DEENI BARTA

DEENI BARTA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DEENI BARTA, School, Habiganj.

দ্রুত বিয়ে হওয়ার এক জাদুকরী আমল‎‎‎প্রিয় ভাই ও বোন,আমাদের অনেকের বুকের ভেতরেই নীরবে একটা স্বপ্ন বাসা বেঁধে থাকে।‎একজন ...
09/05/2026

দ্রুত বিয়ে হওয়ার এক জাদুকরী আমল


‎প্রিয় ভাই ও বোন,আমাদের অনেকের বুকের ভেতরেই নীরবে একটা স্বপ্ন বাসা বেঁধে থাকে।
‎একজন বিশ্বস্ত জীবনসঙ্গী।একটা ছোট্ট শান্ত ঘর
‎যেখানে ভালোবাসা ডানা মেলে উড়ে বেড়াবে।
‎যেখানে দিনের ক্লান্তি শেষে কেউ একজন বলবে,
‎“আমি আছি তোমার পাশে।”

‎কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় স্বপ্নের চেয়েও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
‎টাকার অভাব, বেকারত্ব, পরিবারের দায়ভার, বড় ভাই-বোনের অগ্রাধিকার সব মিলিয়ে অনেকের স্বপ্ন যেন কুঁড়িতেই ঝরে যায়।

‎আপনিও যদি এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকেন, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।

‎এই আমলের ফলাফল যে আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দান করেন, তার একটি বাস্তব উদাহরণ হলো “আরাফ” (ছদ্মনাম)।

‎আরাফ একজন কওমি মাদ্রাসার ছাত্র। বয়স তেইশের কাছাকাছি। গ্রামের এক মাটির ঘরে তার বেড়ে ওঠা। বাবা একজন সাধারণ কৃষক। তিন ভাই ও তিন বোনের মাঝে সে সবার ছোট।

‎ছোট ছেলে বলে তাকে মাঠে কাজ করতে পাঠানো হয়নি। বরং মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়। আরাফও মন দিয়ে পড়াশোনা করতে থাকে।
‎শৈশব পেরিয়ে ধীরে ধীরে সে যৌবনে পা রাখল। আর সেই সাথে তার হৃদয়ে জন্ম নিল এক নির্মল স্বপ্ন “বিয়ে”।

‎সে ভাবত, কেউ একজন আসুক তার জীবনে যে হবে তার সুখ-দুঃখের সাথী। জ্যোৎস্না রাতে জানালার পাশে বসে যার সাথে চাঁদ দেখা যাবে।বর্ষার রাতে যার মিষ্টি কণ্ঠে কুরআনের তিলাওয়াত শুনে হৃদয় শান্ত হবে। যার কোলের মাথা রেখে একদিন সূরা ইয়াসীন তিলাওয়াত করবে।

‎কিন্তু তার এই রঙিন স্বপ্নের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায় বাস্তবতা, বেকারত্ব,পরিবারের দায়ভার, অবিবাহিত বড় ভাই-বোন,
‎আর নিজের অসহায়ত্ব।

‎তবুও আরাফ স্বপ্ন দেখা থামায়নি। সে শুরু করল বুজুর্গদের শেখানো একটি পরীক্ষিত ৪০ দিনের আমল।

‎প্রতিদিন আমল শেষে সে মহান রবের দরবারে হাত তুলে কাঁদত। আর বলত..

‎হে আমার মালিক,
‎আমি এই ফিতনার যুগে আমার চরিত্রকে হেফাজত করতে চাই। আমি আমার ঈমানকে পূর্ণ করতে চাই। কিন্তু আমার সামনে অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা।আমি বেকার, আমার বিয়ে করার মতো সামর্থ্য নেই। আমার বড় ভাই-বোন এখনো অবিবাহিত।

‎হে সর্বশক্তিমান,
‎আপনি আমার সব বাধা দূর করে দিন। আপনি আমার জন্য হালাল ভালোবাসার ব্যবস্থা করে দিন।

