বাংলা ইসলামিক শর্টস Quranic Tune
Quranic Tune
দুর্ভোগ প্রত্যেকের যে সামনে নিন্দাকারী ও পেছনে গীবতকারী। (আল-হুমাযাহ; ১০৪/১)।
দাওয়াহ এর উদ্দেশ্য পথ চলা এই পথ চলায় পাশে থাকবেন ইং সা আল্লাহ।
যে নারী কোরআন দিয়ে কথা বলে। Quranic Tune Ra Him
প্রত্যেক হত্যার শাস্তি হত্যা।
আল্লাহ হাদী ভাইকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।
Quranic Tune
জুমা মোবারক না বলে।আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ বলুন।
জুম্মা মোবারক বললে কি হয়? আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ বললে রহমত নাযিল হয় গুনাহ ক্ষমা হয় মর্যাদা বৃদ্ধি হয়।
পৃথিবীর কোন জ্ঞানী কোরআন-সুন্নাহর উপরে এলেম আছে এমন কাউকে বলতে শুনিনি জুম্মা মোবারক, যা আপনি আপনারা ঘটা করে বলেন।
17/09/2025
বড় স্বপ্নের জন্য ধৈর্য লাগে!
একদিন একটা হাতি আর একটা কুকুর একইসাথে গর্ভবতী হলো। তিন মাস পেরোতেই কুকুরটি তিনটি ছানা প্রসব করল। ছানাগুলো বেড়ে উঠতে লাগল। ছয় মাসের মাথায় কুকুরটি আবার গর্ভবতী হলো, নয় মাস পরে এক ডজন বাচ্চা প্রসব করল। এভাবে পালাক্রমে কুকুরটি প্রায় ১৮ মাসে বেশ কয়েক ডজন বাচ্চা জন্ম দিল, যাদের অনেকেই বড় হয়ে গেছে।
এই সময় কুকুরটি হাতিকে দেখে বলল, “তুমি কি আদৌ গর্ভবতী ছিলে? আমরা তো একই সাথে গর্ভবতী হয়েছিলাম। আমি এতগুলো বাচ্চা প্রসব করেছি, আর তুমি এখনও একই অবস্থায় আছ!”
হাতির জবাব ছিল শান্ত অথচ গম্ভীর—“আমার পেটে কুকুর ছানা নয়, হাতির ছানা বেড়ে উঠছে। আমি দুই বছর পর একটি বাচ্চা জন্ম দিই। আর সেই বাচ্চা যখন জন্মায়, তার উপস্থিতিতে পুরো পৃথিবী থমকে যায়। রাস্তা পার হলে মানুষ দাঁড়িয়ে তাকিয়ে দেখে। কারণ সে বিশাল, সে মহিমান্বিত, সে চাইলেই উপেক্ষা করা যায় না।”
এই গল্পটা আসলে শুধু একটা পশুর গল্প নয়—এটা আমাদের সবার জীবনের গল্প।
অনেক সময় আপনি কঠোর পরিশ্রম করছেন, দিনের পর দিন চেষ্টা করছেন, অথচ আশেপাশের মানুষদের সহজে সফল হতে দেখে নিজের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করছেন। মনে হচ্ছে আপনি পিছিয়ে আছেন। অথচ আপনি হয়তো হাতির মতোই নিজের ভিতরে এমন কিছু তৈরির প্রক্রিয়ায় আছেন, যার জন্য সময় দরকার। কারণ আপনি কিছু ছোট নয়, মহৎ কিছু গড়তে চলেছেন।
কুকুরের ছানা যেমন ছোট আর সংখ্যায় বেশি, তেমনি কিছু মানুষ ছোট লক্ষ্য বা অস্থায়ী সফলতায় পৌঁছায় খুব দ্রুত। কিন্তু হাতির মতো যারা বড় স্বপ্ন দেখে, গভীর কিছু তৈরি করে, তাদের সময় লাগে—কিন্তু যখন তারা উঠে দাঁড়ায়, তখন তাদের উপস্থিতি সবাইকে না চাইতেও মুগ্ধ করে।
প্রকৃতি আমাদেরকে শেখায়, বটগাছ জন্মাতে সময় নেয়, কিন্তু একবার দাঁড়িয়ে গেলে বহু প্রজন্ম ধরে ছায়া দেয়। হীরে তৈরি হয় চাপে, অন্ধকারে, বছরের পর বছর ধরে—কিন্তু একবার বেরোলে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী জিনিস হয়ে দাঁড়ায়।
সফলতা-ও তেমনই। কিছু আসে হুট করে, কিছু আসে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলে।
তাহলে আপনি কী করবেন?
