Professor Dr. Md. Abdus Sattar

Professor Dr. Md. Abdus Sattar

Share

প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার প্রখ্যা?

Photos from Professor Dr. Md. Abdus Sattar's post 04/06/2023

গতকাল শেষ হয়েছে ২০২২ – ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে GST গুচ্ছভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষা কার্যক্রম। বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় এবারও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণে সম্মত হয়। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবের মহতী উদ্দেশ্য নিয়ে এই পরীক্ষা পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আসলেই কি এই পদ্ধতিটিই সর্বোত্তম? অনেকের হয়তো জানা নেই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমন্বিতভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করতে চেয়েছিলো। যদিও সেই প্রচেষ্টাটি বিভিন্ন কারণে আলোর মুখ দেখেনি। তৎকালীন সময়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নিজের ভাবনার কথা দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করেন যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার। সকলের জন্য লেখাটি তুলে ধরা হলোঃ

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা সময়ের দাবি

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কোনো কথা বলব বা কিছু লিখব, এমন কিছু আমার ভাবনার মধ্যে ছিল না। কারণটা বেদনাদায়ক। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল এবং তা সফলভাবে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরীক্ষাটা আমরা নিতে পারিনি কিছু কুচক্রী ও ক্ষুদ্র মানসিকতার মানুষের জন্য, যা প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবালের ২ ডিসেম্বর কালের কণ্ঠের লেখায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। সে সময় প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবাল খুব হতাশ হয়েছিলেন। তখন আমি ওনাকে বলেছিলাম, ধারণাটা আমরা ধরে রাখি। একদিন না একদিন সবাই বিষয়টি নিয়ে ভাববে এবং সফল পরিণতি পাবে। তিনি তখন ক্ষোভে-দুঃখে এতটাই ভারাক্রান্ত ছিলেন, আলোচনাটা আর এগিয়ে নিতে পারিনি। সেই প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবাল যখন আবার ন্যাড়া মাথায় বেলতলায় যেতে চাচ্ছেন, তখন আমার এবং আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এ ব্যাপারে যেখানে আগ্রহের বিন্দুমাত্র ঘাটতি নেই, সেখানে আমরাও বেলতলায় ন্যাড়া মাথা নিয়ে যে কোনোভাবে যেতে রাজি আছি, যদি কিছু হয়- এ আশায়। তাই ড. জাফর ইকবালের লেখার সঙ্গে কিছু তথ্য ও পূর্বাপর ঘটনা যোগ করার জন্যই মূলত এ লেখা। ভিসি হিসেবে আমার দায়িত্ব পালনের দু’মেয়াদও শেষের দিকে। আমার শিক্ষকদের দাবি, যাওয়ার বেলায় স্যার এ ব্যাপারে আপনার ভূমিকাটা যেন পজিটিভ হয়। তাছাড়া মহামান্য রাষ্ট্রপতি যিনি আমাদের রাষ্ট্রের অভিভাবক, তিনি যেহেতু আহ্বান জানিয়েছেন, তার প্রতি সম্মান দেখানো আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এখানে একটু বলে রাখি, প্রফেসর জাফর ইকবাল বলেছেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ভাইস-চ্যান্সেলরদের সমাবেশে এই আহ্বান জানিয়েছেন। আসলে ওটা ছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক আয়োজিত গবেষণা অ্যাওয়ার্ড প্রদানের একটি অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভিসিসহ ১২ জন প্রতিনিধি এবং দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ওই বক্তব্যের পর আমাদের শিক্ষকরা বেশ আশাবাদী। যদিও আমি ততটা নই। কারণগুলোর কিছুটা এই লেখার শেষের দিকে বলার চেষ্টা করব। আমি ডিসেম্বরের ১ তারিখে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একটি মিটিংয়ের চিঠি পেয়েছি। ওই সভার প্রধান এজেন্ডা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা। আশা করছি, আমার কথায় কাজ হলে আমি পক্ষেই কথা বলব, যা আমার শিক্ষকদের প্রত্যশা।
বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরই কেন্দ্রীয়ভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার তোড়জোড় শুরু হয়। বিভিন্ন সময় আমাদের পরিষদে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নানারকম মতামত আসতে থাকে। সারমর্ম দাঁড়ায়- এটা সম্ভব নয়। কিছু কারণ প্রফেসর জাফর ইকবালের লেখায় এসেছে। আবার অনেক কিছু আসেনি। এক পর্যায়ে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেল যে, এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা প্রয়োজন এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর সালেহ্ উদ্দিন প্রেজেন্টেশন দেয়ার জন্য প্রফেসর জাফর ইকবালের নাম প্রস্তাব করেন এবং আমি সমর্থন করি। সম্ভবত ফেব্রুয়ারি ২০১৩, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যথারীতি প্রফেসর জাফর ইকবাল অত্যন্ত সুন্দর একটি পেপার প্রেজেন্ট করলেন। আলোচনা কী হয়েছিল, তা প্রফেসর জাফর ইকবালের লেখায় স্পষ্ট। তথাপি প্রায়োগিক দিক নিয়ে এক মাসের মধ্যে আবার আলোচনায় বসা হবে- এমন একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং সচিব ড. নাসের চৌধুরীকে বেশ আন্তরিক মনে হয়েছিল।

