Tawba Hidayah তাওবা হিদায়াহ

Tawba Hidayah তাওবা হিদায়াহ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tawba Hidayah তাওবা হিদায়াহ, Education Website, Habigang, Habiganj Sadar.

Tawba Hidayah তাওবা হিদায়াহ
পরিচ্ছন্ন হৃদয়ের জন্য একটি আধ্যাত্মিক যাত্রা
আমাদের লক্ষ্য হলো সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে এবং ব্যক্তিগত চরিত্র গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করা। আমাদের এই যাত্রায় আপনিও সঙ্গী হোন।

20/05/2026

"জান্নাতের ১১টি সহজ চাবিকাঠি!"

প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও সহজে আদায় করা যায়, এমন ১১টি ছোট কিন্তু অত্যন্ত প্রভাবশালী আমলের তালিকা নিচে দেওয়া হলো। এই আমলগুলো নিয়মিত করলে ইনশাআল্লাহ জান্নাতের পথ অনেক সহজ হয়ে যাবে। প্রত্যেকটি আমলের সাথে বিশুদ্ধ হাদিসের প্রমাণ (রেফারেন্স) যুক্ত করা হলো:

১. প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর 'আয়াতুল কুরসি' পড়া

আমল: পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ শেষ করে সালাম ফেরানোর পর ১ বার আয়াতুল কুরসি পড়া।

সময়: মাত্র ১ মিনিট।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জান্নাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।" (নাসায়ি, সুনানুল কুবরা: ৯৯২৮; সহিহ আল-জামে: ৬৪৬৪)

২. সকাল-সন্ধ্যায় ৩ বার 'জান্নাত' চাওয়া

আমল: প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করা। (সহজ দোয়া: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ)

সময়: ৩০ সেকেন্ড।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জান্নাত চায়, জান্নাত তখন আল্লাহর কাছে দোয়া করে—হে আল্লাহ! একে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দিন।" (তিরমিজি: ২৫৭২; ইবনে মাজাহ: ৪৩৪০)

৩. সকাল-সন্ধ্যায় 'সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার' পড়া

আমল: তাওবা ও ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দোয়াটি (সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার) সকালে ও সন্ধ্যায় অন্তত ১ বার বুঝে পড়া।

সময়: ১ মিনিট।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে দিনের বেলা এই দোয়াটি পড়বে এবং সন্ধ্যার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতি হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে পড়বে এবং সকাল হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতি হবে।" (সহিহ বুখারি: ৬৩০৬)

৪. সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়া

আমল: প্রতিদিন বা প্রতি নামাজের পর ৩৩ বার 'সুবহানাল্লাহ', ৩৩ বার 'আলহামদুলিল্লাহ' এবং ৩৪ বার 'আল্লাহু আকবার' পড়া।

সময়: ২-৩ মিনিট।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"কিছু আমল এমন আছে যা পাঠকারী কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর ৩৩ বার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), ৩৩ বার তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) এবং ৩৪ বার তাকবির (আল্লাহু আকবার) পড়া।" (সহিহ মুসলিম: ৫৯৬) অন্য হাদিসে এটিকে জান্নাত অর্জনের সহজ মাধ্যম বলা হয়েছে।

৫. দ্বীনি মজলিস বা কোরআন-হাদিসের ইলম শিক্ষা করা

আমল: প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ মিনিট কোনো দ্বীনি বই পড়া, কোরআনের অর্থ শেখা বা ইসলামিক কোনো সঠিক আলোচনা শোনা।

সময়: ৫-১০ মিনিট।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি দ্বীনি ইলম (জ্ঞান) অন্বেষণের জন্য কোনো পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সুগম (সহজ) করে দেন।" (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)

৬. অযুর পর ২ রাকাত নামাজ ও কালেমা শাহাদাত পড়া

আমল: অযু শেষ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে কালেমা শাহাদাত পড়া এবং সম্ভব হলে ২ রাকাত নফল নামাজ (তহিয়াতুল অযু) পড়া।

