Dr. Jalal

Dr. Jalal

Share

আল্লাহকে প্রত্যেক দমে দমে স্মরণ করো তবেই কল্যাণ - খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) । Remember Allah

Jalal works on the coupled atmosphere/ocean dynamics of the Indian Ocean and tropical Pacific. His work is mainly focused on the application of machine learning and deep learning in tropical cyclone dynamics, drought, and climate extreme forecast. Other research interests include understanding the response of ocean-atmospheric teleconnections to cyclone, drought, and climate extreme.

19/06/2026
16/06/2026

ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের প্রথম হলো কালিমা শাহাদাত। এটি ইসলামে প্রবেশের একমাত্র দ্বার। এর আত্মগত ও হৃদয়গত পূর্ণতা অর্জনকেই ‘পরিশুদ্ধি’ নামে অভিহিত করেন সুফিরা।

---
ইসলামের প্রথম স্তম্ভ – কালিমা শাহাদাত

বৈশিষ্ট্য বিবরণ:
- আরবি বাক্য: لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ
- উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ
- অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, মুহাম্মাদ (সা.) তাঁর রাসূল
- মর্যাদা: ইসলামের ভিত্তি, ঈমানের চাবিকাঠি, মুসলিম পরিচয়ের সনদ
- গুরুত্ব: মুখে উচ্চারণ ও অন্তরে বিশ্বাস করলেই ব্যক্তি মুসলিম

কালিমার ভাষ্য ও তাৎপর্য

- প্রথম অংশ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) : তাওহিদ – আল্লাহর একত্ববাদ। সকল দেব-দেবী, বস্তু, ক্ষমতা, অহমিকাকে অস্বীকার।
- দ্বিতীয় অংশ (মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) : রিসালাত – নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর চূড়ান্ত নবুয়তে বিশ্বাস।

মূল শিক্ষা: এটি কেবল উচ্চারণের বাক্য নয়; বরং জীবনকে আল্লাহর নির্দেশনায় পরিচালিত করার প্রতিশ্রুতি।

---

সুফি দর্শনে ‘পরিশুদ্ধি’র ধারণা

সুফিবাদের পরিভাষায় পরিশুদ্ধি মানে:
- তাজকিয়া: অন্তর থেকে মন্দ প্রবণতা (হিংসা, অহংকার, লোভ) দূর করা।
- ইহসান: এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করা যেন আল্লাহ পাক আমাদেরকে দেখতেছেন।
- মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুবরণ (মুতু ক্বাবলাল মাওত): নিজের নফসের কামনাকে বিলীন করে আল্লাহমুখী হওয়া।

#কালিমা #শাহাদাত #ইসলামের_প্রথম_স্তম্ভ #সুফিবাদ #তাজকিয়া #যিকির #আত্মশুদ্ধি #লা_ইলাহা_ইল্লাল্লাহ #ফেইসবুকরিল #ইসলামিক_শিক্ষা #তাওহিদ

13/06/2026

সুফি কথন: “নফছ ও আত্মশুদ্ধি”

আলোচনায় থাকবেন:
ড. মোঃ আইয়ুব আলী
তাসাওফ গবেষক ও লেখক
খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) সুফিবাদ গবেষণা কেন্দ্র

সঞ্চালনায় থাকবেন: ড. মোঃ জালাল উদ্দীন

আয়োজনে: খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) সুফিবাদ গবেষণা কেন্দ্র

ফেইসবুক লাইভ: https://www.facebook.com/khwajaenayetpuri/

তারিখ ও সময়: ১৯ জুন ২০২৬ (শুক্রবার) রাত ১০ ঘটিকা, বাংলাদেশ সময়।

ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট:
https://enayetpuri.com/

05/06/2026
16/05/2026

কুরবানী ও আত্মশুদ্ধি

কুরবানীর মাধ্যমে আমরা শুধু পশু নয়, বরং নিজেদের নফসের কুপ্রবৃত্তিগুলোও কুরবানী করি।

কুরবানী হচ্ছে অন্তরের আন্তরিকতা, তাকওয়া ও আল্লাহভীতি ইহকাল ও পরকালের সফলতার চাবিকাঠি।

প্রথম অংশ: তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধি – কুরবানীর আত্মা

১. আদি কুরবানীর শিক্ষা (সূরা আল-মায়েদা, ৫:২৭)

আল্লাহ বলেন:

“তুমি তাদের কাছে আদমের দুই পুত্রের ঘটনা যথার্থভাবে বর্ণনা কর। যখন তারা উভয়ে কুরবানী পেশ করল, অতঃপর একজনের কাছ থেকে তা কবুল করা হলো এবং অন্যজনের কাছ থেকে কবুল করা হলো না। সে বলল, ‘আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব।’ অপরজন বলল, ‘আল্লাহ তো কবুল করেন শুধু মুত্তাকীদের থেকে।’”

