14/05/2026
শুভ সন্ধ্যা বন্ধুরা, নিজের ভালোলাগা
থেকে আজও একটা গীতি কবিতা,,,,
প্রকৃতির সংখ্যাস্বাদ(১/১৩৭.০৩৬)
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
১/১৩৭ দশমিক শূন্য তিন ছয়,
বিশ্ব এই সংখ্যাতে বাঁধা পড়ে রয়!
ইলেকট্রন আর আলোর বেগে শক্তি যা হয়,
পরিমাপে সংখ্যায় এই মান এসে যায়।
আলোর কণা যায় রে ছুঁয়ে ইলেকট্রনের পাশ,
পরমাণুর স্পেকট্রালে ক্ষুদ্র প্রকাশ!
এই ইলেকট্রো -ম্যাগনেটিক মিথস্ক্রিয়ায়,
শক্তির মান এই সংখ্যায় শোভিত হয়!
ইলেকট্রনের জি-ফ্যাক্টর QED এর সংশোধন,
EHC এর সমন্বয়ে পরমাণুর বিভাজন।
চোখে ধরা পড়ে না সে রয় যে নীরবতায়,
সংগোপনে ভূমিকা তার মহাবিশ্বময়!
আলোর সাথে ইলেকট্রন গড়ে তোলে টান,
ধ্রুবক চারের সমন্বয়েই প্রকৃতির এই মান।
যৎকিঞ্চিত মানটি যদি এদিক ওদিক যায়,
মহাবিশ্বের কাঠামো তখন বদলাবে নিশ্চয়।
21/12/2024
ইসলামী সভ্যতায় পাই
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
ইসলামী সভ্যতায় যদি একটু যাই।
সাধারণ এক মুসল্লী আমি যাহা খুঁজে পাই!
৪০ বছরে নবীজী(সঃ)নবুয়ত প্রাপ্ত হন!
নাজিল করলেন মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআন!
ঐ মহাগ্রন্হ আল-কোরআনে "১৯" সংখ্যা কোডেই প্রধান।
ওহীতে ১ মাস রোজাব্রতেরও নির্দেশনা পান।
মিরাজে গিয়ে নিয়ে আসেন ৫ ওয়াক্ত নামাজ!
যা বিশ্ব মুসলিমের প্রধান ইবাদতী কাজ!
রমজানে নামাজ ছাড়াও রোজা ফরজ,
১২ মাসই পড়বে মুসলিম ৫ ওয়াক্ত নামাজ!
১ মাসের মানের তরে,উল্লিখিত৪০ও১৯ মনে নেই ধরে,
প্রাপ্ত যোগফলে,১২ মাসের মান দেখি হিসাব করে।
সেই মানের সাথে ভাজ্য পেতে ধরি ১৫,০০০!
৫,০০০ নিব ভাজকে!উভয় সংখ্যা ৫ এর গুণিতক আবার!
ভাগ করলে ভাগফলে যে সংখ্যাটি পাই।
সেটি আসলে মোট ৫ অঙ্কেরই π(পাই)!
ডাঃগিয়াসউদ্দিন জামশেদের রয়েছে অবদান,
এমন গণিতবিদকে জানাই সম্মান।
১৫ শতকের প্রথমদিকে
ইসলামী সভ্যতায়,
গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে তাঁর উপহার পাওয়া যায়!
রিসালাতুল-মুহিতিয়ায় (গ্রন্হ) পাইয়ের যে মান পাওয়া যায়,
ইলেকট্রিক ক্যালকুলেটরেও ব্যতিক্রম নয়!
অবদান নয় শুধু গণিতের (π)এই পরিভাষার!
ভগ্নাংশের দশমিকও তাঁর অমূল্য উপহার!
18/12/2024
ন্যূনতম পড়বো পাঁচে(শিক্ষার্থীদের জন্য)
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
পাঁচটি করে হাতে পায়ে আঙুল সবার,
পাঁচটি ভাবেই বিভক্ত মহাসাগর!
