Path of Hasanah

Path of Hasanah Inspiration to be Islamic. Taking the path of Hasanah.

08/09/2026
07/09/2026

#হারামে আরাম নেই

অথচ নবীজির হাদিস মতে, নারীরাই বেশি জাহান্নামের অধিবাসী হবে।
05/09/2026

অথচ নবীজির হাদিস মতে, নারীরাই বেশি জাহান্নামের অধিবাসী হবে।

05/09/2026

ফজরের নামাজ পড়লে ১০ পুরস্কার পাওয়া যায়-

ফজরের বিশেষ গুরুত্ব যেমন নামাজের মধ্যে আছে, তেমনি সময়ের মধ্যেও। কোরআনে সুরা ফজরের শুরুতে আল্লাহ তাআলা বলেন, শপথ ফজরের। (সুরা ফজর, আয়াত: ১)

ফজরের নামাজ পড়ার কয়েকটি উপকারের কথা জানা যাক-

১. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে জামাতের সঙ্গে এশার নামাজ আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করল। আর যে ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করল, সে যেন সারা রাত জেগে নামাজ আদায় করল।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৩৭৭)

২. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ দুনিয়া ও তার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৫৭৩)

৩. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ফজরের নামাজ আদায় করল, সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৩৭৯)

৪. রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘সেই মানুষটি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের আগের এবং সূর্যাস্তের আগের অর্থাৎ ফজর ও আসরের নামাজ আদায় করে।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৩২২)

৫. রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার চেয়ে বেশি ভারী কোনো নামাজ নেই। এ দুই নামাজের ফজিলত যদি তারা জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো।’ (বুখারি, হাদিস: ৬৫৭)

৬. খলিফা হজরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর বরাতে একটি হাদিস জানা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) নাজদের দিকে এক অভিযানে একটি সেনাদল পাঠান। তারা প্রচুর গণিমতের সম্পদ অর্জন করে তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। তাদের সঙ্গে যায়নি এমন একজন বলেন,‘অল্প সময়ের মধ্যে এত পরিমাণে ভালো গণিমত নিয়ে এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি আর কোনো সেনাদলকে আমরা ফিরে আসতে দেখিনি।’

তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি দলের কথা বলব না, যারা এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি উত্তম গণিমত নিয়ে ফিরে আসে? যারা ফজরের নামাজে জামাতে হাজির হয়, (নামাজ শেষে) সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহ তাআলার জিকির করতে থাকে, তারাই অল্প সময়ের মধ্যে উত্তম গণিমতসহ প্রত্যাবর্তনকারী।’ (সুনানে তিরমিজি: ৩৬৪১)

৭. সাহাবি আনাস (রা.) বলেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে মসজিদগুলোয় যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের কিয়ামতের দিনের পরিপূর্ণ নুরের সুসংবাদ দাও।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৭৮১)

৮. ফজরের সময় ফেরেশতাদের পালাবদল হয়। আর এ সময় বান্দা যা কিছু করে ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে তা পেশ করেন। এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বিষয়টি চমৎকারভাবে তুলে ধরে বলেন, ‘ফেরেশতারা পালাবদল করে তোমাদের মাঝে আগমন করেন; একদল দিনে, একদল রাতে। আসর ও ফজরের নামাজে উভয় দল একত্র হয়। তারপর তোমাদের মাঝে রাতযাপনকারী দলটি উঠে যায়। তখন তাদের প্রতিপালক তাদের জিজ্ঞাসা করেন, আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এলে? অথচ তিনি তাদের ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। জবাবে তাঁরা বলেন, ‘আমরা তাদের নামাজে রেখে এসেছি আর আমরা যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখনো তারা নামাজরত ছিলেন।’ (বুখারি, হাদিস: ৫৫৫)

৯. জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, ‘একবার আমরা নবী করিম (সা.)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তিনি রাতে (পূর্ণিমার) চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলেন, ওই চাঁদকে তোমরা যেমন দেখছ, ঠিক তেমনি অচিরেই তোমাদের প্রতিপালককে তোমরা দেখতে পাবে।’

