Nesaruddin Talukder High School & College

Nesaruddin Talukder High School & College

Share

সিতাইকুন্ড, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
?

১৯২৯ সালের দিকের কথা, এনায়েত হোসেন তালুকদার তার ভগ্নিপতি মোঃ মোবরক আলী খন্দকারের সাথে 'নারিকেলবাড়ী মিশনারী স্কুল' দেখতে যান । স্কুলটির মনোরম পরিবেশ এবং নিয়ম-শৃংঙ্খলা দর্শন করে তিনি মুগ্ধ ও উৎসাহিত হন । এর পরে 'বাগদা হাইস্কুল' দেখতে গিয়ে তার নিজ গ্রাম সিতাইকুন্ডে একটি সুন্দর মনোমুগ্ধ কর পরিবেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার জন্য মনে উৎসাহ জাগে এবং তার বড় ভাই নেছারউদ্দিন তলুকদার এর সাথে স্কুল প্রতিষ্ঠিা

16/11/2020

আজ ১৬ নভেম্বর ২০২০, বিশিষ্ট সমাজ সেবক , শিক্ষানুরাগী , দানবীর , সু-হৃদয়ের অধিকারী , সমাজ উন্নয়নের রুপকার ও নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় - এর প্রতিষ্ঠাতা মরহুম নেছারউদ্দিন তালুকদারের ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করছি এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য মসজিদে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। করোনা মহামারীর জন্য প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

16/03/2020
Photos from Nesaruddin Talukder High School & College's post 12/03/2020

নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সুন্দর দুটি নতুন বিল্ডিং তৈরী কাজ চলমান রয়েছে। বিল্ডিং এর কাজ শেষ হলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব শামীম শাহরিয়ার কে । উনার অক্লান্ত পরিশ্রমে নতুন বিল্ডিং আজ এ অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

12/11/2018

১৯২৯ সালের দিকের কথা, এনায়েত হোসেন তালুকদার তার ভগ্নিপতি মোঃ মোবরক আলী খন্দকারের সাথে 'নারিকেলবাড়ী মিশনারী স্কুল' দেখতে যান । স্কুলটির মনোরম পরিবেশ এবং নিয়ম-শৃংঙ্খলা দর্শন করে তিনি মুগ্ধ ও উৎসাহিত হন । এর পরে 'বাগদা হাইস্কুল' দেখতে গিয়ে তার নিজ গ্রাম সিতাইকুন্ডে একটি সুন্দর মনোমুগ্ধ কর পরিবেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার জন্য মনে উৎসাহ জাগে এবং তার বড় ভাই নেছারউদ্দিন তলুকদার এর সাথে স্কুল প্রতিষ্ঠিা করার বিষয়ে গভীর ভাবে আলোচনা করেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন যে, সিতাইকুন্ড গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা একান্ত প্রয়োজন । এ চিন্তাভাবনা থেকেই স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সূত্রপাত ঘটে । বৃটিশ আমলে ভারত উপমহাদেশে হিন্দু সমাজ-দীক্ষায় মসুলমানদের তুলনায় বেশি অগ্রগতি লাভ এবং তাদের সুযোগ ও ব্যবস্থাপনা তেমন ছিলনা, ফলে তেমন সমাজ শিক্ষা, মুসলমান সমাজ শিক্ষা ,চিকিৎসা, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সমাজ অর্থাৎ সবদিক থেকে পিছিয়ে পড়ে । ঠিক সেই সময়ে নেছারউদ্দিন তালুকদার ভাবলেন- এ মুসলমান সমাজ তথা অত্র এলাকার মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে না পারলে তার সারাজীবন অন্ধকার ও কুসংস্কার মধ্যে থেকে যাবে এবং সবদিক দিয়ে পিছিয়ে পড়বে । বিদ্যা হচ্ছে সমাজের অলংকার স্বরূপ, বিদ্যা শিক্ষায় লজ্জা করা উচিত নয়, কেননা মুর্খতা লজ্জা হতেও নিকৃষ্টতর । এ সর্বগ্রাসী দুর্দশা থেকে মুক্তি লাভের লক্ষ্যে আলোক বর্তিকা হাতে নিয়ে তাঁর কয়েকজন বিদ্যানুরাগী বন্ধুর উদ্যোগে ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন সিতাইকুন্ড গ্রামে একটি বিদ্যালয় ।