তাফসীর (ইবনে কাসীর, আহসানুল বায়ান):
হাবিল দিল উৎকৃষ্ট পশু, কাবিল দিল নিম্নমানের ফল-ফসল। প্রমাণিত হলো—কুরবানী কবুলের মূল মাপকাঠি তাকওয়া ও আন্তরিকতা, শুধু বাহ্যিক কাজ নয়।

২. কুরবানীর চূড়ান্ত সত্য (সূরা আল-হজ্জ, ২২:৩৭)

আল্লাহ ঘোষণা করেন:

“আল্লাহর কাছে পৌঁছে না তাদের গোশত, আর না তাদের রক্ত; কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের তাকওয়া। এভাবেই তিনি এসবকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহিমা ঘোষণা কর যে, তিনি তোমাদের হিদায়াত দিয়েছেন। আর সুসংবাদ দাও সৎকর্মশীলদের।”

তাফসীর (ইবনে কাসীর, কুরতুবী): জাহেলি যুগের ভ্রান্তি খণ্ডন করে এই আয়াত প্রমাণ করে—কুরবানীর রূহ হলো অন্তরের আন্তরিকতা, একনিষ্ঠতা ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য। গোশত বা চামড়া আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না।

৩. ইবরাহীম (আ.)-এর চরম আত্মশুদ্ধি (সূরা আস-সাফফাত, ৩৭:১০২-১০৭)

আল্লাহ বর্ণনা করেন কীভাবে ইবরাহীম স্বপ্নে আদেশ পেলেন তাঁর সন্তানকে কুরবানী করতে। পিতা-পুত্র উভয়ে আত্মসমর্পণ করলেন। তখন আল্লাহ বললেন:

“হে ইবরাহীম! তুমি স্বপ্ন সত্য করে দেখালে। নিশ্চয়ই আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি। নিশ্চয়ই এটি ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা। আর আমি তাকে ফিদইয়া (বিকল্প) দিলাম এক মহান পশু।”

শিক্ষা: প্রকৃত কুরবানী হলো আল্লাহর ভালোবাসার কাছে নিজের পছন্দ, সন্তান, সম্পদ ও নিজেকেও কুরবানী করতে প্রস্তুত থাকা।

৪. হাদিস: আল্লাহ তাকওয়া ও অন্তর দেখেন

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও ধন-সম্পদ দেখেন না, বরং তিনি দেখেন তোমাদের অন্তর ও কর্ম।” (সহীহ মুসলিম)

কুরবানীর প্রয়োগ: রিয়া (লোক দেখানো) ও গর্ব পরিহার করে শুধু ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি’ লক্ষ্য রাখা।

---

দ্বিতীয় অংশ: কুরবানীর ফজিলত ও গুরুত্ব

হাদিস ১ (শ্রেষ্ঠতম আমল)

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“কুরবানীর দিন মানুষের কোনো আমল আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে বেশি প্রিয় নয়। কুরবানীর পশু তার শিং, পশম ও ক্ষুরসহ কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে এবং তার রক্ত যমিনে পড়ার আগেই আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। অতএব তোমরা প্রফুল্ল চিত্তে কুরবানী করো।”
(সুনানে তিরমিজি, ইবনে মাজা; হাদিস সহীহ)

হাদিস ২ (সামর্থ্যবানের কর্তব্য)

“যে ব্যক্তি কুরবানী করার সামর্থ্য রাখে অথচ কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।”
(ইবনে মাজা; আলবানী সহীহ বলেছেন)

---

তৃতীয় অংশ: কুরবানীর বিধান ও পদ্ধতি

১. কুরবানীর সময়

সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বারা ইবনু ‘আযিব (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন:

“আমরা এ দিনে সর্বপ্রথম সালাত (ঈদের নামাজ) আদায় করব, এরপর ফিরে এসে কুরবানী করব। যে ব্যক্তি এভাবে আদায় করল সে আমাদের সুন্নাত অনুসরণ করল। আর যে ব্যক্তি সালাতের আগেই যবেহ করল, তা কুরবানী নয়, বরং সাধারণ গোশত মাত্র।”

সিদ্ধান্ত: কুরবানী শুধু ঈদের নামাজের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত বৈধ।