‎দিন যেতে লাগল…

‎কিন্তু ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই তার জীবনে যেন এক অদ্ভুত পরিবর্তনের সূচনা হলো।
‎শুকনো ডালে যেন হঠাৎ বিয়ের ফুল ফুটতে শুরু করল।

‎একদিন রাত।
‎ঘড়ির কাঁটা তখন এগারোটার ছুঁইছুঁই । মাদ্রাসার ছাত্ররা সবাই ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আরাফ আমল শেষ করে বিছানায় যাবে, এমন সময় তার ফোন বেজে উঠল।

‎বড় আপুর ফোন।

‎— কিরে, কেমন আছিস?
‎— আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। তুমি কেমন আছো বুবু?

‎কথা বলতে বলতে হঠাৎ আপু বললেন—

‎তোর জন্য একটা সুখবর আছে।
‎আমরা তোর বিয়ে ঠিক করে ফেলেছি।
‎মেয়েটাও মাশাআল্লাহ দ্বীনি পরিবেশের। তোর মতো সেও মাদ্রাসায় পড়ে।

‎আরাফ যেন আকাশ থেকে পড়ল!

‎— বুবু! এসব কী বলো?
‎আমি এখনো ছাত্র। বড় ভাই এখনো অবিবাহিত।
‎আমাদের টাকা-পয়সা, ঘরদোর কিছুই নেই। এটা কীভাবে সম্ভব? আর এমন অবস্থায় কে বা মেয়ে দিবে?

‎আপু শান্ত কণ্ঠে বললেন—
‎তোর এত কিছু ভাবতে হবে না। মেয়ের পরিবার সবকিছু জেনেই রাজি হয়েছে।মতিন চাচা আপাতত বিয়ের খরচ বহন করবেন। বাকিটা আল্লাহ সহজ করে দিবেন।

‎ফোন রাখার পর আরাফ বুঝতে পারল তার আর্তনাদ আল্লাহ তালা শুনেছেন। বুজুর্গদের শেখানো আমল মহান রব কবুল করেছেন। সে সাথে সাথে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে গেল। চোখ ভিজে গেল অশ্রুতে।

‎বলতে লাগলো, হে মালিক, তুমি অসম্ভবকে সম্ভব কর। তুমিই হৃদয়ের আর্তনাদ শোন। তুমি ছাড়া আর কে বা পারত আমার এই তৃষ্ণা মেটাতে।


‎প্রিয় ভাই ও বোন,একবার চিন্তা করুন আরাফের অবস্থা কেমন ছিল?

‎সে ছিল একজন ছাত্র।কোনো চাকরি ছিল না।মাটির ঘর ছিল তার ঠিকানা।পরিবারে ছিল অসংখ্য সীমাবদ্ধতা। তবুও আল্লাহ তাআলা প্রতিকূল পরিস্থিতিকে তার অনুকূলে এনে দিলেন।

‎আপনার অবস্থাও যদি এমন হয়, তাহলে নিরাশ হবেন না। আজ থেকেই শুরু করুন এই আমল।

‎আমলটি হলো...

‎প্রথমত গুনাহ থেকে ফিরে আসা।
‎যদি কেউ হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে।তাহলে সেই সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা।যদি কেউ নাটক-সিনেমা, অশ্লীলতা বা গুনাহের পরিবেশে ডুবে থাকে। তাহলে সেগুলো ছেড়ে আন্তরিক তওবা করা।

‎কারণ গুনাহ মানুষের রিজিক আটকে দেয়,হৃদয়কে অন্ধকার করে দেয়,আর দোয়ার কবুল হওয়ার পথ সংকুচিত করে ফেলে।

‎দ্বিতীয়ত, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা। কারণ যে বান্দা নিজের রবের হক আদায় করে না, সে কীভাবে আশা করে রব তার প্রয়োজন পূরণ করবেন? নামাজ শুধু ইবাদত নয়,এটি বান্দা ও রবের মাঝে সংযোগের সেতু।

