HSC-24
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির সভায় প্রাথমিকভাবে পরীক্ষার এ সময় নির্ধারণ করা হয়।
সূত্র: TDC
Game of Physics
মজার করে ফিজিক্স পড়ব।
এইজন্যই বলি, ইন্টারে ভালো করে লেখাপড়া কর।
প্রাইভেটে যে জিনিস কিনতে ২৫ হাজার লাগে, পাবলিকে ঐটা ৫০ টাকায় পাওয়া যায়।
~Sadiqur Rahman Khan
30/08/2024
24 batch right now💀
সিনথল নামে এক ধরণের তেল আছে। এই তেল ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাসলের মধ্যে পুশ করলে মাসল বডিবিল্ডারদের মত ফোলা দেখা যায়। কিন্তু এদের শুধু মাসল দেখতেই বডিবিল্ডারের মত লাগে, গায়ে শক্তি নাই। আর কোনও কিছুই বডিবিল্ডার সুলভ না।
এই সিনথল দিয়ে ফোলানো মাসলের মত অনেককিছু চারপাশে দেখা যায়।
একজন স্টুডেন্ট ঠিকমত ম্যাথ বোঝে না। সে অনেক পরিশ্রম করে, ভাল টিচার রেখে, ধরে ধরে শিখে HSC তে ম্যাথে ভাল করল। বুয়েটের ৬০০ মার্কের পরীক্ষায় ২০০ ম্যাথ৷ ম্যাথ মোটামুটি পারলেও ফিজিক্স-ক্যামেস্ট্রি দিয়ে ভালমত চান্স পাওয়া যায়। কিন্তু বুয়েটে ঢুকে এই ছেলের অবস্থা হবে সিনথল দিয়ে ফোলানো বডিবিল্ডারের মত।
একটা স্টুডেন্ট খুব বেশি পড়ুয়া না। তবে মেধা ভাল। সে এডমিশনের টাইমে পরিশ্রম করে মেডিকেলে চান্স পেয়ে গেল। মেডিকেলে ঢোকার পরে পড়ালেখার চাপে তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে যাবে। কারণ মেডিকেলে মেধা লাগে না। রেগুলারিটি লাগে।
বস্তিবাসী মানুষের হঠাৎ টাকা হলেও তার এ্যাপেয়ারেন্স-রুচি সব বস্তিবাসী লেভেলেই থেকে যায়। শুধু সিনথল দিয়ে ফোলানো মাসলের মত টাকার অদ্ভুতুড়ে কিছু ব্যবহার দেখা যায়।
নরমালি রিলেশন হয় নাই। অন্য মানুষের চাপাচাপিতে হইছে অথবা গল্প-উপন্যাসের মত বাড়ির সামনে দিনরাত দাঁড়ায় থেকে রাজি করাইছে, এরকম রিলেশন ভাল যায় না। বিয়ে করায় দিলেও সেই বিয়ে টেকে না।
এরকম আরও অনেক এক্সাম্পল আছে। অনেক সিচুয়েশন আছে যখন তোমার মনে হবে এই জিনিসটা আমার লাগবেই লাগবে। কিন্তু পেয়ে গেলে মনে হবে তুমি আসলে সেটা ডিজার্ভ করো না অথবা You do not belong there. এটা হল সবচেয়ে খারাপ ফিলিংস গুলার মধ্যে একটা।
'মাংকি'স প' গল্পে যেমন ভাল কিছু চেয়ে নিলে একটা খারাপ কিছুও সাথে চলে আসে অনেকটা সেরকম।
Live beyond your means... Dream beyond infinity... এই রকম টার্গেট যাতে সাফল্যের সাথে সাথে চিরস্থায়ী অশান্তি না নিয়ে আসে। সব পাওয়ার পরে যাতে এই রিয়েলাইজেশন না হয় যে 'সুখী মানুষের জামা ছিল না'!
