আখলাকের ভালো-মন্দ নির্ণয়ের মানদণ্ড
আলোচক,
আনাস চৌধুরী
শিক্ষক, দারুল ইরশাদ, বহুলা মাদ্রাসা, হবিগঞ্জ
Iman Institute Habiganj
সর্বস্তরের মুসলিমদের মাঝে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা বিস্তারে প্রত্যয়ী একটি প্লাটফর্ম
উত্তম আচরণের ভালো উদ্দেশ্য, মন্দ উদ্দেশ্য...
আলোচক- আনাস চৌধুরী Anas Chowdhury
কিভাবে অর্জন করব উত্তম আখলাক?
আলোচকঃ আনাস চৌধুরী
শিক্ষক, দারুল ইরশাদ ওয়াদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া হবিগঞ্জ
আখলাক বা চরিত্রের প্রকৃত পরিচয় ও গুরুত্ব | What is Character in Islam? | আলোচক: আনাস চৌধুরী
এই ভিডিওতে আখলাক বা চরিত্রের শাস্ত্রীয় সংজ্ঞা, এর স্বরূপ এবং ইসলামে উত্তম চরিত্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন আনাস চৌধুরী।
এই ভিডিওতে যা যা থাকছে:
আখলাক বা চরিত্রের প্রকৃত অর্থ ও সংজ্ঞা। [00:39]
স্বভাব এবং সাময়িক আচরণের মধ্যে পার্থক্য। [02:18]
ইসলামের পূর্ণাঙ্গতায় আখলাকের স্থান (আকায়েদ, ইবাদত, মুয়ামালাত, মুয়াশারাত ও আখলাক)। [06:01]
পবিত্র কুরআনের আলোকে ইসলামে পূর্ণাঙ্গ প্রবেশের গুরুত্ব। [09:25]
উত্তম চরিত্র গঠনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রেরিত হওয়ার মূল উদ্দেশ্য। [17:19]
ঈমানের পূর্ণতায় আখলাকের ভূমিকা ও হাদিসের নির্দেশনা। [21:46]
ইসলামিক জীবনদর্শনে নিজের চরিত্রকে সুন্দর করতে এবং আখলাকের মৌলিক নীতিমালা জানতে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন।
আলোচনায়: আনাস চৌধুরী
ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন এবং শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন। নিয়মিত এমন ইসলামিক ভিডিও পেতে পেইজটি সাবস্ক্রাইব করুন।
#আখলাক #চরিত্র #ইসলামিক_শিক্ষা #আনাস_চৌধুরী #উত্তম_আখলাক #ইসলাম
ঈদ মোবারক!
তাকাব্বাল্লাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
দীর্ঘ বিরতির পর আমাদের কার্যক্রম শুরু হবে ইনশা আল্লাহ!
কী পড়ব কেন পড়ব - ৩৭
ইসলামী আকীদা বিশ্বাসে উত্থাপিত আপত্তির জবাব
মূল- হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী
তরজম- মাওলানা আব্দুল গাফফার
প্রকাশক- রিসালাতুল ইসলাম বাংলাদেশ
কী পড়ব কেন পড়ব - ৩৪
'শরীয়তের আলোকে ক্রয় বিক্রয়' (ফিকহুল বুয়ু)
রচনা- মুফতী তাকী উসমানি
তরজমা- যুবায়ের হাসান
প্রকাশক- গ্রন্থালয়
20/07/2025
আমরা লক্ষ্য করলে দেখব, আল্লাহ তায়ালার আনুগত্যের দুটি দিক আছে। একটি হচ্ছে বাধ্যতামূলক আনুগত্য। আস্তিক নাস্তিক মুমিন কাফের বিশ্বাসী অবিশ্বাসি সবাইকে এগুলো মেনে চলতে হয়। যেমন আল্লাহ তায়ালা যখন কারো ব্যাপারে সুস্থতা কিংবা অসুস্থতার ফায়সালা করেন তখন সে যেই হোক তাকে এই ফায়সালার আনুগত্য করতে হয়। একইভাবে কাউকে সম্মানিত করা, ক্ষমতাবান করা কিংবা ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়ার ফায়সালা করেন, তখন সে বিশ্বাসী হোক বা অবিশ্বাসী, তাকে আল্লাহর এই ফায়সালা মেনে নিতেই হয়। এই আনুগত্যে যেহেতু মানুষ বাধ্য ও এখানে অন্যকোন পথ নেই, তাই এই স্তরের আনুগত্যে বিশেষ মর্যাদাও নেই।
আরেক স্তরের আনুগত্য হল ইচ্ছাধীন আনুগত্য। যেমন আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে নবী রাসূল পাঠিয়ে মানবজাতিকে বিভিন্ন নির্দেশনা ও শিক্ষা দিয়েছেন। কিছু কাজ করতে বলেছেন। কিছু কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। এবং এগুলো পালন করা বা না করার এখতিয়ারও তিনি মানুষকে দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন, নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ থাকলে যাকাত প্রদান কর। এখন কেউ ইচ্ছা করলে যাকাত আদায় করে আল্লাহর এই নির্দেশ পালন করতে পারে। আবার কেউ চাইলে অমান্যও করতে পারে। এই এখতিয়ার আল্লাহ মানুষকে দিয়েছেন। তবে তিনি এটাও জানিয়ে দিয়েছেন যে তার আনুগত্য করবে তিনি তাকে সম্মানিত করবেন। অপরদিকে যে খোদায়ী নির্দেশনা অমান্য করবে তিনি তাকে শাস্তি দিবেন। বস্তুত ঈমান ইসলামের মূল কথা এটাই যে একজন ব্যক্তি আল্লাহত তায়ালার এজাতীয় নির্দেশনা মেনে চলবে, পূর্ণাংগ আনুগত্য করবে। এই প্রত্যয় গ্রহণ করা ব্যতিত কেউ মুমিন মুসলিম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
পুরো লেখাটি পড়তে কমেন্টে দেয়া লিংকে ক্লিক করুন!