‎তৃতীয়ত,রাতের কোনো এক নির্জন মুহূর্তে যখন চারপাশ স্তব্ধ হয়ে যায়, মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে,
‎আর আকাশের দরজাগুলো খুলে যায় রহমতের জন্য। সেই সময়ে একাকী দুই রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করা।
‎প্রত্যেক সেজদায় তাসবীহ পাঠের পর পড়া
‎رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
‎অর্থঃ
‎হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

‎নামাজ শেষে দু’হাত তুলে নিজের রবের কাছে কাঁদতে কাঁদতে বলা।

‎হে আল্লাহ! আমি বিয়ে করতে চাই।আমি ফিতনার এই যুগে নিজেকে হেফাজত করতে চাই।কিন্তু আমার অবস্থা তুমি জানো।
‎আমি এখনো ছাত্র,আমার চাকরি নেই,ঘরে বড় ভাই-বোন রয়েছে,আমাদের ঘর এখনো কাঁচা।

‎হে আমার রব! আমি জানি অসম্ভবকে সম্ভব করার ক্ষমতা একমাত্র তোমারই আছে।তুমি চাইলে মুহূর্তেই আমার সকল প্রতিবন্ধকতা দূর হয়ে যেতে পারে।

‎চতুর্থ বিষয়: প্রতিদিন অন্তত ১ টাকা হলেও দান করা। কারণ সদকা বিপদ দূর করে,রিজিকে বরকত আনে, আর আল্লাহর রহমতকে টেনে আনে জীবনে।

‎ইনশাআল্লাহ, যদি আপনি আন্তরিকতা ও ধৈর্যের সাথে ৪০ দিন এই আমল চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে মহান রব আপনার জন্যও অদৃশ্য দরজা খুলে দিতে পারেন। কারণ,দুনিয়ার সব দরজা যখন বন্ধ থাকে তখনও আল্লাহর দরজা খোলা থাকে।


‎তাই আজ থেকেই শুরু হোক আপনার পরিবর্তন।

একাধিক বিবাহ: শরিয়তের উদ্দেশ্য বনাম আমাদের উদ্দেশ্য-----------------------------------------------------ইসলামে একাধিক বি...
07/05/2026

একাধিক বিবাহ: শরিয়তের উদ্দেশ্য বনাম আমাদের উদ্দেশ্য
-----------------------------------------------------

ইসলামে একাধিক বিবাহের অনুমতি রয়েছে। এটি কুরআন-সুন্নাহ দ্বারাই প্রমাণিত একটি বৈধ বিধান। তবে এই অনুমতি কেবল ভোগবাদী ব্যবস্থার জন্য নয়। বরং এর পিছনে রয়েছে বহু সামাজিক মানবিক ও পারিবারিক কারণ।

‎একাধিক বিবাহ বৈধ হওয়ার ব্যাপারে আমরা দলিল হিসেবে সূরা নিসার ৩নং আয়াত পেশ করি থাকি । অথচ আল্লাহ তায়ালা উক্ত আয়াতটি একাধিক বিবাহ করতে হবে বা তার প্রতি পুরুষদের আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে নাযিল করেন নাই।

‎উক্ত বিষয়টি আয়াতের প্রেক্ষাপট লক্ষ্য করলেও বুঝা যায়। এটি মূলত এতিম নারী ও অসহায় নারীদের অধিকার রক্ষার প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছিল। অর্থাৎ তা ছিল সমাজে ভারসাম্য ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা।

‎রাসুল সা: এর জীবনের দিকে তাকালেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর অধিকাংশ বিবাহ ছিল বিধবা, অসহায় নারীদের আশ্রয় বা বিভিন্ন গোত্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপন কিংবা বিশেষ সামাজিক প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে।

‎তিনি যখন উম্মে সালামাকে বিবাহ করেন, তখন তাঁর পূর্বের স্বামী আবু সালামা এর সন্তানদের দায়িত্বও নিজ কাঁধে তুলে নেন।
‎তাদেরকে আপন সন্তানের মতই নিজ গৃহে রেখে লালন-পালন করেন। এখান থেকে বোঝা যায়, বহুবিবাহের উদ্দেশ্য কেবল প্রবৃত্তি পূরণ নয়; বরং এর সাথে জড়িত রয়েছে দায়িত্ব, সহমর্মিতা ও মানবিকতা।

