KUETian কুয়েটিয়ান

KUETian কুয়েটিয়ান

Share

Together We are Stronger relationship among KUETians

19/05/2026
06/05/2026

বাংগু পোগোতিশীলরা খুব এনজয় করছে,
তথাকথিত সেকুলার বলতে আসলে ইসলাম কুপানিকেই বোঝানো হয়।
বাংগু পোগোতিশীল বলতে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী সাম্রাজ্যবাদের দালালদের বোঝানো হয়।
এদের যত রাগ বঙ্গ ভঙ্গ নিয়ে। জাতীয় সংগীতে তারা এর প্রতিফলন রাখতে পারছে কারন এই বাংগুরা তখন থেকেই বা তার আগে থেকেই এক্টিভ ছিল।
আহারে জমিদারি! আহারে জমিদারি! - বলতে বলতে এরাই হায় হায় করে।

29/04/2026

এপ্রিল মাসে এই উপমহাদেশে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। প্রথমটি আপনারা সবাই জানেন, বাংলাদেশ তার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোড করেছে। (ট্যাংকিতে জ্বালানি ভরার অনুষ্ঠান দেখলাম। এর আগে ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে জ্বালানির স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান, দুই দফা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান, কোম্পানি উদ্বোধন অনুষ্ঠানসহ রূপপুর ইস্যুতে এই জাতি বহু আমোদ-ফুর্তি করেছে।)

এপ্রিল মাসে এই অঞ্চলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর কালপাক্কাম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে। তারা নিউক্লিয়ার চুল্লিতে প্লুটোনিয়ামকে কনভার্ট (রূপান্তর) করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ বানিয়ে ফেলেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম এমন কিছু ঘটল, তাও এই মাসের ৬ তারিখে। ভারত পুরো পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের চমকে দিয়েছে।

১৯৩০-এর দশকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিলস বোর সাহেবের ছাত্র ছিলেন হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। ছাত্রজীবনেই এই লোক এত বড় গবেষক ছিলেন যে, ওপেনহাইমার, আইনস্টাইনরা ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে চিনতেন। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর জাহাঙ্গীর ভাবা দেশে ফিরে আসেন। তাঁর নাম শুনে আপনাদের আমোদিত হওয়ার কিছু নেই—তিনি মুসলমান নন।

যাই হোক, ভারতের স্বাধীনতার পর নেহেরু সাহেব জ্বালানি-স্বনির্ভরতা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন। পেট্রোডলারে বন্দি হওয়ার ইচ্ছা তাঁর ছিল না; বাণিজ্যিক সোলার প্যানেল আবিষ্কার তখনও হয়নি। জ্বালানি স্বনির্ভরতার একমাত্র উপায় ছিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার। কিন্তু নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ বানাতে যে ইউরেনিয়াম-২৩৫ দরকার, সেটি ভারতে ছিল না। এর মানে ঘুরেফিরে আবার ইউরেনিয়াম আমদানি এবং বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতা।

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা তখন একটি বুদ্ধি দেন যে, ওড়িশার সমুদ্র সৈকতে ইউরেনিয়াম পাওয়া না গেলেও সেখানে থোরিয়াম পাওয়া যায়। পৃথিবীর বেশিরভাগ থোরিয়াম রিজার্ভই ভারতে। আর থিওরিটিক্যালি থোরিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরেনিয়াম-২৩৫-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

থোরিয়ামকে কনভার্ট করার কাজটা সহজ নয়। পৃথিবীতে আগে কেউ এটি করার কথা কল্পনা করেনি। হোমি ভাবা তখন একটি বিশাল প্রজেক্ট শুরু করেন। এর তিনটি ধাপ ছিল:

১. ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে প্রাপ্ত সস্তা ইউরেনিয়াম-২৩৮ কে কনভার্ট করে প্লুটোনিয়াম বানানো।
২. প্লুটোনিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ বানানো।
৩. ইউরেনিয়াম-২৩৩ দিয়ে থোরিয়ামকে অ্যাক্টিভেট করা—যেন থোরিয়াম নিজে নিজে নিউক্লিয়ার চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করে দেয়। তাহলে আর ইউরেনিয়াম-২৩৫-এর দরকারই নেই। থোরিয়ামই টারবাইন ঘোরাবে।

হোমি ভাবা নিজেই প্রথম ধাপ সফল করে গেছেন। গত ৬ এপ্রিল ভারত সফলভাবে দ্বিতীয় ধাপ শেষ করেছে। তৃতীয় ধাপ সম্পন্ন করতে তাদের সর্বোচ্চ আর ১০ বছর লাগবে। তার মানে, ২০৪০ সালে ভারত বিদ্যুতের জন্য জ্বালানি তেল, গ্যাস আর কয়লা আমদানি বন্ধ করে দেবে। ফলে ভারত মধ্যপ্রাচ্য আর আমেরিকার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করবে। অন্যদিকে ভারত সোলার প্যানেল আমদানি কমিয়ে দেবে, ফলে সে চীনের কাছ থেকেও মুক্ত হবে। ২০৪০ সালের ভারত হবে জ্বালানি-স্বনির্ভর এক স্বাধীন দেশ।

