Dacope Khulna Shikkha Paribar-DKSP

Dacope Khulna Shikkha Paribar-DKSP An Educational & Inspiration Unity. DKSP: শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার জন্য অামরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে যোগদান করছে দাকোপের গর্ব রাজন রায়খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া ইউনিয়নে...
08/02/2026

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে যোগদান করছে দাকোপের গর্ব রাজন রায়

খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া ইউনিয়নের গর্বিত পিতা মনোরঞ্জন রায় ও গর্বিত মাতা মীরা রায়ের মেধাবী সন্তান রাজন রায় ৪৪তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে যোগদান করছে।

এটি দাকোপবাসীর জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় দাকোপের মেধাবী সন্তানরা সাফল্য ধরে রেখেছেন।

মা সংসারের কাজ সামলান এবং বাবা ২০২০ সালে কোভিডে ইহলোক ত্যাগ করেছেন কিন্তু অদম্য মেধাবী তরুন রাজন রায় থেমে থাকেননি, বাংলাদেশের সেরা বিদ্যাপীঠ বুয়েট থেকে পড়ালেখা শেষ করে একেক পর এক কর্মজীবনে সফলতা এনেছেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে রাজন রায় বলেন, "তরুণদের জন্য বলতে চাই যে ভালো চাকরি অপেক্ষা ভালো মানুষ হওয়া বেশি জরুরী যার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ ও অনুশাসন মেনে চলা। আর ভালো চাকরির জন্য নিজের সক্ষমতা অনুধাবন করে পরিশ্রমের পাশাপাশি ছোটবেলা থেকে বেসিক স্ট্রং করে পড়াশোনা করা উচিত। জীবনের প্রথম জব হিসাবে লেকচারার( ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি), তারপরে সহকারী ব্যবস্থাপক (সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড), সহকারী ব্যবস্থাপক (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড), সহকারী প্রকৌশলী (পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ) প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি করার পাশাপাশি ৪৫তম বিসিএসে সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম), বিসিএস গণপূর্ত ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি"।

উল্লেখ্য রাজন রায় পড়ালেখা করেছেন, বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎকৌশল বিভাগে (ইইই) স্নাতক শেষ করেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার, ডিকেএসপির পক্ষ থেকে রাজন রায়ের এই অসাধারণ অর্জন ও সফলতার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৫ম হয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান মোঃ আরিফ মোড়ল দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের গর...
08/02/2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৫ম হয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান মোঃ আরিফ মোড়ল

দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের গর্বিত পিতা জয়নাল মোড়ল ও গর্বিত মাতা হালিমা বেগমের মেধাবী সন্তান মোঃ আরিফ মোড়ল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় (অ-বানিজ্য) ইউনিটে ৫ম তম হয়েছেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ যোগাযোগ করা হলে মোঃ আরিফ মোড়ল বলেন, "বাবা মা দুজনেই অনেক খুশি কারণ তাদের আশা পূরণ করতে পেরেছি।আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (অ-বানিজ্য) ইউনিটে ৫ম তম হয়েছি। সাবজেক্ট এখনো পাইনি তবে আশা রাখছি আই বি এ পাবো।আমি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি; আল্লাহর রহমতে আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছি । তরুণ প্রজন্মের জন্য এটাই বলতে চাই যে, তুমি সব সময় নিজের আত্মবিশ্বাসটা ধারণ করে চেষ্টা করে যাও। কারণ যতদিন তুমি ভালো ফল করতে না পারবে তত দিন পর্যন্ত মানুষ তোমাকে বিভিন্ন কথা শুনাবে, তোমাকে হতাশার অন্ধকারে ডুবিয়ে দিতে চাইবে; এমনকি তোমার খারাপ ফলাফল গুলি ও তোমাকে হতাশার মধ্যে ফেলবে তখন সেগুলো উপেক্ষা করে চলবে । আর ভর্তি পরীক্ষার সময় হতাশার কারণে আমরা অনেক জানা প্রশ্ন ও ভূল করি এই জন্য পরীক্ষার সময় নিজেকে শান্ত রাখতে হবে ।নিয়মিত পড়ালেখা করতে হবে এর পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে যাচাই করে নিজের ভুল গুলো ঠিক করতে হবে। ভবিষ্যতে আমি একজন শিক্ষক হতে চাই পাশাপাশি সৎ আদর্শবান ও ভালো মানুষ হতে চাই। এছাড়া আমার এলাকার পড়াশোনার মান আরো উন্নত করতে চাই"।