‎কিন্তু আমরা এসব কারণ উপেক্ষা করে কেবল ভোগবাদিকেই মূল কারণ হিসেবে বেছে নিয়েছি।
‎আমরা যৌন চাহিদাকে চরিতার্থ করাই মনে করি একাধিক বিবাহের উদ্দেশ্য।
‎"গোনা থেকে বাঁচার জন্য একাধিক বিবাহ প্রয়োজন" এটাকে আমরা শরীয়ত সম্মত কারণ বলে উপস্থাপন করি । অথচ আমার নিকট এটা সব ক্ষেত্রে শরীয়ত সম্মত কারণ বলে মনে হয় না। বরং নিজের প্রবৃত্তিকে শরীয়তের ভাষা দিয়ে বৈধ প্রমাণ করার প্রচেষ্টা করা।


‎কেননা একজন পুরুষের ঘরে যদি সুস্থ স্বাভাবিক একজন স্ত্রী থাকে, তাদের মাঝে বাহ্যত কোন কলহ বিবাদ না থাকে । তাহলে ওই পুরুষের জন্য কেবল গুনাহ থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে একাধিক বিবাহ করা এটা কোন কারণই হতে পারে না।

‎এটা কারণ হিসেবে দাঁড়ায় তখনি যখন পুরুষ নিজের চোখ,কান, মুখকে পরনারী থেকে হেফাজত করে না।

‎কারণ একজন পুরুষ যখন নিজ স্ত্রী রেখে অন্য নারীর দিকে তাকায়, তার সাথে কথা বলে বা কোন ভাবে তার কথা শ্রবণ করে। তখন স্বাভাবিকভাবেই তার অন্তরে নতুন আকাঙ্ক্ষার জন্ম হবে। তখন সে ভাবতে শুরু করবে অমুক তো আমার স্ত্রীর চেয়েও সুন্দরী, তার চাইতেও মিষ্টভাষী। আর এই তুলনাই ধীরে ধীরে তাকে ফিতনার দিকে ঠেলে দেয়।
‎আর তখনই বলে ওঠে গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য আমার একাধিক বিয়ের প্রয়োজন।

‎পক্ষান্তরে ওই ব্যক্তি যদি তার চোখ হেফাজত করে রাখতো। কানকে পরনারীর কথা শোনা থেকে বারণ রাখতো। তাদের সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে জবানকে হেফাজত করতো।তাহলে তার এই ধারণা কখনো মনে উদ্রেক হতো না। বরং নিজের স্ত্রীর মাঝেই সে প্রশান্তি খুঁজে পেতো।

‎অতএব গুনাহ থেকে মুক্ত থাকার জন্য একাধিক বিয়ে করা এটা সব ক্ষেত্রে শরীয়ত সম্মত কারণ হতে পারে না।

‎তবে এর অর্থ এই নয় যে, গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য” একাধিক বিবাহের কোনো বৈধতা নেই। কিছু পরিস্থিতি সত্যিই এমন হতে পারে, যেখানে একজন পুরুষের জন্য গোনাহ থেকে বাঁচার লক্ষ্যে একাদিক বিয়ে শরীয়তসম্মত প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায়। যেমন:-

‎তার স্ত্রী দীর্ঘ অসুস্থ। স্বামীকে শারীরিক মানসিক সুখ দিতে অক্ষম কিংবা সন্তান জন্মে তিনি অপারগ অথবা স্বামী স্ত্রী মাঝে বাহ্যত কোন ঝগড়া-বিবাদ । ফলে স্বামী সব রকম সুখ থেকে বঞ্চিত। তা সত্ত্বেও তিনি সংসার টিকিয়ে রাখতে চান। তখন স্বামীর জন্য গোনাহ থেকে বাঁচার লক্ষ্যে একাধিক বিবাহ করা শরিয়ত সম্মত কারণ হবে।