আমারা আজ যে স্কুলটি দেখেতে পাই মুলত এ স্কুলটি সিতাইকুন্ড পুরাতন স্কুল নামে পরিচিত ছিল । প্রকৃত পক্ষে স্কুলটি ছিল কিন্তু ( ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত) মক্তব । মরহুম নেছারউদ্দিন তালুকদার ইংরেজী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৯৪৭ সালে উক্ত স্থান থেকে বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করে এম,ই, স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন । প্রাথমিক অবস্থায় স্কুলটি ছিল টিনের ঘর এবং ৬ষ্ট শ্রেনী পর্যন্ত ক্লাস শুরু করেন । স্কুলের নামকরন করা হয় 'সিতাইকুন্ড হাই স্কুল' নেছারউদ্দিন তুলকদারের মৃত্যর বহু বছর পর (সম্ভাবত ১৯৭৩-৭৪ সালে) অত্র এলাকাবাসী হৃদয়ের মাঝে চির স্মরনীয় করে রাখার জন্য তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার নিমিত্তে সম্মিলিত ভাবে অত্র প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে 'নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়' নামকরন করা হয় । বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত পড়ানো হয় এবং সেই সাথে নতুন নাম ধারন করে প্রতিষ্ঠানটি আরো একধাপ এগিয়েছে 'নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ' ।
আজ আমরা স্কুলটি যে মনোমুগ্ধকর মনোরম পরিবেশে দেখতে পাই এ জায়গাটা কিন্তু এমন ছিলোনা । এজায়গাটা ছিল গভীর জঙ্গল ও বিরাট গাব গাছে পরিপূর্ন ও ডোবা - নালা দীঘিতে পরিবেষ্টিত । দিনের বেলায় শিয়রের ডাক শোনা যেতো, এবং বানরের ও কমতি ছিলোনা । এ জঙ্গল পরিস্কার করা হয় ১৯৩৭ সালে । প্রথমে বড় গাবগাছটি কুড়াল দিয়ে কাটা শুরু করেন মরহুম হাজী এরফান ফকির মরহুম হাজী জসিমউদ্দিন হাওলাদার, তার পরে মরহুম মোঃ দাইমদ্দিন হাওলাদার, মরহুম মৌলভী আব্দুর রহমান ফকির, জনাব এনায়েত হোসেন তালুকদার আরো অনেকে কাজ শুরু করেন । পর্যায়ক্রমে জঙ্গল পরিস্কার করা হয় এবং নেছারউদ্দিন তালুকদার সাহেবের অক্লান্ত পরিশ্রমে ও অজস্র অর্থব্যয়ে উক্ত ডোবানালা-পুকুর মাটি দ্বারা ভরাট করা হয় । তা ছাড়া যে শ্রমিকরা মাটি কেটে ডোবা নালা ভরে ছিলেন তারা সকলে একদিন বিনামুজরীতে স্বেচ্ছায় মাটি কেটে ছিলেন । এ কারনে নতুন প্রজন্ম সুন্দর মনোরম পরিবেশে পড়াশুনা ও খেলাধুলা করতে পেরে গর্ববোধ করে ।
সিতাইকুন্ড গ্রামবাসীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিদ্যানুরাগী ও সুধী বৃন্দের সার্বিক সাহয্য সহোযোগীতায় উক্ত প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করা সম্ভব হয়ছে , তাদের মধ্য উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ হচ্ছেন সর্বজনাব-