আর এপ্রিল মাসের এই অর্জন কেবল বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি নয়; এই কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যে তারা ৫০০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ তৈরি করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে। রেকর্ড ব্রেকিং এই অগ্রগতির জন্য ভারতের মোট খরচ হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা। এই ১০ হাজার কোটি টাকার ফল তারা আগামী শত শত বছর পাবে, কারণ এর কোনো মেয়াদ নেই।

আর আমরা রূপপুরে খরচ করেছি ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। এটি আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প। আর এই টাকাটার ৯০% ঋণ করে আনা। তার মানে মোট খরচ আরও বেশি। রাশিয়ার দেওয়া ঋণে ৪% সুদ, মুদ্রাস্ফীতি আর ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন বিবেচনা করলে—আমার হিসেবে এটি কম করে হলেও ২ লাখ কোটি টাকার প্রজেক্ট। ২ লাখ ২০ হাজার কোটিও হতে পারে।

এর মানে, নিউক্লিয়ারের অপারেশন কস্ট (পরিচালন ব্যয়) কম দেখিয়ে সস্তায় বিদ্যুৎ পাওয়ার যে প্রচারণা—তার পুরোটাই শুভঙ্করের ফাঁকি। হাসিনার স্যাটেলাইট বানানোর খরচ উঠে আসার আগেই যেভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট অক্কা পাবে, এলপিজির তুলনায় রূপপুর লাভজনক হওয়ার আগেই এই পারমাণবিক কেন্দ্রটির মৃত্যু ঘটবে। প্রতি ইউনিট ২-৩ টাকায় বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে—এটি সর্বৈব মিথ্যাচার। এই হিসাবে শুধু অপারেশন কস্ট ধরা হয়েছে; বিনিয়োগ, ঋণ, সুদ ও মুদ্রাস্ফীতি ধরা হয়নি।

ভারত যে কাজটা ১০-১৫ হাজার কোটিতে করতে পারে, আমরা সেটি রাশিয়ানদের ডেকে এনে ২ লাখ কোটিতে করেছি। তাও মাত্র ৬০ বছরের জন্য। ভারতের সমুদ্র সৈকতে ইউরেনিয়াম নেই, আমাদের সমুদ্র সৈকতেও নেই। শিবিরের মোসাদ্দেকরা আরও সাত জনম দাঁত দিয়ে বালি খুঁড়লেও বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম-২৩৫ পাওয়া যাবে না। কিন্তু ওড়িশার মতোই আমাদের কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় প্রচুর পরিমাণে থোরিয়াম আছে। আমরা থোরিয়াম দিয়েই অল্প টাকা খরচ করে বিদ্যুৎ বানাতে পারতাম।

ভারত পরাশক্তি হয়ে ওঠার জন্য তার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনিয়োগ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাই সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, সেতু নির্মাণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, রেল প্রযুক্তি, কম্পিউটার সায়েন্স, ব্যাংকিং—সবকিছুর খরচ কমিয়ে দিয়েছে। ভারত এক সেক্টরে পানি ঢেলে সব সেক্টরের আগুন নিভিয়েছে।

আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করিনি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বাধ্যতামূলক করেছি। তাই আমাদের প্রতিটা সেক্টর চালাতে বিদেশি ভাড়া করতে হয়। এমনকি গার্মেন্টস পর্যন্ত আমরা নিজেরা চালাতে পারি না, ভারতীয় লাগে। তারপর চড়া দাম দিয়ে, ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে নিজেই নিজের পায়ের ছাল তুলে বিদেশিদের পায়ের জুতো বানিয়ে দিতে হয়।

আমরা ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি, 'ঢাকা না দিল্লি'র মতো অ্যাবসার্ড স্লোগান দিই, সকাল-বিকাল সেভেন সিস্টার্স আলাদা করতে থাকি। কিন্তু কোনোদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে বলি না—বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে হবে, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে রাশিয়ান বা আমেরিকানদের ভাড়া করে নিয়ে আসতে হবে।

আমরা রূপপুর প্রকল্পে ১২ হাজার টাকায় বালিশ কিনে সেগুলো ৫০০০ টাকায় তুলেছি। একেকটি নাট-বল্টু কিনেছি ১ লাখ টাকা দিয়ে। যেমন দুর্নীতির মহোৎসব করেছে বাংলাদেশ সরকার, তেমনি দুর্নীতি আর ওভারপ্রাইজিং করেছে রাশিয়ান সরকার।

