Masum Billah Foraji

Masum Billah Foraji Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Masum Billah Foraji, Education Website, Kamrangir Char.

মুদাররিস,লেখক,আলোচক,ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর

শুধু ফোন করতে:
📞 01301-371277
01848-388744 (Whatsapp & call)

أحب الصالحين ولست منهم؛ لعل الله يرزقني صلاحا
(আমি সৎ নয় তবে সৎ লোকদের ভালোবাসি; যেন আল্লাহ আমাকে সৎ হওয়ার তৌফিক দান করেন!)

ঠেলায় পড়লে কুরআন হাদীস আর টকশোতে বসে,শরীয়ত নিয়ে বিষোদগার, দলীয়ভাবে ইসলামের বিরোধিতাও কম হয় না।এটা সেই দুই চেহারা।আ...
31/07/2026

ঠেলায় পড়লে কুরআন হাদীস আর টকশোতে বসে,শরীয়ত নিয়ে বিষোদগার, দলীয়ভাবে ইসলামের বিরোধিতাও কম হয় না।
এটা সেই দুই চেহারা।

আয়াত - ১

اَفَتُؤۡمِنُوۡنَ بِبَعۡضِ الۡکِتٰبِ وَتَکۡفُرُوۡنَ بِبَعۡضٍ ۚ فَمَا جَزَآءُ مَنۡ یَّفۡعَلُ ذٰلِکَ مِنۡکُمۡ اِلَّا خِزۡیٌ فِی الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۚ وَیَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ یُرَدُّوۡنَ اِلٰۤی اَشَدِّ الۡعَذَابِ ؕ وَمَا اللّٰہُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعۡمَلُوۡنَ

তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশে ঈমান রাখ এবং কিছু অংশ অস্বীকার কর? তাহলে বল, তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করে তাদের শাস্তি এ ছাড়া আর কী হতে পারে যে, পার্থিব জীবনে তাদের জন্য থাকবে লাঞ্ছনা আর কিয়ামতের দিন তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হবে কঠিনতর আযাবের দিকে? তোমরা যা-কিছু কর আল্লাহ সে সম্পর্কে উদাসীন নন।
(সূরা বাকারা ৮৫)

আয়াত নং -২
وَاِذَا لَقُوا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا قَالُوۡۤا اٰمَنَّا ۚۖ وَاِذَا خَلَوۡا اِلٰی شَیٰطِیۡنِہِمۡ ۙ قَالُوۡۤا اِنَّا مَعَکُمۡ ۙ اِنَّمَا نَحۡنُ مُسۡتَہۡزِءُوۡنَ

যারা ঈমান এনেছে, তাদের সাথে যখন এরা মিলিত হয়, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি আর যখন নিজেদের শয়তানদের সাথে একান্তে মিলিত হয়, তখন বলে, আমরা তোমাদেরই সঙ্গে আছি। আমরা তো কেবল তামাশা করছিলাম।

(সূরা বাকারা ১৪)

হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِنَّ شَرَّ النَّاسِ ذُو الْوَجْهَيْنِ الَّذِي يَأْتِي هَؤُلاَءِ بِوَجْهٍ وَهَؤُلاَءِ بِوَجْهٍ

আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন- দুমুখো লোকেরা সবচেয়ে খারাপ, যারা এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে আসে আবার ওদের কাছে আর এক চেহারা নিয়ে আসে।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭১৭৯

আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু মানুষ দেখবেন, নিজেরা যখন টকশোতে বসে তখন বড় বড় গলায় বলবে, শরীয়া আইন বাংলাদেশে উপযুক্ত নয়। আমরা গনতন্ত্রে বিশ্বাসী। মাজারে, সিনেমা হলে গান-বাজনা বন্ধ করা যাবে না। আরো কত সুশীল ।

কিন্তু নিজেরা যখন গনতন্ত্রের রাজনীতি করতে গিয়ে মারা যাবে তখন হবে শহীদ আর আহত হলে বের হবে কুরআন হাদীস। আমরা অবশ্যই মাজলুমের পক্ষে কিন্তু নিজেরা যখন আল্লাহর বিরুদ্ধে কটুক্তি করে তখন মুখ খুলতে নারাজ। শরীয়া আইনের বিরুদ্ধে বিষোদগার, দলীয়ভাবে ইসলামের বিরোধিতাও কম করেন না তখন এই আয়াত আর হাদীস কোথায় থাকে?