এখন পরবর্তী মিটিংয়ের অপেক্ষা। ইতিমধ্যে ২০১৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হল। কথা ছিল, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষেই এ পদ্ধতি চালু করার প্রয়াস নেয়া হবে। কিন্তু মিটিং আর হয় না। এরই মধ্যে ২০১৩ সালের ১০ মে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও সমাবর্তন বক্তা হিসেবে প্রফেসর জাফর ইকবাল। ওই দিনই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে আমরা দু’জন একমত হলাম, দুটি বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত পদ্ধতিটা যাচাই করে দেখা যেতে পারে। যদিও আমাদের কোনো প্রকার সন্দেহ ছিল না পদ্ধতির ব্যাপারে। কারণ এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করে, সেখানে শাবিপ্রবি ও যবিপ্রবি যে প্রস্তাব দেয়, তা প্রায়ই একই রকম ছিল। এটাও আমাদের একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। এজন্য শাবিপ্রবিতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে বসি। যবিপ্রবি কোনো শর্ত ছাড়াই শাবিপ্রবির সব শর্তে রাজি হয়ে কার্যক্রম শুরু করে। আমার ভয় হচ্ছিল, আমরা কোনো শর্ত আরোপ করতে গেলে শাবিপ্রবি রাজি নাও হতে পারে। কারণ আমি জেনেছিলাম (ভুলও হতে পারে) শাবিপ্রবি শিক্ষকদের মধ্যে এ ব্যাপারে কিছুটা অস্পষ্টতা বা ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। ফলে আমাদের কোনো শর্ত আরোপ করতে গেলে পুরো জিনিসটাই ভেস্তে যেতে পারে। আমরা শুধু ডিপ্লোমাধারীদের ভর্তির সুযোগ করে দিতে বলেছিলাম। বলেছিলাম, সবার উচ্চশিক্ষা গ্রহণের অধিকার রয়েছে। প্রস্তাবটা গৃহীত হয়েছিল। আমার পক্ষে তাদের সিদ্ধান্তে একমত হওয়া সহজ ছিল এ কারণে যে, আমার শিক্ষক ও যশোরের মানুষের মধ্যে এ ব্যাপারে কোনো দ্বিধা ছিল না। সিলেটের বামদলগুলোর যে আচরণ পরবর্তীকালে লক্ষ্য করা গেল, সেটা যশোরের বামদলগুলোর মধ্যে ছিল না। আমি ব্যক্তিগতভাবে যশোরের বামদলের নেতাদের মাধ্যমে সিলেটের বামদলগুলোর নেতাদের বুঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ততদিনে বামদলের হাত থেকে আন্দোলন জামায়াত-বিএনপি’র হাতে চলে যায় এবং তারা এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু করে ফেলে। নির্বাচনের বছর সামনে ছিল বিধায় সরকার, সরকারি দল কোনো ঝুঁকির মধ্যে যেতে চায়নি বলে আমার বিশ্বাস জন্মেছিল। তবে এবার আমি কিঞ্চিৎ আশাবাদী। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার অনেক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা চ্যালেঞ্জিং কিন্তু জনকল্যাণমূলক।
যাক, সার্বিকভাবে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বা বলা যায় Joint Entrance Examination (JEE) বা National Joint entrance Examination (NJEE) কেন আলোর মুখ দেখছে না? এখন আমরা মানে শুধু শিক্ষকরা নয়, অধিকাংশ সচেতন মানুষ তা চান। তবে অন্তরায় হিসেবে প্রফেসর জাফর ইকবাল যে বিষয়গুলোর অবতারণা করেছেন, তন্মধ্যে টাকা একটা বিষয় হতে পারে। সে বিষয়েও আমরা একটা সমাধান বের করেছিলাম। তবুও তো আমরা সফল হলাম না! আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আমাদের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থেকে যতদূর জানি, অনেক কম টাকা পান। তারা কেন রাজি হচ্ছেন না? তবে একটি বিষয়ে আমি প্রফেসর জাফর ইকবালের ধারণার সঙ্গে একমত, আমরা নতুন কোনো ধারণার প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দেই না বা দিতে চাই না। তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল, ২০১৩ সালের জুলাই মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আর একটি প্রেজেন্টেশন, যা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে অর্থহীন একটি সমীক্ষা। যেখানে অনাহূত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে আমি উপস্থিত ছিলাম।