সময়: ৩-৪ মিনিট।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অযু করে কালেমা শাহাদাত পড়বে, তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজাই খুলে দেওয়া হবে।" (সহিহ মুসলিম: ২৩৪) এবং অন্য হাদিসে এসেছে, একাগ্রতার সাথে ২ রাকাত নামাজ পড়লে জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। (আবু দাউদ: ১৬৯)

৭. ঘুমানোর আগে সুরা মুলক পাঠ করা

আমল: প্রতিদিন রাতে বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার আগে সুরা মুলক (কোরআনের ৬৭ নম্বর সুরা) তিলাওয়াত করা।

সময়: ৫-৬ মিনিট।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"কোরআনে ৩০ আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরা রয়েছে, যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে, যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হয়। সুরাটি হলো তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলক।" (তিরমিজি: ২৮৯১) এটি কবরের আজাব থেকে রক্ষা করে জান্নাতে নিয়ে যাবে।

৮. দিনে অন্তত ১ বার কোনো মুসলিমকে সাহায্য বা খুশি করা

আমল: কাউকে পথ দেখিয়ে দেওয়া, কোনো অভাবীকে সামান্য খাবার দেওয়া, অথবা অন্তত মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কথা বলা।

সময়: যেকোনো সময়।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন আমলটি মানুষকে সবচেয়ে বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে? তিনি বললেন:

"তাকওয়া (আল্লাহভীতি) এবং উত্তম চরিত্র।" (তিরমিজি: ২০০৭) অন্য হাদিসে এসেছে, "সবচেয়ে উত্তম আমল হলো কোনো মুমিনের মনে আনন্দ দেওয়া।" (তাবারানি)

৯. আজানের জবাব দেওয়া এবং দরুদ পড়া

আমল: মুয়াজ্জিন আজান দেওয়ার সময় মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং হুবহু জবাব দেওয়া। আজান শেষে দরুদ শরিফ ও আজানের দোয়া পড়া।

সময়: ৩-৪ মিনিট (আজান চলাকালীন)।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম শিখিয়ে শেষে বলেছেন:

"যে ব্যক্তি অন্তরের অন্তস্তল থেকে (দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে) এই জবাব দেবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" (সহিহ মুসলিম: ৩৮৫)

১০. জিভ ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করা (মিথ্যা ও গিবত পরিহার)

আমল: সারাদিন কথা বলার সময় মিথ্যা, গিবত (পরনিন্দা) এবং অশ্লীল কথাবার্তা থেকে নিজের জিহ্বাকে দূরে রাখা।

সময়: সারাদিন সজাগ থাকা।

প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি আমার কাছে তার দুই চোয়ালের মাঝখানের জিনিস (জিহ্বা) এবং দুই পায়ের মাঝখানের জিনিসের (লজ্জাস্থান) জামিনদার হবে (হেফাজত করবে), আমি তার জান্নাতের জামিনদার হব।" (সহিহ বুখারি: ৬৪৭৪)

১১. রাতে ঘুমানোর আগে সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া

আমল: প্রতিদিন ঘুমানোর আগে বিছানায় শুয়ে মনে মনে বলা—"হে আল্লাহ, আজ সারাদিন যারা আমার মনে কষ্ট দিয়েছে বা আমার ক্ষতি করেছে, আমি সবাইকে আপনার ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিলাম।"

সময়: ৩০ সেকেন্ড।

প্রমাণ: সাহাবি আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ এক ব্যক্তির ব্যাপারে তিন দিন টানা ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, "সে জান্নাতি"। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তার বিশেষ কোনো বড় আমল ছিল না, তবে তার অভ্যাস ছিল—

"সে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে তার অন্তরে কোনো মুসলমানের প্রতি ক্ষোভ বা হিংসা রাখত না এবং সবাইকে ক্ষমা করে দিত।" (মুসনাদে আহমাদ: ১২৬৯৭, শুআবুল ঈমান)