Masum Billah Foraji
31.7.2026

13/07/2026

আল্লাহ পাক
নবীরা পাক
সাহাবারা পাক

বিস্তারিত
মুফতী লুৎফর রহমান ফরায়েজী হাফিজাহুল্লাহ
স্থান: জামিয়া নূরীয়া, কামরাঙ্গীরচর, থানা।

আপনার কষ্ট উপার্জিত সম্পদের কর থেকে ১০০% এর ২০.৫০% যাবে রাষ্ট্রের সুদে।এজাতী ধর্ম শুধু মসজিদে মানতে চায় কিন্তু রাষ্ট্রে...
09/07/2026

আপনার কষ্ট উপার্জিত সম্পদের কর থেকে ১০০% এর ২০.৫০% যাবে রাষ্ট্রের সুদে।
এজাতী ধর্ম শুধু মসজিদে মানতে চায় কিন্তু রাষ্ট্রে ইসলাম চায় না। অথচ আপনার না চাইলে সুদের গুনাহ হয়ে যাচ্ছে।রাষ্ট্রে শতভাগ ইসলাম ছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে কখনো পরিপূর্ণ ইসলাম পালন করা সম্ভব হবে না।

আসুন! এবার তিনটি কথা শুনি;

১.
সুদের সর্বনিম্ন গুনাহ আপন মাকে বিয়ে করা।
(ইবনে মাজাহ ২২৭৪)

২.
যদি তোমরা সুদ না ছাড়ো তবে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের ঘোষণা দেও।(সুরা বাকারা ২৭৯)

৩.
এমন একটা সময় আসবে, সবাই সুদ খাবে। যদি কেউ সরাসরি নাও খায় সুদের ধুলাবালি তাকে স্পর্শ করবে।
(জামে সগীর ৭৫১৩)

কথা তিনটি আমার ব্যক্তিগত নয়, একটি আল্লাহ তাআলার আর দুটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের। যদি মনে করেন আপনি ঈমানদার, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে বিশ্বাস করেন , তবে আল্লাহ তাআলা আপনাকে আরো গুরুত্ব দিয়ে বলছেন,

হে ঈমানদারগণ! যদি তোমরা ঈমানদার হও তবে সুদ ছাড়ো। (সূরা বাকারা ২৭৮)

এখন সিদ্ধান্ত আপনার!
অনেকে ব্যক্তিগত জীবনে সামান্য আরামের জন্য হয়তো সুদ খায় না হয় সুদ দেয় অন্যথায় সুদের সাথে যে কোনভাবে জড়িত হয়।

তবে শুনুন!

সুদের মাধ্যমে দুনিয়াতে আরাম দেখলেও নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকেই বলেছেন,

যে শরীর হারামে লালিত পালিত হয় তা জান্নাতে যাবে না।
(সিলসিলা সহীহাহ ২৬০৯)

সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন,
যারা সুদ খায় তারা কেয়ামতের দিন এমন অবস্থায় দাঁড়াবে, যেন শয়তান তাদেরকে স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে রেখেছে।
(সূরা বাকারা ২৭৫)

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে সুদ বর্জন করার তৌফিক দান করুন!!!
মাসুম বিল্লাহ ফরাজী

24/06/2026

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন!!!

২০২২ সালের একটি আলোচনা!!!

*আশূরা ও তাসূআ'-র সওম (রোযা)*"আশূরা" অর্থ দশম দিন। মুহাররম মাসের ১০ তারিখকে "আশূরা" বলা হয়।"তাসূআ" অর্থ নবম দিন। মুহররম...
24/06/2026

*আশূরা ও তাসূআ'-র সওম (রোযা)*

"আশূরা" অর্থ দশম দিন।
মুহাররম মাসের ১০ তারিখকে "আশূরা" বলা হয়।
"তাসূআ" অর্থ নবম দিন।
মুহররম মাসের ৯ তারিখকে বোঝানো হয়েছে।

🟧*তাসূআ' তথা ৯ মুহররম*
বৃহস্পতিবার (২৫.০৬.২৬ইং)
🕓 সাহরীর শেষ সময় ৩:৪৪
🕡 ইফতার ৬:৫০

🟥*আ'শূরা তথা ১০ মুহররম*
জুমাবার (২৬.০৬.২৬ইং)
🕓 সাহরীর শেষ সময় ৩:৪৪
🕡 ইফতার ৬:৫০

➿ আশূরা সিয়াম (রোযা)-র ফযীলত :

عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ إِنِّي أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ

আবূ কাতাদাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত:
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ আশূরার দিনের রোযার দ্বারা আমি আল্লাহ্‌র নিকট বিগত বছরের গুনাহ মাফের আশা রাখি।
—সুনানু ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১৭৩৮

➿ আশূরার সঙ্গে তাসূআ' ৯ তারিখ সিয়াম পালন করা:

سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ، بْنَ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - يَقُولُ حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ - إِنْ شَاءَ اللَّهُ - صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ ﷺ যখন ‘আশূরার দিন সিয়াম পালন করেন এবং লোকদের সিয়াম পালনের নির্দেশ দেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়াহুদ এবং নাসারা এই দিনের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম পালন করব। বর্ণনাকারী বললেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্হায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ইন্তেকাল হয়ে যায়।
—সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৫৬

🤲🏻 আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাওফীক নসীব করুক।
আমাদের সকলকে কবূল করুক।
🤲 আমীন।

23/06/2026

আল্লাহ তাআলা সবাইকে অহেতুক কাজ থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন!!!

19/06/2026

ایک نقطہ بھی گنجائش نہیں اسلام میں
ইসলামের মধ্যে একটি নুকতা (বিন্দু) পরিমাণও বাড়ানোর সুযোগ নেই।
মাসুম বিল্লাহ ফরাজী
Masum Billah Foraji

#মাসুমবিল্লাহফরাজী

19/06/2026
"স্বার্থ, সম্পর্ক ও মানুষের আচরণের বাস্তবতা"যে  দুনিয়ার মানুষ হযরত ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর মতো একজন নিষ্পাপ নবীকে শুধু...
12/06/2026

"স্বার্থ, সম্পর্ক ও মানুষের আচরণের বাস্তবতা"

যে দুনিয়ার মানুষ হযরত ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর মতো একজন নিষ্পাপ নবীকে শুধু এই আশঙ্কায় কূপে নিক্ষেপ করেছিল যে, “তাহলে হয়তো আমরা বাবার কাছে বেশি প্রিয় হয়ে উঠব”— সে মানুষ আপনাকে নিঃস্বার্থ ভালোবাসবে ভাবলেন কিভাবে?

এই ঘটনা মানব-স্বভাবের একটি কঠিন বাস্তবতাকে সামনে আনে। স্বার্থ, হিংসা ও আবেগ যখন মানুষের বিবেককে ঢেকে ফেলে, তখন সে এমন কাজও করতে পারে যা সাধারণভাবে কল্পনাও করা যায় না।

আল্লাহ তাআলা তাদের কথা এভাবে উল্লেখ করেছেন—
﴿ اقْتُلُوا يُوسُفَ أَوِ اطْرَحُوهُ أَرْضًا يَخْلُ لَكُمْ وَجْهُ أَبِيكُمْ ﴾
“তোমরা ইউসুফকে হত্যা কর অথবা তাকে কোনো অজানা স্থানে ফেলে আসো, তাহলে তোমাদের পিতার পূর্ণ মনোযোগ তোমাদের দিকেই থাকবে।”
— সূরা ইউসুফ : ৯

এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, মানুষের ভালোবাসা, সম্পর্ক ও আচরণের মধ্যে অনেক সময় স্বার্থের প্রভাব কাজ করে। তাই পৃথিবীর মানুষের কাছে সবসময় নিঃস্বার্থ আচরণ আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।

দুনিয়াতে স্বার্থ ছাড়া সম্পর্ক খুব কমই দেখা যায়। মানুষ সাধারণত কোনো না কোনো কারণে মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখে। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে অনেক সম্পর্কের প্রকৃত চেহারাও প্রকাশ পায়। তবে বাবা-মায়ের ভালোবাসাকে সাধারণত সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বলা হয়। তারা সন্তানের জন্য নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য পর্যন্ত ত্যাগ করেন। তারপরও অনেক বাবা-মায়ের মনে এই আশা থাকে যে, বড় হয়ে সন্তান তাদের দেখাশোনা করবে, খোঁজখবর নেবে। যদিও এটা সবসময় স্বার্থপরতা নয়; বরং স্বাভাবিক মানবিক প্রত্যাশা।

মানুষ যতই আপন হোক, যখন তার কোনো স্বার্থে আঘাত লাগে বা কোনো প্রত্যাশা পূরণ হয় না, তখন অনেক সময় সে এমন কথা বলে ফেলে বা এমন আচরণ করে বসে, যা অন্যের হৃদয়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে।

বিশেষ করে মানুষ যখন দুর্বল অবস্থায় থাকে, বিপদে পড়ে, অসহায় হয়ে যায়— তখন প্রাপ্ত আঘাতগুলো হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে যায়। সুদিনে বলা কঠিন কথা অনেক সময় ভুলে যাওয়া যায়, কিন্তু দুঃসময়ে পাওয়া অপমান, অবহেলা কিংবা তিরস্কার সহজে ভোলা যায় না।

সময় পরিবর্তন হয়, পরিস্থিতি বদলে যায়, মানুষের অবস্থাও পরিবর্তিত হয়। কিন্তু বিপদের দিনে কারা পাশে ছিল আর কারা আঘাত দিয়েছিল— সেই স্মৃতি অনেক সময় সারাজীবন হৃদয়ে থেকে যায়। মানুষ দুঃসময়ে পাওয়া সাহায্য যেমন সহজে ভুলে না, তেমনি দুঃসময়ে পাওয়া আঘাতও সহজে ভুলে না।

এ কারণেই হযরত আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর এই বিখ্যাত উক্তিটি অত্যন্ত গভীর অর্থ বহন করে—
جراحات السنان لها التيام
ولا يلتام ما جرح اللسان
“বল্লমের আঘাত একসময় শুকিয়ে যায়,
কিন্তু জিহ্বার আঘাত সহজে শুকায় না।”

মানুষের শরীরের ক্ষত সময়ের সাথে মিলিয়ে যায়, কিন্তু কথার আঘাত অনেক সময় বছরের পর বছর, এমনকি সারাজীবন পর্যন্ত হৃদয়ে বেঁচে থাকে। তাই একজন মুমিনের উচিত নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখা, বিশেষ করে কারও দুর্বলতা, অসহায়ত্ব বা বিপদের সময়।

কারণ মানুষ হয়তো আপনার কঠিন কথার জবাব তখন দিতে পারবে না, কিন্তু সেই কষ্ট তার হৃদয়ে থেকে যাবে। আর অনেক সময় একটি তীক্ষ্ণ বাক্য এমন ক্ষত সৃষ্টি করে, যা কোনো ওষুধে পুরোপুরি নিরাময় হয় না।

তাই মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখুন, ভালোবাসুন, উপকার করুন; কিন্তু মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা করবেন না। কারণ দুনিয়ার মানুষ পরিবর্তনশীল। আজ যে আপনার পাশে আছে, কাল সে নাও থাকতে পারে। তবে দুঃসময়ে কারা পাশে ছিল আর কারা আঘাত দিয়েছিল— মানুষের হৃদয় সাধারণত সেই হিসাব ভুলে না।

শায়েখ সাদী রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন,
جُدْ وَلَا تَمْنُنْ لِأَنَّ الْفَائِدَةَ إِلَيْكَ عَائِدَةٌ

“উপকার করো, কিন্তু অনুগ্রহ দেখিও না; কেননা সেই কল্যাণের সুফল একদিন তোমার কাছেই ফিরে আসবে।”

মাসুম বিল্লাহ ফরাজী
Masum Billah Foraji

হযরতওয়ালা করাচি হাকীম আখতার রহিমাহুল্লাহ বলেন—নিজ নিজ কন্যাদের 'বেহেশতি জেওর' কিতাবের "স্বামীর প্রতি স্ত্রীর হক" অধ্যায় ...
06/06/2026

হযরতওয়ালা করাচি হাকীম আখতার রহিমাহুল্লাহ বলেন—

নিজ নিজ কন্যাদের 'বেহেশতি জেওর' কিতাবের "স্বামীর প্রতি স্ত্রীর হক" অধ্যায় নিয়মিত পড়ে শোনান। স্ত্রীদেরও তা পড়তে উৎসাহিত করুন। কারণ বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বামীর হকের ব্যাপারে গাফেল।

'বেগম' হয়ে স্বামীর ঘরে থাকলেও, স্বামীকে 'বেগাম' (পেরেশানিমুক্ত) রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

আরও বলেন—
অনেক ইবাদতগুজার মানুষও বান্দার হকের ব্যাপারে উদাসীন। তারা মনে করে, "আমি তো আল্লাহর ইবাদতে মশগুল, এটাই যথেষ্ট।" অথচ সে বুঝতেই পারে না, যে মানুষ আল্লাহর বান্দাদের কষ্ট দেয়, তাদের সম্মানহানি করে, সে প্রকৃত নেককারদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

একজন মানুষ যদি কারো সন্তানকে আঘাত করে বলে, "তাতে কী হয়েছে? তার বাবার সাথে তো আমার খুব ভালো সম্পর্ক!" — বলুন তো, কোনো বাবা কি এমন মানুষকে ভালোবাসতে পারে, যে তারই সন্তানকে কষ্ট দেয়?

তেমনি, আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি পেতে হলে তাঁর বান্দাদের হকও আদায় করতে হবে। কারণ মাখলুকের প্রতি দয়া, সম্মান ও সদাচরণ ছাড়া শুধু ইবাদতের দাবি পূর্ণতা পায় না।

🌿 আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাঁর হক এবং বান্দার হক—উভয়ই যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲🏻

Address

Kamrangir Char

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masum Billah Foraji posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share