Madinatul Ulum Model Madrasa-মাদীনাতুল উলুম মডেল মাদরাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Kaukhali
  • Madinatul Ulum Model Madrasa-মাদীনাতুল উলুম মডেল মাদরাসা

Madinatul Ulum Model Madrasa-মাদীনাতুল উলুম মডেল মাদরাসা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Madinatul Ulum Model Madrasa-মাদীনাতুল উলুম মডেল মাদরাসা, School, দক্ষিণ বন্দর, হাসপাতাল রোড, মা ক্লিনিক (৫ম তলা), কাউখালী, পিরোজপুর, Kaukhali.

24/12/2025

মাদিনাতুল উলুম মডেল হিফয্ মাদ্রাসা
কাউখালী, পিরোজপুর ।
ছাত্রদের খেলাধুলার কিছু সময়।

17/11/2025
মাদরাসা ক্যাম্পাসে ছাত্রদের চোখ পরিক্ষা  চলছে।
21/10/2024

মাদরাসা ক্যাম্পাসে ছাত্রদের চোখ পরিক্ষা চলছে।

হুফ্ফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন  পিরোজপুর জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন  ও প্রতিযোগিতার কার্যক্রম সম্পূর্ণ হলো।আলহামদুলিল্লাহ
14/09/2024

হুফ্ফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন পিরোজপুর জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন ও প্রতিযোগিতার কার্যক্রম সম্পূর্ণ হলো।
আলহামদুলিল্লাহ

12/06/2024

হিফজ বিভাগের চব্বিশ ঘন্টার রুটিন। কীভাবে পড়ানো হয় হিফজ খানায়।

পড়ালেখায় সফলতা লাভ করার জন্যে দুনিয়াতে এযাবৎ যত রুটিন তৈরী হয়েছে তন্মধ্যে হিফয বিভাগের রুটিন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। অন্যসব পড়ালেখার রুটিন ৮ থেকে ১৪ ঘন্টার হয়ে থাকে; কিন্তু হিফজ বিভাগের রুটিন দিনের চব্বিশ ঘন্টার সাথেই সম্পৃক্ত। রুটিনটি ছাত্র শিক্ষক উভয়ের জন্যেই প্রায় সমান এবং অনেকটা কষ্টসাধ্য। যেহেতু কোরআন কোনো সাধারণ গ্রন্থ নয় সুতরাং তাঁর ধারকবাহক হওয়াও সাধারণ বিষয় নয়। নিম্নোক্ত রুটিনটি দেশের উঁচুস্তরের প্রায় চল্লিশজন আলেমের পরামর্শক্রমে গৃহীত হয় যা হিফজুল কোরআন ছাত্রদের জন্যে খুবই উপকারী।

১। প্রতিদিন ফজরের সালাতের দেড়ঘন্টা পূর্বে ঘুম থেকে উঠে ক্লাসে বসা এবং ফজর নামাজের পূর্বেই উস্তাদের কাছে নতুন সবক শুনানো।

২। ফজর নামাজের পর থেকে সকালের (ব্যক্তিগত হালকা) নাস্তা পূর্ব পর্যন্ত সাতসবক শুনানো।

৩।ফজর নামাজের দেড়ঘন্টা পর সকালের ব্যক্তিগত হালকা নাস্তার বিরতি পনেরো মিনিট।

৪। নাস্তার পর থেকে সকাল ৮ঃ৩০ মিঃ পর্যন্ত আমুক্তা ইয়াদ করা।

৫। সকাল ৮:৩০ মিনিট থেকে ৮ঃ৫৫ মিঃ পর্যন্ত মশক/তাজবীদ/তা’লীম।

৬। অতঃপর ৯ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত সকালের নাস্তার বিরতি।

৭। সকাল ৯ঃ৩০ মিনিট থেকে ১১ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত দিনের বিশ্রাম-ঘুম।

৮। সকাল ১১ঃ৩০ মিনিট হতে ১২ঃ০০ পর্যন্ত গোসল।

৯। অতঃপর ক্লাসে বসা এবং আমুক্তা শুনানো।

১০। দুপুর ১ঃ২০ মিনিট থেকে ২ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত যোহরের নামাজ, সম্মিলিত মোনাজাত ও দুপুরের খাবারের বিরতি।

