20/07/2021
EMON Hossain
MD EMON HOSSAIN LIFESTYLE
20/07/2021
23/10/2020
13/10/2019
#যদি বলা হয়, বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক কে?
সবাই এক কথায় উত্তর দিবে যে, টমাস আলভা এডিসন। আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরবো বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কারের পেছনে লুকিয়ে থাকা কিছু অজানা তথ্য।
বিজ্ঞানী ভোল্টা এর নাম আমরা শুনেছি। ভোল্টা সেল এর জন্য তিনি বিখ্যাত। তার সেল আবিষ্কারের পর থেকেই বাতি তৈরির পরিকল্পনা আসে। ভোল্টা তার সেল কে যখন কপারের চিকন কোনো তার দিয়ে শর্ট করেন, তখন দেখতে পান তারটি পুড়ে যাওয়ার আগে উজ্জ্বল হয়। সে সময় কিছু তাপশক্তি এবং আলোকশক্তি বিকিরিত হয়। কিন্তু ভোল্টার এই সম্পর্কে পুরোপুরি ধারনা না থাকায় তিনি কপার এর তারের ফিলামেন্ট তৈরি করেন এবং আলোর বদলে তাপ ই বেশি পান।
সাল ১৮৪০, বাতি তৈরি প্রায় ৩০ বছর আগে, ব্রিটিশ বিজ্ঞানী Warren de la Rue একটি বাল্বের মডেল ডেভেলপ করেন। কপারের এনোড এবং ক্যাথোড এর মাঝে প্লাটিনামের ফিলামেন্ট। বায়ুশূন্য কোনো কাচের বক্সে রাখলে ভালোই আলো দেয়। কিন্তু সে সময়ে প্লাটিনাম খুবই বিরল ছিলো বলে তা খুব একটা জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে নি।
ঠিক এর ৮ বছর পরে, ১৮৪৮ সালে William Staite একটি আর্ক ল্যাম্প তৈরি করেন। কিন্তু এর মেকানিজম ছিলো খুবই মজার। তিনি কার্বন রড এর ফিলামেন্ট ইউজ করেন। তিনি খেয়াল করেন যে, বেশিক্ষণ একই ফিলামেন্ট রাখলে তা থেকে খুবই বেশি তাপ বের হয়। তাই তিনি এতে মেকানিক্যালি ফিলামেন্ট যুক্ত করেন। কয়েকটি কার্বন রড বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্টের জায়গা দখল করবে নির্দিষ্ট সময় পর পর অথবা ম্যানুয়ালি একটি হ্যান্ডল ঘুরিয়ে। তার এই পদ্ধতি খুব বেশি পরিমাণ পাওয়ার শোষণ করতো। একে-তো তখন মাত্র ডিসি কারেন্ট এর উৎপত্তি এবং এডিসন তখনো তার ডিসি পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করেন নি, তাই সবাই তখন ভোল্টার সেলের ব্যাটারি ব্যবহার করতো। ঐ ব্যাটারি দিয়ে William Staite এর বাল্ব চালানো খুবই ব্যয় সাপেক্ষ ছিলো। তাই তার বাল্ব জনপ্রিয় হয়ে উঠে নি।
বুঝাই যাচ্ছে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কারের জন্য অনেক অনেক বিজ্ঞানী কাজ করেছে। অনেক প্যাটার্ন পাঠানো হয়েছে কিন্তু বাদ পরেছে। এখন আশা যাক জোসেফ সোয়ান(Joseph Swan) এবং এডিসন এর কাছে।
জোসেফ সোয়ান ১৮৫০ সালে, স্বল্প খরচে তৈরি করেন কার্বন পেপার ফিলামেন্ট। তিনি ঐ ফিলামেন্ট টা প্লাটিনামের বদলে বসিয়ে দেন এবং বাতি তৈরি করেন। এসবের মাঝে প্রায় ১০ বছরের মতো চলে যায়। তিনি পেটেন্ট জমা দিলে ১৮৭৯ সালে তা ডেমন্সট্রেট করার জন্য নিউক্যাসেল(ইংল্যান্ড) এ যান। সেখানে তিনি বৈদ্যুতিক ল্যাম্প নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তা ডেমন্সট্রেট করেন ঠিকই কিন্তু তা দীর্ঘদিন চালানো যাবে কিনা তা নিয়ে সতর্ক ছিলেন না। যেহেতু এখনকার মতো আগে এতো শক্তিশালী ভ্যাকিউম মেশিন ছিলো না, তাই তার ফিলামেন্ট কিছুক্ষণ জলার পরপরই পুড়ে যাচ্ছিলো।
