খড়রিয়া এ, জি, এম, মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Khararia
  • খড়রিয়া এ, জি, এম, মাধ্যমিক বিদ্যালয়

খড়রিয়া এ, জি, এম, মাধ্যমিক বিদ্যালয় Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খড়রিয়া এ, জি, এম, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, High School, Khararia.

এই কবিতার নাম কি?নব্বই দশকের শৈশব প্রজন্মের কাছে জানতে চাই?
06/05/2026

এই কবিতার নাম কি?
নব্বই দশকের শৈশব প্রজন্মের কাছে জানতে চাই?

কেউ বলতে পারবে ২০০০ সালের আগে এই ছবিটা কোন বইয়ে ছিল! এই ছবিটার কথা কারো কি মনে পড়ে?
27/03/2026

কেউ বলতে পারবে ২০০০ সালের আগে এই ছবিটা কোন বইয়ে ছিল!

এই ছবিটার কথা কারো কি মনে পড়ে?

শোকবার্তাআমাদের সবার প্রিয় এবং খড়রিয়া স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক আনোয়ার স্যার আর আমাদের মাঝে নেই।আজ তিনি সকাল ১১টায় খু...
25/07/2025

শোকবার্তা
আমাদের সবার প্রিয় এবং খড়রিয়া স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক আনোয়ার স্যার আর আমাদের মাঝে নেই।
আজ তিনি সকাল ১১টায় খুলনা সিটি মেডিকেলে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

স্যারের হাত ধরেই আমার অংক আর ইংরেজি শেখা। তাঁর সততা, মমতা আর অধ্যবসায় আজও আমাদের অনুপ্রেরণা। স্যার শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক, একজন অভিভাবক।

স্যারের এই মৃতুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দিন।
আমিন।🤲

"উত্তম ও অধম"---সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকুকুর আসিয়া এমন কামড় দিল পথিকের পায়কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে বিষ লেগে গেল তায়।ঘরে ফিরে ...
14/06/2025

"উত্তম ও অধম"
---সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
কুকুর আসিয়া এমন কামড়
দিল পথিকের পায়
কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে
বিষ লেগে গেল তায়।

ঘরে ফিরে এসে রাত্রে বেচারা
বিষম ব্যথায় জাগে,
মেয়েটি তাহার তারি সাথে হায়,
জাগে শিয়রের আগে।

বাপেরে সে বলে ভৎসনা ছলে
কপালে রাখিয়া হাত,
তুমি কেন বাবা, ছেড়ে দিলে তারে
তোমার কি নাই দাঁত?

কষ্টে হাসিয়া আর্ত কহিল
তুইরে হাসালি মোরে,
দাঁত আছে বলে কুকুরের গায়ে
দংশি কেমন করে?

কুকুরের কাজ কুকুর করেছে
কামড় দিয়েছে পায়,
তা বলে কুকুরে কামড়ান কি রে
মানুষের শোভা পায়?

শিশুদের ঘুমের সময়: ১৯৫০-এর দশকের আমেরিকার একটি Kindergarten ঐতিহ্য -১৯৫০-এর দশকের আমেরিকান কিন্ডারগার্টেনে ‘ন্যাপ টাইম’...
31/05/2025

শিশুদের ঘুমের সময়: ১৯৫০-এর দশকের আমেরিকার একটি Kindergarten ঐতিহ্য -

১৯৫০-এর দশকের আমেরিকান কিন্ডারগার্টেনে ‘ন্যাপ টাইম’ বা দুপুরের ঘুম ছিল শুধু দিনের একটি বিরতি নয়—এটি ছিল প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে সময়কার শিক্ষাদর্শনে বিশ্বাস করা হতো, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ঘুম অপরিহার্য।

প্রতিদিনের এক শান্তির আচার:
সাধারণত দুপুরের খাবারের পরপরই ন্যাপ টাইম শুরু হতো। ছোট ছোট শিশুেরা নিজের brought-from-home ম্যাট বা স্কুলের কট খুলে নির্ধারিত জায়গায় শুয়ে পড়ত। শিক্ষক-শিক্ষিকারা বাতি নিভিয়ে দিতেন, পর্দা টেনে দিতেন, আর পুরো ঘরে সৃষ্টি হতো এক নরম ও নীরব পরিবেশ—যেখানে কল্পনা ও শরীর দুটোই বিশ্রাম নিতে পারত।

সঙ্গীতের কোমল ভূমিকা:
শান্তভাবে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করত সুরেলা সঙ্গীত। অনেক শ্রেণিকক্ষে শোনা যেত—
• ক্লাসিকাল সুর, যেমন Debussy’র “Clair de Lune” বা Beethoven’র “Moonlight Sonata”, যা শিশুদের মন শান্ত করত।
• Brahms’ Lullaby কিংবা “Hush, Little Baby”-র মতো জনপ্রিয় লোরি, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে শান্ত করেছে।
• প্রকৃতির শব্দ—জলের কলকল ধ্বনি, নরম বৃষ্টির শব্দ, বা পাতার মৃদু ঝিরঝিরানি—এইসব ছিল ঘুমপাড়ানির অন্যতম কৌশল।
• সেই সময়ের জনপ্রিয় কোমল গান, যেমন Nat King Cole-এর “Mona Lisa” বা Bing Crosby-এর “Too-Ra-Loo-Ra-Loo-Ral”, যা ঘরে উষ্ণতা ও পরিচিতির ছোঁয়া এনে দিত।

