26/12/2025
Big shout out to my newest top fans! 💎 Mahabub Alam, Md Saddam Hossain, Habib Rahman, Shimul Kumar Dhor, Ikramul Haq, Adv Moniruzzman, Md Sagor Hassan, Md Saddam Hossain, Meer Rabiul Islam, Anisur Rahman, Md Asif Mahamud
Drop a comment to welcome them to our community,
26/12/2025
যশোরের সাবেক সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার জিএম জুলফিকার আব্দুল্লাহ তাঁর রচিত ছয়টি বই সম্প্রতি কুয়াদা পাবলিক লাইব্রেরিতে প্রদান করেছেন। তাঁকে অজস্র ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। এ নিয়ে লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩১৪ টি।
16/12/2025
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুয়াদা পাবলিক লাইব্রেরির পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা।
09/12/2025
দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক, বিশিষ্ট কবি, কথাশিল্পী ও কুয়াদা পাবলিক লাইব্রেরির অন্যতম অভিভাবক জনাব মোঃ আব্দুল মাজেদ (অবঃ) সম্প্রতি কুয়াদা পাবলিক লাইব্রেরিতে ১৮২টি মূল্যবান বই প্রদান করেছেন। লাইব্রেরির পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
06/12/2025
আজ ৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক "যশোর মুক্ত দিবস"।
১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী বেলা দুপুরের সময় যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়।
যশোর ( মাগুরা,নড়াইল,ঝিনাইদহ) মুক্ত হয়
৬ ডিসেম্বর।
৬ ডিসেম্বর যশোর মুক্ত হলেও মুক্তির সূত্রপাত ঘটে চৌগাছাতে, ২২ নভেম্বর।
দেশ খ্যাত বীর যোদ্ধা শহীদ মশিয়ূর রহমান এর গ্রাম সিংহঝুলি এবং মুক্তিনগর মাঠে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে ভারতীয় মিত্র সেনাদের তুমুল যুদ্ধ হয়।
যুদ্ধবিমান থেকে গোলা নিক্ষেপ(সেল নামে পরিচিত) এবং ট্যাংক থেকে গোলা নিক্ষেপের মাধ্যমেই যুদ্ধ পরিচালিত হয়।
প্রবীণ অভিজ্ঞ মানুষের কাছ থেকে শুনেছি,
তুমুল যুদ্ধের শুরুর আগে গ্রামের মানুষদেরকে সরে যাওয়ার জন্য সংকেত দেওয়া হয়।
সিংহঝুলি গ্রামের দক্ষিণ মাঠে যুদ্ধ সংঘটিত হয়,
গ্রামবাসী উত্তরের গ্রাম তথা জামিরা,স্বর্পরাজপুর,জগদীশপুরে আশ্রয়গ্রহন করে।
৪ ডিসেম্বর মুক্ত হয় চৌগাছা।
একারনেই যুদ্ধের-মাঠ পাশবর্তী গ্রামের নাম মুক্তিনগর।
সিংহঝুলি,খোর্দ সিংহঝুলি, মুক্তিনগরের অনেক মানুষ শহীদ হন।
যুদ্ধ পরবর্তী দীর্ঘকাল মুক্তিনগর মাঠে যুদ্ধট্যাংক পড়েছিলো।
সম্ভবত ১৯৮০ সালের দিকে ট্যাংকগুলো সরিয়ে ফেলা হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের এই ঐতিহাসিক দিনে,
শহীদদের প্রতি জানাই হৃদয়ের গভীর হতে বিমন্র শ্রদ্ধা।
✊
21/11/2025
২১ নভেম্বর, সশস্ত্র বাহিনী দিবস।।
👮♂️👮♂️
17/11/2025
আজ মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী।
10/11/2025
আজ ১০ নভেম্বর, শহিদ নূর হোসেন দিবস।
নূর হোসেন চে গুয়েভারার মতো স্মার্ট-লুকিং ছিলেন না। ছিলেন না তাঁর দলের বা আন্দোলনের শীর্ষ নেতা। মধ্যম সারির তো নয়ই, ছোটখাটো নেতাও ছিলেন না। নিতান্তই একজন কর্মী ছিলেন। অ্যাক্টিভিস্ট। তাই বুঝি তাঁর আত্মত্যাগ তাঁর দলকে প্রভাবিত করলেও, অগ্রসর করলেও, ‘লাভবান’ করলেও, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে সফল করলেও; শেষ পর্যন্ত ব্যক্তি নূর হোসেনের আত্মত্যাগ বিশেষ কোনো দাগ কাটতে পারে না এই দেশের ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাসে। চে যেমন বিশ্বব্যাপী তারুণ্যের প্রতীকে পরিণত হন, হয়ে ওঠেন বিপ্লবের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর; নূর হোসেনও হতে পারতেন তেমনটাই, কিন্তু হননি। হতে পারেননি। চে গুয়েভারার ছবি আঁকা টিশার্ট, ক্যাপ যেমন ছেয়ে গেছে সারা পৃথিবীতে, নূর হোসেনের স্লোগান-আঁকা বুক-পিঠের ছবি দিয়ে বানানো টিশার্ট আপনি পরবেন? পরবেন না। নয়তো এত দিনে বাজারে তেমনটা দেখা যেতো না? টিশার্ট-ক্যাপ তো দূরে থাকুক, ক’জন বাঙালি বা বাংলাদেশিই বা নূর হোসেনকে চেনে, বলুন তো? নূর হোসেন নামটা শুনলেই শ্লোগান-শানানো বুক-পিঠের "জীবন্ত পোস্টার"টাকে চিনতে পারে এই প্রজন্মের ক’জন তরুণতরুণী? কারা মনে রেখেছে "স্বৈরাচার নিপাত যাক/গণতন্ত্র মুক্তি পাক", "দশই নভেম্বর মঙ্গলবার/ লড়াই হবে আরেকার”? কেউ কি পেছনে ফিরে গেছে সাড়ে তিন দশক? তিন যুগ আগের সেই দিনটির কাছে? ইতিহাসের সেই মাইলফলক হতে না পারলেও যাত্রা-বিরতি হয়ে থাকা দিনটির কাছে? “প্রশ্নগুলো ‘খুবই’ সহজ, আর উত্তরও তো ‘সবার’ জানা”।
আর এভাবেই, নূর হোসেনকে তাই দিনশেষে শুধুই একটা শহিদ খেতাব পেয়ে সন্তুষ্ট থেকে যেতে হয়।
08/11/2025
আলহামদুলিল্লাহ,
কুয়াদা পাবলিক লাইব্রেরিতে আজ আরও একটি বইয়ের তাক সংযুক্ত হলো।
28/10/2025
মুক্তিযুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫৪ তম শাহাদতবার্ষিকী আজ।।
26/10/2025
শের-ই- বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫২ তম জন্মবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা ............
শেরেবাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক। জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ ইং, মৃত্যু ২৭ এপ্রিল ১৯৬২ ইং।
বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শেরেবাংলা (বাংলার বাঘ) এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮)।
23/10/2025
কুয়াদা পাবলিক লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, ঢাকা হতে লাইব্রেরির নামে বরাদ্দকৃত ১১৮টি বই আজ লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ হাতে পেয়েছে। এ নিয়ে লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা হাজারের কোটা পার হল। লাইব্রেরিতে এখন মোট বইয়ের সংখ্যা ১০৯২ টি।
অজস্র ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, ঢাকার প্রতি।