08/09/2023
https://youtu.be/TlFMuGe8t_w?si=9pgIvuE_Tdv-7QJk
খুলনা__জিরোপয়েন্টে_পানির_দামে_জমি_বিক্রয় । Land for sale । low price land sale in khulna
খুলনা__জিরোপয়েন্টে_পানির_দামে_জমি_বিক্রয় । Land for sale । low price land sale in khulnaসতর্কবাণী !১.জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই নিজ দায়িত্ব...
27/05/2017
'ছোট' এজবাস্টনে তামিমদের 'বড়' প্রস্তুতি
বাংলাদেশ ৩৪১/৯, ৫০ ওভারে (তামিম ১০২, ইমরুল ৬১, মুশফিক ৪৬, মাহমুদউল্লাহ ২৯, মোসাদ্দেক ২৬, সাকিব ২৩; জুনাইদ ৪/৭৩)
সরাসরি সম্প্রচার নেই কোথাও। প্রবাসী বাংলাদেশীদের কল্যাণে ফেসবুক বা ইউটিউবের লাইভই তাই ভরসা। সেই ঘোলা স্ক্রিনেই এজবাস্টনের আজকের মাঠে দিকে তাকিয়ে আপনার চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। মাঠের একদিকের বাউন্ডারি একেবারেই ছোট, সব মিলে ৩৫ গজ হবে কি না সন্দেহ! প্রস্তুতি ম্যাচের উইকেট একটু একপাশেই হবে, কিন্তু এতো ছোট মাঠ নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক-কোচও অসন্তুষ্টি জানিয়ে গেছেন। তবে প্রথমে ব্যাট করে সেই ছোট মাঠে অনুশীলনটা খারাপ হয়নি বাংলাদেশের, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫০ ওভারে তুলেছে ৩৪১।
সেই প্রস্তুতিটা সবচেয়ে ভালোভাবে সেরেছেন তামিম ইকবাল। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আগের ম্যাচেই করেছিলেন ৬৫ রান। আজও সেখান থেকেই শুরু করলেন। শুরুতে সৌম্যের চেয়ে একটু রান তোলায় পিছিয়ে থাকলেও পরে সেটা পুষিয়ে দিয়েছেন দারুণভাবে। ২৭ রানে সৌম্য ফিরে যাওয়ার পর ইমরুল কায়েসের সঙ্গে গড়েছেন ১৩৮ রানের জুটি। ১০৮ বলে সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন তামিম। ছোট মাঠের সুবিধা সবচেয়ে ভালোভাবেই নিয়েছেন, নয় চারের পাশাপাশি মেরেছেন চার ছয়। তার আগেই অবশ্য ৬২ বলে ৬১ রান করে আউট হয়ে গেছেন ইমরুল কায়েস।
মুশফিক নেমেও শুরু থেকে মেরে খেলেছেন, ৩৫ বলে ৪৬ রানের ইনিংসে ছিল তিনটি ছয়। সাকিব, মাহমুদউল্লাহ সবাই কমবেশি ব্যাটিং অনুশীলনটা করে নিয়েছেন। ২৪ বলে ২৯ রান করে আউট হয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহ, সাকিব করেছেন ২৭ বলে ২৩। শেষ দিকে ১৫ বলে ২৬ রানের একটা ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। তবে শেষ দিকে দ্রুত কিছু উইকেট হারানোয় বাংলাদেশের রান আরও বেশি হয়নি। সবচেয়ে বেশি ঝড় জুনাইদ খানের ওপর দিয়ে গেলেও ৪ উইকেট নিয়ে তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের সফলতম বোলার।
27/05/2017
লিটন-ঝড়ে ৯৩ বলেই ম্যাচ আবাহনীর
মোহামেডান ৩৩.৪ ওভারে ১০০ (শামসুর ২৩; মনন ৪/২১, সাকলাইন সজীব ৩/২৪)
আবাহনী ১৫.৩ ওভারে ১০৪/৫ (লিটন ৫০, সাদমান ২৪*; শামসুর ২/৭ )
ফলঃ আবাহনী ৫ উইকেটে জয়ী
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ঘণ্টা কয়েক পরে এসেছেন, মাঠে ঢুকেই হয়তো চমকে গেছেন। দুপুর পেরুনর আগেই যে খেলা শেষ হয়ে গেছে! দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী-মোহামেডানের আগের ম্যাচে হয়েছিল প্রায় ৭০০ রান। আর আজ সেখানে দুই ইনিংস মিলে ২১০ রানও হলো না। মোহামেডানের ১০০ রান তাড়া করে মাত্র ১৫ ওভারেই ম্যাচটা জিতে গেল আবাহনী। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সুপার লিগে পয়েন্ট তালিকার সবার ওপরে রইল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