As sunnah Foundation দুপুর একটায় পোস্ট করেছে আর কোন স্বেচ্ছাসেবক লাগবে না।এরপরও এখানে কয়েকগুণ স্বেচ্ছাসেবক এসেছে। দুইটা লাইনে দাড়িয়ে সবাই কাজ করছে।
১.পিছন থেকে অনেকে এসে বলছে ভাই রিপ্লেসমেন্ট লাগবে,ভাই রিপ্লেসনেন্ট লাগবে। কিন্তু কেউ সহজে জায়গা ছাড়ছেনা।
২.আহমাদুল্লাহ হুজুর এসেছে কিন্তু হাতে গোনা কয়েকজন বাদে স্বেচ্ছাসেবকদের কেউ তার সাথে ছবি তোলার জন্য ভীড় করছেনা।
৩.একটু পর পর একেকজন এসে বলছে খেজুর লাগবে ভাই,কিন্তু একটার বেশি কেউ নিতে চাচ্ছে না।
দেশের জন্য কাজ করতে হাজার হাজার তরুণ প্রস্তুত। শুধু Ahmadullah হুজুরের মতো লোকেদের এগিয়ে আসতে হবে।
শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, নবম শ্রেণি থেকে আবারও বিষয়ভিত্তিক অর্থাৎ মানবিক, বিজ্ঞান এবং বাণিজ্য বিভাগ আলাদা থাকবে।
বুধবার ২১ আগস্ট বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, নতুন বছরের পাঠ্যপুস্তকের মলাটসহ ভেতরের বিষয়বস্তু পরিবর্তন করা হবে। শিক্ষাক্রম সংস্কারের প্রাথমিক পদক্ষেপ নিতে হবে। যতটুকু সময় পাওয়া যায় আমরা এই শিক্ষাক্রম সংস্কারে পদক্ষেপ নিবো।
আজকে এইএসসি ২৪ ব্যাচের স্টুডেন্টরা যখন সচিবালয় ঘেরাও করে তখন হাসনাত ভাই সহ আমরা কয়েকজন সচিবালয়ের ভিতরে ছিলাম একটা কাজে। কয়েক মিনিটের মধ্যে তারা এমন কায়দায় গেইট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে যে পুরো সচিবালয়ের মানুষ ভয় পেয়ে যায়। নিচে নেমে আমরা তাদের দাবি শোনার চেষ্টা করি এবং তাদের মধ্যে কথা বলার জন্য কয়েকজন প্রতিনিধি ঠিক করতে বলি। তারপরেই তারা শুরু করে নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি। সেই হাতাহাতি আর মুখের ভাষা দেখে কেউ কখনো বিশ্বাস করতে পারবে না তারা শিক্ষার্থী।
সচিব ও উপদেষ্টাদের আলোচনার জন্য হাসনাত ভাই তাদেরকে কিছুক্ষণ বাইরে দাঁড়াতে বলতেই কয়েকজন আমাদের মারার জন্য তেড়েও আসে। তাদের ভাষ্য হলো, তারা কেউ নিজেদের প্রতিনিধিকে বিশ্বাস করে না তাই তারা ৪০০/৫০০ পোলাপান একসাথে সচিবের রুমে মিটিং করবে। তাদেরকে অনেক বুঝানোর পর কিছুক্ষণ সময় চেয়ে আমরা গেলাম সচিবের রুমে। সিনিয়র সচিব বোর্ড চেয়ারম্যান, অন্যান্য অফিসারের সাথে আলোচনা করেন। এমনকি মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে সমাধানের চেষ্টা করেন।
ঝামেলাটা মূলত শুরু হয় ওখানেই। ৩০ মিনিট না যেতেই হঠাৎ তারা ৫ ই আগস্টের গণভবন দখলের স্টাইলে ১৮ তলায় উঠে সচিবের রুমে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। তাছাড়া উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সাথেও বাকবিতন্ডায় জড়ায় তারা। পরে ওদের তোপের মুখে পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
ঝামেলা এখানেই শেষ নয়। কোন অফিসার নাকি কারে ধাক্কা দিছে এই নিয়ে পরে নিচে নেমে আবার শুরু হয় নতুন ঝামেলা। পুনরায় সচিবালয়ের সব গেইট বন্ধ করে আবারো আমাদের আটকায়। কারে মারছে, কে মারছে এসব জানতে চাইলে কেউ কিছু বলতে পারে না।
এককথায়, মব তৈরি করে যেকোনো উপায়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করে তারা। সবচেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হইলো, পরীক্ষা বাতিলের এক ঘন্টা পরেও তাদের মধ্যে থেকে একগ্রুপ তখনও পরীক্ষা বাতিল চাই, মাইরের উপরে কোন কথা নাই এসব কথাবার্তা বলতে থাকে। পরে আরেক গ্রুপ তাদের থাপরাইয়া সরায়ে দেয়।
