সমসাময়িক প্রকাশ

সমসাময়িক প্রকাশ তথ্য বিশ্লেষণ

30/06/2025

ইউরেনিয়াম কি?
---------
ইউরেনিয়াম হলো একটি তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক মৌল, যার প্রতীক U এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৯২। এটি পর্যায় সারণীর অ্যাক্টিনাইড সিরিজের একটি রূপালী-ধূসর ধাতু। ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়ার চুল্লি এবং পারমাণবিক বোমার মতো কাজে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি তেজস্ক্রিয় এবং এতে ফিশন (বিভাজন) ঘটানো যায়। [১, ২]
আরও বিস্তারিতভাবে, ইউরেনিয়াম হলো:
তেজস্ক্রিয়:
ইউরেনিয়াম স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং আলফা কণা, বিটা কণা বা গামা রশ্মি নিঃসরণ করে। [১, ২]
ভর সংখ্যা:
ইউরেনিয়ামের বিভিন্ন আইসোটোপ (ভর সংখ্যা ভিন্ন) রয়েছে, যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ এবং ইউরেনিয়াম-২৩৮। এর মধ্যে ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো নিউক্লিয়ার ফিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। [১, ২]
ব্যবহার:
ইউরেনিয়াম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। [২]
প্রাকৃতিক উৎস:
ইউরেনিয়াম পৃথিবীর ভূত্বকে এবং সমুদ্রের পানিতেও সামান্য পরিমাণে পাওয়া যায়। [২, ৫]
অন্যান্য ব্যবহার:
ইউরেনিয়াম কিছু ক্ষেত্রে ঢালাই লোহা এবং অন্যান্য সংকর ধাতু তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। [৫]
(সংগৃহীত)

সূত্র- DW বাংলা
07/05/2025

সূত্র- DW বাংলা

07/05/2025

বিজ্ঞান ভাবনা:
"পর্য্যায়সারণীর গান"

প্রথমেই হাইড্রোজেন, পরে হিলিয়াম;
পর্য্যায়সারণীর গান শুরু করিলাম।
লিথিয়াম, বেরিলিয়াম, বোরণ, কার্বণ;
পর পর এসে যায়, বাড়ে ইলেকট্রণ।

কার্বণ মৌল প্রকৃতিতে নানা রূপে রয়;
হীরক আর কোক তার রূপভেদ হয়।
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন মিলিয়া বাতাস;
অক্সিজেন গ্যাসে মোরা নিতে পারি শ্বাস।

তারপরে নবম মৌল, নামটি ফ্লুরিণ;
মঁয়সার হাতে ধরা দিল এক দিন।
দশে এল নতুন গ্যাস, নামটি নিয়ন;
বাতির ভিতরে করে আলো বিকিরণ।

নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিয়ন, বিক্রিয়া না করে;
শেষ কক্ষ আছে পুরা ইলেকট্রণে ভরে।
এগারতে সোডিয়াম ক্ষারধাতু হয়,
বার নম্বরে জানি ম্যাগনেসিয়াম রয়।

অ্যালুমিনিয়াম এল, তেরো নম্বর;
চৌদ্দতে সিলিকন থাকে তারপর।
বালির ভিতরে জানি আছে সিলিকণ,
উহা পেতে হলে কর বালি বিজারণ।

তারপরে ফসফরাস ও সালফার রয়;
সালফার করে নানা রোগ নিরাময়।
সতের নম্বরে ক্লোরিণ হল হ্যালোজেন;
লবণেতে আছে জেনো, লভ তার জ্ঞান।

আঠারোতে আর্গন, বাতাসেতে পাই;
নিষ্ক্রিয় গ্যাস উহা, কোনো কাজ নাই।
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, স্ক্যাণ্ডিয়াম,
টিটানিয়াম, ভ্যানাডিয়াম, এল ক্রোমিয়াম।

পঁচিশে ম্যাঙ্গানিজ আর ছাব্বিশে আয়রন;
তারপরে কোবাল্ট, নিকেল --- জানে সর্ব্বজন।
উনত্রিশ নম্বর ঘরে তাম্র বসে রয়,
তিরিশেতে জিঙ্ক ধাতু আমাদেরই হয়।

গ্যালিয়াম, জার্মেনিয়াম আর আর্সেনিক;
একত্রিশ, বত্রিশ, তেত্রিশে হয় ঠিকঠিক।
সেলেনিয়াম, ব্রোমিন এল তারপর;
ক্রিপ্টন নিষ্ক্রিয় গ্য়াস, ছত্রিশে ঘর।

পরমাণু ক্রমাঙ্কের হয়ে যায় বর্দ্ধন,
পাউলির নীতি মেনে ব'সে ইলেকট্রণ।
বিরানব্বইখানি মৌল প্রকৃতিতে পাই;
উহাদের আঠারো শ্রেণী, সাত পর্য্যায়।

ডান দিকে থাকে যত হ্যালোজেনগণ,
ওরা বানাইতে পারে সামুদ্রিক লবণ।
বাম দিকে মহাতেজা ক্ষারধাতুগুলি,
হ্যালোজেনদের সাথে করে চুলোচুলি।

সাঁইত্রিশে রুবিডিয়াম নামে মৌল রয়;
তারপরে স্ট্রনশিয়াম, ইট্রিয়াম হয়।
জারকোনিয়াম, নায়োবিয়াম, মলিবডেনাম;
নব টেকনিকে আসে টেকনিসিয়াম।

রুথেনিয়াম, রোডিয়াম ও প্যালাডিয়াম;
সাতচল্লিশে রূপা, তাকে বলি আর্জেণ্টাম।
ক্যাডমিয়াম, ইণ্ডিয়াম, টিন এসে যায়;
টিনের প্রলেপ দিলে লোহা টিকে যায়।