উল্লেখ্য মোঃ আরিফ মোড়ল পড়াশুনা করেছে কালাবগী পন্ডিত চন্দ্র সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাবগী সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সরকারী মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ, খুলনা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে তার এই অর্জনের জন্য অভিনন্দন ও শুভ কামনা রইল।

দাকোপের নতুন বিসিএস ক্যাডার  ডাঃ তিথী রায় দাকোপ উপজেলার দাকোপের গর্বিত পিতা ননীগোপাল রায় ও গর্বিত মাতা রানি রায়ের মেধাবী...
23/01/2026

দাকোপের নতুন বিসিএস ক্যাডার ডাঃ তিথী রায়

দাকোপ উপজেলার দাকোপের গর্বিত পিতা ননীগোপাল রায় ও গর্বিত মাতা রানি রায়ের মেধাবী ও কৃতি সন্তান, নারী ও কিশোরীদের অনুপ্রেরণা, দাকোপের গর্ব ডাঃ তিথী রায় ৪৮তম বিশেষ (স্বাস্থ্য) বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং গতকাল সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।


দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ডাঃ তিথী রায় বলেন, "আমার বাবা কৃষি কাজ করে এবং মা গৃহিণী। আজ আমি যত টুকু তার সব টুকুই ভগবানের কৃপা আর কাছের মানুষ গুলোর আশীর্বাদ যাদের ছাড়া আমি কিছুই না।ছোট থেকে আমার বাবা- মা খুব চাইতো আমি ডাক্তার হই,তারা তাদের সব টুকু দিয়ে আমার জন্য চেষ্টা করেছে এবং সব সময় পাশে থেকেছে সাহস দিয়ে, বাবা মায়ের পাশাপাশি আমার দিদি ও বোন সব সময় আমাকে সাপোর্ট করেছে এবং বিয়ের পরে আমার স্বামী ও তার পরিবারের সবাই সব সময় আমার পাশে ছিল। তবে আমার প্রতিটা জার্নি কখনই সহজ ছিল না, এগুলো অনেক কষ্ট,অনেক ত্যাগ আর ভগবানের উপর বিশ্বাসের ফল।পরবর্তীতে আমি আমার ডিগ্রি কমপ্লিট করে একজন ভালো শিশুবিশেজ্ঞ হিসেবে মানুষের সেবা দিতে চাই, আমাকে সবাই আশীর্বাদ করবেন যাতে বাবা মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।

তরুণ প্রজন্মের জন্য আপনার পরামর্শ কি জানতে চাইলে ডাঃ তিথী রায় বলেন, "আমি বলবো যদি মন থেকে কিছু করতে চাও তাহলে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে লেগে থাকো,তাহলে কেউ তোমাকে তোমার যোগ্যটা দিক আর না দিক ভাগ্য সহায় হলে সময় ঠিকই তোমার যোগ্য সম্মান দেবে"।

উল্লেখ্য ডাঃ তিথী রায় পশ্চিম বাজুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, বাজুয়া এস এন ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক,
খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পূর্ণ করেছে।তারপর ইন্টার্নি শেষ করে শিশু বিষয়ে এফসিপিএস প্রথম পর্ব পাস করেছে।

পড়ালেখা শেষে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে ট্রেনিংয়ে জয়েন করে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পোস্টিং হলে নতুন সরকারি জবের কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে ডাঃ তিথী রায়ের এই সফলতার জন্য আন্তরিক অভিবাদন ও শুভকামনা রইল।

সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও পরীক্ষার সময়সূচি।
28/12/2025

সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও পরীক্ষার সময়সূচি।

সেন্ট পল্‌স উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছে দাকোপের মেধাবী সন্তান প্রনব মন্ডল"মাতৃহারা একটা ছেলের জীবন কতটা ব...
23/09/2025

সেন্ট পল্‌স উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছে দাকোপের মেধাবী সন্তান প্রনব মন্ডল