16/05/2026

যে ১৯টি ভুলের কারণে আপনার নামাজ বাতিল হয়ে যাচ্ছে! (প্রমাণসহ জানুন)

নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, যা অত্যন্ত মনোযোগ এবং সতর্কতার সাথে আদায় করতে হয়। নামাজের ভেতরে এমন কিছু কাজ বা ভুল রয়েছে, যার ফলে নামাজ নষ্ট বা বাতিল হয়ে যায়। এগুলোকে "নামাজ ভঙ্গের কারণ" বলা হয়।

ইসলামি শরিয়াহ এবং হানাফি ফিকহ অনুযায়ী, নামাজ ভঙ্গের প্রধান কারণ মোট ১৯টি। নিচে প্রমাণসহ এই ১৯টি কারণ সহজভাবে উল্লেখ করা হলো:

নামাজ ভঙ্গের ১৯টি কারণ ও প্রমাণ
১. নামাজে অশুদ্ধ পড়া (ভুল কিরাত পড়া):
যদি কিরাতে এমন কোনো বড় ভুল (লাহনে জলি) হয়, যার কারণে কোরআনের আয়াতের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় বা কুফরি অর্থ প্রকাশ পায়, তবে নামাজ ভেঙে যাবে।

২. নামাজের ভেতর কথা বলা:
নামাজরত অবস্থায় ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, কম বা বেশি যেকোনো ধরণের বৈষয়িক কথা বললে নামাজ ভেঙে যায়।

প্রমাণ: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নিশ্চয়ই এই নামাজে মানুষের কোনো কথাবার্তা বলা সমীচীন নয়। নামাজ হলো কেবল তাসবিহ, তাকবির এবং কোরআন তিলাওয়াত।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৩৭)

৩. কাউকে সালাম দেওয়া:
নামাজ পড়া অবস্থায় কাউকে সালাম দিলে নামাজ ভেঙে যাবে।

৪. সালামের উত্তর দেওয়া:
কেউ সালাম দিলে নামাজের ভেতর মুখের কথায় তার উত্তর দেওয়া যাবে না। দিলে নামাজ বাতিল হবে।

প্রমাণ: জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে একটি প্রয়োজনে পাঠালেন। আমি (কাজ শেষে) ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিলাম, কিন্তু তিনি উত্তর দিলেন না (কারণ তিনি নামাজে ছিলেন)।..." (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৪০)

৫. উঃ, আহ্ বা শব্দ করে কাঁদা:
দুঃখ-কষ্ট বা ব্যথার কারণে নামাজে শব্দ করে 'উহ', 'আহ' বা 'উফ' শব্দ করলে নামাজ ভেঙে যাবে। তবে যদি জাহান্নামের ভয় বা আল্লাহর মহব্বতে মনের অজান্তেই কান্না চলে আসে, তবে নামাজ ভাঙবে না।

৬. কোনো সুসংবাদে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলা:
নামাজে থাকা অবস্থায় বাইরের কোনো ভালো খবর শুনে উত্তর দেওয়ার উদ্দেশ্যে 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে নামাজ ভেঙে যাবে।

৭. কোনো দুঃসংবাদে 'ইন্নালিল্লাহ' বলা:
একইভাবে, নামাজের ভেতর বাইরের কোনো খারাপ খবর শুনে উত্তর দেওয়ার নিয়তে 'ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন' বললে নামাজ ভেঙে যাবে।

৮. হাঁচির উত্তরে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলা:
নিজের বা অন্য কারো হাঁচির উত্তরে নামাজের ভেতর 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বললে নামাজ ভেঙে যাবে।

প্রমাণ: মুয়াবিয়া ইবনুল হাকাম (রা.) নামাজে এক ব্যক্তির হাঁচির উত্তরে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলেছিলেন। নামাজ শেষে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বুঝিয়ে বলেন যে, নামাজে এভাবে কথা বলা যায় না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৩৭)