এডিসন সমস্যাটি বুঝতে পারেন। তিনি বুঝতে পারেন যে, যদি ফিলামেন্টটি আরো চিকন হয় এবং রোধের মান বেশি হয় তবে তা সহজে পুড়বে না। অন্যদিকে সোয়ান ও তার বাল্ব নিয়ে গবেষণা শুরু করে দেয়। যেহেতু সোয়ান আগে পেটেন্ট জমা দিয়েছে তাই হয়তো এডিসন যদি একই পেটেন্ট কে মডিফাই করে দেয় তাহলে তাকে হয়তো আবিষ্কারক দেওয়া হবে না, এই ভেবে এডিসন তার কাজ শুরু করেন।
দিন যত যাচ্ছিলো, বৈদ্যুতিক বাতির প্রতিযোগিতা বেড়েই চলছিলো। প্রতিযোগী হিসেবে যোগ দিলেন Henry Woodward এবং Matthew Evans । তারা গ্লাস সিলিন্ডার এর ভেতর রড এর ফিলামেন্ট দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছিলো। গ্লাস সিলিন্ডারের ভেতরে নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়েও চেষ্টা করে যাচ্ছিলো। কিছুদিনের মধ্যে তারাও পেটেন্ট করে ফেলে।
ঠিক সেই সময়ে এডিসন শুরু করলো ইউনিভার্সিটিতে টপ করা স্টুডেন্টদের ইন্টার্ন দেওয়া এবং রিসার্চারদের নিয়োগ দেওয়া। কাজ একটিই, তা হলো ফিলামেন্ট এর জন্য মেটারিয়ালের কম্বিনেশন খুঁজে বের করা। প্রায় ৬০০০ হাজারের বেশি ধরনের ফিলামেন্ট দিয়ে চেষ্টা করা হয়। কয়েকমাসের মধ্যে এডিসন নিজের নামে পেটেন্ট পায়, carbonized bamboo ফিলামেন্ট এর জন্য। এই ফিলামেন্ট প্রায় ১২০০ ঘণ্টা অবধি জ্বলতে পারতো। ১৮৮২ সালে Lewis Howard Latimer, এডিসন এর গবেষকদের একজন পুনরায় কার্বন ফিলামেন্ট নিয়ে কাজ করা শুরু করেন এবং ১৯০৩ সালে Willis R. Whitney (এডিসন এর গবেষকদের একজন) একটি পদ্ধতি বের করেন কিভাবে এই ফিলামেন্ট কে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়। তার পদ্ধতি প্রয়োগ করে বাল্ব কে প্রায় ৩০০০ ঘণ্টা চালানো যায়। তখনই এই কার্বন ফিলামেন্ট বাল্বকে এডিসনের নামে পেটেন্ট করা হয় যেখানে পেটেন্ট করার কথা ছিলো Joseph Swan এর নামে। ১৯১০ এর দিকে টাংস্টেন ধাতুর আবিষ্কার এর পরে কার্বন ফিলামেন্ট এর বদলে ব্যবহার শুরু হয় টাংস্টেন ফিলামেন্ট এর।
এখন সিদ্ধান্ত আপনার উপর, আপনি কাকে বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক বলে মনে করেন।
বিঃদ্রঃ আমাদের লেখা তখনই স্বার্থক হবে যখন আপনারা কিছু শিখতে পারবেন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করুন। এতে আমরা লিখতে অনুপ্রাণিত হই। কমেন্ট সেকশনে পোস্ট সম্পর্কিত যে কোনো প্রশ্ন করতে পারেন। আমাদের পোস্ট গুলো নিয়মিত দেখতে পেইজের ফলোয়িং অপশনে সি-ফার্স্ট ক্লিক করুন। ধন্যবাদ
ভিজিট করুনঃ
https://www.facebook.com/electrical.lab2016/
26/08/2019
আধুনিক স্মার্টফোনে ব্লুটুথ প্রযুক্তি সহজলভ্য। অনেকেই সারাক্ষণ ব্লুটুথ চালু রাখেন। কিন্তু সারাক্ষণ ব্লুটুথ চালু রাখলে নানা রকম বিপদের আশঙ্কা থাকে। ব্যক্তিগত তথ্য চুরি থেকে শুরু করে ডিভাইসের দখল নেওয়ার মতো কাজ করে বসতে পারে দুর্বৃত্তরা। তাই ব্লুটুথ ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