মেরুদণ্ডী প্রাণীরা পাঁচ ধরনের।
পাঁচটি যে মূল ভিত্তি দীন ইসলামের!
নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র পাচঁ।
দিনে পাঁচবার পড়ে মুসলিমে নামাজ!
বাংলা শব্দগুলোর রকমও যে পাঁচ।
ইংরেজি বাক্যের ধরন আবার পাঁচ!
উইকেট গেলে হাইফাইভও দেখি ক্রিকেটে,
সংখ্যার রাজ্যে পাঁচ পাই আবার তৃতীয় মৌলিকে!
পাঁচ বা পাঁচের গুণিতক ব্যাসে যদি পাই।
ভাগফলে মোট পাঁচ অঙ্ক π(পাই)ধ্রুবকে পাই!
পাঁচেই রেখেছেন শ্রষ্টা কিছু বিশেষ,
শুধু মুখস্ত নয় বোঝা দরকার নইলে পড়াই শেষ!
আয়ত্ব করতে চাইলে পাঠ্য ভাণ্ডার,
মনোযোগে ন্যূনতম পড়বো পাঁচটি বার।
18/12/2024
পাইছড়া(π)
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
৪০ ও ১৯ যোগে পাই যাহা ফল,
১২ দিয়ে সেই সংখ্যাটি গুণ করবো অবিকল!
গুণফলের সাথে এখন নয় কিছু আর,
যোগ করে নিব মাত্র ১৫ হাজার!
যোগফলের সংখ্যাটিকে ভাজ্য ধরে,
৫,০০০ দিয়ে নিব ভাগ করে।
ভাগফলে এখন যে সংখ্যাটি পাই,
বৃত্তের তরে সেটি বৃত্তেরই পাই!
04/12/2024
লেখচিত্র
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
আনুভূমিকে ক,খ নাম হতেও পারে,
একইভাবে ক,গ আবার উল্লম্বের তরে।
পরস্পর দুটি' রেখা আকারে লম্ব,
একটি আনুভূমিক অপরটি উল্লম্ব!
আনুভূমিক ও উল্লম্বের মিলন যেথায়,
শুধু শূন্য বিবেচনা করবে সেথায়।
আবার উল্লম্ব বরাবর উর্ধ্বদিকেও,
এক ঘর পর এক ঘর আঁকবে আনুভূমিকেও!
সমদূরে আনুভূমিকে রেখা আঁকবে পর্যাপ্ত,
উল্লম্বের বরাবর রেখা করবে যে রপ্ত।
সমান্তরাল আঁকতে হবে আনুভূমিকের,
পরিমাপে দূরত্ব হবে একই রকমের।
উভয়রেখায় দূরত্ব সমদূর হলে,
লেখ চিত্র দৃষ্টিনন্দন হবেই তাহলে!
গণসংখ্যা নিবেশনের শ্রেণি নিম্নসীমাকে,
অঙ্কন করবে রেখায় আনুভূমিকে!
গণসংখ্যার তথ্যাবলি উল্লম্বে বসালে,
প্রত্যেক শ্রেণির স্তম্ভকে স্তম্ভলেখ বলে।
উল্লম্বের সমান্তরাল আঁকবে দুটি রেখা।
গণসংখ্যার তথ্যাবলি যেমন যায় দেখা।
প্রত্যেকটির দুই শীর্ষবিন্দু সংযুক্ত করে,
আয়তকার চিত্র পাবে স্তম্ভের তরে!
স্তম্ভগুলি করতে চাইলে দৃষ্টিনন্দন!
আয়ত করবে ভরাট ইচ্ছেমতন!
রেখার দ্বারা আঁকা চিত্র ; নয় কিছু অন্যে।
ব্যবহার হয়ে থাকে চাক্ষুষ প্রদর্শনে!
সংগৃহীত উপাত্তের এমন চিত্র,
প্রদর্শিত তথ্যাবলি নিশ্চিত লেখচিত্র!