এ্যাণ্টিমণি নামে মৌল আসে একান্নয়,
রোমাণেরা স্টিবিয়াম নামে তাকে কয়।
টেলুরিয়াম, আয়োডিন, জেনন, সিজিয়াম;
তারপরে ছাপান্নতে হয় যে বেরিয়াম।

চাকরির প্রস্তুতি -Chakrir Prastuti

তারপরেতে সারণীতে শাখা এসে যায়;
ল্যান্থানাইড মৌল আসে, আলাদা পর্য্যায়।
সাতান্ন নম্বর থেকে একাত্তর নম্বর,
ল্যান্থানাইড মৌলগুলি বাঁধে নীচে ঘর।

ল্যান্থানামে ল্যান্থানাইড মৌল শুরু হয়;
সেরিয়াম, প্রাসিওডিয়াম, নিওডিয়াম রয়।
প্রোমেথিয়াম, সামারিয়াম, ইউরোপিয়াম,
গ্যাডোলিনিয়াম আসে, আসে টারবিয়াম।

ডায়াসপ্রোসিয়াম, হোলবিয়াম, এরবিয়াম;
থুলিয়াম, ইটারবিয়াম, আসে লুটেসিয়াম।
ল্যান্থানাইড মৌলগুলি এইভাবে শেষ হয়;
ফিরে আসি মূলপথেতে, মেণ্ডেলিফের জয়!

মূলপথেতে বাহাত্তরে আছে হাফনিয়াম;
তিয়াত্তরে কষ্টেসৃষ্টে পাও গো ট্যাণ্টালাম।
উলফ্রাম বা টাংস্টেন চুয়াত্তরে রয়;
তাই দিয়ে বাল্বের ফিলামেণ্ট হয়।

রেণিয়াম, অসমিয়াম, ইরিডিয়াম এল;
তারপরে আটাত্তরে প্লাটিনাম হল।
প্লাটিনাম সে বরধাতু, বহু টাকা দাম;
তারপরে এল সোনা, পারা, থ্যালিয়াম।

Chakrir Prastuti

বিরাশি নম্বরে সীসা নামে ধাতু রয়,
তেজষ্ক্রিয় মৌলগুলি ক্ষয়ে সীসা হয়।
বিসমাথ, পোলোনিয়াম আর অ্যাস্টাটিন;
শেষেরখানি পঁচাশিতে, টিকে অল্প দিন।

তারপরে রেডন এল ছিয়াশি নম্বরে,
নিষ্ক্রিয় সে তবু তেজষ্ক্রিয় রশ্মি ধরে।
ফ্রান্সিয়াম সে ফ্রান্স দেশে আবিষ্কৃত হয়;
রেডিয়ামে রশ্মি আছে, পেলে পরিচয়।

অ্যাক্টিনিয়াম, থোরিয়াম অ্যাক্টিনাইড ওই;
প্রোটাক্টিনিয়াম আসিল, সে একানব্বই।
বিরানব্বইয়ে ইউরেনিয়াম সুবিখ্যাত হয়;
প্রাকৃতিক মৌলদিগের শেষে ইহা রয়।

সংগৃহীত।

02/05/2025

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।
২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।
৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।
৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।
৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।
৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।
৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।
৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।
৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।
১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।
১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।
১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।
১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।
১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।
১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।
(সংগৃহীত)

30/04/2025

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন পড়ালেখায় খুব দুর্বল ছিলেন। একবার স্কুলের পরীক্ষায় তিনি একেবারেই ভালো করতে পারেননি। রেজাল্টের দিন তার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে হেডমাস্টার বললেন, "চিঠিটা খুলো না। সোজাসুজি বাড়ি গিয়ে মায়ের হাতে দেবে।"
এডিসন তাই করলেন আর কৌতূহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন, "মা, চিঠিতে কি লেখা আছে?" মা মৃদু হেসে ছেলেকে শুনিয়ে জোরে জোরে চিঠিটি পড়লেন, ",আপনার পুত্র খুব মেধাবী। এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। অনুগ্রহ করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।"

তারপর থেকে এডিসন মায়ের কাছেই শিক্ষা গ্রহণ করা শুরু করলেন। কালক্রমে তিনি হয়ে উঠলেন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী। আবিষ্কার করলেন পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দেওয়া ইলেকট্রিক বাল্ব। কিন্তু ছেলের এই সাফল্য নিজের চোখে দেখার জন্য তখন তার মা আর বেঁচে নেই।
হঠাৎ একদিন পুরোনো কাগজপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে সেই ছোটবেলার স্কুলের চিঠিটা তার চোখে পড়ল। চিঠিতে লেখা ছিল, "আপনার সন্তান স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন এবং মেধাহীন। সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়। আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না।"

তারপর এডিসন ডায়েরিতে লিখলেন, "টমাস আলভা এডিসন ছিল মানসিকভাবে অসুস্থ এবং জড়বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু, কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ প্রতিভাবান বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন"!

মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ লাইব্রেরি।
(সংগৃহীত)

20/04/2025

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার হ্যান্ডকাফ পরানো নিয়ে পুলিশ সদস্যদের এমন হুমকি দেয়া হয় বলে আদালতকে জানিয়েছেন দায়িত্বরতরা...

বিস্তারিত : https://www.somoynews.tv/news/2025-04-20/uxTv1Py2

Address

Keshabpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সমসাময়িক প্রকাশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to সমসাময়িক প্রকাশ:

Shortcuts

Share

Category