১০. রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন শয়তান তার ঘাড়ের পেছনে তিনটি গিঁট দেয়। প্রতি গিঁটে সে এ বলে চাপড়ায়, তোমার সামনে রয়েছে দীর্ঘ রাত, অতএব, তুমি শুয়ে থাকো। তারপর সে যদি জেগে আল্লাহকে স্মরণ করে তাহলে একটি গিঁট খুলে যায়, অজু করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়, তারপর নামাজ পড়লে আরেকটি গিঁট খুলে যায়। তখন তার প্রভাত হয় উত্ফুল্ল মনে ও অনাবিল চিত্তে। না হলে সে সকালে ওঠে কলুষ কালিমা ও আলস্য নিয়ে।’ (বুখারি, হাদিস: ১১৪২)

তথ্যসূত্রঃ Prothom Alo

03/09/2026

ইসলামী দৃষ্টিতে ‘জাহান্নামী নারী’ বলতে বোঝায়, সেইসব নারী, যারা আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেন, অহংকার ও অবাধ্যতার পথে চলেন এবং তওবা না করে মৃত্যুবরণ করেন। কুরআন ও হাদীসের বিভিন্ন বর্ণনায় কিছু নারীর আচরণকে জাহান্নামের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নারীদের সতর্ক করে দিয়েছেন এমন কিছু গুণাবলি থেকে, যা তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে তিনটি প্রধান শ্রেণি বা ধরন নিচে উল্লেখ করা হলো:

স্বামীর প্রতি অবাধ্য ও অকৃতজ্ঞ নারী-

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “আমি জাহান্নামে তাকিয়ে দেখলাম, সেখানে অধিকাংশই নারী। কারণ তারা স্বামীদের প্রতি অকৃতজ্ঞ এবং উপকার অস্বীকার করে।”

(সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৯)

অর্থাৎ-স্বামী যতই সদ্ব্যবহার করুন না কেন, কোনো এক সময়ের অপ্রসন্নতায় যদি স্ত্রী বলে বসে— “তুমি আমার জন্য কখনোই কিছু করো নি”- তাহলে সেটি অকৃতজ্ঞতার পরিচয়, যা আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় এবং জাহান্নামের কারণ হতে পারে।

অশালীন, উগ্র ও প্রদর্শনপ্রিয় নারী-

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “দুই শ্রেণির মানুষ জাহান্নামী, যাদের আমি এখনও দেখিনি-(একটি) এমন নারী যারা পোশাক পরেও উলঙ্গ, দেহ প্রদর্শনকারী, অন্যদেরও আকৃষ্ট করে, তাদের চুল উটের কুঁজের মতো করে সাজায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং তার ঘ্রাণও পাবে না।”

(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১২৮)

এই হাদিসে বলা হয়েছে, এমন নারী যারা অশালীন পোশাক পরেন, দেহ প্রদর্শন করেন, পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, চুলের অস্বাভাবিক সাজে নিজেদেরকে আকর্ষণীয় বানান-তারা জাহান্নামের শাস্তির মুখোমুখি হবেন।

পরনিন্দা, হিংসা ও বিভেদ সৃষ্টিকারী নারী-

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “যে নারী পরনিন্দা করে, অন্যের দাম্পত্য জীবনে ফাটল সৃষ্টি করে, কিংবা প্রতিবেশীর ক্ষতি করে -সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।”

(মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২৭৫৭৩)

অর্থাৎ, এমন নারী যারা কথা ও আচরণের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে বিদ্বেষ, হিংসা ও বিভেদ ছড়ায়— তারা জাহান্নামের শাস্তি প্রাপ্য।

সংক্ষেপে বলা যায়, জাহান্নামী তিন ধরনের নারী হলো:

১. স্বামীর প্রতি অবাধ্য ও অকৃতজ্ঞ নারী।

২. অশালীন ও দেহ প্রদর্শনকারী নারী।

৩. হিংসা, পরনিন্দা ও ফিতনা সৃষ্টিকারী নারী।

তবে মনে রাখতে হবে, ইসলামে কারও জন্য স্থায়ীভাবে জাহান্নাম নির্ধারিত নয়, যদি সে তওবা করে ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়।

আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে আমার বান্দারা! তোমরা নিজেরাই নিজের প্রতি জুলুম করেছ। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করেন।” (সূরা আজ-জুমার, আয়াত: ৫৩)

©

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
03/09/2026

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

 #কালবুন
03/09/2026

#কালবুন

 #সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
03/09/2026

#সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

Address

Jashore
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Path of Hasanah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category