গত তিন সরকারের আমল ধরে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ও রিসার্চ সেন্টারে ফ্রিতে বিশ্বমানের রিসার্চ ফ্যাসিলিটি এনে দেওয়ার জন্য সরকারের হাতে-পায়ে ধরছি। সামান্য এই টাকাটা সরকার নিজে দেবে না। টাকা চাইলে ধান্দাবাজ মনে করবে, নিচু দৃষ্টিতে তাকাবে—সেটা জানি। আত্মসম্মানবোধ থেকে টাকা চাইতেও যাইনি, উল্টো টাকা দিতে গেছি। কিন্তু এই দেশের আমলাতন্ত্র এতটাই অদক্ষ, সিস্টেম আর সরকার এতটাই অকার্যকর যে, মাগনা প্রযুক্তি আর টাকা এনে দিলেও সেটি কুড়িয়ে খাওয়ার যোগ্যতা তাদের নেই।

এসব দেশে রাশিয়ানরা এসে বিজ্ঞানচর্চা করবে, দেশের সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল সিকিউরিটি ইনস্টলেশন বিদেশিরা নিয়ন্ত্রণ করবে; আর স্বদেশিরা সেই ইনস্টলেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে টিকটক করবে, কুলিং টাওয়ারের পাশের মাঠে ফুড কার্ট বসাবে, আর তেল চিটচিটে প্লাস্টিকের টেবিলের ওপর ছিটা রুটি দিয়ে হাঁসের মাংস খাবে।

- Irfan Sheikh

02/04/2026

বাচ্চালোগ তালি লাগা
বিএনপি যেসব অধ্যাদেশ বাতিল করার প্রস্তাব করেছে—

১) গণভোট অধ্যাদেশ
২) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ
৩) গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ
৪) পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ
৫) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ
৬) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ
৭) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ
৮) তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ
৯) মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ
১০) ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ

Thank You PM!

30/03/2026

জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার এর বিপক্ষে বিএনপির যে অবস্থান, এইটা সালাহউদ্দিন আহমেদের একার অবস্থান না। এইটা মূলত বিএনপির দলীয় অবস্থান।

আইনমন্ত্রী কালকে প্রথম আলোর সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "জুলাই আদেশ এবং গণভোট অধ‍্যাদেশ—এই দুটি বিষয় অবিকল আইনের মতো মনে হলেও কোনোটাই সাংবিধানিকভাবে বৈধ আইন নয়।" উনার কাছে এইগুলো "তথাকথিত" আইন।

কিন্তু, গণভোট অধ্যাদেশ যদি তথাকথিত হয়, তাইলে যেই নির্বাচনে জিতে উনারা সরকার গঠন করলেন, মন্ত্রী হইলেন, সেই নির্বাচনটা কেমনে অ-তথাকথিত হইল, কেমনে শুধু সেইটা বৈধ হইল? এই প্রশ্নের উত্তর আপনি সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছেও পাইবেন না, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের কাছেও পাইবেন না।

যেইটা সালাহউদ্দিন আহমেদের পজিশান, সেইটা আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জমানেরও পজিশান। সেইটা তারেক রহমানেরও পজিশান। বিএনপি চাইলেই এই সংসদে জুলাই সনদকে বৈধতা দিতে পারে। কিন্তু বিএনপি সেইটা দিবে না। কারণ এই সংস্কার, এই পরিবর্তন বিএনপির রাজনীতি না।
Mirza Galib

23/03/2026

হাদী ভাইয়ের হ*ত্যাকারী ফয়সালকে আজকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছিল- ওসমান হাদীকে কে খু*ন করিয়েছে?

ফয়সাল উত্তর দিয়েছে- জামায়াত- বিএনপির চাল এটা।
এরপর তাকে আরেকবার জিজ্ঞেস করা হয়েছে- তারা কারা, নাম বলুন?

সে উত্তর দিয়েছে- জামায়াত করাতে পারে এটা।
সাথে বলেছে- আপনারা যে এত হাদী হাদী করছেন হাদী তো জঙ্গী ছিল।
সাংবাদিকরা এবারে তাকে জিজ্ঞেস করেছে- জামায়াতের কে নাম বলুন তাহলে?

ফয়সাল কারও নাম বলতে পারেনি শুধু বারবার জামায়াতের কাজ, জামায়াত করাতে পারে এসবই বলছিল। মনে হচ্ছিল তাকে যেন কেউ এই নামটা বারবার বলতে শিখিয়ে দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়ে এনেছে।

একটু পর ফয়সালকে আবারও জিজ্ঞেস করা হয়েছে - সবাই তো বলছে আপনি খু*ন করেছেন, স্পষ্ট প্রমাণও আছে, তাহলে?
ফয়সাল এবারে দায়সারা ভাবে উত্তর দিয়েছে - আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।

এর পাল্টা জবাবে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে - তাহলে আপনি সেদিন তড়িঘড়ি করে পালালেন কেন? আপনার উদ্দেশ্য কি ছিল তাহলে?

