31/07/2026
কেকেবিএইউতে এমবিএ ২য় ব্যাচের ডিগ্রিধারীদের সনদপত্র প্রদান
খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ ২য় ব্যাচের ডিগ্রিধারীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সাময়িক সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। আজ ১৭ জুলাই ২০২৬ খ্রি. শুক্রবার, বেলা ২:৩০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডেজিগনেট) প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমান পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রি অর্জনকারীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সাময়িক সনদপত্র হস্তান্তর করেন। তিনি অর্জিত জ্ঞান দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য ডিগ্রিপ্রাপ্তদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান এবং কর্মক্ষেত্র তথা তাদের জীবনের সাফল্য কামনা করেন। এ অনুষ্ঠানে ২য় ব্যাচের ০৮ জনকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জনের জন্য সাময়িক সনদপত্র প্রদান করা হয়। এর মধ্যে সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৪ পেয়েছে ১ জন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক জোয়ারদার, রেজিস্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুজ্জামান। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সাময়িক সনদপত্র গ্রহণকারীদের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করেন এস. এম. আশরাফুল ইসলাম, মোঃ নাসিমুদ্দীন, শেখ রাজীব হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট কোর্সের কো-অর্ডিনেটর প্রভাষক মোঃ মুবিনুল ইসলাম। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
07/05/2026
( লেখাটা আমার ফিন্যান্সের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে)
"ক্যাডার হলে রাশমিকা, না হলে?"
....
বিসিএস ক্যাডার — স্বপ্নটা সত্যিই খুবই লোভনীয়।
বিসিএস ক্যাডার মানে আপনি হঠাৎ হয়ে গেলেন ব্রিটিশ বনেদি সাদা চামড়ার কুলীন, আর বাকি সবাই নিচু জাত, মাইনর। বিসিএস ক্যাডারের বিয়ের বাজারেও সেই demand। চেহারা যাই হোক — সাদা, ধলা, কালা! কোনো সমস্যা নেই। ভুঁড়িটা হয়তো মাটির টানে নিম্নগামী, তবুও সমস্যা নেই। বিয়ের বাজারে minimum requirement ক্যাটরিনা কাইফ, অবশ্য মন চায় রাশমিকা।
আমার বিভাগের এক ছাত্র পুলিশ ক্যাডার। তার প্রতি শিক্ষকদের যে প্রেম, সেটা আমাকে মুগ্ধ করে। অথচ যে ছাত্রটি আমাদের বিভাগ থেকে পাশ করে কোনো বিদেশি ডিগ্রি ছাড়াই আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে fully funded পিএইচডি করছে, তার প্রতি সেই উচ্ছ্বাস অনুপস্থিত। কারণটা সহজ — বিপদে পড়লে ঐ পুলিশকে লাগবে। পিএইচডি-ওয়ালা ছাত্রের পিএইচডি দিয়ে কি মুড়ি ভিজিয়ে খাবে!
কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে, যে বিসিএস ক্যাডার হয়ে গেল, সে তো হয়েই গেল — পুলসিরাত পার। যারা পার হতে পারল না, তাদের জীবনটা কেমন?
তাদের জীবন সত্যিই নিদারুণ কষ্টের। কারণ এই প্রস্তুতিটা ভীষণ কষ্টের। চার বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ হয় ছয় বছরে। তারপর আবার মিনিমাম চার বছর শুধু বিসিএসের জন্য পড়াশোনা। সারা জীবনে যা পড়া হয়েছে, সবকিছু নতুন করে recap করতে হয়। ণত্ব বিধান, ষত্ব বিধান থেকে শুরু করে লসাগু-গসাগু — কী নেই তাতে। তারপরও একদিন দেখা গেল সংখ্যাটা মেলেনি। প্রিলি পাশ, রিটেন পাশ, ভাইভাতে আটকে গেছে। অথবা ভাইভাও পাশ, কিন্তু ক্যাডার আসেনি।
সেই মানুষটা তখন কোথায় দাঁড়িয়ে?
বয়স ত্রিশ ছুঁয়েছে। সরকারি চাকরির বয়সসীমা পেরিয়ে গেছে নিঃশব্দে। বেসরকারি কোম্পানি জিজ্ঞেস করছে — "আপনি এত বছর কী করলেন?" উত্তরটা মুখে আটকে যায়। পরিবার সান্ত্বনা দেয়, কিন্তু চোখের ভাষা আলাদা কথা বলে- You are a looser!