১. মরহুম মেছের মুন্সী ২. মরহুম রুস্তম মুন্সী ৩. মরহুম মৌলভী আব্দুর রহমান ফকির ৪. মরহুম ধোনাউল্লাহ শেখ ৫. মরহুম দাইমুদ্দিন হাওলাদার ৬. মরহুম মোঃ তোফজ্জেল হোসেন তালুকদার ৭. মরহুম মোঃ তেলাম মিয়া ৮. মরহুম মোঃ ভেলু মিয়া ৯. মরহুম মৌলভী এরফান উদ্দিন১০. বাবু হরিদাস রায় ১১. বাবু মহারাজ বিশ্বাস১২. বাবু কালিপদ রায় ১৩. বাবু গোপালচন্দ্র ওঝা ১৪. বাবু পঞ্চানন ওরফে পাচু ডাক্তার ১৫. মোঃ রহম আলী মুন্সী ১৬. মরহুম আব্দুল গফুর মুন্সী ১৭. মরহুম মোঃ আরজানউল্লাহ্ হাওলাদার ১৮. মরহুম মোঃ নেজামউদ্দিন হাওলাদার ৯. মরহুম মোঃ মধুমুন্সি ২০. মরহুম মোঃ দানেশ হাওলাদার ২১. মোঃ একরাম আলী মিয়া ২২. মোঃ রহম আলী সিকদার ২৩. হাজী আর্শেদ আলী ২৪. আব্দুল জব্বার তালুকদার ২৫. বিচরন বিশ্বাস ২৬. মৌলভী নেছারউদ্দিন ২৭. রাধাচরন মন্ডল ২৮. আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মিয়া ২৯. সেনাউল্লাহ্ মুন্সি ৩০. সুধীর কুমার বিশ্বাস ৩১. মোঃ রবিউল্লাহ শেখ
সহ আরো অনেকে মরহুম নেছারউদ্দিন তালুকদার সাহেবের প্রধান দুই সহকর্মী ও বিশিষ্ঠ সমাজ সেবী বন্ধু ছিলেন বাবু রজনী কান্ত পাল এবং হাইস্কুল শুরু করার সময় প্রধান শিক্ষক ছিলেন জনাব মোঃ আলী হোসেন এবং স্কুলের গৌরবউজ্জল সময়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন মরহুম জনাব মাওলানা জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ ও সেবক ও মরহুম জনাব মাওলানা আব্দুল চাখারী । এ ছাড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে যে শিক্ষক অত্র স্কুলের সেবক ও শিক্ষক হিসাবে এবং স্কুলের সুখ দুঃখের সাথে সার্বক্ষিন জড়িত ছিলেন তিনি হলেন জনাব আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মিয়া । তিনি সকলের নিকট ভূয়ার পাড়ের স্যার নামে পরিচিত । তিনি অবসর গ্রহনের পরে স্কুল পরিচলনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে স্কুলের সেবা করেন ।
উক্ত বিদ্যালয়ের মেয়েদের বিনা বেতনে শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ করে দেন এবং ঘোষনা করে দেন যে, এ বিদ্যালয়ে ভবিষ্যতে কোনদিন মেয়েদের নিকট হতে বেতন নেওয়া হবে না । এবং আরো ঘোষনা করেন যে য়ারা এস.এস.সি পরীক্ষায় প্রথম ফাষ্ট ডিবিশনে পাস করবে তাদেরকে স্বর্নপদক প্রদান করা হবে । এ ঘোষনা ফলে নারী মনে শিক্ষা গ্রহনে উৎসাহ জাগে এবং ছাত্র / ছাত্রীদের মনে ভাল রেজাল্ট করার অনুপ্রেরনা ও প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি হয় । দুঃখের বিষয় এ ঘোষনার ফল দেখার আগেই চিরবিদায় নিতে হলো তাকে । এস.এস.সি পরীক্ষায় অত্র স্কুল হতে প্রথম যারা ফাষ্ট ডিবিসনে পাস করেন তারা হলেন (১) জনাব খন্দকার মোঃ ইসমাইল, তিনি পরিচালক, বি,সি,এস,আই, আর ল্যাবরেটরীজ চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন এবং (২) জনাব শামসুদ্দিন মোল্লা, তিনি বরিশাল সরকারী মহিলা কলজের অধ্যক্ষ হিসাবে কর্মরত ছিলেন । তারা ১৯৬১ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত পাস করেন । বর্তমান যুগে নারী শিক্ষার প্রতি যে গুরুত্ব নেয়া হয়েছে আজ থেকে ৬০ বছর পূর্বে নেছারউদ্দিন সাহেব নারী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরে যুগোপযোগী ব্যবস্হা গ্রহন করেছিলেন ।এতে প্রমানিত হয় তিনি কত দূরদর্শী ব্যক্তি ছিলেন।