বিঃদ্রঃ সেখানে আমি চিনি এমন কোন কলেজের অর্থাৎ নটর ডেম, আদমজী, ঢাকা কলেজ, হলিক্রস, ভিকারুননিসা, রেসিডেন্সিয়াল, নূর মোহাম্মদ, আব্দুর রউফ, গভমেন্ট সায়েন্স, আইডিয়াল, তামিরুল মিল্লাত, দারুননাজাত ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও দেখি নাই। দেশের এই ক্রান্তিকালীন সময়ে স্টুডেন্ট ছাড়াও যে বিভিন্ন মহল আজকে সচিবালয় ঘেরাও করে রাষ্ট্রের কাঠামোকে অস্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছেন তাদেরকে আমি সন্দেহের চোখে দেখি।
~Sakib Ahmed
এইযে অটোপাস নিয়ে এতো আল্টিমেটাম আর আন্দোলন হচ্ছে,এর জন্য অনেকাংশে ২৩ ব্যাচ দায়ী। কোনো কারণ ছাড়া শুধু শুধু এক ফাত্রামির আন্দোলন করা হইছিলো। এর কারণে উপকারের 'উ' ও হয়নাই,উল্টা নেক্সট ব্যাচগুলার জন্য একটা ব্যাড এক্সাম্পল ক্রিয়েট করলো।
কিছু হইলেই শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও,অটোপাস দাও,সিলেবাস কমাও এই ফাত্রামি কালচারের এখন এন্ড করা দরকার।একটা নির্দিষ্ট গ্রুপের পোলাপান বাদে প্রায় কেউই খুশি না এসবে,এদের নিয়ে কথা বললে আবার 'অটোপাস ব্যাচ','আইসিটি ৫০ মার্ক ব্যাচ' বলে সিনিয়রদের সাথেই বাজে বিহেভ করে। শুধু শুধু স্রোতে গা ভাসানোর আগে একটু চিন্তা করা উচিত,কারণ গা ভাসালেই হিরো হওয়া যায়,পিও বাইয়্যে হওয়া যায়। ২৫ আর পরবর্তী ব্যাচগুলাও আরেকটা ব্যাড এক্সাম্পল পাইলো। সিনিয়র হিসেবে তোমরা ক্রিয়েট করে দিলা..
যারা আহত,তাদের তালিকা করে,তাদের অটোপাশ দেওয়া যৌক্তিক ছিলো,কিন্তু পুরো ব্যাচ কে অটোপাশ!how funny!
ইম্প্রুভমেন্ট দেওয়া শিক্ষার্থীর কি হবে?যাদের SSC এর রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তাদের কি হবে?
এসব নিয়ে প্রশ্ন করলে,আপনারা বলবেন,"যারা ইম্প্রুভমেন্ট দিচ্ছে তারা আগের বছর ভালোভাবে পড়ে নি কেনো?"
আপনারা যদি এই কথাই বলেন,তাহলে কালকে আন্দোলনে গিয়ে এটাও দাবি কইরেন,যাতে এই দেশে যেনো ইম্প্রুভমেন্ট এর ব্যবস্থা না থাকে,মানুষকে যেনো আর দ্বিতীয় সুযোগ না দেওয়া হয়।ঠিক আছে?শুধু ইম্প্রুভমেন্ট কেনো,আর যেনো কোনো এডমিশনেও দ্বিতীয় সুযোগ না দেওয়া হয়।কারণ তোমাদের ভাষ্যমতে তো তারা আগের বার পড়েনি,এখন আর তাদের কথা ভাবা উচিত না।
আর SSC তে যাদের রেজাল্ট খারাপ আসছে,তাদের কথা ভাবতে বললে বলেন,"তারা SSC তেই ভালো করলোনা,HSC তে ভালো করবে?"
তাহলে বলি ভাই,,মানুষ এর জীবন তো আর পরিবর্তন হয়না,মানুষ আগের জীবনে ভুল করছিলো,তাই সে আর নতুন করে পরিশ্রমী হতে পারবেনা?তাইনা?অনেক এভারেজ স্টুডেন্ট ও আগের জীবনে যা করছে তা ভুলে গিয়ে inter থেকে অনেক পরিশ্রম করা শুরু করে,কারণ HSC এর জিপিএ সব জায়গায় বেশি ম্যাটার করে।
আর অন্যদিকে,অনেকেই Inter লাইফ wisely কাটায়না,তারা HSc তে ভালো ও করেনা।এখন অটোপাশ বা সাব্জেক্ট ম্যাপিং দিলে SSC এর রেজাল্ট এর উপর base করে তারা পার পেয়ে যাবে।এটা কি ধরনের বৈষম্য?
আর আপনারাই তো পরীক্ষা শুরুর আগে দাবি করছিলেন 2month পিছানোর জন্য।তখন মনে ছিলোনা?Admission এ সময় পাবেন নাএখন এমন করতেছেন ক্যান?
