04/08/2014
আজ সিরাজ স্যার এর সাথে আলাপ হলো l কথা বলতে পারছিলেননা , কথা জড়িয়ে যাচ্ছিলো l স্যার যখন সৈয়দ পুর প্রথম আসেন তখন আমার বয়স ছিল দুই বছর , স্যার এর প্রথম লজিং ছিল আমাদের বাড়ি l আমার বড় ভাই অধ্যাপক সালেহ আহমেদ রানু তখন এস এস সি পরীক্ষাথী l স্যার আমাকে নাকি তখন অনেক কুলে নিয়েছেন l আমাদের বাড়ি পরে আরো ৩/৪ বার অবস্য লজিং ছিলেন l স্যার এর মুখ থেকে এসব শুনেছি যখন আমি ফেব্রুয়ারীতে দেশে ছিলাম l ভাগ্যক্রমে আমরা ছয় ভাই বোন সহ আমাদের দুই ভাতিজা ভাতিজিও স্যার এর ছাত্র ছাত্রী ছিলাম l গত কাল স্যার এর অসুস্থতার খবর শুনার পর হতে মনটা খুবই খারাপ l আজ অবস্য স্যার এর সাথে কথা বলে অনেক ভালো লাগলো l স্যার আমাকে বললেন উনার অসুখ এর কথা দুয়া করার জন্য , একবারও বলেননি আমার জন্য কিছু কর l স্যার বললেন আমি বোধয় আর বাচবনারে l আমি স্যার কে বললাম আপনার হাজারের উপর ছাত্র ছাত্রী ইংল্যান্ড সহ উন্নত বিশ্বে ব্যবসা চাকুরী নিয়ে আছে , আমরা থাকতে ইনশাআল্লাহ আপনার কিছু হবেনা l আমি বলার সাথে সাথে স্যার হাওমাও করে কান্না আরম্ভ করছেন , আমিও আমার দুই চুখ আটকাতে পারিনি l গতকাল সান্দারল্যান্ড হতে শাহীন ভাই এর মেসেজ পাওয়ার পর হতে প্রানের মদ্ধে যেন কি করতেছে l আজ স্যার কে নিয়ে একটি ফেইসবুক পেজ খুললাম l স্যার আগামী সপ্তাহে ঢাকা পিজি হাসপাতালে ভর্তি হবেন l স্যার কিডনি টিকমত কাজ করতেছেনা l এখন আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন আমরা যারা ইংল্যান্ড এ আছি স্যার কে যদি আমরা ১০পাউন্ড করে দেই স্যার এর চিকিত্সার জন্য তাহলে স্যারকে আর চিকিত্সার জন্য চিন্তা করতে হয়না l স্যার এর বড় ছেলে সৌদিআরব থাকে , কাজ টাজ অনেক সময় পায় অনেক সময় পায়না l ওর ধারা স্যার এর চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়া অসম্বব lআমরা কি পারিনা স্যার এর জন্য কিছু করতে ?? স্যার এর কাছ থেকে তো আমরা অনেক কিছু পেয়েছি,কিন্তু দিতে পারিনি কিছু l আজ সময় এসেছে স্যার এর ঋণ শুধ করার l মনে রাখতে হবে আমাদের হাতে সময় খুবই কম , যা করার এখনি করতে হবে তা নাহলে অনেক দেরী হয়ে যাবে l
-ওলি আহমেদ রুনু