ফয়সাল এবারে আর কিছু বলতে পারেনি। তাকে যখন গাড়িতে করে নেয়া হচ্ছিল তখনও সাংবাদিকরা বারবার জিজ্ঞেস করছিল - ফয়সাল জামায়াতের কে জড়িত, কে করিয়েছে? নাম বলুন।

ফয়সাল কোন উত্তর দিতে পারেনি। সাংবাদিকরাও যেন জামায়াতের নামটাই বারবার হাইলাইট করে জিজ্ঞেস করছিল।

তাছাড়া কলকাতা পুলিশ ফয়সালকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল। কিন্তু জনসম্মুখে আনার পর মনেই হয়নি যে তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল। তার ভাবভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছিল বেশ ভালো ব্যাকআপেই ছিল এতদিন।

ফয়সালের সহযোগী আলমগীরকে আদালতে তোলার একপর্যায়ে সে পকেটে হাত দিয়ে ভাবসাব নিয়ে হাঁটছিল। তাছাড়া এত বড় আসামি অথচ তাদেরকে হ্যান্ডকাফ পর্যন্ত পড়ায়নি কলকাতা পুলিশ।

১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে কলকাতা পুলিশ ফয়সালকে ওসমান হাদী হ*ত্যাকান্ডের ব্যাপারে প্রচুর জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, নিজেদের মত করে জনসম্মুখে এনেছে।

অথচ ভারতীয় পুলিশের এখতিয়ার নাই ওরা বাংলাদেশের কোন খু*নীকে হ*ত্যাকান্ডের ব্যাপারে রিমান্ড বা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

ভারতীয় পুলিশ সর্বোচ্চ পারে- ফয়সাল কিভাবে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, তার পাসপোর্ট নেই কেন, কারা ভারতে ঢুকিয়েছে এগুলো জিজ্ঞেস করতে।

খু*নের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা বাংলাদেশ পুলিশের আর ভারতীয় পুলিশের কাজ হচ্ছে তাকে কিভাবে তাড়াতাড়ি বাংলাদেশে ফিরানো যায় সেই ব্যবস্থা করা।

কিন্তু ভারতীয় পুলিশ সেটা না করে হাদী হ*ত্যাকান্ডের ভার মনে হচ্ছে নিজেরাই নিজেদের হাতেই তুলে নিয়েছে। এমনকি জেলে নিয়ে আরেকবার রিমান্ড দেয়ার রায়ও হয়েছে। অথচ আইন অনুযায়ী এমনটা হওয়ার কথা না।

ফয়সালকে জনসম্মুখে আনার পর আজকে দুইটা জিনিস ফয়সালের মাধ্যমে হাইলাইট করানো হয়েছে। ১. খুনটা জামায়াত করাতে পারে। ২. হাদী জঙ্গি ছিল তাই তাকে মেরে ফেলা জায়েজ ছিল।

ফয়সালকে বহুদিন পর জনসম্মুখে আনা হয়েছে তারপর এ দুটো ব্যাপার হাইলাইট করে আবারও জেলে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ফয়সালকে দিয়ে বেশ সফলভাবেই স্বার্থ হাসিল করিয়ে নেয়া হয়েছে।

এই কাজটা ভারত সবসময় চায়। তারা চায় বাংলাদেশে কেউ জনগণের ভালোবাসা অর্জন করে ফেললে, ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বললে তাকে জঙ্গি কিংবা জামায়াত ট্যাগ দেয়া।

এই কাজটাই আজকে ওরা স্ক্রিপটিং করে ফয়সালের মাধ্যমে করিয়ছে। কারণ ফয়সাল এখন ওদের কাছে দাবার গুটির মতোই, যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করা যাবে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ভারতের কাজ ছিল ফয়সালকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে আইনের হাতে তুলে দেয়া। কিন্তু তারা সেটা না করে ফয়সালকে জেলে নিয়ে আরেকবার রিমান্ড দিয়েছে।

ভারত এখন এত সহজে ফয়সালকে ফেরত দিবে না কারণ তারা ফয়সালের মাধ্যমে আগে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যটা হাসিল করে নিবে, পেছনের মাস্টারমাইন্ড নেতাগুলোকে বাঁচাবে।

তারপর সবশেষে ফয়সালের প্রয়োজন শেষ হলে তাকে নষ্ট টিস্যুর মতোই ছুঁড়ে ফেলে দিবে

- Ibrahim Khalil Shawon

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Khulna