15/10/2024
জীবনের যেই সময়টা সবচেয়ে বেশি ভয়-শংকার, আশা ও আকাঙ্খার, তা হলো যৌবনকাল। বয়সের এই বসন্তকালকে কাজে লাগিয়ে মানুষ যেমন বিশ্বজয় করতে পারে, ছাড়িয়ে যেতে পারে স্বপ্নের সীমানা; তেমনি এর অপব্যবহার ব্যক্তিকে নিয়ে যেতে পারে ধ্বংসের অতল গহব্বরে। তাই একজন মুসলিম হিসেবে জীবনের এই বসন্তকালকে কিভাবে কাটাবে, তার বিস্তর গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে কুরআন-সুন্নাহর পাতায় পাতায়।
আমাদের প্রিয় নবীজি সা. যৌবনকালকে তুলনা করেছেন গনীমতের মাল হিসেবে। তথা মুমীনের অর্জিত মহা মূল্যবান সম্পদ। জানিয়েছেন, বার্ধক্য আসার পূর্বে মুল্যায়ন করতে হবে যৌবনকালের। কেননা কেয়ামতের দিন মানুষকে যেই ৫ টি প্রশ্ন করা হবে, তার একটি হলো, তার তারুণ্যকে সে কীভাবে তাড়িত করেছে, যৌবনকে কীভাবে ব্যয় করেছে’ (তিরমিজি : ২৪১৭)?
তাই খোদার দেওয়া জীবনের এই মহা মূল্যবান সময়টাকে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী সহ সঠিকভাবে কাজে না লাগাতে পারলে পরকালেও ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।
যৌবনের উত্তাল সময়টাতেই মানুষ সবচেয়ে বেশি গোনাহ ও পদস্থলনের শিকার হয়। হেলায়-খেলায় মৌজ-মাস্তিতে ধ্বংস করে দেয় অপার সম্ভাবনাময় একটি জীবন। খোদার দেওয়া অমূল্য নেয়ামত। অথচ একজন মুসলিম হিসেবে করণীয় ছিল, নিজ চিন্তা-চেতনাকে পরিশুদ্ধ করে ইসলামের আলোয় জীবনকে রাঙিয়ে নেওয়া। হালাল উপার্জন, পিতা-মাতার খেদমত, অধীনস্তদের দায়িত্ব পালন, আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী, ইসলামের প্রচার-প্রসার ও মানবতার কল্যাণে কাজ করে যুবকেরা গড়তে পারে একটি আলোকিত পৃথিবী। লিখতে পারে গৌরবোজ্জল ইতিহাস।
এ যুবকদল গড়ে উঠুক পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে। আমিন।