:আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত:::
1) আয়াতুল
কুরসি পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে
70,000ফেরেস্তা চর্তুদিক থেকে তাকে
রক্ষা করে।
2) এটি পড়ে বাড়ি ঢুকলে
বাড়িতে দারিদ্রতা প্রবেশ
করতেপারেনা।
3) এটি পড়ে ঘুমালে
সারারাত একজন ফেরেস্তা তাকেপাহারা
দেন।
4) ফরজ নামাযের পর পড়লে তার আর
বেহেস্তের মধ্যএকটি জিনিসেরই দূরত্ব
থাকে; তা হলো মৃত্য। এবংমৃত্য আযাব এতই
হালকা হয়; যেন একটি পিপড়ার কামড়।
5) ওজুর পর পড়লে আল্লাহর নিকট 70 গুন
মর্যাদা বৃদ্ধিলাভ করে।
(সহীহ হাদিস)
Islamer Alo - ইসলামের আলো
(ইসলাম হলো একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান)
12/07/2016
যারা বিবাহ করেছেন তাদের উচিত স্ত্রীর কাজে সাহায্য করা, এইটা সুন্নাহ...!!!
আবু বকর সিদ্দীক (রা:)-এর একটি ঘটনা ||√||→ আহমদ ইবনে হাম্বল রহিমাহুল্লাহ কর্তৃক বর্ণিত, জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা) এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
রাসূল (সাঃ) মিরাজ থেকে ফিরে এসেছেন। সকালবেলা তিনি যখন মক্কার কুরাইশদের মিরাজের ঘটনাটি বললেন তখন কুফ্ফার সম্প্রদায় হাসি-তামাশায় লিপ্ত হয়েছিল। মক্কার এই কুরাইশ সম্প্রদায়ের কুফ্ফারগণ ছিলেন অনেকটা বস্তুবাদি। যা দেখা, যায় ধরা যায়, ছোয়া যায় শুধু তাই তারা আমলে নিত। রাসূল (সাঃ) এর মিরাজের ঘটনাটিকে তারা একটা হাতিয়ার হিসেবে ধরে নিল আর এর মাধ্যমে মিরাজের ঘটনাটিকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইল। কুফ্ফার সম্প্রদায়ের কিছু লোক আবু বকর সিদ্দীক (রা) এর নিকট গেলেন। তিনি বাণিজ্য থেকে কিছুক্ষণ আগে ফিরে এসেছেন, তাই তখনও রাসূল (সাঃ) এর সাথে দেখা করতে পারেননি। কুফ্ফার সম্প্রদায় তাকে বলল, শুনেছ কি তোমার সঙ্গী কি সব বলা শুরু করেছে? সে বলছে, সে নাকি এক রাতের মধ্যে মক্কা থেকে বাইতুল মাকদাস(জেরুজালেম) যেয়ে আবার মক্কায় ফিরে এসেছে।
আবু বকর (রা) বললেন, এই কথাগুলো কি তিনি বলেছেন?
তারা জবাব দিল, হ্যাঁ।
এরপর আবু বকর (রা) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, যদি তিনি সত্যিই বলে থাকেন, তাহলে তিনি সত্য বলেছেন।
কুফফার সম্প্রদায়ের বিস্ময়ে চোখ কপালে উঠে গেল। তারা বলল, তুমি বিশ্বাস কর সে বৃহত্তর সিরিয়ায় যেয়ে আবার এক রাতের মধ্যে ফিরে এসেছে!
আবু বকর (রা) বললেন, আমি তাকে বিশ্বাস করি বরং এর চেয়েও বেশী বিশ্বাস করি ঐসব বিষয়ে যেগুলো তাঁর নিকট ওহী হিসেবে এসেছে।
মোটামুটি এই ঘটনাটুকু আমরা সবাই জানি, কোন বইতে পড়ে কিংবা কারো নিকট থেকে এই ঘটনা শুনে আমরা পুলকিত হই কিন্তু এই ঘটনার মাঝে গুরুত্বপূর্ণ একটি হিকমা রয়েছে যা আমাদের অনেকেরই নজর এড়িয়ে গেছে।
কুফ্ফার সম্প্রদায় যখন আবু বকর (রা) কে রাসূল (সাঃ) এর মিরাজ সম্পর্কিত কথাটি বলল তখন, আবু বকর (রা) এর যদি দূর্বল ঈমান থাকত তাহলে তিনি বলতেন, না এই ঘটনাটি সত্য নয় অথবা, আবু বকর (রা) যদি এমন হতেন যাকে খুব সহজেই কথার চাতুরী দ্বারা অভিভূত করা যায় তাহলে তিনি বলতেন ঘটনাটি সত্য। আবু বকর (রা) চমৎকারভাবে উত্তর দিয়েছিলেন, মাশাল্লাহ। তিনি ঘটনাটি শুনেছেন কুফ্ফারদের নিকট থেকে আর তাই আবু বকর (রা) বললেন, যদি তিনি সত্যিই বলে থাকেন, তাহলে তিনি সত্য বলেছেন।
এর দুইটি অংশ রয়েছে, প্রথমত, ‘যদি তিনি সত্যিই বলে থাকেন’ – হাদীস বিশেষজ্ঞগণ এই পদ্ধতীতে কাজ করেন, অর্থাৎ যদি উৎস সত্যিই রাসূল (সাঃ) এর নিকট থেকে আসে- দ্বিতীয়ত, তাহলে তা সত্য। সেটা হচ্ছে ওহী, আল্লাহর নিকট থেকে রাসূল (সাঃ) এর উপর নাযিলকৃত। অর্থাৎ সহীহ হাদীস পাওয়া গেলে তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা, সেই অনুযায়ী কর্তব্য পালন করা ঈমানী দায়িত্ব, কারণ সেটা ওহী। এমন কথা বলা যাবে না যে, এটা তো আমার যুক্তিতে টিকল না বা আমার বাপ-দাদাদের কখনও এমন কিছু বলতে বা করতে দেখিনি কিংবা আমার মাযহাবে এমনটি সমর্থন করে না’।
আবু বকর সিদ্দীক (রা) এর এই ঘটনা থেকে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এটাই, রাসূল (সাঃ) এর কথা সহীহভাবে আমাদের নিকট পৌছালে বিনা বাক্য ব্যয়ে তা মেনে নিতে হবে, তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কর্ম পালন করতে হবে। সেটা আমার নিকট যুক্তিতে টিকুক আর না টিকুক, আমার চারপাশে লোকজন সেটা মানুক আর না মানুক আমাকে রাসূল (সাঃ) এর কথায় বিশ্বাস স্থাপন করতেই হবে এবং তার যথাসাধ্য অনুসরণ করতে হবে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের রাসূল (সাঃ) এর সাহাবীদের মতো করে দ্বীন ইসলামকে বুঝার তৌফিক দান করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।
