রামদিয়া আমার গ্রাম

রামদিয়া আমার গ্রাম

Share

রামদিয়া একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। গ্রামটি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার অন্তর্গত ।

রামদিয়া একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। গ্রামটি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার অন্তর্গত ।
এটি উপজেলা শহর থেকে প্রায় ১৪ কিমি দুরে অবস্থিত। আমাদের গ্রামে দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় দুইটির মধ্যে একটি Boys প্রাইমারী অন্যটি Girls প্রাইমারী । আমাদের এই ছোট্ট গ্রামে ভোটারে সংখ্যা মাত্র সাতশো। চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদাহ জেলার স্বীমান্তবর্তি গ্রাম রামদিয়া। গ্রামটির

27/08/2025

রামদিয়া গ্রামের, ব্যারিষ্টার বাদল রশীদের সহধর্মিণী মারা গেছে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে পুলিশ-৩৫ প্রত্যাশীরা মুখোমুখি #govtjobs #police #somoytv #shorts 30/09/2024

ন্যায্য দাবির আন্দোলনে টিয়ার শেল/ রাবার বুলেট ছুড়ে সরকার কি প্রমান করতে চাই।

কোটা আন্দোলন যতোটা যোক্তিক ছিল, ৩৫ আন্দোলন ঠিক ততোটাই যৌক্তিক

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে পুলিশ-৩৫ প্রত্যাশীরা মুখোমুখি #govtjobs #police #somoytv #shorts

30/09/2024
Photos from রামদিয়া আমার গ্রাম's post 30/09/2024

কেউ মনে রাখেনিঃ

আওয়ামীলীগের সাবেক সাংসদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাতা, অন্যতম সংবিধান রচয়িতা ও চুয়াডাঙ্গার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ্য সন্তান ব্যারিস্টার বাদল রশীদের জন্ম-মৃত্যু দিন নিরবেই অতিবাহিত হয়...........

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নিরবে নিভৃতে চলে যাচ্ছে সাবেক সাংসদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম সংবিধান রচয়িতা ব্যারিস্টার বাদল রশীদের জন্ম দিন। কোন প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ব্যতিত গতকাল রবিবার ৯৫ তম জন্ম বার্ষিকী সকলের অগোচরে অতিবাহিত হয়ে গেল। এতদাঞ্চলে আওয়ামীলীগের গোড়াপত্তনকারি তিনি। অথচ আওয়ামীলীগও তার জন্ম মৃত্যুদিন স্মরণ করে না। বর্তমান প্রজন্মও ভুলে গেছে মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদান।
আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রত্যন্ত রামদিয়া গ্রামে ১৯২৯ সালের এই দিনে সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মেছিলেন। পিতা রুস্তম আলী বিশ্বাস ছিলেন তৎকালীন কলকাতা শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি। তিনি ১৯৫২ সালে লন্ডন গমন করেন বার-এ্যাট-ল পড়তে। ১৯৬৩ সালে তিনি লন্ডনের লিংকস ইন কলেজ থেকে বার-এ্যাট-ল পাস করেন। এ সময় থেকেই তিনি তার সহজাত নেতৃত্বদানের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। এ সময় তিনি কলেজে পড়–য়া বিভিন্ন দেশের সতীর্থদের নিয়ে গঠন করেন “ব্যাক টু দ্যা ভিলেজ” নামের সংগঠন।

ব্যাক টু দ্যা ভিলেজ : সাম্রাজ্যবাদের স্বর্গভূমি লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়ে তরুন বয়সেই তিনি যে আদর্শের মন্ত্রবীজ অস্তিত্বে ধারণ করেছিলেন, শেষ বয়সে গ্রামে বসবাসের মধ্যদিয়ে তার বহি:প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। সৌম্যকান্তি চেহারার তৎকালীন সময়ের উচ্চ শিক্ষিত বিলাত ফেরত যুবকের গ্রামে বসবাস কেউই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতেন না। ফলে অনেকেই তাকে “ধা’পো ব্যারিস্টার বা মাঠো ব্যারিস্টার” বলে কটূক্তি করতেন। তার সাদামাটা জীবন যাপন ছিল কৌতুহল উদ্দীপক। বাড়ির সামনে ঘাসের উপর তার সাথে বসে কত সরকারি কর্মকর্তাকে আলোচনা করতে দেখেছেন অনেকে। তিনি গ্রামের কৃষকদের কল্যাণে “সাপ্তাহিক কৃষক” নামে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