1. অন্যের সাফল্য দেখে হীনমন্য হবেন না। আপনিও নিজের পথে আছেন। শুধু আপনার গন্তব্যটা একটু বড়, একটু গভীর, তাই সময় বেশি লাগছে।
2. নিজেকে ছোট ভাববেন না। হাতি যেমন তার আকারে, গম্ভীরতায়, এবং উপস্থিতিতে রাজত্ব করে—আপনিও পারবেন, যদি নিজেকে বিশ্বাস করেন।
3. অপেক্ষা করুন, কিন্তু অলস হয়ে নয়। অপেক্ষা মানে বসে থাকা নয়। কাজ করতে থাকুন, শেখা থামাবেন না, নিজের ভিতরের "হাতিটা" তৈরি হতে দিন।
4. প্রার্থনা করুন। বিশ্বাস রাখুন যে সৃষ্টিকর্তা সঠিক সময়টিই বেছে রাখেন। আপনাকে শুধু সেই সময় পর্যন্ত নিজের প্রস্তুতি ঠিক রাখতে হবে।
আমরা সবাই চাই দ্রুত সফল হতে, দ্রুত ফল পেতে। যেন আজ বীজ বপন করলেই কাল ফসল কেটে নিয়ে আসা যাবে। কিন্তু প্রকৃতি তা শেখায় না। প্রকৃতি বলে—প্রতিটি জীবনের, প্রতিটি সৃষ্টির একটা সময় লাগে।
তাই দ্রুত ফল নয়, গভীর ফল চান। অস্থায়ী সফলতা নয়, স্থায়ী প্রভাব রাখুন। চারপাশের কুকুরগুলোর দৌড় দেখে ঘাবড়ে যাবেন না—আপনি হাতি। আপনার পথ আলাদা, গন্তব্য আরও বড়।
যখন আপনার সময় আসবে, তখন পৃথিবী নিজে থেমে দাঁড়িয়ে তাকাবে। তাই আজ নয়তো কাল নয়—আপনার দিন আসছেই।
শুধু ততদিন নিজেকে প্রস্তুত করুন।
আপনি এখনও পেটের ভেতর ‘হাতি ছানা’ লালন করছেন।
Abdur Rahim Bin Mozaffor Abdur Rahim M
যে হাদিস বলতে গিয়ে আবু হুরায়রা (রা.) তিন বার অজ্ঞান হয়ে গিয়ে ছিলেন।
শুফাই আল-আসবাহী (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, কোন একদিন তিনি মদীনায় পৌছে দেখতে পেলেন যে, একজন লোককে ঘিরে জনতার ভিড় লেগে আছে। তিনি প্রশ্ন করেন, ইনি কে? উপস্থিত লোকেরা তাকে বলল, ইনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) (শুফাই বলেন), আমি কাছে গিয়ে তার সামনে বসলাম। তখন লোকদের তিনি হাদীস শুনাচ্ছিলেন। তারপর তিনি যখন নীরব ও একাকী হলেন, আমি তাকে বললাম, আমি সত্যিকারভাবে আপনার নিকট এই আবেদন করছি যে, আপনি আমাকে এমন একটি হাদীস শুনাবেন, যা আপনি সরাসরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শুনেছেন, ভালোভাবে বুঝেছেন এবং জেনেছেন।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বললেন, আমি তাই করব, আমি এমন একটি হাদীস তোমার কাছে বর্ণনা করব যা সরাসরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং আমি তা বুঝেছি ও জেনেছি। আবূ হুরাইরা (রাঃ) একথা বলার পর কেমন যেন তন্ময়গ্রস্ত হয়ে পড়েন। অল্প সময় এভাবে থাকলেন। তারপর তন্ময়ভাব চলে গেলে তিনি বললেন, আমি এমন একটি হাদীস তোমার কাছে বর্ণনা করব যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ঘরের মধ্যে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তখন আমি ও তিনি ব্যতীত আমাদের সাথে আর কেউ ছিল না। আবূ হুরাইরা (রাঃ) পুনরায় আরো গভীরভাবে তন্ময়গ্রস্ত হয়ে পড়েন। তিনি চেতনা ফিরে পেয়ে মুখমণ্ডল মুছলেন, তারপর বললেন, আমি তোমার নিকট অবশ্যই এরূপ হাদীস বর্ণনা করব যা রাসূলুল্লাহ . সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তখন এই ঘরে তিনি ও আমি ব্যতীত আমাদের সাথে আর কেউ ছিল না। আবূ হুরাইরা আবার বেহুশ হয়ে গেলেন; তিনি পুনরায় হুশে ফিরে এসে তার মুখমন্ডল মুছলেন এবং বললেন, আমি তা করব। আমি অবশ্যই তোমার নিকট এরূপ হাদীস বর্ণনা করব যাহা তিনি আমাকে বর্ণনা করেছেন।