‎অতএব উল্লেখিত কারণ ছাড়া শুধুমাত্র প্রবৃত্তি পূরণের লক্ষ্যে একাধিক বিয়েকে শরিয়ত সম্মত কারণ সাবস্ত করা শরিয়তকে কলুষিত করার নামান্তর।

‎আমার পরামর্শ :-
‎একাধিক বিবাহ করার পূর্বে আপনি একজন নেককার,দায়িত্বশীল ও যত্নবান স্বামী হোন।

‎নিজেকে পরনারী থেকে দূরে রাখুন। বিশেষ করে চোখের হেফাজত করুন। কেননা চোখের হেফাজত অনেক ক্ষেত্রেই একাধিক বিবাহ করা ছাড়াই আপনাকে অনেক গোনাহ থেকে মুক্ত রাখবে ইনশাআল্লাহ।

‎আর যদি একান্ত প্রয়োজনে একাধিক বিবাহ করতেই হয়। তাহলে তা যেন হয় সুন্নাহ মোতাবেক ও শরিয়ত সম্মত কারণে।


‎(আমি কোন লেখক নই। তাই আমার লেখায় একাধিক ভুল হতে পারে। সমালোচনা না করে ভুলগুলো শুধরে দিবেন)

#বিবাহ

ইচ্ছে করে কখনো গুনাহ করি না, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েও দোয়া করি। তবুও দোয়া কবুল হয় না।‎তাহাজ্জুদ হলো রাতের শেষ প্রহরে বান্দ...
03/05/2026

ইচ্ছে করে কখনো গুনাহ করি না, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েও দোয়া করি। তবুও দোয়া কবুল হয় না।

‎তাহাজ্জুদ হলো রাতের শেষ প্রহরে বান্দার সঙ্গে তার রবের একান্ত নির্জন আলাপন। এটা এমন এক মুহূর্ত, যেই মুহুর্তে বান্দা দোয়া করলে তার দোয়া কবুল করা হয়।
‎কারণ হাদিসে এসেছে, এই সময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের ডেকে বলেন—কে আছো, যে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব।কে আছো, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব।

‎কিন্তু আমরা বাস্তবতা ভিন্ন দেখতে পাই।
‎আমরা তাহাজ্জুদে দাঁড়াই,হাত তুলি,চোখ ভিজাই। কিন্তু আমাদের দোয়া যেন আকাশ ছুঁতে পারে না। আমাদের চাওয়াগুলো যেন কখনো পূরণ হয় না। বিপদ কমার পরিবর্তে যেন আরও বেড়ে যায়। তখন মনে প্রশ্ন জাগে–আমরা তো ইচ্ছে করে কখনো গুনাহ করি না, তাহলে কেন এমন হচ্ছে? আমরা কি তাঁকে ডাকতে পারিনা? না-কি তাঁর কাছে চাইতে জানি না?

‎না এমনটা নয়।
‎আল্লাহ তায়ালা তো বান্দার অন্তরের কথাও জানেন। তার ভাব,অনুভুতি সম্পর্কেও জ্ঞাত। তাই আমরা ঠিকভাবে চাইতে পারি না বা ডাকতে জানি না এগুলো আসল কারণ নয়।
‎বরং এর পেছনে থাকতে পারে গোপন কিছু কারণ, যার একটি বড় কারণ হলো—গোপন গুনাহ।
‎এটা এতটাই গোপন ও সুক্ষ্ম যে, যা আমাদের দৃষ্টির আড়ালে থেকে যায়। আমরা সেটাকে গুনাহ বলেই মনে করি না, তাই তাওবার প্রয়োজনও অনুভব করি না। ফলে অজান্তেই সেই গুনাহ চলতেই থাকে।