যেভাবে তিনি নেতৃত্বের পাদপ্রদীপের নিচে আসেন : ১৯৬১/৬২ সালের ঘটনা। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিন্ড মার্শাল আয়ুব খান লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। লন্ডনস্থ পাকিস্তান দুতাবাস ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক। নির্ধারিত সময়ে ঘটল এক অঘটন। যার জন্য কেউই প্রস্তুত ছিলেন না। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির চেয়ারে এক বাঙ্গালী ছাত্র হঠাৎ এসে বসে পড়েন। এতে প্রচন্ড অপমানিত হন আয়ুব খান। এঘটনার মধ্যদিয়ে নেতৃত্ব দানের ক্ষেত্র উন্মোচিত হয় ব্যারিস্টার বাদল রশীদের সামনে। তিনি সহজেই হিরো ইমেজ গড়ে তুলতে সমর্থ হন। দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এ খবর। বাঙ্গালীর অসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবের কানেও এ তথ্য পৌঁছে যেতে সময় লাগেনি। তিনি তরুন ব্যারিস্টার বাদল রশীদকে ডেকে নেন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে। এরপর ১৯৬৩ সালে ব্যারিস্টারি পাস করার পরে দেশে ফিরলে তিনি ওই ঘটনায় আটক হন। প্রেসিডেন্ট আয়ুব খান তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠান।

১৯৭০ সালে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে এম.এন.এ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান : তারপর আসে মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা ‘৭১ সাল। সে সময়ে প্রবাসী সরকারের তিনি ছিলেন পলিটিক্যাল লিয়াজো অফিসার ও প্রবাসী সরকার প্রধান তাজ উদ্দিনের ব্যক্তিগত সহকারি। তার অফিস ছিল কলিকাতা ৫১ নম্বর প্রিন্সেস স্ট্রীট।

মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে তার ভূমিকা : মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠন করতে অসামান্য অবদান রাখেন। তিনি অল ইন্ডিয়া ডক ইয়ার্ড শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি কুলকি নায়ারের মাধ্যমে আমেরিকার ডক ইযার্ড শ্রমিকদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, কীভাবে আমেরিকা থেকে যুদ্ধ সামগ্রী নিয়ে গিয়ে পাকিস্তান মানবতা বিরোধী হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। তার আহবানে সাড়া দিয়ে আমেরিকার ডক ইয়ার্ড শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে আন্দোলন শুরু করেন। ফলে তৎকালীন আমেরিকান সরকার নাজুক পরিস্থিতিতে পড়েন। সেকারণে আমেরিকা বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধের সহযোগিতা করতে পাকিস্তানে সপ্তম নৌবহর পাঠাতে পারেনি। সপ্তম নৌবহর এসে পৌঁছলে মুক্তিযুদ্ধের কত বেশি ক্ষতি হত তা সহজেই অনুমেয়। তিনি লন্ডন শহরে অবস্থিত তার একমাত্র বাড়িটিও জনমত গঠনের কাজে ব্যবহার করতেন। তার লন্ডনের “বাংলাদেশ হাউজ” নামের বাড়িটি প্রবাসী সরকারকে দান করেন। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ওই বাংলাদেশ হাউজটি বাংলাদেশ দুতাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হত।

সাংস্কৃতিক দূত : মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন ছাড়াও তিনি প্রবাসী সরকারের আর্থিক তহবিল গঠনের নামেন। তিনি “বিক্ষুদ্ধ বাংলাদেশ” নামে সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তুলে মুম্বাইসহ ভারতের সকল বড় বড় শহরে অনুষ্ঠান করেন। তৎকালীন শান্তিনিকেতনের উপাচার্য’র সহযোগিতায় আপেল মাহমুদ, আ. জব্বার, সরদার আলাউদ্দিন. নমিতা ঘোষ, মকছেদ আলি শাহসহ ভারতের নামিদামী বাঙ্গালী শিল্পীদের নিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেছেন।
ভারতের স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে তার অবদান : ভারত কর্তৃক বাংলাদেশের স্বীকৃতি দানের ক্ষেত্রে ব্যারিস্টার বাদল রশীদের অনস্বীকার্য অবদানের কথা প্রায় সকলের অজানা অধ্যায়। প্রবাসী সরকারের প্রধান তাজউদ্দিন ভারতের প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধীর নিকট যখন বার বার ধর্ণা দিয়েও বাংলাদেশের স্বীকৃতি নিতে পারছিলেন না। তখন ব্যারিস্টার বাদল রশীদ দিল্লীর জামে মসজিদের প্রধান ঈমাম সাহেবকে বুঝিয়ে তাকে দিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর নিকট সুপারিশ করান। তার সুপারিশে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেন ইন্দিরা গান্ধী। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাতা। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে তিনি এমপি এবং ১৯৯০ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৯৩ সালের ২৩ জুন মৃত্যুবরণ করেন। ছোট পরিসরে এ বিরাট কীর্তিমানের সম্পর্কে লেখতে চাওয়া অনেকটা অমার্জনীয়।