আর দেশে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে।এটা কেউ জেনেবুঝে করে নাই।আপনাদের কষ্ট হচ্ছে এটা ঠিক ই।কিন্তু আপনারা যা চাচ্ছেন তা যুক্তিযুক্ত না।পরীক্ষা দেওয়া এখন কষ্টকর, কারণ সবার concentration break হইছে।তার মানে এই না যে, আপনারা অন্যদের কথা ভাববেন না,just because SSC এর রেজাল্ট ভালো।
আপনারা যদি এই দাবি করতেন যে,এডমিশন এর সময় যেনো না কমায়,তাও মানা যাইতো।আপনারা কি শুরু করছেন,বলেন তো?
আর admission এর সময় ফিক্সড না,সবাইকেই মিনিমাম টাইম দেওয়া হয়।HSC এর পড়া আর এডমিশন এর পড়া তো আলাদা না।একি তো। এই একমাস HSC এর সিলবাস টাই যদি পড়তে পড়তে ঝাঝড়া করে ফেলেন,তাহলে কি আপনারা এডমিশন এ আগায় থাকবেন না?নাকি admission এ নতুন বই পড়া লাগে?
আপনারা আবার বলতেছেন,আপ্নারা autopass চান না।সাব্জেক্ট ম্যাপিং চান।একই তো ভাই!মেইন মেইন সাব্জেক্ট ই তো বাকি।বেশির ভাগ তো অই জায়গাতেই ঠেকে যায়।
একটু যুক্তি দিয়ে ভাইবেন।ঠিক আছে?
ভাইয়া,আপনারা মেধার জন্য আন্দোলন করলেন,আর এখন যদি অটোপাস দিয়ে দেয়,তাহলে সত্যি অনেক বৈষম্য হবে।
আপনারা আহতদের অটোপাস এর ব্যবস্থা করেন,কিন্তু সুস্থ দের এক্সাম টা যেনো হয়।প্লিজ ভাইয়া
HSC 23 HSC 24 একসাথে ভার্সিটির ক্লাসে দেখা হবে। কপাল ভালো হলে তোমাদের ও Welcome HSC 25
সকলের জন্য শুভকামনা 🤡
তোমরা যারা পরীক্ষা বাতিলের জন্য আন্দোলনে নামছ তোমাদের এই বিষয় টা পুরোপুরি অযৌক্তিক হাস্যকর একটা বিষয়.....এখন তোমরা বলবে যে এইচএসসি তে এত সময় ধরে পরীক্ষা দিলে এডমিশন এর প্রস্তুতি নিবো কখন..??? এ এটা বলতেই পারো এর জন্য তো সমাধান রয়েছেই....যদি পরীক্ষা শেষ করতে সময় লাগে তাহলে তোমরা ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর আন্দোলন করো এবং এটা যৌক্তিক.
তা বাদ দিয়ে তোমরা এসএসসির রেজাল্ট এর ভিত্তিতে এইচএসসি টা কাউন্ট করা অযৌক্তিক... অযোগ্য রা এসএসসির জন্য জিপিএ বেশি পাবে আর যোগ্যরা রাত দিন পড়াশোনা করে ওই একি রেজাল্ট করবে তা কি করে হয়......সত্যি বলতে গেলে যাদের সিলেবাস ৪০% ও কম্প্লিট হয় নাই তারাই এই আন্দোলনের বেশি জোর দিচ্ছে.....
এক শ্রেণির কুলাঙ্গার রা বলবে যে আমরা মানসিক ভাবে প্রস্তুত নই...কেন প্রস্তুত নও???
এক মাস কি যথেষ্ট নয়???
৩ সাবজেক্ট পরীক্ষা দিয়ে এ+ পেয়েছো বলে এইচএসসিতেও তাই করতে চাও নাকি???
তোমরা বরং ২ টা আন্দোলন করতে পারো
১) যেহেতু পরীক্ষা দেরিতে হচ্ছে সুতরাং ভর্তি পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট সময় দিতে হবে
২) বর্তমান পরিস্থিতিতে পরীক্ষা আশানুরূপ ভালো হবে না তাই ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে জিপিএ কমিয়ে আনা হোক
এই যুক্তি দিয়ে আন্দোলন করো ১০০% সফল হবা...তাছাড়া তোমরা যা করছ তোমাদের সময় তো নষ্ট করছ সেই সাথে পরীক্ষাও খারাপ করার ফাদে পা দিচ্ছ
যখন দেখবে পরীক্ষা ঠিক হয়ে যাবে এবং পড়াশোনা বাদ দিয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে রেজাল্ট খারাপ হবে তখন বুঝবে ঠ্যালা
তাই বলি হয় পরীক্ষা মেনে নাও নয়তো বা
উপরের শর্ত অনুযায়ী আন্দলোন কর এতে সফল ও হবে এবং ভর্তি পরীক্ষায় কম জিপিএ এর প্রভাবো পড়বে না
Click here to claim your Sponsored Listing.