আমার একটা মারাত্মক দোষ আছে। সময় সময় না ডাকলেও কোনো কোনো জায়গায় যাই। তাতে তারা নিশ্চয় বিব্রত হয়। আমি হই না। কারণ জেনে-শুনে তাদের বিব্রত করতেই যাই, যদি যাওয়াটাকে আমি প্রয়োজন মনে করি। জুলাই মাসের ওই দিন, যেদিন মন্ত্রণালয়ে প্রেজেন্টেশনটা হচ্ছিল, সেদিন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে সচিব মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাই। দেখা শেষে যখন চলে আসব, তখন সচিব মহোদয় বললেন, তিনটার সময় আবার তো দেখা হবে। আমি বুঝতে পারলাম না। কারণ আমার কাছে এই মিটিংয়ের কোনো চিঠি ছিল না। বেরিয়ে এসে নিচের টেবিল থেকে জানতে পারলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্প কর্তৃক পরিচালিত সমীক্ষা ও কৌশলপত্র উপস্থাপন করা হবে, যেখানে যবিপ্রবি ও শাবিপ্রবি ভিসিদ্বয়কে ডাকা হয়নি। অথচ এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। যাই হোক, আমি মিটিংয়ের মধ্যে ঢুকে পড়লাম এই উদ্দেশ্যে যে, তাদের কৌশলপত্র যদি ভালো হয়, আমরা তা সংযুক্ত করতে পারব।
শুরু হল কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার কৌশলপত্র উপস্থাপন। কিছু ছবি যেমন রেলস্টেশনে পরীক্ষার্থীর শুয়ে থাকা, কোনো একজন পরীক্ষার্থীর বাথরুমে যাওয়ার তাড়া, ট্রেনের উপর পরীক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত যেন সবকিছু আমাদের অজানা। তারা উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পের টাকার যথার্থ সৎকার করেছেন। মনে হতে পারে, দুর্গম পথ অতিক্রম করে মহৌষধ আবিষ্কার করেছেন। অথচ প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক প্রণীত কৌশলপত্র, যা পরবর্তীকালে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে ভাববার কথা ছিল (সম্ভবত সেগুলো মন্ত্রণালয়ে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না) বাদ দিয়ে ফেব্রুয়ারির ফলোআপ মিটিং হল জুলাই মাসে, যেখানে উপস্থাপন করা হল কতগুলো অবাস্তব, দুর্বল চিন্তাপ্রসূত ও বালখিল্য কিছু সুপারিশ।