স্মার্টফোনে সারাক্ষণ ব্লুটুথ চালু রাখলে সম্ভাব্য হ্যাকিংয়ের ঝুঁকির পাশাপাশি তা অপব্যবহারের আশঙ্কা বেড়ে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্লুটুথ যতটা সম্ভব বন্ধ রাখতে হবে। এ ছাড়া কোনো ডিভাইস ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলে তার সঙ্গে যুক্ত হওয়া ঠিক হবে না। প্রয়োজন শেষ হলে ব্লুটুথ অপশন বন্ধ রাখতে হবে। যাঁরা ব্লুটুথ স্পিকার বা হেডফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য তারযুক্ত হেডফোন ব্যবহার করা ভালো হবে।📱💻
25/08/2019
Important Shortcut Keys System:__
CTRL+A. . . . . . . . . . . . . . . . . Select
CTRL+C. . . . . . . . . . . . . . . . . Copy
CTRL+X. . . . . . . . . . . . . . . . . Cut
CTRL+V . . . . . . . . . . . . . . . . Paste
CTRL+Z. . . . . . . . . . . . . . . . . Undo
F2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Rename selected object
F5 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Refresh current window
CTRL+ESC . . . . . . . . . . . . . . Opens Start menu
CTRL+DRAG . . . . . . . . . . . . . Copy File.
24/08/2019
অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করা যায়ঃ
অনেকের জন্য ফটোগ্রাফি একটি নেশা, আবার অনেকের জন্য পেশা। নেশা বা পেশা যা-ই হোক না কেন, চাইলে ভালো মানের ছবি অনলাইনে বিক্রি করে বাড়তি আয় করা সম্ভব। ডিএসএলআর ক্যামেরাই হোক আর ভালো মোবাইল ফোন ক্যামেরাই হোক, নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা ক্রেতার চাহিদা পূরণে সক্ষম যেকোনো ছবিই বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কারা কেনেন, কেন কেনেনঃ
বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞাপনী সংস্থা, গণমাধ্যম, ব্লগ ও অনলাইন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো মূলত তাদের কাজে ব্যবহারের জন্য ছবি কিনে থাকে। সব ধরনের ছবিই বিক্রি হতে পারে। ছবির বিষয়বস্তু হতে পারে প্রকৃতি, ভ্রমণ, খাবারদাবার, সাজসজ্জা, শিক্ষা, চিকিৎসা, আন্দোলন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক ইত্যাদি। প্রাতিষ্ঠানিক কাজে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে কপিরাইটমুক্ত ছবি। গুগল ইমেজ সার্চ থেকে সরাসরি ছবি নিলে স্বত্ব নিয়ে ঝামেলা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই তারা গুগল থেকে সরাসরি ছবি না নিয়ে অনলাইন বাজার থেকে কপিরাইটমুক্ত ছবি কিনে থাকেন।
যা খেয়াল রাখা উচিতঃ
কাজ শুরুর আগে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখা ভালো।
১. নিবন্ধন করার আগে মার্কেটপ্লেসের শর্তাবলি ভালোভাবে জেনে নেওয়া
২. বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে স্থান পাওয়া ছবিগুলো দেখে ছবির মান ও ধরন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া
৩. ছবির রেজল্যুশন ও উচ্চতা-প্রস্থের অনুপাত সম্পর্কে সচেতন থাকা
৪. ছবিতে আলোর পরিমাণ যথাযথ রাখা
৫. ছবিটি কেনার পর ক্রেতার যেন খুব বেশি সম্পাদনার প্রয়োজন না পড়ে, সেদিকে নজর রাখা
৬. বাংলাদেশ থেকে টাকা তোলা যাবে কি না
৭. কত শতাংশ সম্মানী হিসেবে পাওয়া যাবে
৮. কত দিন পরপর টাকা তোলা যাবে
৯. সর্বনিম্ন কত টাকা তোলা যাবে
(সংরক্ষিত)
23/08/2019
ভালোভাবে ঘুমানোর জন্য মোবাইল ব্যবহারের নিয়মঃ
সারা দিনের পর রাতেও ঘুমাতে যাওয়ার আগে মোবাইল ফোন ব্যবহারে ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। এখনকার মানুষের কর্মব্যস্ত সময়ে ভালো ঘুমের প্রয়োজনীয়তার কথা সবাই স্বীকার করেন। এখন অনেকেই অফিসে দিনে আট নয় ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে কাটান। এরপর সময় পেলেই আবার মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখেন। এভাবে ক্রমাগত স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে ঘুমের মারাত্মক সমস্যা হয়। ভালো ঘুমের জন্য তাই স্মার্টফোন ব্যবহারের নিয়ম জেনে রাখা জরুরি।
ঘুমের দুই ঘণ্টা আগেঃ
ভালো ঘুমের জন্য ঘরের তাপমাত্রার বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভরশীল। ঘর খুব বেশি গরম বা ঠান্ডা হলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ভালোভাবে ঘুমাতে ঘরের এসি থাকলে স্বস্তিদায়ক তাপমাত্রায় ঠিক করে নিতে হবে। ঘুমানোর জন্য ঘরের আদর্শ তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘুমাতে যাওয়ার দুই ঘণ্টা আগেই চা বা কফি খাওয়া বাদ দিতে হবে। ঘরের আশপাশে আলো ও শব্দ বন্ধ করে দিতে হবে। ঘরে বেশি আলো নিভিয়ে হালকা হলুদ আলো রাখা যেতে পারে। ঘুমাতে যাওয়ার দুই ঘণ্টা আগেই আলোর বিষয়টি ঠিক করে নেওয়া যেতে পারে।
ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখুনঃ
ঘুমানোর আগে আপনার ফোন সাইলেন্ট মোডে রাখতে পারেন। শোয়ার ঘরে মোবাইল না রেখে পাশের ঘরে বা ড্রয়ারে তা রাখতে পারেন। ঘুমানোর আগে মোবাইল ঘাঁটলে চাপ বাড়ে এবং ঘুমাতে দেরি হয়। ঘুমানোর আগে অন্তত এক ঘণ্টা মোবাইল ছাড়া থাকলে আপনার ঘুমের যথেষ্ট উন্নতি হবে।
মোবাইলে অ্যালার্ম ঘড়ি বন্ধ রাখুনঃ
ঘুমানোর পর সকালে জেগে ওঠার জন্য মোবাইলে অ্যালার্ম দেওয়া বন্ধ করুন। মোবাইলের রিং টোন শুনে ওঠার পরিবর্তে উজ্জ্বল প্রাকৃতিক আলো দেখে জেগে ওঠার জন্য শরীরকে প্রশিক্ষণ দিন। ঘরে যথেষ্ট আলো বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা রাখুন। মোবাইলে অ্যালার্ম দিয়ে রাখলে আপনার মনে ঘুম ভাঙার জন্য ভয় তৈরি হয়ে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে ঘুম থেকে উঠলে মনে ভয় দূর হয়।
(continue.....)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Jessore
7402