04/12/2024
সিলিন্ডার তৈরীর নেট
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
বৃত্ত পেতে দুটি একই রকম,
ব্যাসার্ধ নির্দিষ্ট ধরে করি অঙ্কন।
আয়তের দৈর্ঘ্যের উভয় পার্শ্বেতে,
উভয় বৃত্তের সংযোগ রাখি যে কোন বিন্দুতে।
আয়তের দৈর্ঘ্য এমন যেন হয়,
প্রত্যেক বৃত্তে পরিধি যেমন রয়।।
এমন হতে হবে আয়তের প্রস্হ,
যে কোন পরিমাপে সুবিধামত!
উভয় বৃত্তের টু পাই আর হবে তত,
আয়তটির দৈর্ঘ্য রয়েছে যত।
সহজ কথায় আবার যে অর্থ হয়,
আয়তের দৈর্ঘ্য,বৃত্তের পরিধি ; সমান যেন রয়।
দুটি বৃত্তের মাঝে আয়তটা এমন চাই,
ইচ্ছামত প্রস্হ,দৈর্ঘ্য যেন পরিধিসম পাই।
ছন্দের শর্তমতে চিত্র হলে,
সিলিন্ডার তৈরীর নেট যাবেই মিলে।
বিঃদ্রঃপাই=২২/৭= ৩.১৪ আর=বৃত্তের ব্যাসার্ধের পরিমাপ।
26/11/2024
কোণক তৈরীর নেট
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
বৃত্ত পেতে একটি সুবিধা মতন,
যে কোন ব্যাসার্ধে করি অঙ্কন।
আঁকব ত্রিগুণ বৃত্ত ধৃত বাসার্ধের,
অঙ্কিত বৃত্তের পরিধির উপর!
যেন হয় তিনের এক অংশ বড় বৃত্তটির,
সংযোগ করি এক বিন্দুতে উভয় পরিধির।
বড় বৃত্তের তিনের এক এরূপ যেন রয়,
১২০°কোন মিলে যেন মাপলে চাঁদায়!
তিনের এক টু পাই আর বড় বৃত্তের,
হবে সমান টু পাই আর ছোট বৃত্তের!
সহজ কথায় আবার যে অর্থ হয়,
পরিধি যেন উভয়টি শর্ত মেনে লয়।
শর্ত মেনে বৃত্তের চিত্র হলে।
কোণক তৈরীর নেট যাবে মিলে!
ইচ্ছে মত এরকম ব্যাসার্ধ নিয়ে,
অনুরূপ বৃত্ত অঙ্কন করি,যেমন নিম্ন চিত্রে।
26/11/2024
বিয়োগে ৯ এর কারিশমা!
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
সবচেয়ে বড় অঙ্কটি হলো ৯,
৯ এর এই খেলাটি,না করলে নয়!
"কখ"বর্ণ দুটি ধরি বিয়োজন,
বিয়োজ্যে "খক" লেখাই প্রয়োজন।
চারটি বর্ণের বসিয়ে দেই মান,
৯ এর পূর্বে এখন বসাই সমান।
৯ কে গুণ্য ধরে কখ তে যাই,
কখ এর অন্তর এবার গুণকে বসাই।
সরাসরি বিয়োগ করে প্রাপ্ত বিয়োগফল,
অবিকল একই সংখ্যা দেখাবে গুণফল!