‎ধরুন, রাস্তায় চলতে গিয়ে কোনো বেগানা নারীর দিকে চোখ পড়ল, তৎক্ষণাৎ আমরা এটাকে গুনাহ ভেবে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিই। পরে হয়তো আল্লাহর কাছে ক্ষমাও চাই। কিন্তু একই দৃষ্টি যখন মোবাইলের স্ক্রিনে পড়ে, সাইনবোর্ড কিংবা বিলবোর্ড ইত্যাদির দিকে পড়ে তখন কি আমরা দৃষ্টি ফিরিয়ে নেই? না নেই না। অনেক সময় সেটাকে আমরা গুনাহই মনে করি না। ফলে তাওবা করাও প্রয়োজন বোধ করি না, গুনাহটাও থেকে যায়।
‎এভাবেই গুনাহ জমতে জমতে আমাদের অন্তর ভারী হয়ে যায়। আর সেই ভারী অন্তর নিয়ে যখন আমরা দোয়া করি, তখন দোয়ার প্রভাব কমে যায়।
‎ফলে তাহাজ্জুদের মতো বরকতপূর্ণ মুহুর্তেও আমাদের দোয়া কবুল হয় না।
‎কারণ দোয়া কবুলের শর্তগুলোর মধ্যে এটাও একটি শর্ত যে, নিজ আত্নাকে সকল প্রকার গুনাহ থেকে পবিত্র রাখা ।


‎তাই আমাদের করণীয় নিজেদেরকে গোপন ও প্রকাশ্য সব গুনাহ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করা, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার গুনাহ থেকে নিজেকে হেফাজত করা। আর আন্তরিকভাবে তাওবা করে রবের দরবারে ফিরে যাওয়া।
‎তখনই ইনশাআল্লাহ, আমাদের দোয়া আরও বেশি কবুলের উপযুক্ত হয়ে উঠবে।

‎আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আমিনুল ইসলাম হামিদী

02/04/2026
মাসআলা কুইজ ৩৮নং পর্ব এই কুইজের বিজয়ীর জন্য থাকছে এক বিশেষ পুরস্কার — তাঁর ছবি দিয়ে তৈরি করা হবে আকর্ষণীয় একটি ব্যানার, ...
24/10/2025

মাসআলা কুইজ ৩৮নং পর্ব
এই কুইজের বিজয়ীর জন্য থাকছে এক বিশেষ পুরস্কার — তাঁর ছবি দিয়ে তৈরি করা হবে আকর্ষণীয় একটি ব্যানার, যা প্রকাশ করা হবে সবার সামনে, যেন সবাই তাঁকে চেনে একজন জ্ঞান-অনুসন্ধানী মুমিন হিসেবে। ✨

আমাদের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য কোনো প্রতিযোগিতা নয়, বরং দ্বীনের সঠিক মাসআলা ছড়িয়ে দেওয়া।
যারা সঠিক মাসআলা জানেন, তারা কমেন্টে উত্তর দিয়ে অন্যদের জানার সুযোগ করে দেবেন।
আর যারা জানেন না বা সন্দিহান, তারা সেই কমেন্ট থেকেই জেনে নেবেন ইসলামের সঠিক নির্দেশনা।

এভাবেই— মন্তব্য থেকে জ্ঞান, প্রতিযোগিতা থেকে শিক্ষা,
আর শিক্ষা থেকে জন্ম নেবে একটি জান্নাতমুখী সমাজ। 🌸👇
Global Quran & Arabic Online Academy

🌼 শেয়ারকারীরা অগ্রাধিকার পাবে 🌼


#কুইজ #ইসলামিককুইজ

23/10/2025

মাসআলা কুইজ ৩৭নং পর্ব

🌼 প্রশ্ন :- নিজের আপন ভাতিজির মেয়েকে বিবাহ করা কি বৈধ? 🌼
বিস্তারিত কমেন্ট👇

🍂 আলহামদুলিল্লাহ!  আমাদের মাসআলা কুইজ ৩৬নং পর্বের প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজন বিজয়ী হয়েছেন। ১ম বিজয়ী: تاوشي أكتار تيشا ২য় বি...
22/10/2025

🍂 আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের মাসআলা কুইজ ৩৬নং পর্বের প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজন বিজয়ী হয়েছেন।
১ম বিজয়ী: تاوشي أكتار تيشا
২য় বিজয়ী: মায়াবতী
৩য় বিজয়ী: হৃদয়ের অনুভূতি

🌼উনাদের দ্বীনি আগ্রহ আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করেছে।আপনার উনাদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।

আসুন আমরা সবাই মাসআলার সঠিক জ্ঞান ছড়িয়ে দেই!