৯. নিজের ইমাম ছাড়া অন্য কাউকে লোকমা (ভুল সংশোধন) দেওয়া:
নিজের জামায়াতের ইমাম ছাড়া অন্য কোনো বাইরের নামাজি বা ঘরের কারো ভুল কিরাত সংশোধন করে দিলে নামাজ ভেঙে যাবে।

১০. দুঃখ-কষ্ট বা ব্যথার কারণে শব্দ করে কাঁদা:
(এটি ৫ নম্বর পয়েন্টের সাথে সম্পর্কিত—দুনিয়াবি কোনো কষ্টের কারণে শব্দ করে কাঁদলে নামাজ নষ্ট হয়)।

১১. মুসহাফ (কোরআন শরিফ) দেখে দেখে পড়া:
হানাফি মাজহাব অনুযায়ী, নামাজে দাঁড়িয়ে সামনে কোরআন শরিফ বা কোনো স্ক্রিন দেখে দেখে কিরাত পড়লে নামাজ ভেঙে যায় (কারণ এটি নামাজ বহির্ভূত শেখার শামিল)।

১২. আমলে কাসির করা (অতিরিক্ত নড়াচড়া):
নামাজের মধ্যে এমন কোনো কাজ করা, যা দূর থেকে দেখলে মনে হবে ব্যক্তিটি নামাজে নেই। যেমন: দুই হাত দিয়ে জামা গোছানো, চুল বাঁধা বা বারবার চুলকানো।

১৩. নামাজে কিছু খাওয়া বা পান করা:
নামাজরত অবস্থায় বাইরে থেকে কোনো কিছু মুখে নিয়ে খাওয়া বা পান করা।

১৪. দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার খাওয়া (যদি তা বুটের দানার চেয়ে বড় হয়):
দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার যদি নামাজে থাকা অবস্থায় গিলে ফেলা হয় এবং তা আকারে একটি বুট বা ছোলার দানার সমান বা বড় হয়, তবে নামাজ ভেঙে যাবে।

১৫. ইচ্ছাকৃতভাবে ফু দেওয়া বা ফুঁৎকার দেওয়া:
নামাজে থাকা অবস্থায় মুখে শব্দ করে ফুঁ দিলে নামাজ নষ্ট হয়।

১৬. নামাজে উচ্চস্বরে হাসা (কাহকাহা):
নামাজে যদি কেউ এত জোরে হাসে যে নিজের পাশাপাশি পাশের লোকও শুনতে পায়, তবে নামাজ এবং ওজু দুই-ই ভেঙে যায়।

প্রমাণ: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি নামাজে উচ্চস্বরে হাসবে, সে যেন ওজু এবং নামাজ উভয়ই পুনরায় আদায় করে।" (দারাকুতনি, হাদিস: ৬১২)

১৭. অন্ধ ব্যক্তিকে পথ দেখানোর জন্য লোকমা দেওয়া:
নামাজে থাকা অবস্থায় অন্য কাউকে কোনো জাগতিক বিপদের পথ বা দিক নির্দেশনা দিলে নামাজ ভেঙে যাবে।

১৮. সতর বা লজ্জাস্থান উন্মুক্ত হওয়া:
নামাজের যেকোনো রুকু বা সেজদার পুরো একটা রোকন (যতটুকু সময় অন্তত ৩ বার তাসবিহ পড়া যায়) পরিমাণ সময় যদি শরীরের সতর (যা ঢেকে রাখা ফরজ) উন্মুক্ত থাকে, তবে নামাজ ভেঙে যাবে।

১৯. সেজদার অবস্থায় দুই পা মাটি থেকে উঠে যাওয়া:
সেজদা করার সময় যদি দুই পায়ের একটি আঙুলও মাটিতে লেগে না থাকে (অর্থাৎ দুই পা-ই শূন্যে ভেসে থাকে) এবং এই অবস্থা পুরো সেজদা জুড়ে থাকে, তবে নামাজ ফাসেদ বা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

