02/06/2026
- The people of Kushtia 🏴☝️
আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি"
সত্য খবর জানতে ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।।
02/06/2026
- The people of Kushtia 🏴☝️
02/06/2026
চেতনা মিসাইল দিয়েই আমরা এগিয়ে যাব
02/06/2026
পবিত্র আল কুরআন এর কোন সুরার কথা মনে পরে❤️🤍
01/06/2026
শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছেন সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (১ জুন) আছরের নামাজের পর চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত হয়েছেন আমির হামজার শ্যালক ও দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি আবু বক্কর এবং তার গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, কুষ্টিয়া থেকে জীবননগরে যাওয়ার পথে একটি ইজিবাইককে সাইড দিতে বলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আবু বক্করকে মারধর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে মুফতি আমির হামজা ও তার পরিবারের সদস্যরা জীবননগর থানায় অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
31/05/2026
কুষ্টিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত বহু
কুষ্টিয়ার তালবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্প সংলগ্ন প্রধান সড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বহু যাত্রী আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতদের পরিচয় জানার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
31/05/2026
আমরা চাইলাম এক সালাউদ্দিন পাইলাম আরেক সালাউদ্দিন।।
30/05/2026
এ কেমন ভয়াল দৃশ্য, নরসিংদীর এক রেলস্টেশনে ঘটে যাওয়া একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা।
কক্সবাজার এক্সপ্রেস #ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন দিনমজুর সুজনের স্ত্রী ও তার দুই বছরের শিশু সন্তান।
দুর্ঘটনায় সুজন ও তার ৬ বছরের মেয়েটি প্রাণে বেঁচে গেলেও তাদের চোখের সামনে যে নির্মম বাস্তবতা উন্মোচিত হয়েছে, তা একটি দুর্ঘটনার গল্প না, এক করুণ প্রতিচ্ছবি।
জানা যায়, দুর্ঘটনার পর স্টেশনে অসংখ্য মানুষ উপস্থিত থাকলেও আহত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষ খুব কমই ছিল। সুজনের স্ত্রী প্রায় অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন, শিশুটির অবস্থাও ছিল আশঙ্কাজনক।
কিন্তু কেউ একটি অটোরিকশা ডাকতে এগিয়ে আসেনি, কেউ তাদের হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়নি।
বরং অনেকেই ব্যস্ত ছিলেন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে।
একটি ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, অসহায় সুজন নিজের কাঁধে নিস্তেজ স্ত্রীকে তুলে নিয়েছেন। এক হাতে আহত শিশুপুত্র, অন্য হাতে ছয় বছরের মেয়েটিকে ধরে তিনি কাঁদতে কাঁদতে সাহায্যের আশায় হাঁটছেন।
চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন কেবল তাকিয়ে আছে। কেউ একজনও তার কাঁধে হাত রেখে বলেনি—“চলুন ভাই, আমরা আছি।”
এই দৃশ্য শুধু একটি পরিবারের দুর্ভাগ্যের নয়; এটি আমাদের সামাজিক অবক্ষয়েরও নির্মম উদাহরণ।
বর্তমান সময়ে মানুষের কষ্ট, কান্না ও অসহায়ত্ব যেন ধীরে ধীরে “কন্টেন্টে” পরিণত হচ্ছে।
সাহায্যের হাত বাড়ানোর আগে মানুষ মোবাইল ক্যামেরা চালু করছে। যেন মানবিকতার চেয়ে ভাইরাল হওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নরসিংদীর এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানবিকতা হারিয়ে গেলে সমাজের সব অর্জনই অর্থহীন হয়ে পড়ে।
একটি #দুর্ঘটনায় আহত মানুষকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার মতো মানবতা যদি আমরা হারিয়ে ফেলি, তবে উন্নয়নের সব গল্পই শেষ পর্যন্ত ফাঁপা হয়ে যাবে।
collected
30/05/2026
মুসলিম উম্মাহ'র দুই কিংবদন্তি