শিক্ষিকার মায়াভরা উপস্থিতি:
শিক্ষিকারা এই নীরব সময়ের রক্ষক ছিলেন। নরম পায়ে চলাফেরা, শান্ত কণ্ঠে কথা বলা, একেকটি কটের পাশে দাঁড়িয়ে কম্বলের কোণা ঠিক করে দেওয়া, পিঠে হালকা হাত বুলিয়ে দেওয়া—সবই ছিল তাদের কোমল দায়িত্ব। ঘুম ছিল শুধু বিশ্রাম নয়, ছিল মানসিক নিরাপত্তার এক আশ্রয়স্থল।

শুধু একটি বিরতি নয়:
১৯৫০-এর দশকের শিশুদের কাছে, এই ন্যাপ টাইম হয়ে উঠেছিল প্রিয় মুহূর্ত। আধা ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে আঁকার চাপ, বর্ণমালা শেখা, বা খেলনা ভাগাভাগির মতো কাজগুলো থেকে মুক্তি মিলত। বদলে থাকত—হালকা আলো, মৃদু সঙ্গীত, আর এক যত্নশীল শিক্ষিকার উপস্থিতি।

ন্যাপ টাইম ছিল এক উদ্দেশ্যপূর্ণ ও মননশীল শিক্ষা-অনুশীলন—যা শিশুদের মন শান্ত করত, হৃদয়কে স্থিরতা দিত, আর নতুন উদ্যমে শেখার জন্য প্রস্তুত করত।

কেন জানি মনে হচ্ছেযত দিন যাবে ততোই এইসব পা চাটা টাইপের মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। একটি শ্রেনী সবসময়ই চায় যে সারা পৃথিবী...
17/05/2025

কেন জানি মনে হচ্ছে
যত দিন যাবে ততোই এইসব পা চাটা টাইপের মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। একটি শ্রেনী সবসময়ই চায় যে সারা পৃথিবীর ৯০% মানুষ পা চাটা টাইপের হয়েই বেঁচে থাকুক। আর আমরাও তাদের ইচ্ছা পূরণের পথে দারুন গতিতে এগিয়ে চলেছি...বিদ্রোহী কবির প্রতি শ্রদ্ধা...

এভাবেই হাসতে শিখিয়ে ছিলো শৈশবের কবিতা। তারপরও আমরা হাসতে পারিনা,পারছিনা।যাপিত জীবনের যান্ত্রিক সময়ে জীবন যেন সময়ের চাকা...
18/03/2025

এভাবেই হাসতে শিখিয়ে ছিলো শৈশবের কবিতা। তারপরও আমরা হাসতে পারিনা,পারছিনা।
যাপিত জীবনের যান্ত্রিক সময়ে জীবন যেন সময়ের চাকায় ভর করে চলছে। নিজের নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে।
তবুও জীবনের জন্য হাসতে হবে প্রাণবন্ত হাসি।

জীবনের শুরুতে পয়সা চেনানো হয়েছিল।গননার হিসাবও শিখেছিলাম। চিনতে চিনতে শিখতে শিখতে পয়সাকেই যেন জীবনের লক্ষ্য করে তুললাম। জ...
18/03/2025

জীবনের শুরুতে পয়সা চেনানো হয়েছিল।
গননার হিসাবও শিখেছিলাম। চিনতে চিনতে শিখতে শিখতে পয়সাকেই যেন জীবনের লক্ষ্য করে তুললাম। জন্মই যেন পয়সার লক্ষ্যে।
হায়রে পয়সা, হায়রে অর্থ। পার্থিব জীবনের সবকিছুই যেন পয়সাতেই জিম্মি। কি এক অদ্ভুত জীবন!

মনে কি পড়ে? 😃
18/03/2025

মনে কি পড়ে? 😃

খুব মনে পড়ে স্কুল জীবনের একুশে ফেব্রুয়ারির সেই দিনগুলির কথা। ২১ ফেব্রুয়ারির আগের রাতে সারা গ্রাম খুজে ফুল সংগ্রহ করে ...
21/02/2025

খুব মনে পড়ে স্কুল জীবনের একুশে ফেব্রুয়ারির সেই দিনগুলির কথা। ২১ ফেব্রুয়ারির আগের রাতে সারা গ্রাম খুজে ফুল সংগ্রহ করে রাখতাম। তারপর সেগুলোকে নিয়ে খুব ভোরে খালি পায়ে স্কুলে যেতাম। শহীদ মিনারে ফুল দিতাম, খালি পায়ে প্রভাত ফেরি করতাম। কারো পায়ে স্যান্ডেল দেখলে সবাই মিলে খোলাইতাম।

দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইলোনা, আহারে মোর নানান রঙ্গের দিনগুলি।

Address

Khararia

Telephone

01916201300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খড়রিয়া এ, জি, এম, মাধ্যমিক বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to খড়রিয়া এ, জি, এম, মাধ্যমিক বিদ্যালয়:

Shortcuts

Share

Category