14/05/2026

সতর্কবার্তা: ঈমান ভঙ্গের ১০টি প্রধান কারণ

একজন মুমিনের কাছে তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো ঈমান। কিন্তু অনিচ্ছাসত্ত্বেও কিছু কাজের কারণে আমাদের অজান্তেই ঈমান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। প্রখ্যাত আলেম শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহাব (রহ.) তাঁর বিখ্যাত কিতাব ‘নাওয়াকিজুল ইসলাম’-এ ঈমান ভঙ্গের ১০টি মূল কারণ উল্লেখ করেছেন:

১. ইবাদতে শিরক করা

আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করা বা এমন কাউকে ডাকা যা কেবল আল্লাহর জন্য প্রাপ্য। যেমন: আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা করা বা কারো নামে মানত করা।

২. মধ্যস্থতাকারী মানা

আল্লাহ এবং নিজের মাঝে কোনো সৃষ্টিকে (পীর, মৃত ব্যক্তি বা অন্য কিছু) সুপারিশকারী বা মধ্যস্থতাকারী মনে করে তাদের কাছে দোয়া করা।

৩. কাফেরদের কাফের মনে না করা

যারা স্পষ্টতই কাফের বা মুশরিক, তাদেরকে কাফের মনে না করা বা তাদের কুফরি নিয়ে সন্দেহ পোষণ করা।

৪. অন্য বিধানকে শ্রেষ্ঠ মনে করা

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ বা আদর্শের চেয়ে অন্য কারো আদর্শ বা মানব রচিত আইনকে শ্রেষ্ঠ বা উত্তম মনে করা।

৫. দ্বীনকে ঘৃণা করা

ইসলামের কোনো বিধান বা রাসূল (সা.) যা নিয়ে এসেছেন, তার কোনো অংশকে অপছন্দ বা ঘৃণা করা (এমনকি তা নিজে পালন করলেও)।

৬. দ্বীন নিয়ে ঠাট্টা করা

ইসলাম, কুরআন, রাসূল (সা.) বা দ্বীনের কোনো ছোট বিষয় নিয়ে উপহাস বা ব্যঙ্গ করা।

৭. জাদুবিদ্যা

জাদু করা, জাদুর সাহায্যে কোনো কিছু করা বা জাদুর প্রতি সন্তুষ্ট থাকা।

৮. মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফেরদের সাহায্য করা

মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বা শত্রুতায় কাফের ও মুশরিকদের পক্ষ নেওয়া বা তাদের সহযোগিতা করা।

৯. শরিয়ত বহির্ভূত চলাকে বৈধ মনে করা

একথা বিশ্বাস করা যে, কারো কারো জন্য মুহাম্মাদ (সা.)-এর শরিয়তের বাইরে চলা জায়েজ (যেমন খিজির আ.-এর উদাহরণ ভুলভাবে ব্যবহার করা)।

১০. দ্বীন থেকে বিমুখ হওয়া

আল্লাহর দ্বীন শেখা এবং তা পালন করা থেকে সম্পূর্ণ মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।

উপসংহার: এই বিষয়গুলো জানা প্রতিটি মুসলিমের জন্য আবশ্যক যাতে আমরা আমাদের ঈমানকে হেফাজত করতে পারি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ বুঝ দান করুন। আমীন।

09/05/2026

আরশের নিচে সম্মানিত স্থান পাওয়ার চাবিকাঠি

যৌবন কাল টা আল্লাহ দিলেন নবী বললেন।

وَشَابٌّ نَشَأَ فِي عِبَادَةِ اللَّهِ

যেই যোবক তার যৌবন আল্লাহর ইবাদতে কেটেছে। ঐ যোবক কিয়ামতের দিন আমার আল্লাহর আরশের নিচে সম্মানিত যায়গায় সে যায়গা পাবে।

রেফারেন্স:
সহীহ বুখারী: হাদিস নম্বর ৬৬০।

সহীহ মুসলিম: হাদিস নম্বর ১০৩১।

Want your school to be the top-listed School/college in Habiganj Sadar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Habigang
Habiganj Sadar
2371