এ মহান ব্যাক্তির অবদানের কথা জাতি ভুলে গেলেও চুয়াডাঙ্গার মানুষের হৃদয়ে তিনি চির স্বরণীয় হয়ে থাকবেন।

05/05/2024

কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সতর্কতা!
পশ্চিম অঞ্চল স্পেশাল

আগামীকাল ৬ ই মে রাজশাহী, নাটোর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঈশ্বর্দী, গোপালগঞ্জ, যশোর, নড়াইল, মাদারীপুর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, মানিকগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা, ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঘন্টায় ৬০ থেকে ৯০ কিলোবাইট ঘন্টায় স্থানভেদে, কালবৈশাখী সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

অপরদিকে ঢাকা সিলেট সহ দেশের অনেক এলাকায় বৃষ্টি চলমান আছে কয়েকদফা হতেপারে।

11/08/2023

একটি শোক সংবাদ রামদিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন সাবেক হেডমাস্টার এর পিতা মগবুল হোসেন রামদিয়া বাজার জামে মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন (১১০) ৬:৪০ মি: আনুমানিক ইন্তেকাল করেছেন । ইন্না-লিল্লাহ...... রাজিউন। মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে আগামী কাল ৯:৩০মিনিটে।

13/05/2023

ভয়াবহ সুপার সাইক্লোন মোখা আপডেট ১৫
আপডেট ১৪ ই মে গভীর রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিটে।

পোস্ট টি দ্রুত সেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন, হয়তোবা দ্রুত আক্রান্ত স্থানে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যাবে।

ঘূর্ণিঝড় মোখা ভয়াবহ সুপার সাইক্লোন রুপে কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও রাখাইন আরাকান ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার দিকে প্রবল ভাবে অগ্রসর হচ্ছে।

এটি আজ গভীর রাত ১২ টায় কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৩১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিলো, এবং এটি ক্রমশ উত্তর উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৬ কিলোমিটার এর ভেতরে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ২৬০ কিলোমিটার যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে ৩০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, কি ভয়াবহ ব্যাপার। আল্লাহ আকবার।

সাগর ঐ স্থানে ব্যাপক উত্তাল আছে,
ঝড়টির অগ্রভাগ ১৪ ই মে সকাল থেকে কক্সবাজার ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা অতিক্রম শুরু করতেপারে ও ঘূর্ণিঝড় এর কেন্দ্র দুপুরের দিকে অতিক্রম শুরু করতেপারে।

কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ১০ নাম্বার মহা বিপদ সংকেত চলছে bmd এর মতে, তবে ১১ নাম্বার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত সময়ের ব্যাপার।

চট্টগ্রাম, ৮, পায়রা ৮ ও মংলা ৪ নাম্বার সংকেত চলছে।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভয়াবহ বিপর্যয়ের ভেতরে পড়বে।

সুপার সাইক্লোন মোখা কক্সবাজার ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার দিকে এগোচ্ছে।
এবং সম্পূর্ন অতিক্রম করতে আগামীকাল সকাল ৮ টা হতে সধ্যা রাত হয়ে যেতেপারে।
মানে ঐসকল এলাকায় দীর্ঘ সময় ঝড়ের তান্ডবলীলা চলতেপারে।

চিত্রে লাল চিহ্নিত এলাকা প্রচুর ঝুকিপূর্ণ , কক্সবাজার, বান্দরবান জেলা ও চট্টগ্রাম উপকূল ও সন্দ্বীপ, মহেশখালি কুতুবদিয়া সেন্টমার্টিন টেকনাফ এইসকল এলাকার সকলকে আজ সকালের আগেই নিরাপদ স্থানে সরে পড়া আবশ্যক। আছ্রয় কেন্দ্রে ও বড় বিল্ডিং।
এখানে টেকনাফ, কক্সবাজার ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঘন্টায় ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার বা তারও অধিক বাতাসের অধিক বেগে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া হতেপারে। সাথে ১৫ থেকে ২৫ ফুট উচ্চ জলোচ্ছ্বাস।
ও প্রবল বৃষ্টি ( ৩০০ মিলিমিটার এর আশেপাশে।)
ও চট্টগ্রাম উপকূল ও সন্দ্বীপ এলাকায় ঘন্টায় ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ও ঝড়ো বাতাস হতেপারে ও ১২ থেকে ১৮ ফুট উচ্চ জলোচ্ছ্বাস। ও ৮০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার রেইন।