"মাতৃহারা একটা ছেলের জীবন কতটা বিমর্ষ, সেটি জীবন চলার পথে প্রতিটি মুহুর্তে মুহুর্তে বুঝতে পারি। মা কে হারিয়েছি সেই ২০০৫ সালে তখন আমার বয়স ছিলো ৭ বছর। মা কে হারানো সেই সময় থেকে জীবনে হাসি নামক শব্দটি উঠে যায়। আমার জীবনটা এমন একটা জীবন যে জীবনে আজ পর্যন্ত কখনো কারো কাছে কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিলো না। নিজের জীবনের সুখ-দুঃখও কখনো শেয়ার করতে পারিনি। ২০২০ সাল এর পর থেকে জীবনের এমন একটি দুর্বিষহ পযার্য়ে চলে আসছি যে বিভিন্ন উৎসব এ যখন আমার বন্ধুরা বাড়িতে যায় তখন তাদের বাবা- মায়েরা কত কিছুই না রান্না করে খাওয়ায় তখন আমি আমার বাড়িতে গিয়ে নিজেই নিজের রান্না করে খাইতে হয়। বাড়িতে গিয়ে কোনদিন এক বেলাও খেয়েছি আবার সারাদিন ভাত না খেয়ে বিস্কুট খেয়েও দিন পার করছি। মাঝে মধ্যে পার্শ্ববর্তী দীপা দিদি আর বন্ধু দীপন রায়ের বাড়িতে খেয়েও দিন পার করছি। ঈশ্বরের কাছে একটাই চাওয়া আমার মতো জীবন যেন আর কারো জীবনে না আসুক। বর্তমানে আমার পৃথিবী বলতে আমার বাবা আর কাকু । ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মানুষ। এভাবে কথাগুলো বলছিলেন প্রনব, মৃদৃকন্ঠ বলে দেয়, কত কষ্ট তার বুকে জমা আছে"।

★★[ডিকেএসপির আজকের পর্বে আমরা তুলে ধরেছি প্রনব মন্ডলের সফলতার গল্প যা তরুনদের অনুপ্রেরণনা হিসাবে কাজ করবে। ]★★

দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের গর্বিত পিতা অমল মন্ডল ও গর্বিত মাতা পারুল মন্ডলের মেধাবী সন্তান প্রনব মন্ডল সদ্য প্রকাশিত NTRCA ৬ষ্ঠ ফলাফলে ( Pronab Mondal) ST Paul's High School , Mongla, Bagerhat , সহকারী শিক্ষক ICT (তথ্য_ও_যোগাযোগ_প্রযুক্তি ) হিসাবে যোগদান করেছেন।

ডিকেএসপির সাথে একান্ত আলাপচারিতায় জানা যায়, "প্রনব মন্ডলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সবসময় তার ক্লাসে রোল ১,২ এর মধ্যে থাকতো। ক্লাস -৬ এ সুতারখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পড়া অবস্থায় ঘূর্ণিঝড় আইলা ২০০৯ সালে ২৫ শে মে হওয়ার পরদিনই রামনগর Ash*t Ray দাদাবাবুর বাড়িতে চলে আসেন । তারপর ২.৫ বছর বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয় পড়াশোনা করেন এবং সর্বশেষ রামনগর বীনাপানি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে থেকে এসএসসি পাশ করার পর প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে সরকারি খুলনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ৪ বছর মেয়াদি কম্পিউটার টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেন। খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর কম্পিউটার বিভাগের টপার ছিলেন, (ফাস্ট বয় ছিলেন) এবং ডিপার্টমেন্টে তৃতীয় । পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই ডিপার্টমেন্টে প্রনব মন্ডল ডিপার্টমেন্ট ফাস্ট হয় এরং চারবার স্কলারশিপ পায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে"।

