিন্তু এই ১ টা আর ২০ টা ফোটনের এনার্জি সমান। কারণ আমাদের রেডিয়েট করা এনার্জির এন্ট্রপি অনেক বেশি।
সূর্য এই কম্প্যাক্ট শক্তি পাচ্ছে মহাবিশ্ব থেকে। ব্লাকহোল এই এনার্জির এক ভালো উৎস।
এবার আসি তাপীয় মৃত্যুতে। এ আবার কী জিনিস? আসলে কিছুই না। এই কম্প্যাক্ট এনার্জি এনট্রপি বাড়ার কারণে যতই স্প্রেড আউট হচ্ছে। ইউজেবল এনার্জি ততই কমে আসছে। এভাবেই চলতে থাকলে যখন শেষ কম্প্যাক্ট এনার্জির ফোটনটা শেষ হয়ে যাবে, তখন মহাবিশ্বের সবকিছুই সেইম থার্মাল স্টেট এ এসে যাবে। অর্থাত সবার তাপমাত্রা এক হয়ে যাবে। শক্তির আর আদানপ্রদান সম্ভব হবে না। আর এভাবেই হবে আমাদের মহাবিশ্বের মৃত্যু। তাপীয় মৃত্যু।
আশাকরি আমাদের পরীক্ষার আগে তা হচ্ছে না, তাই সবাই ঠিকভাবে পড়তে থাকো। আজকের আলাপ এখানেই শেষ। আবার নতুন কোনো ইন্ট্রেস্টিং বিষয় নিয়ে আলাপ হবে। আর আজকের লেকচার ইন্সপায়ারড হলো veritasium এর entropy নিয়ে করা এক ভিডিও থেকে। চাইলে ইউটিউব থেকে দেখে এসো। মজা পাবা আশা করি।
Tarikul Islam Tanim
BUET, ME-23
10/08/2025
Stay tuned, the journey won't bore you😉
10/08/2025
অ্যাডমিশান টেস্ট। Most probably আমাদের ০-১২ শিক্ষাজীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। তাই এ পরীক্ষার প্রস্তুতিপর্বও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোর একটা। কারোর কাছে এর থেকে দুষ্কর কিছু নেই আর কেউ অনায়াসেই পার করে ফেলছে। কারণ টা কী?!
চলো আজ কিছু সেল্ফ এক্সপেরিয়েন্স সেয়ার কিছু। এর মধ্যে থাকবে the MISTAKES I MADE আর the MISTAKES I DIDN’T.
১. "REGULARITY/CONSISTENCY"
কন্সিস্টেন্টি শুধুমাত্র লেখাপড়া তা না, জীবনের প্রতিটা কাজের জন্যেই জরুরি। এডমিশানে ভালো করার অন্যতম কারণ হলো এই রেগুলারিটি। আমি বলবো না তুমি ১৬ ঘণ্টা না পড়লে চান্স পাবে না, পড়তে পারলে তো অবশ্যই ভালো। কিন্তু এই একদিন ১৬ ঘণ্টা পড়ে পরের তিনদিন এই ১৬ ঘণ্টার খুশি পালন করে ঘুরেফিরে কাটালে আল্টিমেট লাভের খাতায় শূন্য। তাই এর থেকে তুমি রেগুলার যদি চার-পাচ ঘণ্টাও সেল্ফ স্টাডি করো। That would be more than enough.
২."PRIORITIES"
তোমাকে শুধু পড়ে গেলেই হবে না। কী পড়ছো? ক্যানো পড়ছো? এটাও বুঝে আগাতে হবে। যেমন ফিজিক্স ক্যামিস্ট্রির টেক্সট বই পড়া অতি জরুরি। ইভেন ম্যাথ বইয়েরও অনুশীলনীর আগের অংশ অনেকেই এভয়েড করি। বিশ্বাস করো, তোমরা যত যা শর্ট ট্রিক্স শেখো, সব এর মাঝেই আছে। তুমি নিজেই রিডিং দিলে এক্সপ্লোর করতে পারবা। এরপর আসে QB। প্রিভিয়াস ইয়ারে কী এসেছে, এ থেকে ধারনা তো পাবাই, সাথে সাথে কিছু প্রশ্ন দেখবা হুবোহু তোমার বছরেও এসে গেছে। তাই অন্তত একবার ভালো করে QB চষে ফেলবা। সাথে কন্সেপ্ট বুক খানাও। তোমাকে তোমার ব্যাসিক আর প্রবলেম সলভিং স্কিল ইনহ্যান্স করতে সাহায্য করবে।
ভাইয়া, ডিসি পান্ডে, এইচ সি ভার্মা, ছায়াপ্রকাশনী,হাওয়ার্ড এন্টন, আইন্সটাইনের থিসিস পেপার সহ আর কিছু কী লাগবে?
উত্তর এক বাক্যে না। আগে বই, কিউবি,কন্সেপ্ট বুক। এগুলার দখল ১০০ তে ১০০ হলে এরপর তোমার যা ইচ্ছা তুমি পড়ো। লাগলে chatGPT থেকে প্রশ্ন বানায়ে নিয়ে সলভ করো। অসুবিধা নেই। হ্যা দু চারটা যে টাফ ম্যাথ থাকে সেগুলা পারবা। র্যাংকার হতে হেল্প করবে। বাট চান্স পাওয়া এর ওপর নির্ভর করে না।
৩."ONLINE OR OFFLINE?"
এ প্রশ্নের উত্তর তোমার নিজের কাছে। তুমি যদি ফোনের কারণে অনেক ডিস্ট্রাক্টেড হও তাহলে তোমার জন্য অফলাইন। যদি তোমার গ্যাদারিং এ বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে অনলাইন। বা তুমি চাইলে দুটোকে মিলিয়ে হাইব্রিড মডেল বানাতে পারো, যেটা বেশিরভাগ সবাই ই করে থাকে। বাট অফলাইন এক্সাম is MUST!
অফলাইনে কোথাও, যেখানে কম্পিটিশান আছে এমন জায়গায় এক্সাম এটেন্ড করতেই হবে। নাহলে তোমার প্রস্তুতি ঠিক আগাচ্ছে কী না তুমি বুঝবে না।আর তোমার এডমিশান টেস্ট ও সশরীরে যেয়েই দিতে হবে তাই না! সো এটা ইনএভিটেবল। যত এক্সাম দিবা তত ভালো।
এইতোহ, যাস্ট নিজের কিছু এক্সপেরিয়েন্স তুলে ধরলাম। আমিই যে ঠিক তা না। তোমার জন্যে ডিফ্রেন্ট কিছু ওয়ার্ক আউট করতে পারে। আমার জন্যে এগুলা করেছিলো। তাই আমার কথাকে অমোঘ সত্য ধরার দরকার নেই। আগায়ে যাও, ভালো করো সবাই, এটাই আমার কামনা।
Happy admission journey🤍
Tarikul Islam Tanim
BUET, ME-23