প্রেজেন্টেশনের পর আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল- আমাকে কেন ডাকা হয়নি? উত্তর- আমরা যে এগারোটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছি, সেই ভিসিদের ডাকা হয়েছে। আবার প্রশ্ন করলাম- কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কি শুধু ওই এগারোটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে হবে? উত্তর- না; সব বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে। আমার প্রশ্ন- গুচ্ছ পদ্ধতি কী বুঝিয়ে বলুন? উত্তর- ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একদিন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একদিন, কৃষি একদিন, মেডিকেল একদিন, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় একদিন- এগুলো একেকটি গুচ্ছ। জিজ্ঞেস করলাম- এ ধরনের গুচ্ছ কেন? উত্তর এলো- একই রকম বিষয়ে পড়ানো হয় তাই। বললাম- তাই কী? আমি তো জানি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল বিদ্যা পড়ানো হয়। আবার শাবিপ্রবি’তে প্রকৌশল বিজ্ঞান, কলা, সমাজবিজ্ঞান সবই পড়ানো হয়। তাহলে গুচ্ছ করাতে আমাদের সুবিধা হবে, না অসুবিধা হবে? উত্তর নেই। ওদের কী দোষ দেব! কোনো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে আমাদের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যুক্ত হতে বলেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ের সঙ্গে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয় মেলে না। অথচ সেটা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আমি তাকে বলেছিলাম, আপনি এইচএসসি বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নিবেন, না যে সাবজেক্টে ডিগ্রি দিবেন ওই বিষয়ের পরীক্ষা নিবেন। তাহলে তার পরীক্ষা নেয়ার দরকার কি? তারা তো ওই বিষয়ের শিক্ষক হওয়ার যোগ্য। একবার দেখলাম, এক বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মোটেই রাজি নন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেন, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ব্যাপারে তার একাডেমিক কাউন্সিলের আস্থা নেই। অথচ সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিভিন্ন স্কুল, কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। তারপরও আমি বলি- স্যার, আপনার ওখানে যে পরীক্ষা হয়, তার প্রতি আমাদের আস্থা আছে। আমরা আপনাদের সঙ্গে পরীক্ষাটা নিতে চাই। উত্তরে স্যার বললেন- পরীক্ষার পর আমরা যেসব ছাত্রছাত্রীকে বাদ দেব, আপনি কি তাদের ভর্তি করবেন?। আমি লা-জবাব হয়ে গেলাম। মনে হল, উচ্চবর্ণ-নিন্মবর্ণ একসঙ্গে মিলতে পারে না। পরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বলেছি, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’, ‘ঘ’ ইউনিটে পরীক্ষা নিয়ে যেভাবে বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, কলা ও সামাজিক, বাণিজ্য অনুষদে ছাত্র ভর্তি হয়, একইভাবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা একসঙ্গে নেয়া যেতে পারে। একমত হলে পদ্ধতিটা আরও সহজ করা যেতে পারে। রাষ্ট্র এবং আমরা সম্মত হলে যে জটিলতাগুলো তৈরি হতে পারে, তা সহজে নিরসন করা সম্ভব। কারণ এর ওপর অনেক স্টাডি হয়েছে। তাই আমি অত্যন্ত বিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, ছাত্র-ছাত্রী ও তার অভিভাবকদের ভোগান্তি ও অর্থের সাশ্রয় করে শিক্ষকদের উপযুক্ত সম্মানী দিয়েও এই ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। দরকার শুধু সদিচ্ছা ও আমাদের মানসিক প্রস্তুতি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, আগামী ১৭ ডিসেম্বর আমরা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে একটা যুগোপযোগী সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারব, ইনশাআল্লাহ্। চলমান প্রক্রিয়ার বাইরে আসতে আমাদের একটু ভয় তো হবেই! যদিও এর কোনো কারণ নেই। আর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা যদি হয়, তা এইচএসসি পরীক্ষার অব্যহতি পরে হলেই ছাত্ররা পাঠ্যবইয়ের ওপর সারা বছর মনোযোগী হবে। ফলে আলাদা কোচিংয়ের আবেদন কমে যাবে। আমি বিশ্বাস করি, সমাজের প্রতি আমরা সবাই দায়বদ্ধ। সারা বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সমাজের সমস্যা নিরসনে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সবাই যেহেতু প্রচলিত ভর্তি পরীক্ষাকে সমস্যা মনে করছি, কাজেই সমাজের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা থেকেই ছোট্ট এ সমস্যাটির সমাধান করতে হবে।

(ছবিদুটি ২০১৪সালে অনুষ্ঠিত যবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষার সময় তোলা)

05/02/2023

পিতৃসম স্নেহে সদ্যপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পথ চলতে শেখানো, স্বপ্নের সওদাগর খ্যাত ব্যক্তিত্ব, কর্দমাক্ত বিরাণ ফসলের মাঠ থেকে সসম্মানে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখা যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান রূপকার, পরপর দুই মেয়াদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তারের ৬৬তম জন্মদিনে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন- যবিপ্রবির আপামর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দের প্রাণের মানুষ প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার। মহান স্রষ্টা আপনাকে সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু দান করুন।