ডিকেএসপির সাথে আলাপচারিতায় আরো জানা যায় যে, প্রনব মন্ডল ২০২০ সালে ফেয়ার ইলেকট্রনিকস স্যামসাং এ ডিকেএসপির সমন্বয়ক অসীম ঘরামী Ashim Gharami দাদার সহায়তায় আইটি সেক্টরে প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন । পরবর্তীতে ACL কোম্পানির অধীনে রবি তে নেটওয়ার্ক অপারেশন কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির সাথে একান্ত আলাপচারিতায় প্রনব মন্ডল বলেন, "আমার এই সফলতার পিছনে পরম করুণাময় ঈশ্বরের পরেই আমার বাবা, কাকু ইঞ্জিনিয়ার Bimal Krishno , দিদি- দাদাবাবু ( অসিত রায়, অরুন সরদার) এবং আমার ছোট বেলার শিক্ষা গুরু বন্ধু Dipon Roy এর বাবা শ্রদ্ধেয় অনিমেষ রায় স্যারের অবদান অনস্বীকার্য। আমি আজীবন তাঁদের প্রতি ডেডিকেটেড এবং কৃতজ্ঞ থাকব।

আমার স্বপ্ন ও লক্ষ্য আরো উচ্চতর শিক্ষা অর্জন ও গবেষনা। উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করে আমার অর্জিত জ্ঞানটা আমার প্রিয় শিক্ষার্থীদের দান করতে চাই। শুধু আমার জন্য আশীর্বাদ করবেন আমি যেন মানুষের মত মানুষ হতে পারি, আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারি,সর্বোপরি আপনাদের ( দাকোপবাসীর) পাশে দাঁড়াতে পারি এবং সমাজ তথা দেশের কাজ নিষ্ঠার সাথে করতে পারি।

নতুনদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা জীবনে অনেক হতাশার সম্মুখীন হতে হবে কিন্তু কখনো হতাশ হলে হবে না। নিজের জীবনের লক্ষ্য ঠিক রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে তবেই সফলতা আসবে।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবারের (ডিকেএসপি) পক্ষ থেকে প্রনব মন্ডলের এই সফলতার জন্য প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল।

দাকোপ উপজেলার গৌরবময় প্রতিষ্ঠান বাজুয়া সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কর্তৃক আয়োজিত  নবীন বরণ এবং কৃতী  শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৫ এর ক...
15/09/2025

দাকোপ উপজেলার গৌরবময় প্রতিষ্ঠান বাজুয়া সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কর্তৃক আয়োজিত নবীন বরণ এবং কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৫ এর কিছু খন্ড চিত্র।

দাকোপ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ বাজুয়া সুরেন্দ্রনাথ কলেজের সদ্য বিদায়ী অধ্যক্ষ শ্যামল  রায় স্যারের অবসোত্তর জীবন মঙ্গ...
12/08/2025

দাকোপ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ বাজুয়া সুরেন্দ্রনাথ কলেজের সদ্য বিদায়ী অধ্যক্ষ শ্যামল রায় স্যারের অবসোত্তর জীবন মঙ্গলময় হোক এই কামনা করি। একই সাথে বাংলা বিভাগের সহ: অধ্যাপক ও ডিকেএসপির সভাপতি হেমন্ত কুমার বৈদ্য স্যার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিবাদন ও শুভকামনা জ্ঞাপন করি।

---------------------------
ডিকেএসপি পরিবার

কৃষি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান অয়ন মন্ডলদাকোপ উপজেলার কালিনগর গ্রা...
29/07/2025

কৃষি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান অয়ন মন্ডল

দাকোপ উপজেলার কালিনগর গ্রামের গর্বিত পিতা ভবতোষ মন্ডল ও গর্বিত মাতা সুপ্রিয়া মন্ডলের মেধাবী সন্তান গুচ্ছ কৃষি, খুলনা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে অয়ন মন্ডল বলেন, "আমার বাবা একজন কৃষক ও মা গৃহিণী। বাবা ও মা দুজনেই খুব খুশি কারণ তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে পেরেছি।।সেই সাথে আমার দিদি ও অন্যান্য যারা আমার সহযোগিতা করেছে এডমিশনে সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি পড়াশুনা করেছি কালিনগর জি.সি মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিকে খুলনার সরকারি বিএল কলেজে।প্রথমত আমি কৃষি গুচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এগরি ইকোনমিক্স সাবজেক্ট পেয়েছিলাম।। তারপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের SWE সাবজেক্ট পেয়েছিলাম । এবং সর্বশেষ প্রথম মেধা তালিকায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োটেকনোলজি সাবজেক্ট পেয়েছি ।এবং বর্তমানে বরিশালের বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োটেকনোলজি সাবজেক্টে ভর্তি আছি। ঈশ্বর, মা বাবার আশীর্বাদে চান্স পেয়ে আমি খুব আনন্দিত।।
তরুণদের জন্য পরামর্শ থাকবে এডমিশন জার্নিতে নিয়মিত পড়াশোনা করা। প্রতিদিন পড়াশুনার পাশাপাশি পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে যাচাই করা।। এছাড়া সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখা।। এছাড়া নিজের আত্মবিশ্বাস অটুট রাখা। ভবিষ্যতে আমি একজন বায়োকেমিস্ট হতে চাই এবং দেশের জন্য কাজ করতে চাই"।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে অয়ন মন্ডলের সফলতার জন্য আন্তরিক অভিবাদন ও শুভকামনা রইল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও JUST তে পড়ার সুযোগ পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান স্নিগ্ধা বিশ্বাস। দাকোপ উপজেলার চালনার গর্বিত পি...
27/07/2025