🌼এবার আমরা জানব গত পর্বের সঠিক উত্তর কি ছিল:
প্রশ্ন ছিল: আপন ভাগ্নির মেয়েকে বিবাহ করা কি বৈধ ?
🌼সঠিক উত্তর হল:- আপন ভাগ্নির মেয়েকে বিবাহ করা বৈধ নয়।

🍂প্রতিদিন এরকম শিক্ষনীয় মাসআলা কুইজ পেতে আমাদের Global Quran & Arabic Online Academy পেজকে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান!

মাসআলা কুইজ ৩৬নং পর্ব এই কুইজের বিজয়ীর জন্য থাকছে এক বিশেষ পুরস্কার — তাঁর ছবি দিয়ে তৈরি করা হবে আকর্ষণীয় একটি ব্যানার, ...
21/10/2025

মাসআলা কুইজ ৩৬নং পর্ব
এই কুইজের বিজয়ীর জন্য থাকছে এক বিশেষ পুরস্কার — তাঁর ছবি দিয়ে তৈরি করা হবে আকর্ষণীয় একটি ব্যানার, যা প্রকাশ করা হবে সবার সামনে, যেন সবাই তাঁকে চেনে একজন জ্ঞান-অনুসন্ধানী মুমিন হিসেবে। ✨

আমাদের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য কোনো প্রতিযোগিতা নয়, বরং দ্বীনের সঠিক মাসআলা ছড়িয়ে দেওয়া।
যারা সঠিক মাসআলা জানেন, তারা কমেন্টে উত্তর দিয়ে অন্যদের জানার সুযোগ করে দেবেন।
আর যারা জানেন না বা সন্দিহান, তারা সেই কমেন্ট থেকেই জেনে নেবেন ইসলামের সঠিক নির্দেশনা।

এভাবেই— মন্তব্য থেকে জ্ঞান, প্রতিযোগিতা থেকে শিক্ষা,
আর শিক্ষা থেকে জন্ম নেবে একটি জান্নাতমুখী সমাজ। 🌸

🌼 শেয়ারকারীরা অগ্রাধিকার পাবে 🌼
👉👉Global Quran & Arabic Online Academy


#কুইজ #ইসলামিককুইজ

🍂 আলহামদুলিল্লাহ!  আমাদের মাসআলা কুইজ ৩৪নং পর্বের প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজন বিজয়ী হয়েছেন। ১ম বিজয়ী: Emdadul Haque Dipu ২য় ...
21/10/2025

🍂 আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের মাসআলা কুইজ ৩৪নং পর্বের প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজন বিজয়ী হয়েছেন।
১ম বিজয়ী: Emdadul Haque Dipu
২য় বিজয়ী: Fatiha Ayat
৩য় বিজয়ী: Adil Mahmud

🌼উনাদের দ্বীনি আগ্রহ আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করেছে।আপনার উনাদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।

আসুন আমরা সবাই মাসআলার সঠিক জ্ঞান ছড়িয়ে দেই!

🌼এবার আমরা জানব গত পর্বের সঠিক উত্তর কি ছিল:
প্রশ্ন ছিল:অল্প অল্প করে বমি করলে কি বোঝো ভঙ্গ হয়ে যাবে ?
🌼সঠিক উত্তর হল:-অল্প অল্প করে বমি করলে ওজু নষ্ট হয় না কিন্তু সেই বমি যদি মুখ ভরে যাবার পরিমাণ হয় তাহলে ভেঙে যাবে"

🍂প্রতিদিন এরকম শিক্ষনীয় মাসআলা কুইজ পেতে আমাদের Global Quran & Arabic Online Academy পেজকে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান!

Address

Habiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DEENI BARTA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category