সাহাবী আনাস ইবনে মালিক বলেন, একদিন আমি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রাস্তায় চলছিলাম। তাঁর গায়ে ছিল মোটা আঁচল বিশিষ্ট একটি নাজরানি চাদর। এক বেদুঈন তাঁকে পেয়ে খুব জোরে টেনে ধরল। আমি লক্ষ করলাম, জোরে টানার কারণে নবীজির কাঁধে চাদরের দাগ পড়ে গেছে। বেদুইন লোকটি বলল, আল্লাহর যে সম্পদ আপনার কাছে আছে, তা থেকে আমাকে কিছু দেয়ার নির্দেশ দিন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকিয়ে হাসলেন এবং তাকে কিছু সম্পদ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (সহি বুখারী, হাদীস ৩১৪৯)
নবীজি তাকে ধমক দেননি, তার প্রতি রাগও প্রকাশ করেননি। অথচ লোকটি যে আচরণ করেছে এবং যে ভাষায় কথা বলেছে, একারণে তাকে শাসিয়ে দেয়া এবং তার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা ছিল যৌক্তিক ও আইনত অধিকার। নবীজি তার সাথে যে আচরণ করেছেন এর মধ্য দিয়ে অনেকগুলো উত্তম আখলাক বা সুন্দর স্বভাবের প্রকাশ ঘটেছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে উদারতা ও সহজতা।
উদারতার পরিচয়
উদারতা মানে-
সহজ পথ অবলম্বন করা।
নিজের অধিকারে কিছুটা ছাড় দেয়া।
কারো থেকে ছোট খাটো ভুল হয়ে গেলে এড়িয়ে যাওয়া
পীড়াপীড়ি না করে স্বাচ্ছন্দ্যতা ধরে রাখা।
বস্তুত উদারতা ও সহজতা ইসলামের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি প্রসিদ্ধ হাদিসে বলেছেন, আমি প্রেরিত হয়েছি সঠিক ও সহজ-সরল ধর্ম নিয়ে। (মিরকাত, ৬/১৯১) নবীজি আরোও বলেছেন, যে বস্তুতেই কোমলতা আসে তা সুন্দর হয় আর যে বস্তু থেকেই তা উঠিয়ে নেয়া হয় তা ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে। (সহি মুসলিম, হাদীস ২৫৯৪)
একটি উদাহরণ
এজন্য আমরা ইসলামের সমস্ত বিধানের ক্ষেত্রে এই সহজতা সরলতা ও উদারতার উপস্থিতি ব্যাপকভাবে দেখতে পাই।
ইসলামের দ্বিতীয় রুকন নামাজের কথাই ধরা যাক। নামাজের মূল বিধান হচ্ছে দাঁড়িয়ে আদায় করা। কিন্তু অসুস্থতার কারণে কোন ব্যক্তি যদি দাঁড়াতে অক্ষম হন, তাহলে বসে নামাজ পড়বেন। কেউ যদি বসতে না পারেন তাহলে তাকে শুয়ে আদায় করার অনুমতিও দেয়া হয়েছে। (সহি বুখারি, হাদীস ১১১৭) আল্লাহ তায়ালা যেমন ইসলামের প্রতিটি বিধানে উদারতা ও সহজতা রেখেছেন, ঠিক তেমনি ইসলাম মানুষকে তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উদারতা ও সহজতা লালন করার শিক্ষা দিয়েছে।
'উদারতা ও সহজতাঃ জীবনে আনে অনাবিল প্রশান্তি'
মাওলানা আনাস চৌধুরী
পুরো লেখাটি পড়তে কমেন্টের লিংকে ক্লিক করুন।
05/05/2025
হিন্দুত্ববাদী মনস্তত্ত্ব ও মুসলিম নির্যাতন ~ মাওলানা আনাস চৌধুরী
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Habiganj
3300