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও JUST তে পড়ার সুযোগ পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান স্নিগ্ধা বিশ্বাস।

দাকোপ উপজেলার চালনার গর্বিত পিতা সুরঞ্জন কুমার বিশ্বাস ও গর্বিত মাতা স্নেহলতা বিশ্বাসের মেধাবী সন্তান স্নিগ্ধা বিশ্বাস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও JUST তে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। তার বাবা ও মা দুই জনেই শিক্ষকতা করেন। স্নিগ্ধা বিশ্বাসের মা আবুল হোসেন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় আর বাবা আনন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে স্নিগ্ধা বলেন, "আমার চান্স হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাবিতে সাবজেক্ট Population science and human resource development এবং
JUST এ Mathematics..তরুণদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে, কে কি বলল কারো কথায় কান দিও না। নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে তোমার নিজেরই সর্বোচ্চ পরিশ্রম করতে হবে। আমি অনেক সময় অনেকের কথায় demotivated হয়েছি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে আমি সফলতার মাধ্যমে তাদের কথার জবাব দিতে পারি। সবসময় মনে রাখবে জীবনে সফল হতে গেলে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই"।

উল্লেখ্য স্নিগ্ধা পড়ালেখা করেছে চালনার আবুল হোসেন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং চালনা মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছে।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে তার এই সফলতার জন্য আন্তরিক অভিবাদন ও শুভকামনা রইল। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

Brainware University তে পড়ার সুযোগ পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান অন্তরা বাছাড় অন্তু দাকোপ উপজেলার চালনা বাজারের গর্বিত পি...
26/07/2025

Brainware University তে পড়ার সুযোগ পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান অন্তরা বাছাড় অন্তু