Photos from Professor Dr. Md. Abdus Sattar's post 25/01/2023

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে যবিপ্রবি পরিবারের সকলকে শুভেচ্ছা। দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাক যবিপ্রবি।

Photos from Professor Dr. Md. Abdus Sattar's post 04/12/2022

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আজ অত্যন্ত আনন্দময় একটি দিন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির হাতে আজ উদ্বোধন হলো যবিপ্রবির দ্বিতীয় পুর্ণাঙ্গ একাডেমিক ভবন- স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন। এর মধ্য দিয়ে যবিপ্রবি পরিবারের সদস্যদের পথচলা আরও মসৃণ হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এই আমাদের বিশ্বাস।
সদ্য উদ্বোধন হওয়া দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরপর দুই মেয়াদের সাবেক সফল উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল প্রায় ২৮২কোটি টাকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে বিশ্ববিদ্যালয়টি আরও একধাপ অগ্রসর হলো। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, গবেষণার গুণগত মানোন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণসহ বহুমুখী পন্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবর্তন ঘটানোর মাধ্যমে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষায় দীক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির কারখানা হিসেবে যবিপ্রবিকে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৫ সালের অক্টোবরে অধ্যাপক আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে ২৮২কোটি টাকার উন্নয়ন প্রস্তাবনা পেশ করে যবিপ্রবি। অধ্যাপক আব্দুস সাত্তারের নিরলস প্রচেষ্টা এবং তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি ও তৎকালীন শিক্ষাসচিব যশোরের আরেকজন গুণী ব্যক্তিত্ব নজরুল ইসলাম খানের আন্তরিক সহযোগিতার ফলে পরের বছরের দ্বিতীয়ার্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষাবান্ধব, উন্নয়নবান্ধব, বাংলাদেশে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটানো অনন্য ব্যক্তিত্ব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা যবিপ্রবির উন্নয়নে প্রস্তাবিত ২৮২কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন দেন, যা ছিলো বরাদ্দকৃত টাকার অংকের পরিমাণের দিক দিয়ে তৎকালীন সময়ে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিরল। আরও উল্লেখ্য যে যবিপ্রবিতে আজ উদ্বোধন হওয়া স্কুল ভবনটিও এই প্রকল্পেরই অংশ।
সাবেক উপাচার্যের হাতে শুরু হওয়া প্রকল্পগুলি বর্তমান সুযোগ্য উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন-এর হাত ধরে একের পর এক পূর্ণতা পেয়ে চলেছে। স্থাপনাগুলির চলমান নির্মানকাজ সমাপ্তির মধ্য দিয়ে যবিপ্রবির পথচলার দুর্বার গতি আরও বেগবান হবে এই আমাদের প্রত্যাশা। স্যার জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনের এই আনন্দময় দিনে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন সহ সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীদেরকে আন্তরিক অভিবাদন। আপনাদের হাত ধরেই যবিপ্রবি হয়ে উঠুক শিক্ষা, সংস্কৃতি, গবেষণা, উদ্ভাবন, খেলাধুলায় অনন্য সমৃদ্ধশালী বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়।

25/05/2020

সমগ্র মানবজাতির জীবনের সব দুঃখ-দুর্দশা, অকল্যাণ, অমঙ্গল; সব কিছুর অবসানের সূচনা হোক পবিত্র এই দিন থেকে। পরিবার, পরিজন, প্রিয়জনদের নিয়ে আনন্দে কাটুক আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত। চলমান অসহ্য স্থবিরতার অবসান ঘটিয়ে প্রাণ ফিরে পাক আমাদের ধরিত্রী।

দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই মেয়াদে টানা আটটি বছর সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক সফল উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার স্যারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

