Engineering Insights

Engineering Insights

Share

সত্য বলি।❤️

18/10/2025

ছোটবেলায় এই খেলা কে কে খেলেছেন? 🤗

18/10/2025

টাইফয়েড ভ্যাক্সিন নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান বিশেষজ্ঞদের
--------
ফেসবুকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন সংক্রান্ত একটি লেখা ভাইরাল হয়েছে। লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন এবং ডিজিজ এপিডেমিওলজি সম্পর্কে তার কোন ধারনা নেই। তার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে পরে বলছি, প্রথমে তার লেখার দাবিগুলো ডিবাংক করি।
লেখক দাবী করেছেন আইসিডিডিআরবি নাকি গবেষণায় পেয়েছে দেশে টাইফয়েড আক্রান্তের হার ১% এবং সেখান থেকে বলতে চেয়েছেন ১০০ জনে ৯৯ জনেরই প্রাকৃতিকভাবে টাইফয়েড হয়না। প্রথমত,
আইসিডিডিআরবি এ ধরনের কোন গবেষণা করেনি। এটা আমার কথা না, জানিয়েছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের এসিস্টেন্ট সায়েন্টিস্ট ডা: গাজী সালাহউদ্দীন মামুন। বরং তাদের ACORN-HAI গবেষণায় তারা দেখেছেন ২ বছরে (২০২৩-২৪) হাসপাতালে ডায়রিয়া ও অন্যান্য ইনফেকশন নিয়ে ভর্তি হওয়া ৮২৯ জন রোগীর মাঝে ২৪৯ জনের (৩০% এর বেশি) রক্তে টাইফয়েড জীবানু বিদ্যমান।
এ সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় গবেষণাটি হয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তান এই তিন দেশ মিলিয়ে "এশিয়া প্রজেক্ট"-এ। ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার ২টি হাসপাতালের আউটডোরে যারা ৩ বা তার চেয়ে বেশি দিনের জ্বর নিয়ে এসেছে, ইনডোরে যারা সম্ভাব্য টাইফয়েড জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং কোন রকম আঘাত ছাড়া ক্ষুদ্রান্তের ছিদ্র নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং এমন ১৭,৪৪১ জনের মাঝে ৪৮৭৩ জনের (২৮%) রক্তে নিশ্চিতভাবে টাইফয়েডের জীবানু পাওয়া গেছে।
নেপালে ২২% এবং পাকিস্তানে ২৫% লোকের ক্ষেত্রে টাইফয়েডের জীবাণু পাওয়া গেছে। এই গবেষণায় আরও বলেছে বাংলাদেশে সমগ্র জনগোষ্ঠীতে নতুনভাবে টাইফয়েড (ইনসিডেন্স) রোগে আক্রান্তের হার প্রতি লাখে ৯১৩ জন (~১%)। ভাইরাল লেখাটির লেখক মূলত এই হিসাবটিই দিয়েছেন। এবং এখান থেকেই দাবী করেছেন ৯৯% লোক টাইফয়েড আক্রান্ত হয়না প্রাকৃতিকভাবে। গবেষণাটি আইসিডিডিআরবির নয়।
১% ব্যাপারটি খুবই কম মনে হতে পারে আপাত দৃষ্টিতে। তাই চলুন অন্যান্য রোগের সাথে তুলনা করি। বাংলাদেশে ১৯৯০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন রোগের হার ভিত্তিক সবচেয়ে বড় গবেষণা যেটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিখ্যাত জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত হয়েছে তার একজন ক্ষুদ্র সহলেখক ছিলাম আমি। আমাদের সেই গবেষণায় দেখা গেছে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সকল ধরনের ক্যান্সার এর হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৫৩০ জন (০.৫৫%), সকল ধরনের হৃদরোগের হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৪৩৫৫ জন (৪.৫%), স্ট্রোকের হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৮৩৪ জন (০.৮৭%)।
এই হিসাব থেকে কি বলা যায় যে প্রাকৃতিকভাবে দেশের ৯৯.৪৫% লোকের ক্যান্সার হবে না, ৯৫.৫% লোকের হৃদরোগ হবে না কিংবা ৯৯.১৩% লোকের স্ট্রোক হবে না? না, এটা বলা যায় না কারন মানুষের বয়স, ঝুকি, লিঙ্গ, অভ্যাস, ইত্যাদি নানা কিছুর ভিত্তিতে ঝুকির মাত্রা পরিবর্তি হয়। সহজ একটি উদাহরন দেই, ল্যানসেটে প্রকাশিত আমাদের গবেষণাটিতে আমরা পেয়েছি বাংলাদেশে ২০১৯ সালে সব ধরনের কারন জনিত মৃত্যুর হার ছিলো প্রতি লাখে ৭১৪ জন (০.৭১%)। তাহলে কি বলা যায় বাংলাদেশে ৯৯.২৯% লোকের কখনো মৃত্যু হবে না?!