আমি তখন তার সাথে এই ঘরে ছিলাম। আমি আর তিনি ব্যতীত তখন আর কেউ ছিলনা। আবূ হুরাইরা (রাঃ) পুনরায় আরো গভীরভাবে তন্ময়াভিভূত হয়ে পড়েন এবং বেহুশ হয়ে উপুড় হয়ে পড়ে যাচ্ছিলেন। আমি অনেকক্ষণ তাকে ঠেস দিয়ে রাখলাম। তারপর হুশ ফিরে এলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বান্দাদের মাঝে ফায়সালা করার জন্য কিয়ামত দিবসে তাদের সামনে হাযির হবেন। সকল উন্মাতই তখন নতজানু অবস্থায় থাকবে।
তারপর হিসাব-নিকাশের জন্য সর্বপ্রথম যে ব্যক্তিদের ডাকা হবে তারা হলো কুরআনের হাফিয, আল্লাহ্ তা’আলার পথের শহীদ এবং প্রচুর ধনৈশ্বর্যের মালিক।
সেই কারী (কুরআন পাঠক)-কে আল্লাহ তা’আলা প্রশ্ন করবেন, আমি আমার রাসূলের নিকট যা প্রেরণ করেছি তা কি তোমাকে শিখাইনি? সে বলবে, হে রব! হ্যাঁ, শিখিয়েছেন। তিনি বলবেন, তুমি যা শিখেছ সে অনুযায়ী কোন কোন আমল করেছ? সে বলবে, আমি রাত-দিন তা তিলাওয়াত করেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছ, ফেরেশতারাও বলবে, তুমি মিথ্যা বলেছ। আল্লাহ তা’আলা তাকে আরো বলবেন, বরং তুমি ইচ্ছাপোষণ করেছিলে যে, তোমাকে বড় কারী (হাফিয) ডাকা হোক। আর তা তো ডাকা হয়েছে।
তারপর সম্পদওয়ালা ব্যক্তিকে হাযির করা হবে। অতঃপর আল্লাহ তাকে বলবেন, আমি কি তোমাকে সম্পদশালী বানাইনি? এমনকি তুমি কারো মুখাপেক্ষী ছিলেনা? সে বলবে, হে রব! হ্যাঁ, তা বানিয়েছেন। তিনি বলবেন, আমার দেয়া সম্পদ হতে তুমি কোন কোন (সৎ) আমল করেছ? সে বলবে, আমি এর দ্বারা আত্মীয়তার সম্পর্ক বহাল রেখেছি এবং দান-খাইরাত করেছি। আল্লাহ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছ, ফেরেশতারাও বলবে, তুমি মিথ্যাবাদী। আল্লাহ তা’আলা আরো বলবেন, তুমি ইচ্ছাপোষণ করেছিলে যে, মানুষের নিকট তোমার দানশীল-দানবীর নামের প্রসার হোক, আর এরূপ তো হয়েছেই।
তারপর যে লোক আল্লাহ্ তা’আলার রাস্তায় শাহাদাৎ বরণ করেছে তাকে হাযির করা হবে। আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রশ্ন করবেন, তুমি কিভাবে নিহত হয়েছ? সে বলবে, আমি তো আপনার পথে জিহাদ করতে আদিষ্ট ছিলাম। কাজেই আমি জিহাদ করতে করতে শাহাদাৎ বরণ করেছি। আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছ, আর ফেরেশতারাও তাকে বলবে তুমি মিথ্যাবাদী। আল্লাহ তা’আলা আরো বলবেন, তুমি ইচ্ছাপোষণ করেছিলে লোকমুখে একথা প্রচার হোক যে, অমুক ব্যক্তি খুব সাহসী বীর। আর তাতো বলাই হয়েছে।
তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাটুতে হাত মেরে বললেনঃ হে আবূ হুরাইরা কিয়ামত দিবসে আল্লাহ্ তা’আলার সৃষ্টির মধ্য হতে এ তিনজন দ্বারাই প্রথমে জাহান্নামের আগুন প্রজ্বলিত করা হবে।
তিরমিযি - ২৩৮২
31/08/2025
সন্তানের জন্য এমন মায়ের বিকল্প নেই
মেয়ে সন্তান প্রতিপালনে আমার অবস্থান ✨
মা হিসেবে আমি নতুন, তবে সচেতনতার জায়গায় ঝানু মায়েদের মতোই দৃঢ়।
আমার মেয়ের জন্মের পর থেকে তার ডায়াপার আমি কখনো কোনো পুরুষ সদস্যের সামনে পরিবর্তন করিনি। কাউকে আলাদা করে বলতেও হয়নি—শুরু থেকেই এ বিষয়ে আমি এতটাই কড়া।
বাইরে কোথাও ডায়াপার চেঞ্জ করতে হলে, তার বাবা কাপড় দিয়ে ঘিরে ধরতেন যেন মেয়ের প্রাইভেসি নষ্ট না হয়।
এই ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।
অনেক সময় আত্মীয়রা আদর করে কোলে নিয়ে অন্য ঘরে চলে গেছেন, কিন্তু আমি এক মিনিটও মেয়েকে চোখের আড়াল করিনি। পিছন পিছন গিয়েছি। এমনকি যারই হোক, যদি এই কাজ করেন, তাকে আমার কাছে রেড মার্ক করা হয়ে গেছে—খারাপ উদ্দেশ্য থাকুক বা না থাকুক!
