জ্ঞানের পাঠশালা

জ্ঞানের পাঠশালা U can gather knowladge here

05/11/2018

একটি মানবিক
আবেদন
জরুরী AB+ রক্তের
প্রয়োজন
❑ সমস্যাঃ কোলনের ❑ সমস্যাঃ কোলনের স্ফীতি
❑ রক্তের গ্রুপঃ AB+
(পজেটিভ)
❑ প্রয়োজনঃ 3 ব্যাগ
❑ ঠিকানাঃ রংপুর স্বদেশ ক্লিনিক হাসপাতাল
❑ সময়ঃ ৫/১১/২০১৮
(বিকেলের আগে)
যোগাযোগ :
01746062077
01968237785
সবার সাহায্য একান্ত
কামনা করছি
না দিতে পারলে কপি

02/11/2018

সংলাপ ও ভোজন
৷৷ ড্রাই হার্ট ৷৷
সংলাপ হবে পরে, আগে
খেয়ে নেন খানা,
তারপর আমি যা বলবো
করতে পারবেননা মানা।
শাহরিয়ার কবির
মুরগী এনেছে হানিফ
এনেছে মাছ,
কাউয়া কাদের লাড্ডু
এনেছে দিল্লি থেকে
আজ।
বগুড়া থেকে দই এনেছে
মাহবুব আরা গিনি,
তাড়না হালিম সন্দেশ
বানিয়ে কম দিয়েছে
চিনি।
জর্দা ও সুপারি দিয়ে
স্পীকার শারমীন
খাওয়াবে পান,
বিনোদনের জন্য
মমতাজ শোনাবে
ফাইটা যাওয়ার গান।
(সংগৃহীত)

08/10/2018

আজকের তারিখটি
খেয়াল করো
সোজাভাবে : ৮ ১০ ২০১৮
উল্টোভাবে সাজালে : ৮
১০ ২০১৮
এটাকে বলা হয়
প্যালিন্ড্রোম
( কোনকিছু যেকোন
পাশ থেকেই পড়া হোক
না কেনো একই রকম)
এ রকম আরো
কয়েকটি সুন্দর
প্যালিনড্রোম
হলো...................
১.নিধুরাম রাধুনি
২.সুবললাল বসু
৩.রমাকান্ত কামার
(শৈশবে এটা আমরা
অনেকেই
লিখতাম)।
৪.সীমার মাসী
৫.বল খেলব
৬.মীমার মামী
৭.বই চাইব
৮.ঘুরবে রঘু।
বাংলাভাষায় সব থেকে
বড় প্যালিনড্রোম
হল----
১.চেনা সে ছেলে
বলেছে সে নাচে!
২.কীর্তন মঞ্চ পড়ে
পঞ্চম নর্তকী !
৩.খা সমস্ত রুটি
রুস্তম সখা।
৪.মার কথা থাক রমা।
৫.না বললে লব না।
আশ্চর্যের ব্যাপার এই
যে খ্রীষ্টধর্ম
অনুযায়ী পৃথিবীর
প্রথম শব্দ ছিল
প্যালিনড্রোম!!!!!!
আদম প্রথম ইভকে
introduce করেছিল-
Madam 'I'm ADAM!!!!!

20/08/2018

****সর্বশেষ ভর্তি
তথ্য আপডেট****
১.মেডিকেল এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
২৭ শে আগস্ট থেকে ১৮
ই সেপ্টেম্বর থেকে
পর্যন্ত। ভর্তি
পরীক্ষা ৫ই
অক্টোবর।
২.ডেন্টাল এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১৬ ই অক্টোবর থেকে
২৭ শে অক্টোবর
পর্যন্ত।ভর্তি
পরীক্ষা ৯ ই নভেম্বর।
৩.জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয় এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১৬ আগস্ট থেকে ১৫ ই
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
ভর্তি পরীক্ষা ৩০ শে
সেপ্টেম্বর থেকে ১১ ই
অক্টোবর পর্যন্ত।
৪.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এর ২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের
আবেদনের শেষ সময়
আগামী ২৮ শে আগস্ট।
৫.বাংলাদেশ
ইউনিভার্সিটি অফ
প্রফেসনালস এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১লা সেপ্টেম্বর থেকে
১০ ই অক্টোবর
পর্যন্ত।
৬.শাহজালাল বিজ্ঞান
ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
২রা সেপ্টেম্বর থেকে
২৫ ই সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত।ভর্তি
পরীক্ষা ১৩ ই
অক্টোবর।
৭.ইসলামী এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১০ ই সেপ্টেম্বর থেকে
১০ ই অক্টোবর
পর্যন্ত।ভর্তি
পরীক্ষা ৪ ই নভেম্বর
থেকে ৭ ই নভেম্বর
পর্যন্ত।
৮.খুলনা
বিশ্ববিদ্যালয় এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১৫ ই সেপ্টেম্বর থেকে
১৫ ই অক্টোবর
পর্যন্ত।ভর্তি
পরীক্ষা ১৭ ই
নভেম্বর।
৯.খুলনা প্রকৌশল ও
প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়(কুয়েট)
এর ২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১৩ সেপ্টেম্বর থেকে
২৩ ই সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত।ভর্তি
পরীক্ষা ২৭ ই
অক্টোবর।
১০.রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয় এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২
ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
১১.চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয় এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
১২ সেপ্টেম্বর থেকে
০৪ ই অক্টোবর
পর্যন্ত।
১২.ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় এর
প্রযুক্তি ইউনিট এর
২০১৮-২০১৯
শিক্ষাবর্ষের আবেদন
এর সময়সীমা আগামী
৯ ই সেপ্টেম্বর থেকে
১০ ই নভেম্বর
পর্যন্ত।ভর্তি
পরীক্ষা ৩০ ই
নভেম্বর।
collected..

21/05/2018

সেদিন দেখলাম একটা লেখা, “যে জাতি চুষে খাওয়া চকলেট কচকচ করিয়া চাবাইয়া খায়, সেই জাতির ধৈর্য কম থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক”

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ নিয়ে এখনও কেউ কোর্টে কেন মামলা করেনি বুঝলাম না

সহজেই কিন্তু ‘স্যাটেলাইট উপর থেকে না নামিয়ে আনা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা’ এই মর্মে রুল জারি হয়ে যেতে পারত

হোম পেইজে অনেকে ৩০০০ কোটি টাকা দিয়ে কি কি করা যেত সেই হিসাব দিচ্ছে

একটা হিসাব আমিও দেই; এই স্যাটেলাইটের বদৌলতে হোম পেইজে আজ স্যাটেলাইট বিজ্ঞানিদের ছড়াছড়ি... একজন বলছে ‘৯০ ডিগ্রীতে কেন উড়ল? ফ্লোরিডা থেকে দেশী ফ্লাইট কি এমনে খাড়াভাবে উঠে দেশে আসে? সাম থিং ইজ রং... এটা শিওর অন্য উদ্দেশ্যে গেসে... রকেটের মাথার এইমই তো করা হয়নি আমাদের দিকে, আইবো কেমনে’

জাতির মাথায় যে এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জ্ঞান বিল্ট ইন আছে... গত পরশুদিনের আগের দিন পর্যন্তও তো জানতাম না

"পাত্র কি করে?"

'হোম পেইজ এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপার্ট"

"ওহ শিট... বিয়া ফাইনাল... নেন আগাম কবুল"
.. ভাবতেই তো অবাক লাগছে

বাইরের দেশে স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কোটির উপর খরচ হয়

সেই হিসেবে তো আমরা ৩০০০ কোটি টাকা দিয়ে ৩০ হাজারের বেশী পটেনশিয়াল এস্ট্রনট পেয়ে গেলাম

দশ গুণ মুনাফা শুধু হিউম্যান রিসোর্সেই 🙊

আজকে সকালে চায়ের দোকানে একজন বলছে, “আসল খবর তো জানেনই না... রকেটে করে সালমান এফ রহমান গেসে আকাশে...”

‘তাই নাকি?’

“হু”

‘তারপর? সে সেখানে কি করবে?’

“তা জানি না... তবে ভাসাভাসা শুনসি সে সেখানে যেয়ে সব টিভি অফ করে দিবে... একচ্ছত্র বিজনেস করবে সে”

‘তারপর?’

“তা জানি না... তবে ভাসাভাসা শুনসি তখন টিভির চ্যানেল চেইঞ্জ করতে গেলে সালমান এফ রহমানের দিকে তাক করে রিমুট টিপা লাগবে”

‘বাট সে তো আকাশে... এখন কি হবে?’

বেচারা আদা চা হাতে আকাশের দিকে উদাস ভঙ্গিতে তাকিয়ে রইলো

এই চান্সে আমি চলে আসলাম... আমি শিওর আর কিছুক্ষণ থাকলে আমি তার কথা বিশ্বাস করা শুরু করে ফেলতাম

যে জাতি ৯০ দশকের দিকেও ছাদে ডিস এন্টেনা দেখে ভেবেছিল এটা বৃষ্টির পানি ধরে রাখার কোনও যন্ত্র হবে, সেই জাতি আজ ওয়াসা রেখে নাসা, কক্ষপথ, অরবিট, গ্যালাক্সি, স্যাটেলাইট এসব নিয়ে আলাপ করছে

জাতির এই আপগ্রেডেশানের ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে ৩০০০ কোটি টাকা তো কমই লাগে

18/05/2018

একটি বছর পরে
আবার ফিরে এল মাহে
রমজান।।
মুমিন হৃদয়ে পরল সাড়া
উঠল জেগে নতুন
প্রাণ।।
সকলকে মাহে
রমজানের মোবারক
বাদ। খোশ আমদেদ
মাহে রমজান।। রহমত,
বরকত, মাগফিরাত
নিয়ে রমজান আমাদের
মাঝে এসেছে সওগাত
করতে।আত্নশুদ্ধির
সবচেয়ে পবিত্রতম
মাধ্যম সিয়াম সাধনা।
সিয়াম মানুষকে
শারীরিক ও
মানসিকভাবে
আত্নসংযমী হতে
শেখায়।আমাদের জন্য
সিয়াম সাধনাকে
অপরিহার্য ইবাদত
হিসেবে নির্ধারণ করা
হয়েছে।কিন্তু সময়ের
পরিক্রমায় ও
শয়তানের ধোকায় পড়ে
আমরা নানা অযুহাতে এ
পবিত্রতম বিধান
থেকে নিজেকে সরিয়ে
রাখার চেষ্টা করে
থাকি। সিয়াম কোন
চাপিয়ে দেয়া ইবাদত
নয় এটি একটা মহৌষধ
যা নানা শারীরিক
সমস্যা দূরীকরণে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করে থাকে।
আসুন সবাই এই ফরয
ইবাদত পালন করি
অপর কে উৎসাহিত
করি।তবেই সবাই
তাকওয়াবান হতে
পারবে।হে আল্লাহ
আমাদের সিয়াম
পালনের তৌফিক দান
করুন।

17/05/2018

কোনটা মেটা
নির্দেশক
আর কোনটা অর্থো-
প্যারা নির্দেশক??
এই ব্যাপারটা মনে
রাখতে
অনেকের
বেগ পোহাতে হয়।
আজকে নিয়ে আসলাম
এটা মনে
রাখার সহজ উপায়ঃ
যাদের যোজনী ২ বা
তার বেশি এমন মৌল
যেমন- C,O,N,S
এই চারটি মৌলের যে
কোনো দুটি যদি
একসাথে কোনো মূলকে
উপস্থিত থাকে,
তবে সেগুলো মেটা
নির্দেশক মূলক ।
যেমনঃ -NO2, -SO3H, -
CHO, -COOH, -CN
ইত্যাদি ।
ব্যতিক্রমঃ -NH3+
আর বাকি সব অর্থ-
প্যারা নির্দেশক মূলক

যাদের চিংড়ির মাথা
তাদের জন্য মনে
রাখার
ছন্দ :
নানা কেন কোলাকুলি
করে সরে যায় ।
নানা = -NO2
কেন = -CN
কোলাকুলি = -COOH
করে = -CHO
সরে = -SO3H
কোনটি বলয়
নিষ্ক্রিয়কারী আর
কোনটি
বলয় সক্রিয়কারী
মূলক তা নিয়েও
কনফিউশন?
আসেন
দেখে নিই মনে রাখার
সহজতম উপায়।
নিচের ছন্দটি মনে
রাখুন-
"মটকু হালা সক্রিয়তা
হ্রাসকারী"
অর্থাৎ মেটা
নির্দেশক এবং
হ্যালোজেন গ্রুপ সমূহ
সক্রিয়তা হ্রাসকারী
বা বলয়
নিষ্ক্রিয়কারী
মূলক/মৌল

তাহলে অর্থ-প্যারা
নির্দেশক গুলো হল
বলয়
সক্রিয়কারী মূলক।
এবার আশা করি কেউ
ভুলতে চাইলেও
ভুলবেন না।

15/05/2018

→→পদ্মা সেতু←←
১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
প্রকল্পের নাম কী?
উত্তর : পদ্মা বহুমুখী
সেতু প্রকল্প।
২. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ৬.১৫
কিলোমিটার।
৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
প্রস্থ কত?
উত্তর : ৭২ ফুটের চার
লেনের সড়ক।
৪. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে
রেললাইন স্থাপন হবে
কোথায়?
উত্তর : নিচ তলায়।
৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
ভায়াডাক্ট কত
কিলোমিটার?
উত্তর : ৩.১৮
কিলোমিটর।
৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
সংযোগ সড়ক কত
কিলোমিটার?
উত্তর : দুই প্রান্তে
১৪ কিলোমিটার।
৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু
প্রকল্পে নদীশাসন
হয়েছে কত
কিলোমিটার?
উত্তর : দুই পাড়ে ১২
কিলোমিটর।
৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু
প্রকল্পে মোট ব্যয়
কত?
উত্তর : মূল সেতুতে ২৮
হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯
লাখ টাকা।
৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু
প্রকল্পে নদীশাসন
ব্যয় কত?
উত্তর : ৮ হাজার ৭০৭
কোটি ৮১ লাখ টাকা।
১০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু
প্রকল্পে জনবল
কতজন?
উত্তর : প্রায় ৪
হাজার।
১১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
ভায়াডাক্ট পিলার
কয়টি?
উত্তর : ৮১টি।
১২. প্রশ্ন : পানির
স্তর থেকে পদ্মা
সেতুর উচ্চতা কত?
উত্তর : ৬০ ফুট।
১৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
পাইলিং গভীরতা কত?
উত্তর : ৩৮৩ ফুট।
১৪. প্রশ্ন : প্রতি
পিলারের জন্য পাইলিং
কয়টি?
উত্তর : ৬টি।
১৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
মোট পাইলিং সংখ্যা
কত?
উত্তর : ২৬৪টি।
১৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
নির্মাণকাজ শেষ হবে
কবে?
উত্তর : ২০১৮ সালের
ডিসেম্বরে।
১৭. প্রশ্ন : পদ্মা
সেতুতে কী কী
থাকবে?
উত্তর : গ্যাস, বিদ্যুৎ
ও অপটিক্যাল ফাইবার
লাইন পরিবহন সুবিধা।
১৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
ধরন কেমন?
উত্তর :
দ্বিতলবিশিষ্ট এই
সেতু কংক্রিট আর
স্টিল দিয়ে নির্মিত
হবে।
১৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর
পিলার সংখ্যা কত?
উত্তর : ৪২টি।
২০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু
প্রকল্পে চুক্তিবদ্ধ
কোম্পানির নাম কী?
উত্তর : চায়না
রেলওয়ে গ্রুপ
লিমিটেড।
↓↓

13/05/2018

তুমি যখন নতুন ফোনের
জন্য মায়ের সাথে উচু
গলায় কথা বলছো…
তখন অন্য কোন ‘‘মা’’
সন্তানের ছিড়ে যাওয়া
জামা সেলাই করার
টাকার কথা চিন্তা
করছে। ‘‘অথচ তোমার
চকচকে পোষাক’’!
বাইকের জন্য বাবাকে
যখন ‘‘ছোট লোক’’ বলে
মনে-মনে গালি
দিচ্ছো… তখন নজির
উদ্দীন ‘পা’ বিহিন
শরীরে নিয়ে মানুষের
কাছে বেঁচে থাকার
জন্য হাত পেতে
যাচ্ছে। ‘‘তুমি যে
হাঁটতে পারো এতে
তোমার সন্তুষ্টি নেই’’
….
রান্নায় ডাল কিংবা
সবজি দেখলে তোমার
মাথায় যখন রক্ত উঠে
যায়… তখন রাস্তায়
ফেলে যাওয়া আরসি
কোলার বোতল কুঁড়িয়ে
‘‘এক প্লেট ভাত আর
ডালে’র বন্দোবস্ত
করছে—বস্তির
টোকায়। তোমার সামনে
খাবার পড়ে আছে বলে
অভাব বুঝছোনা।
ব্র্যান্ডের শুয়েটার
গায়ে দিয়েও যখন
তোমার শীত
মানছেনা… তখন
স্টেশনের বারান্দায়
সদ্য সন্তান জন্ম
দেওয়া ‘‘মা’’ ছেড়া
কাপড়ে শীত
নিবারণের আ-প্রাণ
চেষ্টা করছে… ‘‘তবুও
তোমার মনে শান্তি
নেই’’।
বন্ধুর বাইকের
পিছনের বসে তোমার
বাবাকে যখন অপারগ
ভাবছো… তখন অন্য
কোনো ‘‘বাবা’’ ইট
ভাটার উতপ্ত আগুনের
পাশে বসে আছে,
সন্তানদের মুখে ডাল-
ভাত তুলে দেবার জন্য।
‘ভাত খেতে পাও বলে
অভাব চিনতে পারোনি।
কমদামী ফোন ব্যবহার
করো বলে- বন্ধুদের
সামনে নিজেকে যখন
ছোট ভাবতে থাকো…
তখন দু’হাত বিহীন
মানুষটি ভাবছে কারো
সাহাস্য পেলে বাথরুমে
যাবে… ‘‘তোমার দু’হাত
আছে; ফোন আছে;
টিপতে পারছো, তবুও
তুমি ভালো নেই’’…
তুমি যখন কী–র্বোড
তুলোধনা করে
ডিপ্রেশনের এক’শ
একটি কারণ খুঁজে বের
করছো… তখন
ভার্সিটি পড়ুয়া কোন
ভাই- রাতের শহরে মুখ
ঢেকে রিকশা নিয়ে
বেরিয়ে পড়েছে, সংসার
খরচ আর মেস ভাড়া
মিটানোর জন্যে। অথচ
‘‘তোমার হাতে- স্মার্ট
ফোন’’ !!
‘‘বিশ্বাস করো…. ভালো
না থাকার জন্য
সহস্রটা কারণ তুমি
বের করতে পারবে,
কিন্তু ভালো থাকার
জন্য একটি কারণ বের
করে ভালো থাকার
সাহস তোমার নেই’’—
তুমি ভীতু মহা ভীতু…
তোমার থেকে নিচে
তাকাও; ভালো থাকতে
শিখে যাবে

03/05/2018

দীর্ঘ্য ৩১ দিনে
সংগ্রাম এর পর আজ
শেষ হল হচস '১৮
ব্যাচে পরীক্ষা...
এই পরীক্ষা স্বাক্ষী
ছিল অনেক
সংগ্রামের...অনেক
কান্না...অনেক
হতাশার
ভেঙেছ অনেকের
স্বপ্ন...ভেঙেছে
অনেকের মনবল
এ ছাড়াও এই সংগ্রা
স্বাক্ষী ছিল ৩টি
তাজা প্রানের
আত্নদানে গল্পের.....
সব সংগ্রামের পিছনে
যেমন এখন অতি মহা
মানব এর হাত
থাকে...তেমনি এখানেও
হাত ছিল...হাত ছিল
বললে ভুল হবে পুরো
অবদানতাই ছিল
বাংলাদেশেরর শিক্ষা
ব্যবস্থার প্রধান
জনাব.....(নাম বললে
চাকরি থাকবে না )
যাই হোক এই সংগ্রাম
চলছে আর চলবে
রেজাল্টের দিন
পর্যন্ত।
আশা করি আমরাই
জয়ি হব....
দোয়া প্রার্থী সবার
কাছে

01/05/2018

শবে বরাত ( আরবি:
ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﺒﺮﺍﺀﺓ , প্রতিবর্ণী.
লাইলাতুল বরাত ) বা
মধ্য-শা'বান (আরবি:
ﻧﺼﻒ ﺷﻌﺒﺎﻥ ,
Mamunপ্রতিবর্ণী. Niṣf
Sha‘bān ) হচ্ছে আরবী
শা'বান মাসের ১৫
তারিখে পালিত একটি
পূণ্যময় রাত। বিশ্বের
বিভিন্ন স্থানের
মুসলমানগণ বিভিন্ন
কারণে এটি পালন
করেন। এই রাতকে
লাইলাতুল বরাত বলা
হয়। এই রাতকে
আরবিতে 'লাইলাতুল
বারাআত' বলা হয়।
'বারাআত' নামক
আরবি শব্দটির অর্থ
নিষ্কৃতি।
মুসলমানদের বিশ্বাস
মতে, এ রাতে বহু
সংখ্যক বান্দা
আল্লাহর পক্ষ থেকে
ক্ষমা ও আশীর্বাদ
লাভ করে জাহন্নাম
থেকে নিষ্কৃতি লাভ
করেন। তাই, এ
রজনীকে আরবিতে
'লাইলাতুল বারাআত'
বা 'নিষ্কৃতির রজনী'
বলা হয়।আল্লাহ্তায়া
লা আমাদের সবার পাপ
ক্ষমা করুন এবং
আমাদেন মনের আশা
পূরণ করুন।আমিন।
আপনারা সবাই আমার
জন্য দোয়া করবেন!

29/04/2018

" #শিক্ষার্থীর_দুক্ষু"
"ভার্সিটি
ভার্সিটিতে ঘুইরা
মরি,রে ভাই
কোথাও জোটে না
চান্স,
এত সেন্স থাকতেও
আজ
বলে সব নন্স্যান্স। "
শুনিতে পাই কয়েক
বছর আগেও বাংলাদেশ
শিক্ষাদিক্ষায়
পিছিয়ে ছিল - এই
কয়েক বছর পর
থেকেই আমরা ক্রমশই
বিজ্ঞ থেকে অজ্ঞ
হইতেছি।শিক্ষায়,
প্রযুক্তিতে আমরা
পৃথীবির অন্যান্য
দেশে ও জাতির
সমকক্ষ হইতে
চলিয়াছি।এখন
আমাদের জ্ঞান ও
টেকনোলজি রাখিবার
স্থান নাই। সত্যই তো,
এই যে হাজার হাজার
স্কুল, বড় বড়
ভার্সিটি, ইংলিশ
মিডিয়াম
স্কুল,অপরাজিতা
সিম, দোয়েল ল্যাপটপ,
ঘরে ঘরে
ইন্টারনেট,ফরমাল
িন -কারবাইড,
বাজারের নকল
ডিম,কোচিং এর
ছড়াছড়ি, বেকারের
হুড়োহুড়ি- এসব কি
উন্নতির নিদর্শন
নহে?
নিশ্চয়! যে বলে, 'নহে '
সে ডাহা নিমকহারাম।
কিন্তু ইহার অপর
পৃষ্ঠাও আছে-কেবল
এসবই আমাদের
সর্বস্ব নহে।অদ্য
আমাদের আলোচ্য
বিষয়,শিক্ষা
ব্যবস্থা।দুর্নীতি
মুক্ত সুশিক্ষা
পদ্ধতিই জাতির
মেরুদন্ড। তবে আমার
চাল ঝাড়িতে মরা
কীর্তন কেন? ইহার
অবশ্যই কারণ আছে।
আমি যদি প্রথমেই
শিক্ষাব্যবস্থা আর
প্রযুক্তি
অপব্যবহারের দুর্দশা
বর্ণনা করিয়া ন্যাকা
কান্না কাঁদিতে
বসিতাম তবে কেহ চট
করিয়া আমার চক্ষে
সুচ ঠেলিয়া দেখাইতেন
যে,আমাদের বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানে সিসি
টিভি ক্যাম আছে,
বিভিন্ন ভার্সিটি
আছে ইত্যাদি।ভালোর
ভাগ রাখিয়া কেবল
মন্দের দিকটা দেখা
কেন? সেইজন্য ভালো
দিকটা
দেখাইলাম,এবার
মন্দের দিকটা দেখা
যাউক।
ঐ যে নামকরা
ভার্সিটি, যাহারা
চান্স পায় তাহাদের কে
একেবারে নবাব
সিরাজউদ্দৌলা,
বিজ্ঞানী এরিস্টটল
রুপে মনে করা হয়।
কিন্তু বাকি যাহারা
চেষ্টা করিয়াও কিছু
উল্লেখযোগ্য কারণ
বশত চান্স পায়
না,তাদেরকে আমড়া
কাঠের ঢেকি
অপেক্ষাও অবমূল্যায়ন
করা হয়। ইহা কি আদৌ
সমীচীন? আল্লাহ
তা'লা এ অবিচার
কীরুপে সহ্য
করিতেছেন?
সমগ্র ভার্সিটি
ছাড়িয়া এবার শুধু
ঢাকা ভার্সিটির
আলোচনা করিলেই
যথেষ্ট হইবে। ঢাবির
জয়গানের শেষ নাই,-
তবু তাহার বিরুদ্ধে
কথা উঠে কেন? ইহার
উত্তর কিউত বাচ্চা
মানে আমি দিয়েছি,
"ভার্সিটি
তার,ডিভাইস আছে
যার।" তাইতো, অভাগা
ডিভাইসহীন
পরীক্ষার্থী কারা? সে
কেবল বাপ মায়ের টাকা
খরচ করিয়া
"ভার্সিটি ভার্সিটি
তে ঘুরিয়া
বেড়াইবে,বাঁশ খাবে
আর চান্স না পাইয়া
মাইনষের কথা হজম
করিবে। তাহা হইলে
দুর্নীতি মুক্ত, একদম
সাচ্চা ভাবে পরীক্ষা
হয়,কড়া ভাবে
নিয়ন্ত্রিত হয়,
"তীক্ষ্ণ প্রশাসন,
মেধাবীর দর্শন।"
এটার অর্থ কি? ইহা
কি শুধুই
পরীক্ষার্থীর
কল্পনা? না, কল্পনা
নহে,সত্য কথা। ওসব
পুর্বে ছিল,এখন নাই।
আরে! এখন যে আমরা
প্রযুক্তির ছোঁয়া
পাইয়াছি! শিক্ষা কি
করিবে, প্রযুক্তিই
শুধু দুর্নীতির উৎস
হিসাবে ব্যবহৃত
হইয়াছে,তা প্রশ্নের
কি দোষ?
আমি উপর্যুক্ত
উত্তরে সন্তুষ্ট
হইতে পারিনা,কারণ -
ডিভাইস ব্যবহারের
ঘটনা কেবল একটি
ঘটনা, শুধু কি এটাই
ঘটিয়াছিল??
আরেকটা জিনিস
দেখাইতেছি, ঢাবির ডি
ইউনিট প্রশ্ন
কেলেংকারীর কথা
সর্বজনবিদিত। আরো
আছে-
রাজশাহী
ইউনিভার্সিটি তে
একজন ধরা পড়িয়াছে
ভাইভার সময় সন্দেহ
জনক ভাবে।আরো
অহরহ তো অগোচরেই
রহিয়াছে।তাহা হইলে
ইহা অভাগা
পরীক্ষার্থীরা কীরুপে
মানিয়া লইবে??
"সেদিন BSMRSTU তে
১৩ জন আটক হইল।
আগে সবাই নিজ
যোগ্যতায় পরীক্ষা
দিত, আর এখন
প্রশ্ন,ডিভাইস,মামা-
চাচার কেরামতিতে।হা
অদৃষ্ট! যখন ১৩ জন
কে ধরা গিয়াছে, তাহা
হইলে আরো কয়েক
জন এভাবেই উত্তীর্ণ
হইয়া গিয়াছে।এমন
একটা সময় ছিল
প্রকৃত ভালো স্টুডেন্ট
ব্যতীত অন্য কোন
স্টুডেন্ট ই ভর্তি
যোগ্যতা অর্জন
করিতে পারিত না।
তাহারা
যোগ্যতা,সম্মানের
সহিত চান্স পাইত।
ইহাদের মধ্যে এমন
আছে যাহারা
যত্রতত্র নতুন বই
থাকতেও পুরাতন ও
ছেঁড়া বই দিয়াই
চালাইয়া দিয়াছে।
দুর্নীতির সংগে সংগে
প্রযুক্তির
অপব্যবহার নামক
আরেকটা ভুত সবার
ঘাড়ে চাপিয়া
বসিয়াছে।কাহারো
নিকট দুইটা টাকা
বেশি হইলেই প্রশ্ন
কিনিয়া থাকে।তখন
সাধারণ শিক্ষার্থী
বাঁশ খায়। এমনি করিয়া
সমস্ত ভার্সিটি তেই
২নাম্বারি হইতেছে।
"টাকা দিয়া প্রশ্ন
কিনিয়া নিলে
পরিবর্তে
অন্যশিক্ষার্থীর
ভাগ্য জলে দিলে।
অতঃপর আমরা
গাধা,গর্দভ,পড়িন
া তাই চান্স হয় না!
তাহারা
মগজধারী,অধ্যাবস
ায়ী, জোস
স্টুডেন্ট,দেশের
সম্পদ।

Address

Panchbibi
Joypurhat
5910

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্ঞানের পাঠশালা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category