অদ্ভূত শোনাচ্ছে না? ঠিক তাই, রাজিব সাহেবের হিসাবও একই রকম বাস্তবতা বিবর্জিত। বাস্তবে বর্তমান সময়ে প্রতি ৪ জনে ১ জন (২৫%) ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুকিতে আছেন। ২০১৯ সালে সকল মৃত্যুর কারনে মাঝে স্ট্রোক ছিলো ১ নাম্বার, ২য় কারন হৃদরোগ, ৩য় প্রধান কারন শ্বাসতন্ত্রের ক্রনিক রোগ।
ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণাটিতে আমরা দেখেছি বাংলাদেশে প্রতি লাখে ৫ জন টাইফয়েডে মৃত্যুবরণ করে যা মোট জনসং্খ্যার হিসেবে বছরে প্রায় ৮০০০ জন। এদের মাঝে ৬৮% শিশু, অর্থাৎ ৫৪৪০ জন শিশু। টাইফয়েড টিকার কার্যকারিতা ৮৫%, তাহলে এই ৬৮০০ জনের অন্তত ৪৬২৪ জন শিশু টিকার কারনে বেচে যাবে। এছাড়াও আরও হাজার হাজার শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে বাচবে।
টাইফয়েড রোগের কেস ফ্যাটালিটি রেট অর্থাৎ এই রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা ২.৫% অর্থাৎ প্রতি ১০০ জনে আড়াই জন মারা যেতে পারে। কোভিডের শুরুর দিকে এই হার ছিলো ২-৫% আর তাতেই সারা বিশ্ব বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। ভাগ্য ভালো যে টাইফয়েড হাচি কাশি বা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। মৃত্যু ছাড়াও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকের ক্ষুদ্রান্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়া, রক্তপাত, লিভার ফেইলউর, সেপসিস এমনকি পার্মানেন্ট ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।
নিকটাত্মীয়দের মাঝে আমার বড় মামার টাইফয়েড জনিত কারনে পার্মানেন্ট ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে গিয়েছিলো। খুজলে এমন আরও অনেককেই পাবেন। আধুনিক যুগে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক এর কারনে টাইফয়েড এর চিকিৎসা সহজ হয়েছে কিন্তু ঘন ঘন অপিরিমিত মাত্রায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারনে জীবাণুরা এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে পড়ছে। দেখা গেছে আগে ছোট খাট এন্টিবায়োটিক খেলে সেরে যেত কিন্তু এখন উচ্চমাত্রা দামী রিসার্ভ এন্টিবায়োটিক দিতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসার খরচ ও বাড়ছে।
লেখক দাবী করেছেন টাইফয়েডের ভ্যাকসিন ইউরোপ আমেরিকায় দেয়া হয়না। ঠিক, কেননা সে দেশে টাইফয়েড এর জীবানু নেই। টাইফয়েড এর জীবাণু দক্ষিন এশিয়ায় বেশি তাই এখানে টিকা দেয়া হয়। এটাই গণ টিকার নিয়ম, যে দেশে যে রোগ বেশি সে দেশে সেই টিকা। একই কারনে ইউরোপ আমেরিকায় যক্ষার টিকা দেয়া হয়না।
আমি ইংল্যান্ডে ৪ বছর থেকেছি, বর্তমানে কানাডায় আছি। এসব যায়গায় গণটিকা দেয়া হয় মিজেলস, মামপ্স, হেপাটাইটিস, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস সহ নানা রোগের বিরুদ্ধে। এছাড়াও প্রতি সিজনে ইনফ্লুয়েঞ্জা এর টিকাও দেয়া হয় বিনামূল্যে, বয়স্কদের দেয়া হয় হার্পিস জুস্টারের টিকা। আমাদের দেশে এগুলোর প্রচলন নেই। অনেকে নিজ পয়সায় কিনে নেন। টাইফয়েড অনেক মানুষ বিশেষ করে শিশুদের আক্রান্ত করে বলেই সরকার পয়সা খরচ করে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।
লেখক রাজিব সাহেব বলছে এতে ওষুধ কোম্পানির লাভ। টাইফয়েড এই টিকার দাম ২-৩ হাজার টাকা বড়জোর, অন্যদিকে টাইফয়েড আক্রান্ত হলে ৭-১৪ দিনের এন্টিবায়োটিক, জ্বর ও অন্যান্য লক্ষণ নিরাময় মিলিয়ে ওষুধের মোট খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হলে সেটার আলাদা খরচ এবং রোগ জটিল হলে সামগ্রিক খরচ বেড়ে লক্ষাধিক টাকা হয়ে যেতে পারে। সুতরাং ভ্যাকসিন দিয়ে সবাইকে সুরক্ষিত করাটা ওষুধ কোম্পানির জন্য বেশি লাভজনক নাকি এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ বিক্রি করা বেশি লাভ জনক?