হযরত আয়েশা (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সা.) বলেন, " মোজাহিদ ঐ ব্যাক্তি যে তাহার নফসের সহিত জেহাদ করে, অর্থাৎ নফসের খাহেশের বিপরীত চলার চেষ্টা করে। ( তিরমিযী).
যদি নামাযে থাকা মানুষ বুঝতো,আল্লাহপাক কতটুক রহমত দিয়ে তাকে ঘিরে রেখেছেন তাহলে সে সিজদাহ হতে কখনো মাথা উঠাত না"
________হযরত আলী (রাঃ)
অর্ধ পৃথিবীর শাসক খলীফা ওমর (রা) এর
ঈদ
শপিং ও তাঁর অর্থমন্ত্রীর চিঠি ...
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
প্রায় অর্ধেক পৃথিবীর শাসক হযরত উমর
(রাঃ)এর খিলাফতের প্রথম দিকে হযরত
আবু
উবাইদা (রাঃ) তখন রাষ্ট্রীয়
কোষাগার
দেখাশুনা করতেন। অর্থ্যাত অর্থমন্ত্রী
ছিলেন হজরত আবু উবাইদা (রাঃ)।
ঈদের আগের দিন খলীফার স্ত্রী
খলিফাকে
বললেন - ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড়
না হলেও চলবে। কিন্তু ছোট বাচ্চাটি
ঈদের
নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’। খলীফা
বললেন,- ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার
সামর্থ্য নেই!'
পরে খলীফা উমর (রাঃ) অর্থবিভাগের
প্রধান হযরত আবু উবাইদাকে এক মাসের
অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি
পাঠালেন।
সমগ্র মুসলিম জাহানের খলীফা যিনি,
যিনি অর্ধ পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ
ধরনের চিঠি পাঠ করে হযরত আবু
উবাইদার
চোখে পানি এসে গেল।
হযরত আবু উবাইদা (রাঃ) বাহককে
টাকা না
দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন -
‘আমীরুল
মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য
দুটি
বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।
প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে
থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও
মুসলমানেরা
আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল
রাখবে কিনা?’
চিঠি পাঠ করে হযরত উমর (রাঃ) কোন
প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত
কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে
দাঁড়ি
ভিজে গেল । আর হাত তুলে হযরত আবু
উবাইদার জন্য দোয়া করলেন-
‘ হে আল্লাহ! আবু উবাইদার উপর রহম কর,
তাঁকে হায়াত দাও।'
উল্লেখ্য: খলীফার আর পরিবারের জন্য
ঈদের নতুন জামাকাপড় কেনা হয়নি।
- 'আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া'/ ইবনে
কাসীর (রহঃ) অবলম্বনে।
সহবাস করার দোয়া :
‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা ওয়া জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাযাক্বতানা।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আরম্ভ করছি, তুমি আমাদের নিকট হতে শয়তানকে দূরে রাখ। আমাদের এ মিলনের ফলে যে সন্তান দান করবে, তা হতেও শয়তানকে দূরে রাখ।’
শবেকদরের দুআঃ
মা আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি শবেকদর লাভ করলে তাতে কি দুআ পাঠ করব? উত্তরে তিনি বললেন, ‘‘তুমি বলো,
اَللّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ.
উচ্চারণঃ- আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা আফুউবুন তুহিববুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নী।[23]
اَللّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيْمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ.
উচ্চারণঃ- আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা আফুউবুন কারীমুন তুহিববুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নী।[24]
অর্থঃ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল (মহানুভব), ক্ষমাকে পছন্দ কর। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
[23] তিরমিযী ৩৫১৩নং)
(আহমাদ, মুসনাদ ৬/১৭১, ১৮২, ১৮৩, ২৫৮, নাসাঈ আমালুল ইয়াওমি অল-লাইলাহ ৮৭২নং, ইবনে মাজাহ ৩৮৫০, হাকেম, মুস্তাদ্রাক ১/৫৩০) [24]
(তিরমিযী ৩৫১৩নং)
29/06/2016
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমতুল্লাহি ওয়া বরাকাতুহ-
Click here to claim your Sponsored Listing.