১১। বিকাল ২ঃ৩০ মিনিট থেকে ৩ঃ৩০ মিনিট পর্যন্ত আমুক্তা শুনানো।

• দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শবিনা শোনাবে।

১২। আমুক্তা শুনানো শেষ হলে যার যার তিলাওয়াত করবে এবং সবকের ছাত্ররা নাজেরা দেখবে আসর নামাজের পূর্ব পর্যন্ত।

১৩। বাদ আসর হতে মাগরীব পূর্ব পর্যন্ত ক্লাস বিরতি (খেলাধুলা,শরীরচর্চা,প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেয়া)।

১৪। বাদ মাগরীব হতে এশা পর্যন্ত নতুন সবক মুখস্থ করা।

১৫। এশার নামাজের পরবর্তী ৩০ মিনিট রাতের খাবারের ছুটি।

১৬। রাতের খাবারের পর থেকে রাত ১০ঃ১০ মিনিট পর্যন্ত সাতসবক ইয়াদ করা এবং তা নামাজে তিলাওয়াত করা।

১৭। রাত ১০ঃ১০ মিনিট হতে ফজরের সালাতের দেড়ঘন্টা পূর্ব পর্যন্ত বিশ্রাম-ঘুম।

হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্যে আরও কিছু নির্দেশনাঃ

• ভোর রাতে উঠে সম্ভব হলে দু-চার রাকাত তাহাজ্জুদ সালাত পড়ে নিবে।

•প্রত্যেক নামাজের দশমিনিট পূর্বে নামাজের স্হানে

খেলাধুলার  শেষ  পর্যায়ে
11/06/2024

খেলাধুলার শেষ পর্যায়ে

09/06/2024

হত্যা করে গরু কুরবানী করছেন না তো?
""একটি ছোট্ট ভুল এবং বাতিল হয়ে যাওয়া কুরবানী।""
সকল কুরবানী দাতাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়।
১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে আমাদের করা, ছোট্ট একটি ভুলের কারনে সম্পূর্নরুপে বাতিল হয়ে যেতে পারে আমাদের অত্যন্ত যত্নের সাথে আদায়কৃত আল্লাহর মহান হুকুম কুরবানী।
★পশু জবেহ সম্পন্ন হবার পর, একটি ছোট তীক্ষ্ণ ছুড়ি দ্বারা জবেহের স্থানে খোঁচা দেয়ার একটা সিস্টেমের সাথে আমরা কমবেশি প্রায় সবাই পরিচিত, আমাদের অনেকেরই ধারনা এই কাজটার মাধ্যমে পশু দ্রুত মারা যায় এবং কষ্ট কম পায়।
এই ছোট্ট একটা ভুলই আমাদের কুরবানী বরবাদ করে দেবার জন্য যথেষ্ট।
★পশু জবেহ সহীহ হবার শর্ত হলো:-
পশুর অন্তত মূল তিনটি রগ কেটে দেয়া। আর মূল তিনটি রগ কেটে দিলে, রক্তক্ষরনের স্বাভাবিক ফলস্বরুপ পশুটি খুব দ্রুত মারা যায়।
★আমরা একটু অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে, পশুটার মেরুদন্ডের ভেতর তীক্ষ্ণ ছুড়ি ঢুকিয়ে "মেরুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড" বিচ্ছিন্ন করে দ্রুত মেরে ফেলার চেষ্টা করি। স্পাইনাল কর্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পশুর মস্তিষ্ক, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এর ফলে পশুটি হার্ট এটাক করে এবং মারা যায়।
অনেক সময় এভাবে দ্রুত পশুটিকে শান্ত করতে গিয়ে, কুরবানীর উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং পশুটি জবেহ না হয়ে, হত্যা হিসেবে পরিগনিত হয়।
★চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই পন্থা অত্যন্ত গর্হিত এবং বিপদজনক। স্পাইনাল কর্ড কেঁটে গেলে পশুর দেহের মাংশপেশিতেই রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং ফলশ্রুতিতে গোশত দূষিত হয়ে পরে। এই গোশত ভক্ষনে ক্যান্সার, এইচবিএএস, সহ অন্তত ১৮ প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
এতএব,
কুরবানী দাতা সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে, ১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে, দয়া করে আপনার কুরবানী কে বরবাদ হয়ে যাবার সুযোগ দিবেন না।