টাইফয়েডের যে ভ্যাকসিনটি বাংলাদেশে দেয়া হচ্ছে সেটি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত। এটি কোন পরীক্ষালব্ধ ভ্যাকসিন নয়। এর কার্যকারিতা প্রমানিত। এটি নেপাল ও পাকিস্তানেও দেয়া হয়েছে, ভারতের অনেকগুলো রাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, ইরাক, ঘানা, লাইবেরিয়া, জিম্বাবুয়ে সহ বহু দেশে এই ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। কানাডায় টাইফয়েড জীবাণু নেই তবে কানাডিয়ানরা এই সব দেশের কোনটিতে যেতে চাইলে ভ্রমণ সতর্কতা হিসেবে টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিতে বলে।
এবার আসি লেখক রাজিব আহামেদ এর কথায়। এই ব্যক্তি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন। তিনি একজন সেলস ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট অর্থাৎ ব্যবসায়িক পণ্য বিপনন সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ। সেলস নিয়ে তিনি কর্পোরেট ট্রেনিং দেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিএ ও জার্নালিজম ডিপ্লোমা। তিনি নিজেকে স্বাস্থ্য গবেষক বলে পরিচয় দেন কিন্তু তার কোন প্রকাশিত গবেষণা পত্র নেই। তবে তিনি বাংলায় স্বাস্থ্য বিষয়ক ও মার্কেটিং বিষয়ক নানা বই লিখেছেন। তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ক বই লেখা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্পোরেট কর্মশালার আয়োজন করেন যার ফি ২০০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত! অর্থাৎ তার একটি সেশনের মূল্য টিকার দামের চেয়ে বেশি।
অবধারিতভাবেই তিনি তার স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা প্রপাগান্ডা বিশ্বাসযোগ্য করতে ধর্মের আশ্রয় নেন। অথচ টাইফয়েড টিকা গ্রহণের ব্যাপারে উৎসাহিত করে বক্তব্য দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ইসলামি পন্ডিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বনামধন্য জনাব আ ফ ম খালিদ হোসেন (লিংক প্রথম কমেন্টে)। ধর্মীয় রেফারেন্সের ক্ষেত্রে খালিদ হোসেনে ভরসা রাখবেন নাকি মার্কেটিং গুরু রাজীব আহামেদে?
তবে আমি যেহেতু বাংলাদেশে থাকি না, বাংলাদেশে রোগীদের চিকিৎসায় যুক্ত নই, কোন ওষুধ কোম্পানির সাথে জড়িত নই, স্বাস্থ্য বিষয়ক কোন বই লিখি না বা ২৫ হাজার টাকার ওয়ার্কশপ করাই না তাই এই লেখার পেছনে আমার কোন কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট বা স্বার্থ জড়িত নেই। রাজিব আহমেদ এর ক্ষেত্রে আছে। তবুও আমার কথা বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে নিজেই খুজে দেখতে পারেন, আমি কমেন্টবক্সে আমার দেয়া তথ্যের রেফারেন্স যোগ করেছি। গবেষণা প্রবন্ধ পড়ার অভ্যাস না থাকলে আপনি চ্যাট জিপিটিকেও জিজ্ঞেস করতে পারেন।
মোদ্দাকথা হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক দেখে কোন ইনফ্লুয়েন্সার এর কথায় বিভ্রান্ত হবেন না বিশেষ করে স্বাস্থ্য তথ্যের ব্যাপারে। তথ্য দেখলে তা যাচাই করুন নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যেমন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসি, এফডিএ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সেবা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বৈজ্ঞানিক জার্নাল। শিক্ষিত হোন, সচেতন হোন যেন কেউ আপনাকে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।
লেখক:
ডা. মো: মারুফুর রহমান
এমবিবিএস, এমপিএই (এপিডেমিওলজি), এমএসসি (মলিকুলার মেডিসিন),
পিএইচডি ক্যান্ডিডেট
ডিভিশন অফ ক্লিনিক্যাল মেডিসিন,
দ্যা ইউনিভার্সিটি অফ শেফিল্ড, যুক্তরাজ্য
[email protected]