25/11/2022
উপাত্ত বিন্যস্তকরণ
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
প্রাপ্ত তথ্যসমূহ হয় যে উপাত্ত,
প্রকাশই হলে পরে সংখ্যায় তথ্য।
বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজানো থাকলে,
বিন্যাস্ত উপাত্ত সেটিকে বলে।
অবিন্যাস্ত উপাত্ত এইটা জেনো,
যদি বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী না থাকে সাজানো।
প্রাপ্ত উপাত্ত সংখ্যার বদলে,
লিখিত চিহ্নকেই ট্যালি বলে।
প্রতি শ্রেণির দু'টি মানে পার্থক্য যত,
সারণির শ্রেণি ব্যবধান সংখ্যায় তত।
উপাত্তের তথ্য থেকে খুঁজি এখানে,
সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন আছে যা মানে।
সারণির ছক করি পেন্সিল দিয়ে,
তথ্যগুলো লিখি কলম নিয়ে।
শ্রেণি বিভাগ,ট্যালি চিহ্ন সারণিতে আর,
ঘটন সংখ্যার করি সঠিক ব্যবহার।
ট্যালিতে ১ লিখতে ১ দাড়ি যেমন বিরামেতে,
দুই দাড়ি দিব তখন,ট্যালিতে দুই লিখতে।
তিন লিখতে ৩ দাড়ি,৪ লিখতে চার,
পাঁচের বেলায় ১ দাড়িতে কাটি চারটির পর।
এখন তথ্য থেকে এক-একটা করে,
ট্যালি চিহ্ন ঠিক করে দেই ব্যবধান ধরে।
সারণিতে ৫-৬ টি করি ব্যবধান,
এভাবেও পেতে পারি সঠিক সমাধান।
22/11/2022
গণিতের গীতি কবিতা
ভগ্নাংশের শতকরা (খসড়া)
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
আ-তে আসল বলতে মূলধন বোঝায়,
মু-তে মুনাফা মুনাফা মোট লাভ যে টুকু হয়।
লাভ যা তা বাংলায় ইংরেজীতে নয়,
লাভ আর সুদের হেথায় একই অর্থ হয়।।
প্রতিক্ষেত্রে একশই হর বোঝায় শতকরার,
হা-তে হয় হার;লাভ সুদ মুনাফার।
তালব্য'শয় শতকরা কখনও কি চায়?
হারটা শুধুই চায় যে সমস্যায়।।
দন্ত্যশয় সময় বলতে বছর বোঝায়,
আমুশহাস চিনে নাও মূল সমস্যায়।
মুনাফা চাইলে সমস্যায় হরেতে শ(১০০) নিশ্চয়,
মুনাফা ছাড়া যদি চায় লবে শ গুন মুনাফা হয়।।
বাকিগুলো হরে লবে যেখানে যা বাকি রবে,
আমুশহাস পূর্ণ করতে বসাতে হয়।
গুণ দেবে মাঝে কাটবে নামতায়,
প্রত্যাশিত সমাধান পাবে নিশ্চয়।।
🥀( গাণিতিক ছন্দের গালিচায়)
13/11/2022
গণিতের কবিতা
আঠারোর নামতা
শেখ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
সমান আকারে আঁকি চারটি রেখা,
আনুভূমিক বরাবর যায় যেন দেখা।
একটি রেখা এমনভাবে উল্লম্ব বরাবর,
আঁকি যেন ছেদ করে,চারটি রেখার উপর।
উল্লম্বিক সারি পূরণে অঙ্ক যা রয়,
উভয় পাশে দশ স্হানে সাজাই তা সংখ্যায়।
জোড় অঙ্কের ক্রমগুলো এককে
বসাই,
দুটি' সারিতে এখন উর্ধ্বক্রমে যাই।
প্রথম সারির সংখ্যার পূর্বে দশক থেকে,
বিজোড় ক্রম বসিয়ে যাই নিচের দিকে।
দ্বিতীয় সারির সংখ্যার পূর্বে দশক যেথায়,
দশ থেকে জোড় ক্রম বসাবো সেথায়।
প্রথম সারির গুণিতকে দুই অঙ্কের সংখ্যা,
দ্বিতীয় সারিতে,তিন অঙ্কের যায় যে দেখা।
দুই বা তিন অঙ্কের গুণিতক যা-ই হয়,
অঙ্কের যোগফল সেথায় "৯" ছাড়া নয়।
🥀 ( গাণিতিক ছন্দের গালিচায়)