আমি অনেক বড় স্যাক্রিফাইসও করেছি। যেমন—মেয়েকে নিয়ে একা একা পিএইচডি ডিফেন্স দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কারণ মেয়ের বাবা তার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। আমি সেটাকে গুরুত্ব দিয়ে মেনে নিয়েছি।
বাংলাদেশে অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ ছিলো। সার্কুলার দেখেও আমি চুপচাপ বসে আছি। প্রোপার সাপোর্ট সিস্টেম ও সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে কোনো ক্যারিয়ার আমি করবো না।
মেয়েকে কেউ জোর করে চুমু দিতে চাইলে কিংবা অতিরিক্ত আদর করতে চাইলে আমি সেসব মানুষকে এড়িয়ে চলতেই স্বস্তি বোধ করি।
কারণ একজন মায়ের অন্তরের চোখ সবসময় খোলা থাকে। সন্তানকে কে কী দৃষ্টিতে দেখছে, তা মায়ের মন অবশ্যই বুঝে ফেলে।
আমার এক আত্মীয় আছেন—তিনি কয়েক ছেলের পর আল্লাহর রহমতে একটি মেয়ে সন্তান পেয়েছেন।
তার মেয়েরা এখন অনার্সে পড়ে। উনি গুনে বলতে পারবেন তার মেয়েরা কতবার বাবা-মায়ের সংগ ছাড়া কোথাও গিয়েছে।
কারো বাসায় বেড়াতেও দেন না যদি প্রোপার অভিভাবক না থাকে। রাতে থাকতে দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।
অনেকেই তাকে নিয়ে টিটকারি করে, কিন্তু আমার কাছে তিনি-ই কন্যা সন্তান প্রতিপালনের আদর্শ মা।
কারণ যে মা ২০-২৫ বছরের মেয়ের প্রতিটি পদক্ষেপে নিজের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারে—সেই মা-ই প্রকৃত মা।
মেয়ে সন্তান প্রতিপালনে একমাত্র সংবিধান হবে—
তার জীবনের প্রতিটি সেকেন্ড থাকবে বাবা-মায়ের চোখের সামনে।
এক মুহূর্তও বেখেয়াল হওয়া যাবে না।
যেমন একটি জাহাজে এক ফোঁটা ছিদ্র দেখলেই নাবিক তা বন্ধ করে দেয়,
ঠিক তেমনি মেয়ের জীবনের নাবিক বাবা-মাকে তার আশেপাশে সম্ভাব্য প্রতিটি ক্ষতিকর পোকা-মাকড়, কিংবা অশুভ মানুষ—সবাইকে আটকে দিতে হবে।
কারণ—
👉 এসব ঠেকানোর একমাত্র উপায় হলো সচেতনতা।
👉 সচেতনতা ছাড়া এই রোগের কোনো প্রেস্ক্রিপশন নেই।
আমার কাছে সন্তান মানে—যাকে আমি গর্ভে ধারণ করেছি। তার বিপদ আমি ছাড়া আর কেউ আমার মতো বুঝবে না।
এটাই একজন মায়ের একমাত্র সত্যিকারের ইন্সটিনক্ট।
✍️ সাফওয়ানা জেরিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Jamalpur Sadar Upazila
2051