19/09/2025

নার্স আর ডাক্তার দুটি আলাদা পেশা। নার্সদের মধ্যে বিএসসি ইচ্ছা করলে পিএইচডিও করা সম্ভব। তাহলে নার্স ডাক্তারদের সাথে ইঞ্জিনিয়ারদের তুলনা কেন? অনেকে আবার ডিপ্লোমা আর বিএসসির নিয়োগ পদোন্নতি আলাদা করার কথা বলছেন। দুঃখজনক অনেক ডিপ্লোমা এটাতে খুশি হচ্ছে। কিন্তু এর মাধ্যমে ডিপ্লোমাদের টেকনেশিয়ান বানানোর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে।

14/09/2025

কমিটি নাকি অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে জানতে চেয়েছে দশম গ্রেডে কেন বিএসসিরা আবেদন করতো পারবেনা?

এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় যুক্তি হচ্ছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। আজ পর্যন্ত কোন ডিপ্লোমা বলেনি বিএসসি আর ডিপ্লোমা সমান। বিএসসি ডিপ্লোমা থেকে উচ্চতর ডিগ্রি এটা আমরা সবাই মানি। তাহলে দশম গ্রেডে যদি দুই লেভেলের লোক একই ফিল্ডে প্রতিযোগিতা করে তাহলে সেখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে কিভাবে?

আমরা জানি যেকোন নির্বাচন,প্রতিয়োগিতায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুবই গুরুত্বপূর্ন।

মূলত দশম গ্রেড উন্মুক্ত হলে নিঃসন্দেহে ডিপ্লোমাদের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী বেকারত্ব বরণ করবে। মানুষ কারিগরি শিক্ষায় আগ্রহ হারাবে। যেখানে তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলো কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সেখানে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার কবর রচিত হবে। বিএসসিরা বার বার ইউরোপ আমেরিকার উদাহরণ টানে। আমাদের বুঝতে হবে বাংলাদেশ আর ইউরোপ আমেরিকা একি অবস্থানে নেই।

বিএসসিদের জন্য সরকার অলরেডি নবম গ্রেড তৈরি করে রেখেছে তারা সেখানে প্রতিযোগিতা করুক না। তাদের অনেক শুন্য পদ রয়েছে। তারা সেগুলোতে দ্রুত নিয়োগ দিতে বলুক। সেখানে তারা প্রতিযোগিতা করুক।

এরপর তারা ডিপ্লোমাদের পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আমরা দেখেছি তারা পদোন্নতি নিয়ে বেশিরভাগই ভুল তথ্য এবং গুজব ছড়াচ্ছে যেগুলো আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে আমরা সবাই দেখতে পারছি। ডিপ্লোমাদের পদোন্নতি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে যারা পদোন্নতি না পেয়ে অবসরে গিয়েছে। তারপর ও আমি নিয়োগবিধি না মেনে পদোন্নতি দেওয়ার বিরুদ্ধে। যদি সেরকম কিছু হয় তারা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলতে পারে।