04/02/2020

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য মহোদয়গণ যেখানে তাদের চারবছরের মেয়াদকাল সম্পন্ন করতে হিমশিম খেয়ে যান, সেই প্রেক্ষাপটে প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার একটি অনন্য নাম। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অত্যন্ত সফলতার সাথে পার করেছেন দীর্ঘ আটটি বছর। যশোরের মত চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে দাঁড়িয়ে, আইন অনুযায়ী একজন উপাচার্যের পক্ষে উপাচার্যের পদে আসীন থাকার সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সময়সীমা সম্পন্ন করে গড়ে তুলেছেন এক অনন্য নজির। একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবেই যে কেবল উপাচার্যের রুটিনমাফিক কাজ তিনি সম্পন্ন করেছেন, ব্যাপারটি মোটেও তেমন নয়। আজ থেকে এক দশক আগের আমবটতলার বিরান ফসলের মাঠকে তিনি পরিণত করে গেছেন আধুনিক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবন, দুইটি আবাসিক হল, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পাঁচতলা ও দশতলা বিশিষ্ট ডরমেটরি, কেন্দ্রিয় মসজিদ, কেন্দ্রিয় ক্যাফেটেরিয়া, লাইব্রেরি ভবন, মেডিকেল সেন্টার, উপাচার্যের বাসভবন, প্রধান ফটক; এই বিরাট নির্মাণযজ্ঞ তারই কীর্তি। শুধু তাই নয়, বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন প্রকল্প যেমন দ্বিতীয় অনুষদ ভবন, দ্বিতীয় ছাত্র ও ছাত্রী হল, হ্যাচারি, শিক্ষক ছাত্র মিলনায়তন, জিমনেশিয়াম, গবেষণাগার উন্নয়নসহ অসংখ্য প্রকল্প; এসব তারই ঐকান্তিক চেষ্টায় অর্জিত ফসল।
নিজের সন্তানের মত করে আটটি বছরে একটু একটু করে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এই প্রতিষ্ঠানকে। আজ সেই ক্ষণজন্মা পুরুষ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান রূপকার, যবিপ্রবির পরপর দুই মেয়াদে বর্ণনাতীত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনকারী দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার স্যারের ৬৩তম জন্মদিন। জন্মদিনে স্যারের প্রতি রইলো প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। জীবনের প্রত্যেকটি পদক্ষেপে মহান স্রষ্টার অনুগ্রহ স্যারের সহায় হউক। শুভ জন্মদিন স্যার।

06/10/2019

এটাই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ভিসি স্যার এবং ছাত্রদের সম্পর্ক ❤ সবাই ভিসি কিন্তু সব ভিসিই, ভিসি স্যার হয়না।
এমন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম, ভাবতে ভালোই লাগে ,যেখানে কখনোই পরিবারের অভাব বুজতাম না। আমাদের সময় কালের যবিপ্রবির স্বপ্ন পুরুষ, যবিপ্রবির রুপকার, যার হাত ধরেই ছাত্রলীগের প্রবেশ, প্রফেসর ড.আব্দুস সাত্তার ও এরকম ভাবেই আমাদের সাথে ডাইনিং এ খেত। আড্ডা দিতাম, গল্প হতো।
প্রফেসর ড.আব্দুস সাত্তার স্যারের একটা কথা খুব ই মনে পড়ে," স্বপ্ন দেখো, স্বপ্ন বাজ হও,সবাই স্বপ্ন দেখতে পারে না, এটা অসীম শক্তি, আমি কথা দিচ্ছি, স্বপ্ন সারথি হয়ে তোমাদের সাথে আছি এবং থাকবো"" কথা গুলো স্যার বলেছিলেন,এক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে। আমার জীবিনের অই ৬০+ মিনিট টাই প্রেরনা হয়ে রইল❤❤❤ ভালোবাসি স্যার আপনাকে অনেক অনেক বেশিই।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি,যবিপ্রবি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও, মানবিকতা টা ভালোই শিখানো হয়।

Courtesy: Engr Saddam Hossain Ovi

03/10/2019

একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিদায়ে যে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে উৎসব করে পালন করে, সেটা দেখলাম শেখ মুজিব বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কতটুকু নিচে নামলে ভিসি কে ঘৃণা করে!!! কত টুকু নিকৃষ্টতম ভিসি নাসির!!!! আমার মনে হয়, শিক্ষার্থীরা একা পেলে ভিসি নাসির কে পেলে গণধোলাইয়ে মেরে ফেলত।