দাকোপ উপজেলার চালনা বাজারের গর্বিত পিতা নিতাই বাছাড় ও গর্বিত মাতা তনু বালা মন্ডলের (তার মা একজন স্কুল শিক্ষিকা বর্তমানে শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে কর্মরত) মেধাবী সন্তান অন্তরা বাছাড় অন্তু BrainWare University, Kolkata অনার্সে ফার্মেসীতে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবারের (ডিকেএসপি) পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে অন্তরা বলেন, "আমি ব্যাচেলর অফ ফার্মেসিতে BrainWare University, Kolkata তে ভর্তি হয়েছি। বর্তমানে কলিকাতাতে আছি। এখান থেকে গ্রাডুয়েশন শেষ করে আমি স্বপ্ন পূরনের জন্য উচ্চ শিক্ষার জন্য পি.এইচ.ডি করার লক্ষ্যে ইউরোপের দেশে যেতে চাই।আমার স্বপ্ন ঔষধের উপর গবেষণা করে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চাই।আমার ছোট এই জীবনে যা কিছু অর্জন তা আমার মা বাবার জন্যই।আমার স্কুলে ভর্তির আগে থেকেই নাচ,গান,আর্ট সব কিছুতে ভর্তি করিয়েছে আমার মা বাবা।তাদের একটা কথা ছিল বড় হলে তুমি যেটা Prefer করো সেটাই করবে।প্লে থেকে নার্চারী পর্যন্ত-চালনা বাজার চিল্ড্রেন পার্ক স্কুলে ছিলাম প্রতি পদে পদে বাঁধা পেরুতে পেরুতে শেষমেষ সিদ্ধান্ত নিলাম বাহিরে যাব।আমি সকল স্টুডেন্টের বলব যদি কাহারো স্বপ্নপূরনের ইচ্ছা থাকে তাহলে কেউ তাকে দমিয়ে রাখতে পারে না।সে আগুনের ফুলকির মত বেরিয়ে আসবে। আমার এডমিশন যাত্রাটা আজকে শুরু হয়নি।বরাবরই ইচ্ছা ছিল মেডিকেল নিয়ে পড়ার।কিন্তু হয়তো সৃষ্টিকর্তা চাননি তাই হয়নি।আমার ভাগ্য কি চমৎকার, ভাবা যায়?অনেক মানুষ আমাকে গায়ে পড়ে এসে অনেক কথা শুনিয়ে গিয়েছে।কি অকথ্য ভাষা!আমার জীবন মনে হয় এখানেই শেষ। আমি চুপ ছিলাম,একটু উত্তরও দেয়নি।দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে পড়েছিলাম।
আমার পাশে ছিল আমার পরিবারটাই।তারাই আমাকে টেনে তুলেছে।প্রতি পদে পদে বাঁধা পেরুতে পেরুতে শেষমেষ সিদ্ধান্ত নিলাম বাইরে যাবো। কত্ত চোখের জল, কতবার ভেঙে গিয়ে উঠে দাঁড়ানোর কথা-শুধু আমি আর ভগবান জানে।যাই হোক। প্রিপারেশন নিলাম।IELTS exam দিলাম, আশানুরূপ result আসলো।কিন্তু ভগবানের পরিকল্পনা হয়তো অন্য কিছু। আমি ভেঙে পড়িনি,আমি থেমে থাকিনি।যাই হয়ে যাক দেশে থাকবো না। যেই ভার্সিটি choice করলাম (Brainware University,Kolkata)।শুনলাম Admission exam নাকি ২ দিন পর।আগে যা পড়া ছিল প্রিপারেশন নিয়ে দিলাম exam, Online exam হয়েছিল, চাইলে আপনারা যাচাই করে দেখতে পারেন..।যাই হোক যা প্রিপারেশন ছিল confident ছিলাম আসবে।চান্স হলো।সাবজেক্টও এসেছে ভালো(Pharmacy.) এই পথটাও খুব একটা সহজ ছিল না। বাবা মা ও আমি একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম।তবুও আমি আমার স্বপ্ন থেকে সরে আসিনি। বরং দুইধাপ এগিয়েছি।আমি এটাই বিশ্বাস করি ভগবান যা চায় তার কিঞ্চিৎ পরিমান এপাশ ওপাশ হয়না"।

অন্তরা ছোটবেলা থেকে মেধাবী ও সাংস্কৃতিকমনা। নাচে, গানে ও অংকনে রয়েছে তার সাফাল্যের চাবিকাঠি। ঘরে তুলেছেন জাতীয় প্রাপ্তিও।

ডিকেএসপির সাথে আলাপচারিতায় অন্তরা সেই বিষযে খোলামেলা কথা বলেন, অন্তরা ডিকেএসপিকে তুলে ধরেন সেই গল্প, "ছোট থেকে রবীন্দ্র সংগীতের প্রতি আমার অদ্ভুত একটা টান।আমি এখানেই যেন আমার শান্তি খুজে পাই।আমার গুরুজী স্যার সাধন রঞ্জন ঘোষ(বিটিবি নিয়মিত রবীন্দ্রসঙৃগীত শিল্পী)। কি যে শান্তি ওনার সান্নিধ্যে থাকলে' এই সবকষ্ট সফল হয়ে ছিল সে দিন ; যে দিন আমি জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্রসংগীতে অংশগ্রহণ করতে ২০১৯ সালে ঢাকা গিয়েছিলাম। ২০১২ সালে চিত্রাংকনে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ান। ২০১৪ সালে চিত্রাংকনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রানারআপ।(ইং-২০১৬,২০১৭,ও২০১৮) উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হই।এবং ইং-২০২২ সালে কলেজ পর্যায়ে খুলনা জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাথী নির্বাচিত হই।এছাড়া নজরুল,উচাঙ্গ সংগীত নৃত্য এবং সুন্দর হাতের লেখায় জেলা পর্যায়ে কয়েকবার চ্যাম্পিয়ান হই। আজকে আমি এখানে এবং নিজেকে নিয়ে গর্বিত।মা বাবার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ।নিজেকে আমি যেভাবে দেখিনি তারা আমার মাঝে তাই দেখেছে।মা সব সময় ধৈর্য্য ধরতে বলতেন। সব শেষে আমার স্কুল এবং কলেজের সন্মানিত শিক্ষকবৃন্দ পিতৃ-মাতৃ তুল্য গুরুজনদের আর্শিবাদে এবং সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি।সকলকে আমার স্বশ্রদ্ধেয় প্রনাম।সকলেই আমার জন্য আশির্বাদ করবেন।