26/08/2025

বুয়েটিয়ান ভাইদের বলছি আপনারা দশম গ্রেডে চাকরি করবেন না, লিখে রাখেন। খোদ নবম গ্রেডেই আপনারা চাকরি করে পরে চাকরি ছেড়ে দিয়ে অন্য জায়গায় চলে যান। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নবম গ্রেডে শুন্য পদ থাকার এটাও একটা বড় কারণ। এটা একটা সাইকেলে চলতেই থাকে। এইজন্য প্রতিষ্ঠান গুলো বার বার টাকা খরচ করে নিয়োগ পরীক্ষাও নিতে চায় না। দশম গ্রেড উন্মুক্ত হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, যেটা গতকাল একজন সাবেক বুয়েটিয়ান ও বলেছিল। প্রতিষ্ঠান গুলো নিয়োগ দিবে, আপনারা চাকরি ছেড়ে চলে যাবেন। প্রকৃত যারা চাকরি করতে চায় তারা চাকরি পাবে না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক শুন্য পদের সৃষ্টি হবে।বার বার নিয়োগ পরীক্ষা নিতে তাদের ঝামেলা পোহাতে হবে।

26/08/2025

এই অল্প গরমেই শেষ। এরা করবে দশম গ্রেডের চাকরি।

25/08/2025

উপসহকারী প্রকৌশলী পদ কিছু নির্মম বাস্তবতা।
আরামের চাকরি নয় উপসহকারী প্রকৌশলী। আপনারা যখন এসি রুমের নিচে বসে অফিস করেন, এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা মাঠ পর্যায়ে তীব্র রোদে ঘামে, বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করেন।

বিদ্যুৎ নেই,লাইনম্যান সমস্যা বুঝতে পারছেনা। এই উপসহকারী প্রকৌশলীদের বিদ্যুৎতের খুটিতেও উঠতে হয়।বুঝেন তাহলে সারাদেশের সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কিভাবে রাত দিন সেবা দিয়ে যাচ্ছে এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা।

এতকিছুর পরেও পদোন্নতি বঞ্চনা। বেশিরভাগই জীবনে কোন পদোন্নতি না পেয়ে অবসরে যান। যারা পদোন্নতি পান তাদেরও বয়স ছুই ছুই।

এতো কিছুর পরেও ডিপ্লোমাদের অভিযোগ নেই,তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আজ তাদের বিভিন্ন ভাবে অপমান করা হচ্ছে, গালি দেওয়া হচ্ছে।তাদের পদোন্নতি নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

সরকার ডিগ্রি প্রকৌশলীদের জন্য নবম গ্রেড রেখেছেন।সেখানে না গিয়ে আপনারা দশম গ্রেডে আসতে চাচ্ছেন। আমি চ্যালেন্জ দিয়ে বললাম এই পদে আপনারা অনেকে দশদিনও চাকরি করে টিকতে পারবেন না।

25/08/2025

ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকে নিয়ে কেন এত মাতামাতি। রোকনকে গ্রেপ্তার করা হোক।

25/08/2025

রুয়েটের কারণে আজ বুয়েটকে অপমান এবং ট্রলের শিকার হতে হচ্ছে।

আপনারা জেনে থাকবেন এই আন্দোলনের সূত্রপাত রুয়েট। বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রুয়েট সবচেয়ে নিম্নস্তরে রয়েছে। গুটিকয়েক ছাড়া বেশিরভাগ উচ্চস্তরের পদ গুলোতে অন্যদের সাথে টিকতে পারে না। পরে এদের বেশিরভাগ চাকরি করে নিম্নস্তরের টেকনিশিয়ান পদ গুলোতে। খোদ পলিটেকনিকের ল্যাব সহকারী ক্রাফট পদে অনেক রুয়েটিয়ান আছে।এরা বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের বুয়েটিয়ান বলে পরিচয় দেয়। লিপু নিজেই এই কাজটি অনেকবার করেছে। তার প্রথম দিকের একটি বক্তব্যের কারণে অনেকে বুয়েটকে নিয়ে ট্রল করেছিল। রুয়েট নিজেদের স্বার্থে বুয়েটকে ব্যবহার করছে এটা স্পষ্ট।

বুয়েটের উচিত এই বিতর্কিত আন্দোলন থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়া।

23/08/2025

পলিটেকনিকের ক্রাফট। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে এরাই মূলত ফেক আইডি খুলে গালিগালাজ কটুক্তি করতেছে বেশি। নাম হচ্ছে জেনারেল বিএসসিদের।

23/08/2025

কামলা পোস্টে চাকরি করে কামলা হবার ইচ্ছা।

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Khulna