অথচ মোহামেডানের শুরুটা একদম খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার শামসুর রহমান ও সৈকত আলী মিলে ৫.৩ ওভারেই তুলে ফেলেছিলেন ৩২ রান। এরপর শামসুরের আউটের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় মড়ক। দেখতে দেখতে ৩৬ রানে ৪ উইকেট হয়ে যায় মোহামেডানের। খানিক পর সেটা হয়ে যায় ৪২ রানে ৫ উইকেট। নিয়মিত অধিনায়ক রকিবুল হাসান এদিন ছিলেন না, আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান রনি তালুকদারও পারেননি কোনো রান করতে।
একটা সময় মনে হচ্ছিল ১০০ রানের মধ্যেই অলআউট হয়ে যাবে মোহামেডান। তবে তবে ছয়, সাত, আটে নেমে তাইজুল, নাজমুল ও সাজেদুলের দুই অঙ্কেই ১০০ পেরোয় মোহামেডান। আবাহনীর হয়ে মূল হন্তারক ছিলেন ভারতীয় স্পিনার মনন শর্মা, ২১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ২৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন সাকলাইন সজীব।
এই রান তাড়া করতে নেমে ঝড়ে গতিতে শুরু করেছিলেন এবারের লিগের সর্বোচ্চ রান স্কোরার লিটন দাশ। মাত্র ৫ ওভারেই তুলে ফেলেন ৬০, লিটন পরে ফিফটি পেয়ে গেছেন ২১ বলেই। এবারের প্রিমিয়ার লিগে এটাই দ্রুততম ফিফটি, এর মধ্যে ছক্কাই মেরেছেন পাঁচটি। তবে লিটনের আউটের পরেই একটু হোঁচট খায় আবাহনী, নাজমুল হাসান, আফিফ হোসেন, কাজী অনিক সবাই আউট হয়ে গেছেন দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই। ৯২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর আবাহনীকে পথ দেখিয়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম ও শুভাগত হোম। দুজন মিলে ১৫.৩ ওভারেই এনে দিয়েছেন সহজ জয়।
27/05/2017
#নাসিরের_সেঞ্চুরির_পর_রনির_তোপ
গাজী গ্রুপ ৫০ ওভারে ৩৫০/৬ (নাসির ১৩৪, গুরকিরাত ৭৪, মুমিনুল ৬৬; ইলিয়াস সানি ২/৬১)
শেখ জামাল ধানমন্ডি ৩৮.১ ওভারে ১৭৩ (জিয়া ৪৬; রনি ৬/৩৫)
ফলঃ গাজী গ্রুপ ১৭৭ রানে জয়ী
আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য মাঠ ছাড়ার আগে প্রিমিয়ার লিগে চার ম্যাচে তাঁর গড় ছিল ২২৬, ছিল একটি সেঞ্চুরিও। যেখান থেকে শেষ করেছিলেন, ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষে দেশে ফিরে সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন নাসির হোসেন। ১৩৪ রানের দারুণ এক সেঞ্চুরিতে গাজীকে নিয়ে গেলেন পাহাড়ে, এরপর আবু হায়দার রনির তোপে শেখ জামাল ধানমন্ডির বিপক্ষে পেয়েছে ১৭৭ রানের বিশাল জয়।
সবার ওপরে থেকেই সুপার লিগ শুরু করেছিল গাজী। প্রথম ম্যাচে অবশ্য হেরে গিয়েছিল। তবে নাসিরের ফেরায় দ্বিতীয় ম্যাচেই আবার সেই পুরনো দল। গাজীর শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি, ৭ রানেই ফিরে গিয়েছিলেন ওপেনার এনামুল হক। এরপর মুনিম শাহরিয়ারকে নিয়ে মুমিনুল হাল ধরেছেন। তবে মুমিনুল ৬৬ রান করেই আউট হয়ে গেছেন। গাজীর রান তখন ১২৫ রানে ৩ উইকেট। এরপর জহুরুল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের গুরকিরাত সিংকে নিয়ে হাল ধরেছেন নাসির।
পঞ্চম উইকেটে দুজনের ১৪৭ রানের জুটি এসেছে মাত্র ২২ ওভারে। শুরু থেকেই নাসির ছিলেন সপ্রতিভ, ফিফটি পেয়েছেন ৫৭ বলে। সেঞ্চুরি পেয়েছেন আরও তাড়াতাড়ি, খেলতে হয়েছে ১০৪ বল। পরের ৯ বলে ঝড় তুলে নিয়েছেন ৩৪ রান। কিন্তু এরপরেই আহত অবসরে চলে গেছেন। গাজী অবশ্য ততক্ষণে চড়ে বসছে রানের পাহাড়ে।
সেই পাহাড় টপকাতে গিয়ে শুরু থেকেই আবু হায়দার রনির তোপে পড়েছে জামাল। এবারের লিগে দারুণ সফল এই বাঁহাতি পেসার, আজ ছয় উইকেট নিয়ে উঠে গেলেন আরাফাত সানির ঠিক পরেই। লিস্ট এ ক্যারিয়ারে এটাই তাঁড় সেরা বোলিং, আর এক উইকেট পেলেই এবারের লিগে সেরা বোলিংয়ের কীর্তিও হয়ে যেত। কিন্তু একটুর জন্য সেটি হয়নি। শেষ পর্যন্ত জামাল ৩৮.১ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ১৭৩ রানে।