উল্লেখ্য, অন্তরা বাছাড় অন্তু পড়ালেখা করেছে
চালনা বাজার সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, চালনা বাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সরকারি এমএম সিটি কলেজ খুলনা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। মেধাবী অন্তরার পড়ালেখায় রয়েছে দারুন সাফাল্য। সে PSC(২০১৫),JSC(২০১৮),SSC(২০২১)& HSC (২০২৩)তে দারুন ফলাফল করেছে।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে অন্তরা বাছাড় অন্তুর এই সফলতার জন্য আন্তরিক অভিবাদন ও শুভকামনা রইল।

21/07/2025
খুলনা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান স্বর্ণা রায়দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের গর্বিত পিতা ...
05/07/2025

খুলনা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে দাকোপের মেধাবী সন্তান স্বর্ণা রায়

দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের গর্বিত পিতা
রনজিত কুমার রায় (শিক্ষক, চালনা কে সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়) ও গর্বিত মাতা সুভাষিনী মন্ডলের (প্রধান শিক্ষক,লক্ষ্মীখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) মেধাবী সন্তান
স্বর্ণা রায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। স্বর্না রায়ের
সাবেজেক্ট : শিক্ষা গবেষণা, মেধাক্রম : ৬৪৭, সি ইউনিট
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এ ইউনিট মেধাক্রম :১৫৯০ এবং গুচ্ছতে বি ইউনিট মেধাক্রম ৫৪৫৩

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে স্বর্না রায় বলেন, আমি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন সবার থাকে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সে স্বপ্নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেয়। স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে খুলনা, রাজশাহী ও গুচ্ছ তে পরীক্ষা দিলেও মূল টার্গেট ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। কারণ, আমার মায়ের স্বপ্ন ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। সে সুযোগ তিনি পাননি। তাঁর সে স্বপ্ন পরবর্তীতে দানা বাঁধে আমাকে ঘিরে। মায়ের সে স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আমি গর্বিত, আনন্দিত। আমরা দু ভাই -বোন। আমার বড়দা মাস্টার্স শেষ করে এখন জব প্রিপারেশন নিচ্ছে। তার এবং আমার বাবার ও খুব ইচ্ছা ছিল আমি খুলনা ভার্সিটিতে পড়ি। যদিও আমার মনপূতঃ সাবজেক্ট আসেনি। কিন্তু, সাবজেক্ট যাই হোক আমার, সবার স্বপ্নের খুলনা ভার্সিটিতেই চান্স পাওয়ায় আমি পরম করুণাময়ের কাছে ও অসীম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি"।

তরুনদের জন্য স্বর্ণা ডিকেএসপিকে জানান, " আমার অভিজ্ঞতা থেকে সকলের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলতে চাই, মন থেকে কিছু চাইলে, প্রচণ্ড চেষ্টা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে, ঈশ্বর সে চাওয়া অবশ্যই পূরণ করেন।"

স্বর্ণা রায় আগামীতে একজন ভার্সিটি শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি একজন সৎ, আদর্শ ও ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।

উল্লেখ্য স্বর্না রায় পড়ালেখা করেছে পানখালী (১) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ A+( বৃত্তি প্রাপ্ত)।
চালনা কে সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (A+ ও বৃত্তি প্রাপ্ত) এবং চালনা মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ( A+)।

দাকোপ খুলনা শিক্ষা পরিবার ডিকেএসপির পক্ষ থেকে স্বর্ণা রায়ের জন্য প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dacope Khulna Shikkha Paribar-DKSP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Dacope Khulna Shikkha Paribar-DKSP:

Shortcuts

Share