ভিসি স্যার আর ভিসি, এর ভিতর বিস্তর তফাৎ আছে। সব ভিসি কখনোই ভিসি স্যার হয়না,হাতে গোনা কিছু ভিসি, ভিসি স্যার হয়। যেমন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর রুপকার, স্বপ্নদ্রষ্টা, ও আমাদের স্বপ্ন সারথি, প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার স্যারের বিদায় অনুষ্ঠানে থাকার সুযোগ হয়েছিল। খুব কাছ থেকেই দেখেছি স্যার কে।। অনুষ্ঠানের সকল বিষয় মনিটরিং করছিলেন, Shamim Hasan ভাই,মূলত সব কিছুর প্লানার ভাই এ ছিলেন। আমার আর রিফাতের দায়িত্ব পরল ভিসি স্যার কে প্রশাসনিক ভবন থেকে, ( যেখানে অফিসার,স্টাফ দের বিদায় অনুষ্ঠান চলছিল) স্যার কে রিসিভ করে নিয়ে আসা। স্যারের মিটিং শেষ হল সম্ভবত বিকাল ৪ টা র সময়, যদিও সময় ছিল, দুপুর ১.৩০ এর মত। স্যার বের হয়েই বললো,সাদ্দাম, গাড়িতে উঠবো না,হেটেই চলো.... কথার ভিতরে একটা ভার ভার ভাব ছিল। বুজতে পারছিল,এই স্বপ্নের বাগান ছেড়ে যেতে হয়ত স্যারের কষ্ট হচ্ছে। স্যার হাটে,আর ঘাম মুছে,আর এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখে কিন্তু এই মানুষ টার হাটার স্পিড অনেক,সেদিন দেখি একটু স্লো হয়ে গেছে......যখন গ্যালারিতে স্যার কে নিয়ে যাই,দেখি দাড়ানোর জায়গা নেই, অথচ দুপুর থেকেই কেউ আমরা খাইনি। একটা শিক্ষার্থী যায়নি। আজকের যবিপ্রবি,প্রফেসর ড.আব্দুস সাত্তার স্যারের নিকট ঋণী হয়ে থাকবে,ঋনী হয়ে থাকবে ছাত্রলীগ, স্যার চাইতেন,বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ হবে বিশ্বমানের। যা আঞ্চলিক প্রভাব মুক্ত থাকবে,যবিপ্রবি ছাত্রলীগ থাকবে স্বাধীন।

ভালোবাসা জোড় করে হয়না, সব ভিসি,ভিসি স্যার হয় না। হে স্বপ্ন দ্রষ্টা, বেচে থাকুন হাজারো শিক্ষার্থীর হৃদয়ে স্যার এবং অভিভাবক হিসেবে।

Courtesy: Engr Saddam Hossain Ovi

Photos 05/02/2019

দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান রূপকার অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার স্যারের ৬২তম জন্মদিন আজ। বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা আটবছর সফলতার সাথে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করে অনন্য নজির সৃষ্টিকারী ক্ষণজন্মা এই মহাপুরুষের হাত ধরেই কর্দমাক্ত ফসলের মাঠ পরিণত হয়েছে আজকের যবিপ্রবিতে।

মহান আল্লাহ স্যারকে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সফলতা দান করুন।
শুভ জন্মদিন।

Photos from Professor Dr. Md. Abdus Sattar's post 25/01/2019

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশ থেকে অমঙ্গলের কালো মেঘ বিদায় নিক। সকল অশুভ অপশক্তিকে পরাজিত করে এগিয়ে যাক প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়টি।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে নিরন্তর শুভকামনা।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান রূপকার, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার স্যারের পক্ষ থেকে যবিপ্রবি পরিবারের সকল সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীকে জানাই শুভেচ্ছা।

21/08/2018

ত্যাগের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে মানবহৃদয়ে লুকিয়ে থাকা পাশবিকতার বিনাশ করাই হোক ঈদ-উল-আযহার লক্ষ্য। এই পবিত্র দিন থেকেই শপথ নিই, ষড়রিপুকে জয় করে সকলে মিলে সুন্দর একটি পৃথিবী গড়ে তোলার।
সমগ্র মানবজাতির জীবনে ঈদ বয়ে আনুক শান্তির বার্তা; অবসান হোক সকল হিংসা-বিদ্বেষ-দ্বন্দ্ব এবং সংঘাতের।
অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুস সাত্তারের পেইজের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।

Photos from Professor Dr. Md. Abdus Sattar's post 15/08/2018

বাঙালি জাতির জীবনের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়, জাতির পিতার শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ই আগস্টে শহীদ সকলের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Want your school to be the top-listed School/college in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Shahid Moshiyur Rahman Road, Notun Khoyertola, Palbari
Jessore
7400