09/06/2024

হিফজ ছাত্রদের মেহনতের পদ্ধতি,,,
(পোস্ট টি সবাই শেয়ার করবেন আশা করি)

১/ হাফেজ ছাত্ররা প্রতিদিন এক / আধা পাড়া উস্তাদকে পড়া শুনাবে। (বিনা লোকমায় এবং বিনা টোকায়)
সবকী ছাত্ররা সবক, সাতসবক, আমুখতা শুনাবে।(বিনা লোকমায় এবং বিনা টোকায়)।

২/ইয়াদ করার সময় প্রত্যেকটি শব্দ বাক্যকে কমপক্ষে ৩০/৪০/৫০ বার করে বার বার পড়বে, উদাহরণস্বরূপঃ
الحمد لله. الحمد لله. الحمد لله. الحمد لله.الحمد لله.....رب العالمين. رب العالمين. رب العالمين. رب العالمين. رب العالمين....
الحمد لله رب العالمين. الحمد لله رب العالمين. الحمد لله رب العالمين.....
এভাবে বার বার পড়ার পর ১ বার না দেখে পরবে,,,, যদি প্রত্যেকটি হরফ, হরকত, নুকতা, শব্দ, বাক্য, চোখে ভাসে তাহলে ইয়াদ হয়েছে আর না হয় আবার নতুন করে প্রত্যেকটি শব্দ বাক্যকে ১০/২০ বার পড়বে। এভাবে ১ পারা ইয়াদ করতে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লাগবে।

৩/ হাফেজ ছাত্ররা নিয়মিত কমপক্ষে ১০ পারা এবং সবকী ছাত্ররা কমপক্ষে ৭ পারা তিলাওয়াত দেখে দেখে করবে।

৪/এশার নামাজের পর নিয়মিত ১ পারা নামাজে তিলাওয়াত করবে।

৫/আসরের পর ১৫ মিনিট দুইজন ছাত্র পরষ্পর প্রশ্ন পরবে।

৬/ খাবার সময়,অবসর সময়গুলোতে, বিশ্ববিখ্যাত হাফেজ ক্বারী যারা আছেন যেমনঃ( শায়খ মাহমূদ খালিল আল হুসারী রহঃ, শায়খ মুহাম্মাদ সিদ্দিক আল মিনশাবি রহঃ, শায়খ মুহাম্মাদ আইয়ূব রহঃ, শায়খ রাশেদ মাশারী আল আফাসী, শায়খ আব্দুর রহমান আস সুদাইস , শায়খ আলী আল হুজাইফী, শায়খ সাউদ বিন ইব্রাহীম আশ শুরাইম, শায়খ আলী জাবের, শায়খ বান্দার বিন আব্দুল আজিজ আল বালিলাহ, শায়খ মাহের আল মুয়াইকিলি, শায়খ আব্দুল ওয়ালী আল আরাকানী, শায়খ সালেহ আল আনসারী, শায়খ ইসমাতুল্লাহ , শায়খ মুহাম্মাদ জিবরাঈল, শায়খ আব্দুল্লাহ বাসফার হাফিজাহুমুল্লাহ ) সহ এধরনের আরো যারা রয়েছেন উনাদের তিলাওয়াত খুব বেশি শুনবে। সম্ভব হলে ভিডিও তিলাওয়াত দেখবে। এবং বাংলাদেশের যারা বিশ্বজয় করেছে তাদের প্রতিযোগিতার তিলাওয়াত শুনবে অথবা দেখবে। যেমন: বাহরাইন, দুবাই , কুয়েত,সৌদি আরব ,কাতার, জর্ডান ,মিশর সহ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীতার তিলাওয়াত।

৭/ ইজতিমায়ী মাশক্বের ইহতিমাম করবে।

৮/ ইনফিরাদী বা একাকী আন্তর্জাতিক মানের হাফেজ ক্বারী উস্তাদের কাছে দৈনন্দিন এক পৃষ্ঠা করে মাশক্বের তিলাওয়াত শুনাবে।