অথচ এই মানুষটা কম মেধাবী ছিল না। শুধু একটা নির্দিষ্ট পরীক্ষার ছাঁচে নিজেকে ঢালাই করতে পারেনি। জীবনটা তাই আর এগোয়নি — আটকে গেছে একটা না-পাওয়ার গল্পে।
বিসিএস স্বপ্ন দেখতে বারণ নেই। কিন্তু শুধু এক দরজার দিকে তাকিয়ে থাকলে, পাশের খোলা জানালাগুলো চোখেই পড়ে না।
ব্যাংক অনেকের কাছে second choice — এটা সত্যি। বিসিএসের মতো এখানে একটাই দরজা নয়। প্রতিযোগিতা আছে, চাপ আছে — কিন্তু সুযোগও একটা নয়। সরকারি, বেসরকারি, সুদি, বেসুদি — তাই বিকল্প ও market size মন্দ নয়।
স্বপ্ন ভাঙার বেদনাটাও একটু কম তীক্ষ্ণ। বিসিএসে না হলে মনে হয় পুরো পৃথিবীটা বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংকে না হলে মনে হয় — "ঠিক আছে, দেখা যাক।" স্বপ্ন আর প্রাপ্তির মাঝের ফাঁকটা এখানে একটু কম নিষ্ঠুর। মানুষ সামলে নিতে পারে।
তবে এই দুটোর বাইরেও কিছু পথ আছে। এক্ষেত্রে আমার নিজের naive মতামত দিচ্ছি -
একটা হলো GMAT বা GRE-র প্রস্তুতি নেওয়া। বিসিএস প্রেপের চেয়ে কম সাধনা, কিন্তু ফজিলত অনেক বেশি। এখানে একটা স্থায়ী self-development হয়, আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। ইন্টারভিউ বোর্ডে দুটো ভারী ইংরেজি শব্দ জুড়ে দিলেই কেল্লা ফতে।
"কালো মুখে সাদা চামড়ার" ভাষা শুনলে সবাই ভাবে — ওরে বাবা, ছেলের তো সেই জ্ঞান! তোমাকেই তো আমরা হারিকেন দিয়ে খুজছিলাম বাবা! তুমি জয়েন করো।
দ্বিতীয় ফজিলত — বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম খরচে একটা ডিগ্রি নিয়ে ফিরে আসতে পারলে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো বেতনে চাকরি সহজেই হয়ে যায়। তাই আমার কাছে এটাকে মনে হয় একটা safe bet। এক টিকিটে দুই ছবি
আরেকটা পথ হলো আইটি — এক্ষেত্রে ফিন্যান্সের ছাত্রদের জন্য সবচেয়ে সহজ শুরু হলো Financial Reporting, SQL ও Power BI। তারপর Microsoft Fabric। Fabric-এর বাজার এখন দারুণ গরম — সবাই end-to-end সার্ভিস চায়। আশার কথা হলো এটা যেকোনো বয়সে, যেকোনো সময় শেখা সম্ভব। ভারী কোড জানার কোনো দরকার নেই।
আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে যারা এই আইটি কাজগুলো করছে, তাদের বড় একটা অংশ ভারতীয় — এবং তাদের বেশিরভাগেরই আইটি ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। নিয়োগকর্তারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটের চেয়ে Microsoft, Google বা Amazon-এর সার্টিফিকেটকে অনেক বেশি দাম দেন। একটু YouTube ঘাঁটলেই ধারণা হয়ে যাবে।বিসিএসের জন্য আমরা যে পরিমাণ পরিশ্রম করি, তার অর্ধেক যদি আইটিতে দেওয়া যায় — দেশের বাইরে ভালো চাকরির সম্ভাবনা উজ্জ্বল।
তবে একটা কথা বলে রাখতে চাই,
কোনটা করলে চাকরি মিলবে, কোনটা করলে জীবনে সফল হওয়া যাবে — এটা আমি জানি না। সত্যি বলতে, আমরা কেউই জানি না।
কিন্তু তবুও অন্য বিকল্পগুলোর কথা একটুখানি ভেবে দেখতে দোষ কী?