২. কুরবানীর পশু ও শর্ত

· পশু যথাযথ বয়সের হতে হবে (ছাগল ১ বছর, ভেড়া-দুম্বা ৬ মাস, গরিব মহিষ ২ বছর, উট ৫ বছর)।
· ত্রুটিমুক্ত: অন্ধ, খোঁড়া, অত্যন্ত রোগা বা জখম পশু কুরবানী জায়েজ নয়।
· একটি ছাগল/ভেড়া এক ব্যক্তির পক্ষে; গরিব মহিষ ও উটে ৭ জন পর্যন্ত শরীক হতে পারে।

৩. যবেহর আদব ও দু’আ

যবেহর সময় বলবে:
بِسْمِ اللهِ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللَّهُمَّ هَذَا مِنْكَ وَلَكَ، اَللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي
(আল্লাহর নামে, আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এটি তোমার পক্ষ থেকে ও তোমার জন্যই। হে আল্লাহ! আমার পক্ষ থেকে কবুল কর।)

নবী (সা.) তাঁর কুরবানীতে বলতেন:

“হে আল্লাহ! এটি আমার পক্ষ থেকে এবং আমার উম্মতের মধ্যে যারা কুরবানী করেনি তাদের পক্ষ থেকে।” (বুখারী, মুসলিম)

---

চতুর্থ অংশ: কুরবানীর গোশত বণ্টন – সামাজিক আত্মশুদ্ধি

সূরা আল-হজ্জ (২২:২৮ ও ৩৬)

· “অতঃপর তারা নিজেরাও খাবে এবং ভাগ্যবঞ্চিত ফকিরকেও খাওয়াবে।”
· “অতঃপর তোমরা তা থেকে খাবে এবং দুঃস্থ-মিসকিনকে খাওয়াবে।”

তাফসীর (ইবনে কাসীর): সুন্নাত হলো কুরবানীর গোশত তিন ভাগে ভাগ করা:
১ ভাগ নিজের পরিবারের জন্য,
১ ভাগ আত্মীয়-প্রতিবেশীদের জন্য,
১ ভাগ গরিব-মিসকিনদের জন্য।

সতর্কতা: শুধু ফ্রিজ ভরে নিজেরাই খেয়ে ফেলা কুরবানীর আত্মার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

---

পঞ্চম অংশ: কুরবানীর আত্মশুদ্ধির চূড়ান্ত বার্তা

১. সূরা আল-আন‘আম (৬:১৬২-১৬৩):

“বল, ‘নিশ্চয় আমার নামাজ, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ বিশ্বজগতের রব আল্লাহর জন্য। তাঁর কোন শরীক নেই।’”

২. সূরা আল-কাউসার (১০৮:২):

“অতএব তুমি তোমার রবের জন্যই নামাজ পড়ো এবং কুরবানী করো।”

সারকথা:
আদম সন্তানের কুরবানী থেকে শেষ নবীর আদেশ পর্যন্ত একটাই বার্তা—
আল্লাহর কাছে পৌঁছে শুধু তাকওয়া, আত্মশুদ্ধি ও একনিষ্ঠ আনুগত্য।
পশু যবেহ করা একটি প্রতীক; প্রকৃত কুরবানী হলো নিজের অহমিকা, কুপ্রবৃত্তি ও আল্লাহ ছাড়া অন্য সবার ও সবকিছুর মোহ কুরবানী করা।

#কুরবানী #কুরবানীর_আত্মশুদ্ধি #তাকওয়া #আত্মশুদ্ধি #ঈদুল_আযহা #সূরা_হজ্জ_৩৭ #আল্লাহর_জন্য #কুরবানীর_সত্য #নফসের_কুরবানী #ইসলামিক_পোস্ট ুবারক



হযরত খাজা মুহাম্মদ ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী অনলাইন সুফি সংগঠন Golam Dastagir #

09/05/2026

মানব সৃষ্টির ধাপ: কুরআন ও বিজ্ঞান 🧬✨

পবিত্র কুরআনে মানব ভ্রূণের বিকাশের ধাপগুলো এত নিখুঁটভাবে বর্ণিত যা আধুনিক ভ্রূণবিদ্যাকে অবাক করে দিয়েছে।

সূরা আল-মুমিনুন (২৩:১২-১৪)-এ বলা হয়েছে:
মাটির সারাংশ থেকে শুরু করে → শুক্রবিন্দু (নুতফাহ) → জমাট রক্ত/জোঁক (আলাকাহ) → মাংসপিণ্ড (মুদগাহ) → হাড় (ইযাম) → হাড়কে মাংস দ্বারা আবরণ → অতঃপর নতুন এক সৃষ্টি। শেষে বলা হয়েছে: “বরকতময় আল্লাহ, যিনি সর্বোত্তম স্রষ্টা।”

অন্যান্য আয়াতগুলো যোগ করলে চিত্র আরও স্পষ্ট হয়:

🔹 সূরা আল-হাজ্জ (২২:৫) : মানুষ সৃষ্টি মাটি থেকে, তারপর শুক্রবিন্দু থেকে, তারপর জমাট রক্ত থেকে, তারপর মাংসপিণ্ড থেকে—সুগঠিত ও অসুগঠিত অবস্থায়।

🔹 সূরা আল-ইনসান (৭৬:২) : মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে মিশ্রিত শুক্রবিন্দু (নুতফাতিন আমশাজিন) থেকে—যা নারী-পুরুষের মিলিত তরলের ইঙ্গিত দেয়।

🔹 সূরা আয-যুমার (৩৯:৬) : তিনি তোমাদের মায়েদের গর্ভে সৃষ্টি করেন এক সৃষ্টির পর আরেক সৃষ্টি রূপে তিনটি অন্ধকারের মধ্যে—প্রথম অন্ধকার মায়ের পেট, দ্বিতীয় গর্ভাশয়, তৃতীয় ঝিল্লী; সেই পাতলা আবরণ যাতে বাচ্চা জড়ানো থাকে।।

বিশ্ববিখ্যাত ভ্রূণবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. কিথ এল. মুর স্বীকার করেছেন, কুরআনের বর্ণনা আধুনিক বিজ্ঞানের সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ; বিশেষ করে “আলাকাহ” ও “মুদগাহ” স্তরগুলো ২০শ শতাব্দিতে মাইক্রোস্কোপ ছাড়া জানা ছিল না।

#আলাকাহ #মুদগাহ #বৈজ্ঞানিক_মিরাকল #ইসলাম_ও_বিজ্ঞান #সৃষ্টির_বিস্ময়

Dataset 07/05/2026

Climate data downloading links are available on our research group website.

Dataset

02/05/2026

মুমিনের চূড়ান্ত সফলতা

আয়াত ২৭: يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ

মুমিন ব্যক্তির প্রশান্ত আত্মাকে সম্বোধন করে বলা হচ্ছে, ‘হে প্রশান্ত আত্মা!’

· ‘المطمئنة’ (আল-মুতমাইন্নাহ) শব্দটির অর্থ: বহু তাফসীরকারের মতে, এটি সেই আত্মা যা আল্লাহর স্মরণে ও তাঁর ওপর ভরসা করে প্রশান্তি লাভ করেছে । এটি দৃঢ় প্রত্যয়ী ও স্থির , আল্লাহর ওয়াদা ও বিধানে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট।

আয়াত ২৮: ارْجِعِي إِلَى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً

আল্লাহ তায়ালা সেই প্রশান্ত আত্মাকে ডেকে বলেন:

--“তুমি ফিরে এসো তোমার রবের দিকে......” অর্থাৎ, আখেরাতে বা মৃত্যুর সময় আল্লাহর দয়ার দিকে প্রত্যাবর্তন করো ।
--‘রাদিয়াহ’ (সন্তুষ্ট) ও ‘মারদিয়্যাহ’ (সন্তোষভাজন): এটি পারস্পরিক সন্তুষ্টির একটি অসাধারণ অবস্থা। বান্দা আল্লাহর দেওয়া প্রতিদানে সন্তুষ্ট (‘রাদিয়াহ’) এবং বান্দার ঈমান ও সৎকর্মে আল্লাহ সন্তুষ্ট (‘মারদিয়্যাহ’) ।

আয়াত ২৯-৩০: فَادْخُلِي فِي عِبَادِي - وَادْخُلِي جَنَّتِي

এই সন্তুষ্টির পর তিনটি মহা সম্মানজনক নির্দেশনা এসেছে:

১। প্রথম নির্দেশ: “অতঃপর শামিল হও আমার (নেক) বান্দাদের দলে” (আয়াত ২৯): আল্লাহর সৎ বান্দাদের সাথে স্থান পাওয়া ।
২। দ্বিতীয় নির্দেশ: “আর প্রবেশ করো আমার জান্নাতে” (আয়াত ৩০) : এমন একটি জান্নাতে প্রবেশের নির্দেশ, যা স্বয়ং আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের স্থান ।

মূল শিক্ষা ও উপসংহার:
সূরা ফাজরের এই আয়াতগুলো ‘মুমিনের চূড়ান্ত সফলতার ছবি’ এঁকেছে। যারা দুনিয়ার জটিলতায় শুধু ধৈর্যই ধরে না, বরং আল্লাহর ফয়সালা ও প্রতিদানে গভীর প্রশান্তি ও সন্তুষ্টি বোধ করে, তারাই এই মর্যাদা লাভ করে। তাদের জন্য আছে আল্লাহর সার্বভৌম সন্তুষ্টি, সৎলোকের সঙ্গ এবং সর্বোচ্চ পুরস্কার জান্নাত।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka