হরিণাকুণ্ডুর খুদে বিজ্ঞানী Small Scientist of Harinakundu

  • Home
  • Bangladesh
  • Jhenaidah
  • হরিণাকুণ্ডুর খুদে বিজ্ঞানী Small Scientist of Harinakundu

হরিণাকুণ্ডুর খুদে বিজ্ঞানী Small Scientist of Harinakundu We want to develop the world

প্যারোগ্রীন ফ্যালকন সর্বোচ্চ প্রায় 350 কিমি প্রতি ঘন্টা গতিতে বাতাসে উড়ে যেতে পারে।।প্রচন্ড উচ্চতায় সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে য...
22/03/2024

প্যারোগ্রীন ফ্যালকন সর্বোচ্চ প্রায় 350 কিমি প্রতি ঘন্টা গতিতে বাতাসে উড়ে যেতে পারে।।

প্রচন্ড উচ্চতায় সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে যাওয়ার সময়ে তাদের নাকের মধ্য দিয়ে যে গতিতে বাতাস প্রবেশ করে, সেটা তাদের ফুসফুস ব্লাষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিন্তু, তাদের নাকের ঠিক ভিতরিভাগে হাড়ের একটা ট্যাপ দেওয়া রয়েছে। যে ট্যাপের সাহায্যে তারা বাতাসের তীব্র গতিকে রুখে দিয়ে নিজেদের ফুসফুস তথা জীবন রক্ষা করে যেতে পারে।

ঠিক একই টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়ে থাকে বিমানের ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে। বাতাসের তীব্র প্রেশার হতে বিমানের ইঞ্জিনকে সুরক্ষিত রাখতে প্যারোগ্রীন ফ্যালকন টেকনলজি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বিজ্ঞানের সমস্ত সাফল্য রহস্য, সৃষ্টিকর্তার প্রতিটি সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে, কেবলমাত্র খুঁজে নিতে হবে।

সৃষ্টিকর্তার প্রত্যেকটি সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নির্ভূল আর নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিং। আর, তিনিই হলেন সমগ্র বিশ্ব-ব্রম্ভ্রান্ডের সর্বশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার।

বিজ্ঞানের যুগ আসার পর থেকে নবী আর অবতার আসা বন্ধ হয়ে গেছে কেন?অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা হয় ১০৯৬ সালে। তখন কি মানু...
22/03/2024

বিজ্ঞানের যুগ আসার পর থেকে নবী আর অবতার আসা বন্ধ হয়ে গেছে কেন?

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা হয় ১০৯৬ সালে। তখন কি মানুষ গুহায় বাস করতো? ইউনিভার্সিটিতে কি মাছ ধরা শেখাতো? ইউনিভার্সিটিতে অবশ্যই বিজ্ঞান শেখাতো। তারা কি তখন এই কথা বলতো - ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের যুগ আসবে। না, তারা তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলতো। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগে কোন ছাপানো বই ছিলো না। ছাপাখানা যন্ত্র আবিস্কার হয়েছে আরো ৩৫০ বছর পরে।

টেলিস্কোপ আবিস্কার হয় ১৬০৮ সালে। তারা তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলতো। সেই বিজ্ঞানের যুগে মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘর আলোকিত করা লাগতো।
ক্যামেরা আবিস্কার হয় ১৮১৪ সালে.। তারা তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলতো। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগেও মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখতো।
বৈদ্যুতিক বাতি আবিস্কার হয় ১৮৭৯ সালে। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগে কোন গাড়ী ছিলো না।
গাড়ী আবিস্কার হয় ১৮৮৫ সালে। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগে মানুষ ধারনাই করতে পারতো না যে মানুষ কোনদিন (প্লেন) আকাশে উড়তে পারবে।
এতক্ষন তো বললাম আবিস্কারের কথা। এখন বলবো জ্ঞানের কথা। ১৯০৩ সালে, লাইট বাল্বের আবিষ্কারক টমাস এডিসন বৈদুতিক শক দিয়ে একটি হাতি মেরে দেখিয়েছেন। এভাবে তিনি মানুষকে শিখিয়েছেন, বিদ্যুত কত বিপজ্জনক। তার মানে, এই ঘটনার আগে, বিদ্যুতের বিপদ সম্পর্কে মানুষ জানতোই না।

ওই ঘটনাটির ১৭৭ বছর আগে বিজ্ঞানী নিউটন মারা গেছেন। বিজ্ঞানী নিউটন বেঁচে থাকতে, তাকে যদি বলা হতো - জানেনে, একটি অদৃশ্য জিনিস আছে (বিদ্যুৎ), যেটা তারের মধ্য দিয়ে চলাচল করে। ওই জিনিসটা শুধুমাত্র ছুয়ে দেখলেই তৎক্ষণাৎ মৃত্যু। এই কথা শুনে নিউটন বলতেন - আমাকে ভুতের গল্প বলছো কেন? বিদ্যুৎ জিনিসটা আবিস্কার হয়েছে নিউটনের মৃত্যুর ২৬ বছর পরে। নিউটন বিদ্যুৎ জিনিসটা চিনতেন না।

বিদ্যুৎ না চেনা বিজ্ঞানী নিউটনকে আপনি যদি বলতেন - আমি (ফেইবুকে) একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছি, অন্য দেশের কোন একজন অচেনা লোক সেই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছে। আমি সেই উত্তরটা নিজের হাতের উপরে (স্মার্টফোনে) দেখেছি। আপনার এই কথা শুনে নিউটন আপনাকে জাদুকর ভেবে দৌড়ে পালাতো। নিউটন ছিলেন সেরা বিজ্ঞানী, ওটা ছিলো বিজ্ঞানের যুগ।

এমন পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও হবে। বিজ্ঞানের উন্নতি দেখে,বর্তমানে আমরা অস্থির। অথচ আরো ২০০ বছর পরে কি হবে, সেটা আমরা এখন ভাবতেও পারি না। সেই ভবিষ্যতের লোকজন তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলবে আর আমাদের এই যুগকে মধ্যযুগ বলবে। ঠিক যেমনি আমরা এখনকার যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলি, আর নিউটনের যুগকে মধ্যযুগ বলি।

আপনাকে হাজার বছর আগের বিজ্ঞানের যুগ দেখালাম। আরো অতীতে কেমন ছিলো সেটার বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে, যত অতীতেই যান না কেন, সকল যুগই বিজ্ঞানের যুগ ছিলো। সকল যুগের মানুষই নিজের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ মনে করতো। সকল যুগই বিজ্ঞানের যুগ। নবী রসুল যখন এসেছিলেন, তখনো বিজ্ঞানের যুগ ছিলো।

এখানে পাল্টা প্রশ্ন থাকতে পারে - নবী রসুল আসা বন্ধ হলো কেন?

কারন, আমরা দুনিয়া ধংশের (কেয়ামত) খুবই নিকটে। আর কোন নবী রাসুল প্রয়োজন নেই।

 #10 কোনটি করাবেন? বাইপাস নাকি এনজিও প্লাসটি?হৃদ রোগ একটা কমন ব্যাপার। প্রায় প্রতি পরিবারেই এই রোগ কম বেশী আছে। এর সব থ...
03/08/2023

#10 কোনটি করাবেন? বাইপাস নাকি এনজিও প্লাসটি?

হৃদ রোগ একটা কমন ব্যাপার। প্রায় প্রতি পরিবারেই এই রোগ কম বেশী আছে। এর সব থেকে বড় কারণ হল অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, উচ্চ চর্বি আহার, সবজি কম খাওয়া,শারীরিক পরিশ্রম না করা ইত্যাদি। তবে এগুলই সব কারণ নয়। এর বাইরেও অনেক কারণ আছে। তবে যাই হোক না কেন যদি একবার এটি খুব বেড়ে যায় তখন দ্রুত চিকিৎসা না করালে রোগীকে বাচান যায় না। কিন্তু এটাই শেষ নয়, মাঝে মাঝে এই রোগ যদি খুব বেড়ে যায় তখন এর চিকিৎসা নিয়ে পড়া লাগে আরেক ঝামেলায়। অবস্থা খারাপ হলে কোনটি বেঁছে নিতে হবে বাইপাস নাকি এনজিওপ্লাসটি সে ব্যাপারে রোগী এমনকি অনেক সময় ডাক্তার ও ধাধায় পরে যান।

এমন কোন অপারেশন কি করা উচিত যেটা যথেষ্ট আগ্রাসী কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সুফলদায়ক?

নাকি এমন কিছু করা উচিৎ যেটা খুব দ্রুত নিরাময় দিবে কিন্তু ১ বৎসরের বেশী স্থায়ী হবে না? এখন যেটা হবে তা হল, আপনার করনারি ধমনীতে যদি ৩ বা তার বেশী ব্লকেজ থাকে তবে ডাক্তার আপনাকে বাইপাস সার্জারি করার জন্য বলবেন। কিন্তু আপনার ব্লকেজ যদি বাম পাশের করনারি ধমনীতে না হয় তবে আপনি আপনার ইচ্ছা মত চিকিৎসা নিতে পারবেন। এখানে একটি কথা বললে সুবিধা হবে যে, যাদের মাঝারি ধরনের সমস্যা আছে তাদের হাতে ভেবে দেখবার মত সময়ও অবশ্য হাতে থাকে। কেননা এরকম রোগীদের ক্ষেত্রে ৯৯ ভাগই ১ মাসের বেশী বাচে। ৯৬ ভাগ অন্তত ১ বৎসর বাচে, আর ৯০ ভাগ লোক ৫ বৎসরের বেশিকাল বেচে থাকে। তাই আপনার সিদ্ধান্তটা আপনার রোগের অবস্থার উপর নির্ভর করে নিতে হবে। বাইপাস সার্জারি চিরজীবনের জন্য বলা হলেও এটি চিরস্থায়ী হয় না। কারণ ১০ বৎসরের মধ্যে পা থেকে আনা শিরা ৪০-৫০ ভাগ বুজে যায়। যাই হোক এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ভাল একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এবং যে কিনা বাইপাস, এনজিওপ্লাসটি কোনটিও করায় না। কারন আপনি গাড়ি কেনার জন্য গাড়ির দোকানদার এর পরামর্শ নেবেন না। এ ক্ষেত্রে ভাল একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

১০। এন্টিবায়োটিকAlso read :আকাশ নীল দেখায় কেন?দেহের কোন অংশ কেটে গেলে, আঘাতপ্রাপ্ত হলে কিংবা পুড়ে গেলে সে ক্ষতস্থানে রোগ...
20/04/2023

১০। এন্টিবায়োটিক

Also read :আকাশ নীল দেখায় কেন?
দেহের কোন অংশ কেটে গেলে, আঘাতপ্রাপ্ত হলে কিংবা পুড়ে গেলে সে ক্ষতস্থানে রোগজীবাণু সংক্রমণ ঘটায়। এ সকল রোগ কে সংক্রমণ রগ বলে থাকে। আর এই সংক্রমণ রোগের চিকিৎসায় সবচাইতে নির্ভরযোগ্য যে ঔষধ তা হল এন্টিবায়োটিক। এন্টিবায়োটিক হল বিভিন্ন অণুজীব থেকে প্রাপ্ত রাসায়নিক উপাদান যা রোগ জীবাণুর বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। তবে এটি শুধু ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের ক্ষেত্রেই কার্যকর, ভাইরাস জনিত রোগের জন্য নয়।

প্রাচীনকালে বিভিন্ন ছত্রাক আর গাছের লতা পাতার নির্যাস দিয়েই মূলত বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসা করতো মানুষ। প্রাচীন মিশরীয়রা ময়লা ছাতার মত দাগ পড়ে যাওয়া পাউরুটিকে সংক্রমণ স্থলে লাগিয়ে চিকিৎসা করতো। চীনাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে তারা সয়াবিনের ছত্রাক আক্রান্ত বীজ ফোঁড়ার চিকিৎসায় ব্যবহার করত। গ্রীক ও ভারতীয়দের ক্ষতস্থানের সংক্রমণ দূর করতে ছত্রাক ও বিভিন্ন উদ্ভিদের ব্যবহারের নজির পাওয়া গেছে। এভাবে বিভিন্ন সভ্যতা ও অঞ্চলের মানুষেরা সংক্রমণ রোগের চিকিৎসায় বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করত।

জার্মানির শারীরতাত্ত্বিক পল এরলিক ১৯০৯ সালে শরীরের কোনোরূপ ক্ষতি না করেই আর্সফেনামিন নামক রাসায়নিক প্রয়োগে সিফিলিস রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া মারতে সক্ষম হন। আর এরই মাধ্যমে আধুনিক এন্টিবায়োটিকের যাত্রাপথ শুরু হয়।

তবে এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারে যার কথা টি না বললেই নয় তিনি হলেন আলেক্সেন্ডার ফ্লেমিং। তিনি ১৯২৮ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। বিভিন্ন উন্নতি সাধনের পর ১৯৪৪ সালে পেনিসিলিন সারা বিশ্বে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমান সময়ে এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা পদ্ধতির একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে।

এই ছিল বিজ্ঞানের ১০ টি আবিষ্কার যা বদলে দিয়েছিল বিশ্বকে। তবে এছাড়াও আরও অনেক আবিষ্কার আছে যা কিনা কোন অংশেই কম নয়। এরকম হাজারো আবিষ্কার আমাদের উপহার দিয়েছে বর্তমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর জীবনধারা। ভবিষ্যতে হয়তো আরও অনেক কিছুই আবিষ্কৃত হবে। বিশ্ব এগিয়ে যাবে আরও সামনে, উন্নতির উচ্চশিখরে।

৮। তড়িৎতড়িৎ শক্তি বর্তমান সময়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও একে সরাসরি বিজ্ঞানের আবিষ্কার বললে ভুল হবে। কেননা এটি সৃষ্টির ...
20/04/2023

৮। তড়িৎ

তড়িৎ শক্তি বর্তমান সময়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও একে সরাসরি বিজ্ঞানের আবিষ্কার বললে ভুল হবে। কেননা এটি সৃষ্টির শুরু থেকেই প্রকৃতির অংশ। তবে হ্যাঁ, একে ব্যাবহার যোগ্য করে তোলাটা ছিল বিজ্ঞানের এক উজ্জ্বল অধ্যায়।

থেলিসের লেখা হতে জানা যায় যে খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে পশ্চিমারা জানত এম্বার কে ঘষে চার্জিত করা যায়। তবে এর পর তড়িৎ আবিষ্কারে তেমন কোন অগ্রগতি হয় নি। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম গিলবার্ট বিভিন্ন পদার্থের তড়িতায়ন ব্যাখ্যা করেন এবং প্রথম ইলেক্ট্রিসিটি শব্দটি ব্যাবহার করেন যা কি না এম্বার এর গ্রিক অনুবাদ। এরপর ১৬৬০ সালে Otto von Guericke স্থির তড়িৎ উৎপাদনের একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

এরপর ১৭৫২ সালে, বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন তড়িৎ এবং বিদ্যুৎ চমকানোর মধ্যে সম্পর্ক দেখানোর জন্য একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করেন। তিনি এক বর্ষার দিনে একটি ঘড়ি এবং চাবি ব্যাবহার করে পরীক্ষাটি করেছিলেন। তিনি বজ্র-বৃষ্টির সময় ঘুড়ি উড়িয়ে দিয়ে সুতাটিকে একটি চাবির সাথে বেধে দিয়েছিলেন। তার ধারনা ছিল যে বজ্রপাতের কারণে মেঘ থেকে বৈদ্যুতিক চার্জ সুতা দিয়ে এসে চাবিতে জমা হবে। পরীক্ষা শেষে তিনি যখন চাবিটি স্পর্শ করেছিলেন তখন তিনি একটি ছোট বৈদ্যুতিক সক খান এবং তার ধারনাটি সঠিক প্রমাণিত হয়। এভাবে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বিদ্যুৎ আবিষ্কারের এবং ব্যাবহারের দ্বার উন্মোচন করেন। এজন্য তাঁকে বিদ্যুতের আবিষ্কারক বলা হয়।

পরবর্তীতে অবশ্য বিভিন্ন বিজ্ঞানীর অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যুতের উন্নতি সাধিত হইয়। এদের মধ্যে হেনরি ক্যাভেন্ডিস, চার্লস কুলম্ব, ওহম প্রভৃতি বিজ্ঞানী উল্লেখযোগ্য।

৮। অন্তর্দাহ ইঞ্জিনঅন্তর্দাহ ইঞ্জিন হল এমন এক ধরনের ইঞ্জিন যাতে ইঞ্জিনের ভেতরে জ্বালানী এবং অক্সিজেনের মিশ্রণ প্রবেশ করা...
20/04/2023

৮। অন্তর্দাহ ইঞ্জিন

অন্তর্দাহ ইঞ্জিন হল এমন এক ধরনের ইঞ্জিন যাতে ইঞ্জিনের ভেতরে জ্বালানী এবং অক্সিজেনের মিশ্রণ প্রবেশ করানো হয়। একটি স্পার্ক এই জ্বালানীতে দহন ঘটিয়ে একটি ছোট বিস্ফোরণ ঘটায়। ফলে উৎপন্ন তাপ ও চাপে গ্যাসের প্রসারণ ঘটে। এই প্রসারণ ইঞ্জিনের পিস্টনে চাপ প্রয়োগ করে। এই প্রক্রিয়াটি ক্রমাগত চলতে থাকে এবং ইঞ্জিনকে সচল রাখে।

অন্তর্দাহ ইঞ্জিন আবিষ্কারের সূচনা ঘটে ১৭ শতকের গোঁড়ার দিকে। এ সময় কয়েকজন বিজ্ঞানী অন্তর্দাহ ইঞ্জিন তৈরির কাছাকাছি এসেছিলেন। এরপর ১৮৬০ সালে, জিন জোসেফ এতিয়েন লেনোয়ার নামে এক ব্যক্তি প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অন্তর্দাহ ইঞ্জিনের পেটেন্ট করেছিলেন। তবে এই ইঞ্জিনটিতে কেবল একটি সিলিন্ডার ছিল এবং এটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যেত। এই ইঞ্জিনটি একটি তিন চাকার গাড়িকে ঘণ্টায় প্রায় দুই মাইল দূরত্ব অতিক্রমে সক্ষম ছিল।

অন্তর্দাহ ইঞ্জিন আবিষ্কারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটে ১৮৭৮ সালে। এই বছর নিকোলাস এ অটো বিশ্বের প্রথম ফোর-স্ট্রোক ইঞ্জিন তৈরি করেন। এই ইঞ্জিনটি অবিচ্ছিন্ন ভাবে চলতে সক্ষম ছিল। একই বছর শ্বার ডালাস ক্লার্ক সফলভাবে প্রথম দুই স্ট্রোক বিশিষ্ট ইঞ্জিন তৈরি করেছিলেন।

মানব সভ্যতার ইতিহাসে অন্তর্দাহ ইঞ্জিন আবিষ্কার ছিল এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। মানুষের জীবনযাপনের ধারায় গতি নিয়ে এসেছিল এই আবিষ্কার। বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থেকে শুরু করে অন্যান্য অনেক কাজেই বহুল ব্যবহৃত এই অন্তর্দাহ ইঞ্জিন।

৭। ইন্টারনেটবর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। আর এটি শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এমনকি কম্পিউটার জগতে বি...
20/04/2023

৭। ইন্টারনেট

বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। আর এটি শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এমনকি কম্পিউটার জগতে বিপ্লব এনে দিয়েছে ইন্টারনেট। আমরা এমন এক সময়ে এসে পৌঁছেছি যে ইন্টারনেট ছাড়া আমরা একটি দিন ও কল্পনা করতে পারি না। হাজার হাজার সুযোগ সুবিধা দেওয়া এই ইন্টারনেট সত্যিই বিজ্ঞানের এক বিরাট চমক।

ইন্টারনেট বিশ্বব্যাপী তথ্য আদান প্রদান ও প্রচারের জন্য একটি অভূতপূর্ব মাধ্যম। এটি এমন একটি মাধ্যম যা কিনা অতিক্রম করে ফেলেছে যে কোন ভৌগলিক সীমানা।

মূলত ১৯৬০ এর গোঁড়ার দিকে ইন্টারনেটের আগমন ঘটে। এম-আইটির জে.সি.আর. লিক্লাইডার "ইন্টারগ্যাল্যাক্টিক নেটওয়ার্ক" নামক একটি ধারণার জন্ম দেন। এই পদ্ধতিতে সকল কম্পিউটার কে একটি নেটওয়ার্ক এর আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেন। এরপর ১৯৬০ এর শেষের দিকে ARPANET বা Advanced Research Projects Agency Network এর আগমন ঘটে। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অর্থায়নে তৈরি একটি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যা কয়েকটি কম্পিউটারকে একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসত।

১৯৮৩ এর পর থেকে বিজ্ঞানীরা ধীরে ধীরে আধুনিক ইন্টারনেট আবিষ্কারের দিকে এগুতে থাকে এবং এই প্রক্রিয়া এক অভূতপূর্ব অগ্রগতি করে বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নাস লি'র World Wide Web বা WWW আবিষ্কারের মাধ্যমে। তার আবিষ্কার আজকের হাইপার-লিংক বা ওয়েবসাইট ভিত্তিক ইন্টারনেটের সূত্রপাত ঘটায়।

৬। টেলিফোনটেলিফোন আবিষ্কার ছিল বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি কল্পনাতীত অধ্যায়। একবার ভাবুন তো, আমরা আধুনিক যুগে এসেও যখন মোবাইল...
20/04/2023

৬। টেলিফোন

টেলিফোন আবিষ্কার ছিল বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি কল্পনাতীত অধ্যায়। একবার ভাবুন তো, আমরা আধুনিক যুগে এসেও যখন মোবাইল ফোনে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্য-প্রান্তে, দূর থেকে দূরান্তে কারও সাথে কথা বলি, একটু হলেও কি অবাক হই না। তাহলে বুঝুন এই যন্ত্র আবিষ্কারের পর মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল। বিজ্ঞানের এমন অনেক আবিষ্কার আছে যা আবিষ্কারের পূর্বে কাউকে বললে সে নির্ঘাত আপনাকে পাগল বলবে। টেলিফোন আবিষ্কার ছিল তেমনই একটা ব্যাপার।

আলেক্সেন্ডার গ্রাহামবেল কে টেলিফোনের আবিষ্কারক হিসেবে ধরা হলেও এ নিয়ে কিছুটা দ্বন্দ্ব আছে। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল এবং ইলিশা গ্রে উভয়ই ওয়াশিংটনের পেটেন্ট অফিসে ১৮৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে টেলিফোন আবিষ্কারের পেটেন্ট এপ্লিকেশন জমা দেন। তবে গ্রাহামবেলের আবেদন টি আগে নিবন্ধিত হয়। ১৮৭৬ সালের মার্চে এই পেটেন্টটি নিবন্ধিত হয়। ১৮৭৬ সালের জুনে ফিলাডেলফিয়ার বিশ্ব প্রদর্শনীতে বেল প্রথমবারের মতো এক বিশাল দর্শক উপস্থিতির সামনে তার আবিষ্কৃত টেলিফোন উপস্থাপন করেছিলেন। এই যন্ত্রটি সফলতার সাথে একপ্রান্তে উচ্চারিত শব্দ অপর প্রান্তে পৌঁছে দিতে পারত।

অবশ্য গ্রামবেলের টেলিফোনটি ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে খানিকটা কষ্টসাধ্য ছিল। তবে ১৮৭৭ সালে বেল টেলিফোন কোম্পানি টেলিফোনকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করে উৎপাদন শুরু করে এবং ক্রমান্বয়ে ইউরোপের বাজারে ছড়িয়ে দিতে থাকে।

৫। কাগজআমরা মানব সভ্যতা কে বদলে দেওয়া বিজ্ঞানের ১০ টি আবিষ্কারের কথা বলছিলাম। আচ্ছা, এই মানব সভ্যতা বা সভ্যতার কথা ভাবতে...
20/04/2023

৫। কাগজ

আমরা মানব সভ্যতা কে বদলে দেওয়া বিজ্ঞানের ১০ টি আবিষ্কারের কথা বলছিলাম। আচ্ছা, এই মানব সভ্যতা বা সভ্যতার কথা ভাবতে গেলে আমাদের মাথায় কোন কথাটি আগে আসে? নিশ্চয়ই শিক্ষা! আর শিক্ষার কথা বলতে গেলে তর্কাতিত ভাবে চলে আসে কাগজের কথা।

কাগজ আবিষ্কারের ইতিহাস প্রায় 2,000 বছর পুরানো। তখন চীনারা কাপড়ের তৈরি চাদর কে বিভিন্ন ধরনের অংকন ও লেখার কাজে ব্যাবহার করত। তবে কাগজ বলতে বর্তমান সময়ে যেটি বুঝি তার আবিষ্কার হয়েছিল চীনের একজন কোর্ট অফিসিয়াল Ts'ai Lun এর হাত ধরে। তিনি তুঁতের বাকল, শাঁস এবং পানি মিশ্রিত করে এক ধরনের মণ্ড তৈরি করতেন। এই মণ্ডকে চাপ দিয়ে পাতলা করে তারপর তা রোদে শুকাতে দিতেন।

অষ্টম শতাব্দীর দিকে কাগজ তৈরির এই পদ্ধতি সম্পর্কে মুসলিম শাসকেরা জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে তাদের হাত ধরে ইউরোপে এই পদ্ধতি ছড়িয়ে পরে।

এরপর স্পেনে প্রথম কাগজ কল স্থাপিত হয় এবং ধীরে ধীরে সমগ্র ইউরোপে এরকম অসংখ্য কাগজ কল স্থাপিত হতে থাকে। অবশ্য তখন কাগজ শুধু দরকারি নথি ও বই ছাপাতে ব্যবহৃত হত। সর্বসাধারণের কাছে কাগজ পৌঁছে দেয় মূলত ব্রিটিশরা। ১৫ শতকের দিকে তারা বিশাল পরিসরে কাগজ উৎপাদন শুরু করে এবং উপনিবেশ ভুক্ত দেশগুলোতে ছড়িয়ে দেয়। আর বর্তমানে কাঠ দিয়ে কাগজ তৈরির পদ্ধতিটি এসেছিল আমেরিকানদের হাত ধরে। আর এভাবেই আমরা পাই দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

৪। কম্পিউটারবিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হল কম্পিউটার। বলতে গেলে বর্তমান বিশ্ব চলছে এই কম্পিউটারের উপর ভর করেই। আসলে ম...
20/04/2023

৪। কম্পিউটার

বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হল কম্পিউটার। বলতে গেলে বর্তমান বিশ্ব চলছে এই কম্পিউটারের উপর ভর করেই। আসলে মানব সভ্যতায় কম্পিউটারের ভূমিকা বলে শেষ করা যাবে না। যে কাজ গুলো আগে মানুষের করতে মাথার ঘাম ছুটে যেত সেসব কাজ আজ মুহূর্তেই আমরা করে ফেলছি কম্পিউটারের বদলোতে। আবার এমন কিছু কাজ কম্পিউটারের সহায়তায় আমরা করতে পারছি, কম্পিউটার ছাড়া সেসব কাজ কল্পনা করাও কঠিন।

মূলত চার্লস ব্যাবেজ কে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তবে কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস প্রায় পাঁচ হাজার বছরে পুরানো। এই আবিষ্কারের সূত্রপাত হয় অ্যাবাকাস নামে এক ধরনের গণনা যন্ত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে। প্রাচীন গ্রীক সভ্যতায় ব্যবহৃত হত এই অ্যাবাকাস নামক গণনা যন্ত্রটি। এরপর উল্লেখযোগ্য গণনা যন্ত্র ছিল জন নেপিয়ারের আবিষ্কৃত নেপিয়ারের বোন যন্ত্রটি। এই যন্ত্রে ব্যবহৃত হত নয়টি ভিন্ন ভিন্ন বোন বা হার যা দিয়ে গুন বা ভাগ করা যেত। এই যন্ত্রেই সর্বপ্রথম দশমিক সংখ্যা-পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

এরপর অবশ্য সপ্তদশ শতক পর্যন্ত গণনা যন্ত্রের তেমন কোন উল্লেখযোগ্য বিকাশ হয় নি। তবে এই খরা কাটে ব্রেইজ প্যাসকেল এর হাত ধরে। ব্রেইজ প্যাসকেল সর্বপ্রথম পৃথিবীর প্রথম সার্থক ক্যালকুলেটিং মেশিন আবিষ্কার করেন, বর্তমানে যা আমরা ক্যালকুলেটর নামে চিনি। তার এই ক্যালকুলেটর দিয়ে যোগ- বিয়োগ করা গেলেও গুন ও ভাগ করা যেত না। পরবর্তীতে প্যাসকেল বিভিন্ন সময় এই যন্ত্রের উন্নতি সাধন করেছিলেন।

প্যাসকেলের পরেই কম্পিউটার বা গণক যন্ত্রের ইতিহাসে যোগ হয় আরেক জন গণিতবিদের নাম, বিখ্যাত জার্মান ভিলহেলম লিবনিজ। লিবনিজের গণক যন্ত্র যোগ বিয়োগ তো করতে পারতই সেই সাথে গুণ ভাগ এমনকি সংখ্যার বর্গমূল পর্যন্ত বের করতে পারত। এরপর ১৮৩৬ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী চার্লস ব্যাবেজ তৈরি করেন উন্নত মানের এক গণনা যন্ত্র যার নাম ছিল এনালাইটিক ইঞ্জিন। এটি ছিল এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল এটি তথ্য সংগ্রহ করে রাখতে পারত।

১৯৪৪ সালে বিশ্বে সর্ব প্রথম স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটারটি তৈরি করেন অধ্যাপক হাওয়ার্ড আইকেন এবং আইবিএম এর প্রকৌশলীরা। কম্পিউটারটি তৈরি করা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যেটি পরিচিত ছিল মার্ক-1 নামে। এটি অনেক বড় বড় গাণিতিক হিসাবে পারদর্শী ছিল। এভাবেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে কম্পিউটারের উন্নতি সাধন। আর এই যন্ত্রটি কি করতে পারে তা আজ আমরা স্বচক্ষেই দেখতে পাচ্ছি।

৩। প্রিন্টিং প্রেসপঞ্চদশ শতাব্দীর একটি অন্যতম আবিষ্কার হল প্রিন্টিং প্রেস। এটি হল এমন একটি যান্ত্রিক পদ্ধতি যা কোন কাগজ ...
20/04/2023

৩। প্রিন্টিং প্রেস

পঞ্চদশ শতাব্দীর একটি অন্যতম আবিষ্কার হল প্রিন্টিং প্রেস। এটি হল এমন একটি যান্ত্রিক পদ্ধতি যা কোন কাগজ বা কাপড়ের পৃষ্ঠে চাপ প্রয়োগ করে কালি বা রঙ এর একটি আস্তরণ তৈরি করে। এই আস্তরণ হতে পারে কোন লেখা বা কোন নকশা বা চিত্র। আমাদের দেশে কয়েক বছর আগেও এমন পদ্ধতি ব্যাবহার করে লেখা বা চিত্র প্রিন্ট করা হত। তবে এখন মূলত অত্যাধুনিক লেজার প্রিন্টার বা অপটিকাল প্রিন্টার এর ব্যাবহার অধিক।

জোহানেস গুটেনবার্গ কে মূলত প্রিন্টিং প্রেস এর আবিষ্কারক হিসেবে মানা হয়। ১৪৪০ সালের দিকে তিনি এটি আবিষ্কার করেন। তিনি ছিলেন জার্মানির অধিবাসী এবং পেশায় একজন স্বর্ণকার। অবশ্য প্রিন্টিং এর ইতিহাস শুরু হয় আরও অনেক আগে থেকেই। গুটেনবার্গের এই আবিষ্কারের প্রায় ৬০০ বছর পূর্বে চীনা সাধকরা ব্লক প্রিন্টিং নামের একটি পদ্ধতির আবিষ্কার করেন। এ পদ্ধতিতে কাঠের তৈরি কোন ব্লকে কালি লাগিয়ে কোন কাগজের পৃষ্ঠে নকশা বা লেখা প্রিন্ট করা হত। এ পদ্ধতির প্রচলন অষ্টম শতকে কোরিয়া এবং জাপানেও প্রচলিত ছিল। এরপর এশিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে চীনে ধীরে ধীরে বিকাশ ঘটতে থাকে প্রিন্টিং পদ্ধতির।

এছাড়া পঞ্চদশ শতাব্দীতে জাইলোগ্রাফি নামক আরেকটি প্রিন্টিং পদ্ধতি প্রচলিত ছিল ইউরোপে। এটিও ছিল খানিকটা চাইনিজ সন্ন্যাসীদের ব্যবহৃত কাঠের ব্লক পদ্ধতির মতই। তবে সবকিছুর অবসান ঘটে গুটেনবার্গের আবিষ্কারের মাধ্যমে। তিনি এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা দিয়ে হাতে হাতে প্রেসিং করে মুদ্রণ করার বদলে একটি মেকানিক প্রেসিং করা যেত। তার এই যন্ত্রটি এসেম্বলি লাইন পদ্ধতি ব্যবহার করত যা ছিল হাতে প্রিন্টিং এর চেয়ে অধিকতর দক্ষ। ফলে পূর্বের চেয়ে উন্নত ও দ্রুত প্রিন্টিং এ যন্ত্রটি ছিল অনেকটাই এগিয়ে।

Address

Harinakundu
Jhenaidah
7310

Telephone

+8801515603510

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হরিণাকুণ্ডুর খুদে বিজ্ঞানী Small Scientist of Harinakundu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to হরিণাকুণ্ডুর খুদে বিজ্ঞানী Small Scientist of Harinakundu:

Shortcuts

Share

Category