কমলা চিহ্নিত স্থান ঝুকিপূর্ণ , রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম জেলার পূর্বঅঞ্চল, ফেণী, নোয়াখালী, ভোলা, হাতিয়া, পটুয়াখালী ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা।
এখানে যারা আছেন তারা আগামীকাল দুপুরের আগে মোটামুটি নিরাপদ আছ্রয় স্থানে চলে যাবেন।
এইসকল এলাকায় ঘন্টায় ৬০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাস হতেপারে। ও ৫ থেকে ১০ ফুট উচ্চ জলোচ্ছ্বাস দ্বারা আক্রান্ত হতেপারে।
মাঝারি মানের বৃষ্টির ( ৩০- ৭০ মিমি) সম্ভাবনা আছে।

হালকা ঝুকিপূর্ণ স্থান, হলুদ রং করা স্থান, যেমন, খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা, লক্সীপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, মংলা, দক্ষিণ খুলনা, দক্ষিণ সাতক্ষীরা, দক্ষিণ পিরোজপুর,
এখানে কাউকে নিরাপদ স্থানে যেতে হবেনা, তবে সাগরে না থাকলেই হলো, এইসকল এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতেপারে।

নিরাপদ স্থান : সবুজ চিহ্নিত এলাকা। সম্পুর্ন পশ্চিমবঙ্গ, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগ।
খুলনা বিভাগ ও উত্তর বরিশাল বিভাগ, এইসকল এলাকায় মোখার কোন প্রভাব তেমন পড়বে না, শুধুমাত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতেপারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

আজ রাত চট্টগ্রাম বিভাগ প্রায় নিরাপদ থাকলেও

আগামীকাল ১৪ ই মে সকাল ৬ টার পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে ভয়াবহ রুপ নিতেপারে এবং ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পর্যন্ত একটানা ঝড়ের টান্ডবলীলা চলতেপারে।

চরম ঝুকিপূর্ণ এলাকায়, সবাই মোবাইল চার্জ করে রাখুন, এবং সকল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে গুছিয়ে সরিয়ে রাখুন।
পোস্ট টি দ্রুত শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন, হয়তোবা আক্রান্ত এলাকায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যেতেপারে।

পোস্ট আপডেট : ১৪ ই মে রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিটে।
ধন্যবাদ :

13/05/2023

Big breaking news
বিশ্বের সব বড় বড় আবহাওয়া সংস্থার মতে ঘূর্ণিঝড় মোখা আজ সন্ধ্যা নাগাদ সুপার সাইক্লোনে পরিনত হয়েছে
😱😱

05/04/2023

কেমন লাগছে খরা প্রবাহ এপ্রিল ২০২৩ ও তাপপ্রবাহ দাবানল এর আগাম বার্তা?
তাপপ্রবাহ দাবানল, ১১ ই এপ্রিল টু ২৫ শে এপ্রিল ২০২৩।
তবে এখন থেকেই দাবানল এর শক্তি বোঝা যাচ্ছে।

তবে আপনি যদি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা হয়ে থাকেন, তাহলে খরা ও তাপপ্রবাহ দাবানল আপনার জন্য নয়। আপনার জন্য আকস্মিকভাবে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া সহ বৃষ্টি থাকছে কমবেশি প্রতিদিন।

যাহোক তাপপ্রবাহ ও এরা তীব্র রুপ নিতেযাচ্ছে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা বিভাগে ও ঢাকা ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের অনেক এলাকায়।

আপনার এলাকার কি অবস্থা কমেন্ট করুন?
এখন কি কড়া রোদ না বৃষ্টি হচ্ছে?

Photos from রামদিয়া আমার গ্রাম's post 02/10/2022

আজ রাত আনুমানিক ১২.০০ ঘটিকার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন রামদিয়ার কৃতিসন্তান, সরকারী লালনশাহ কলেজ হরিনাকুন্ডু এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, ফাস্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর সাবেক রেজিষ্টার ইমরোজ মোহাম্মদ শোয়ের(স্বপন)।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজেউন।

Want your school to be the top-listed School/college in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Jessore
7400