একজন আরেকজনের হাত ধরে একই পথে চলছেন খতিবুল উম্মাহ মাওলানা উবায়দুল হক রহ. ও কোরআনের পাখি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রহ. (ছবিটি ১৯৯৫ সালের)
খতিবুল উম্মাহ মাওলানা উবায়দুল হক (রহ.)। যার কর্মগুণে ‘খতিব’ শব্দটি সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ সম্মানের শব্দ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল।
তিনি বাংলাদেশ শুধু নয়, এ উপমহাদেশের মুসলিম মনীষীদের মধ্যে অতুলনীয় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। আন্তর্জাতিক পরিসরেও তিনি সুপরিচিত মুসলিম মনীষী।
খতিব বললে এখনো চোখে ভেসে ওঠে যার নাম, সেই অমর ব্যক্তিত্ব মাওলানা উবায়দুল হক (রহ.) ২০০৭ সালের ৬ অক্টোবর ৭৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।খতিব উবায়দুল হক (রহ.) ১৯২৮ সালের ২ মে সিলেটের বারোঠাকুরি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
খতিব উবায়দুল হক (রহ.) প্রথাগত আলেম ছিলেন না। তিনি একাধারে মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। আমাদের জাতীয় ও সমাজজীবনে তার রয়েছে বহুমুখী অবদান। তিনি ছিলেন খুবই স্পষ্টভাষী। সারাজীবন সাদাকে সাদা- আর কালোকে কালো বলে গেছেন। তার মাঝে কোনো গোড়ামি ছিল না, তিনি ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার, সদালাপী ও দরাজ কণ্ঠের অধিকারী।
খতিব সাহেব ছিলেন একজন ইসলামি পণ্ডিত ও শিক্ষাবিদ। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের তৃতীয় খতিব ও সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার হেড মাওলানা ছিলেন। দারুল উলুম দেওবন্দে শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত হন। ঢাকা আলিয়া থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসার সাথে জড়িত হন। তিনি আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া ও জামিয়া কাসিমুল উলুম দরগাহে হজরত শাহজালাল (রহ.)–এর শায়খুল হাদিসের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
খতিব উবায়দুল হক (রহ.) বহুধাবিভক্ত ইসলামি রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে গেছেন সারা জীবন। তার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, আন্তরিকতা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সব ধর্মীয় দল ও উপদলের মাঝে ঐক্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ধর্মীয় মতপার্থক্য নিরসন এবং ইসলামি ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে তিনি ‘জাতীয় শরিয়া কাউন্সিল’ নামে একটি অরাজনৈতিক স্বতন্ত্র কাউন্সিল গঠন করেছিলেন।
বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং ও বীমা চালুর ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ। এ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অবদান রাখায় মাওলানা উবায়দুল হকের নাম নিঃসন্দেহে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
বায়তুল মোকাররমের খতিবের দ্বায়িত্বের পাশাপাশি তিনি ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠিত সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদের চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের সভাপতি মতো গুরুদায়িত্বও পালন করেছেন।
কে জানে আরেকজন সাহসী খতিবের জন্য জাতিকে আরো কতোটা সময় অপেক্ষা করতে হবে! আজ দেশে অসংখ্য খতিব আছেন। কিন্তু একজন স্পষ্টভাষী মিম্বরের সিপাহসালার নেই। নেই খতিব সাহেবের মতো একজন মানুষ।
আল্লাহ সাঈদী রাহি এর জীবন আরও বর্ণাঢ্য তাই কিছু লিখলাম না। আল্লাহপাক খতিবুল উম্মাহ মাওলানা উবায়দুল হক ও আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহি. এর জীবনের সকল নেক আমলগুলো কবুল করুন। তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউসের আ’লা মাকাম নসীব করুন। কবরটাকে আল্লাহ তায়ালা কোরআনের নূর দিয়ে মুনাওয়ার করে দিন।
মুসলিম উম্মাহর জাতীয় ঐক্যে তাদের খিদমত কবুল করুন। আমিন
- লেখাটি সংগ্রহিত