৯/ফজরের রয়েছে ২ রাকাত সুন্নাহ নামাজ,যোহরের ৬ রাকাত, মাগরিবের ২ রাকাত, এশার ২ রাকাত সুন্নাহ নামাজ এবং ৩ রাকাত বিতর নামাজ। এই নামাজগুলোর প্রত্যেক রাকাতে এক পৃষ্ঠা করে মোট ১৫ পৃষ্ঠা সুন্নাহ এবং বিতর নামাজে তিলাওয়াত করবে।এবং ঘুমানোর সময় সিটে বসে ৫ পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করবে, এভাবে ১ পারা তিলাওয়াত পূর্ণ হলো।

১০/ হাটতে, চলতে, উঠতে, বসতে,মনে মনে দিনে রাতে ১ পারা তিলাওয়াত করবে।

১১/ সম্ভব হলে প্রতি সপ্তাহে না হয় অন্তত প্রতি মাসে একবার বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজ পরে নফল নামাজে দাড়াবে এবং শুক্রবার ফজর পর্যন্ত ১৫ পারা অথবা সম্ভব হলে এক খতম নামাজে তিলাওয়াত করবে।

১২/ যেকোনো একজন বিশ্ববিখ্যাত হাফেজ ক্বারীর তিলাওয়াতের সুর হুবহু তাকলিদ অথবা অনুসরণ করবে। অতঃপর নিজস্ব কিছু সুর সংযোজন করবে ।

১৩/ মাখারিজ,সিফাতসমূহ আয়ত্ত করবে।

১৪/ যথাসম্ভব একজন উস্তাদের কাছেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার চেষ্টা করবে।

১৫/ অবশ্যই তাহাজ্জুদের নামাজ পরবে।

১৬/বিশুদ্ধ নিয়ত করবে।
একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই মহাগ্রন্থ আল কুরআন শিখবে।

১৭/প্রতিদিন অল্প সময় হলেও ওভার টাইম পরার অভ্যাস করবে।

১৮/ পড়া লেখার বিষয়ে উস্তাদের পরামর্শ মেনে চলবে।

১৯/ সর্বদা পাক পবিত্র এবং অজু অবস্থায় থাকবে।

২০/ বেশি বেশি رب زدني علما পড়বে এবং যেকোনো দুরুদ পাঠ করবে।
২১/ উত্তম আখলাক,আদব, ইজতিহাদ,এবং ইত্তেবায়ে সুন্নাহর ইহতিমাম করবে।

২২/ ধারাবাহিকভাবে একাগ্রচিত্তে মেহনত করবে।

২৩/ উস্তাদের খিদমত করবে।

২৪/ সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে ইলমের জন্য দোয়া করবে।

২৫/ মাদ্রাসার যেকোনো কাজকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের, সাওয়াবের এবং উপকারী মনে করে মুহাব্বাত নিয়ে করবে।

২৬/ সম্ভব হলে মাদ্রাসার টয়লেট সাফাই করবে এই নিয়তে যেনো আল্লাহ অন্তরের ময়লা দূর করে সিনায় কুরআন বসিয়ে দেন।

২৭/ যখনই পড়ায় অমনোযোগ আসবে সাথে সাথে দুই রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করবে, এবং বেশি বেশি পরবে
أعوذ بالله من الشيطان الرجيم

২৮/ ইশরাকের নামাজ আদায় করবে।

২৯/ মিসওয়াক করবে এবং পাগড়ি পরিধান করবে।

৩০/ ছোট বড় যে কোনো গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলবে।

Copy Post...

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।যাকে হিকমাহ দান করা...
09/06/2024

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।

যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।

আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।

টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।

আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।

রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।

(সংগৃহীত)

Address

দক্ষিণ বন্দর, হাসপাতাল রোড, মা ক্লিনিক (৫ম তলা), কাউখালী, পিরোজপুর
Kaukhali
ওয়ার্ডনং-০৩

Telephone

+8801710570090

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Madinatul Ulum Model Madrasa-মাদীনাতুল উলুম মডেল মাদরাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Madinatul Ulum Model Madrasa-মাদীনাতুল উলুম মডেল মাদরাসা:

Shortcuts

Share

Category