আর সবশেষে আমার কাছে শুধু এটুকুই মনে হয় — জীবনের গন্তব্য আসলে অনেকটাই ঠিক করা থাকে। আমরা শুধু চেষ্টাটুকুই করতে পারি। তবে অন্তত যদি সেই চেষ্টাটা সঠিকভাবে করা যায় — তাহলে দিন শেষে এই আক্ষেপটা থাকবে না যে, আমি তো কখনো চেষ্টাই করলাম না। আমরা শুধু আমাদের চেষ্টাটাই করতে পারি ফলাফলটা না হয় প্রভুর হাতেই তুলে দেই।
সুফিরা বলেন — পথ হারানো মানে শেষ হয়ে যাওয়া নয়। পথ হারানো মানে নতুন পথ খোঁজার শুরু।বিসিএস যাদের হয়নি, ব্যাংক যাদের হয়নি — তারা পথ হারায়নি। তারা শুধু এখনো "তাদের" পথটা খুঁজে পায়নি।
তফাৎটা বিস্তর।
জুবায়ের আহমেদ সিমন স্যার
মে ২৫, ২০২৬
From USA
21/12/2025
খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ আয়োজিত দিনব্যাপী পিঠা উৎসব আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় ফিতা কেটে এবং মশাল জ্বালিয়ে এই পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডেজিগনেট) প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমান। উৎসবে ত্রিশোর্ধ নানা পদের পিঠা আনা হয়। ছয়টি স্টলে এসব পিঠা প্রদর্শিত হয়। পিঠার মধ্যে ছিল মধুস্বাদ, নারকেল পুলি, মালপোয়া, ঝালপুলি, রংবাহারি, ক্ষীরের বরফি, ত্রিবেণি, রোলপুলি, গুড়ের নাড়ু, ঝাল বড়া, রসপাকান, ক্ষীর পাটিসাপ্টা, পুষ্পমঞ্জুরি, দুধচিতই, গোলাপ পিঠা, সুন্দরী লতিকা, ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, নকশি পিঠা, সেমাই পিঠা ইত্যাদি। পিঠার স্টলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও সাধারণ আগ্রহী ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল আশাব্যঞ্জক। বিকেল পাচঁটার মধ্যে সব পিঠা বিক্রি শেষ হয়ে যায়। পরে বিকেলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য। এসময় তিনি বলেন শীতের পিঠা আমাদের ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ। পিঠা উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রাম থেকে শহর পযর্ন্ত নানা পার্বনে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি হয়। সম্প্রীতির মেলবন্ধন হয়। কেকেবিএইউতে এবার শীতের মৌসুমের শুরুতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। মৌসুমের শেষ দিকে জানুয়ারিতে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার পর আরও বড় পরিসরে কেন্দ্রীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের অংশগ্রহণে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হবে। তিনি বলেন আমরা শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি নানা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নানামুখি দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ করতে চাই, যাতে তারা নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন করতে পারে। একই সাথে মানসিক প্রশান্তি ও পারস্পরিক বন্ধুত্বের সৃষ্টি হয়। তিনি এ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুজ্জামান, প্রকৌশল অনুষদের ডিন (ইন-চার্জ) ড. মোঃ মঈন উদ্দিন। পিঠা উৎসব আয়োজক কমিটির সভাপতি ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন (ইন-চার্জ) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানে উৎসব সংশ্লিষ্ট সঙ্গিত পরিবেশন ও নাটিকা মঞ্চস্থ হয়। এসময় কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ইন-চার্জ) রথীন্দ্র নাথ মহালদারসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
11/12/2025
Seminar on Higher Education in the United States held at KKBAU
A seminar titled 'Study in the United States' was held at Khulna Khan Bahadur Ahsanullah
University today, December 11, 2025, at 11:00 AM, under the initiative of the Education Wing of the US Embassy Dhaka. The seminar was inaugurated as the chief guest by the Vice-Chancellor
(Designate) of the university, Professor Dr. Md. Anisur Rahman. At this time, he said that the first thing students need to do to build their lives is to dream and plan. Along with dreaming,
efforts should be made to implement it. Not only in the country, but now there are various opportunities for higher education and employment abroad. He hopes that the seminar on higher
education organized by the Education Wing of the US Embassy for the students of Khulna Khan Bahadur Ahsanullah University will be effective. He expressed his sincere gratitude to the organizers on behalf of the university for organizing this timely seminar at KKBAU.
In this seminar, chaired by the university's registrar SM Atiar Rahman, Ahmed Mustafa Rabbi and Shainan Rahman, advisors of Education USA, gave a proper idea about higher education in the
United States from an educational and lifestyle perspective through a power point presentation. They said that this seminar has been organized on the opportunities in various aspects of higher
education so that students can know accurate, comprehensive, objective and updated information about the United States.
They praised that this university has already gained a good reputation as a higher education institution and that the university's environment is also peaceful. At the end of the seminar, the question and answer session became lively. Senior students of the university's CSE, EEE, BBA, English and ISLM departments participated in the seminar. Various department heads of the university were present at the time.