স্কুল প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে বছরে বছরে বহু ছাত্র-ছাত্রী এ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বর সাথে উত্তীর্ণ হয়ে আরো উচ্চ শিক্ষা লাভ করে আজ দেশ বিদেশে সুনাম অর্জন করে জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। প্রত্যন্ত অঞ্ঝলের ছাত্র-ছাত্রী এ বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী বহু শিক্ষার্থী আজ ডাক্তার, শিক্ষক,ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, গবেষনা অফিসার, ব্যংকার , পুলিশ , সৈনিক , ব্যবসায়ী এবং বিভন্ন চাকুরীতে নিয়োজিত হয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে আছেন । মরহুম নেছারউদ্দিন তালুকদারের আশা-আকাঙ্খা ও পরিশ্রমের ফল স্বরুপ সুশিক্ষা গ্রহন করে যারা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তারাই অত্র প্রতিষ্ঠাকে কলেজে উন্নতি করেছেন । অত্র স্কুল হতে ১৯৫৮ সালে প্রথম ব্যাচে পরীক্ষার্থী ছিল ৭ জন , তার মধ্যে যারা পাশ পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত পাস করেন তারা হলেন সর্বজনাব
১. মরহুম মোঃ নোমান খন্দকার ২. মরহুম আব্দুল ওহাব সর্দার ৩. মোঃ বেলায়েত হোসেন মিয়া ৪. মরহুম আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদর ৫. মোঃ ইউসুফ আলী মিয়া
মরহুম নেছাউদ্দিন তালুকদার অনেক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন । তিনি ফরিদপুর জেলা কাউন্সিলের সদস্য, গোপালগঞ্জ শিল্প সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য । ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য । তারঁ অনুপ্রেণায় এবং অর্থনৈতিক সাহায্য সহযোগিতায় অনেক মাদ্রাসা, মসজিদ স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদের জন্য নিজে চাঁদা কালেকশন করে ৭৫,০০০.০০ (পচাত্তর হাজার ) টাকা এবং ব্যক্তিগত ভাবে ১০,০০০.০০ (দশ হাজার) টাকা প্রদান করেন । গরীব তাঁতীদের সুবিধার্থে ঘাগর হাটের উত্তর পার্শ্বে 'ঘাগর' নতুন হাট নামে একটা হাট স্থাপন করেন । এ হাটে কারও নিকট থেকে খাজনা নেওয়া হতো না । এ ছাড়া অত্র এলাকার যখন ১৯৫১ সালে মহামারীতে শত শত লোক মারা য়ায় তখন তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে ১৯৫২ সালে সিতাইকুন্ড গ্রামের খাল খনন এবং ১৯৫৪ সালে ভুয়ার পাড়া ওয়াপদার হাট হইতে পূর্ব পাড়া হয়ে সিতাইকুন্ড পর্যন্ত খাল খনন করেন । ফলে এলাকার পানির সমস্যা দুর হয় এবং মহামারী হতে অত্র এলাকার লোক পরিত্রান পায় । এ-ভাবে তিনি অনেক জনহিতকর কার্য করে অমর হয়ে আছেন । তিনি ছিলেন উদার,দানশীল,চরিত্রবান,ন্যায়বিচারক, বিনয়ী, দেশ প্রেমিক এবং অসহায় মানুষের বন্ধু ।
নেছারউদ্দিন সাহেব ও তার সহকর্মীদের স্মৃতিকে ধরে রাখার উদ্দেশ্যে আমরা তাদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ও নামাজের সময় দোয়া করে থাকি এবং বলে থাকি হে আল্লাহ্ আমরা যেন সত্য ও ন্যায় পথের মাঝে থেকে দেশের সেবা করার সুযোগ পাই ।
নেছারউদ্দিন সাহেবের মৃত্যর পরে তাঁর সহোদর ভ্রাতা জনাব শফিউদ্দিন তালুকদার , এনায়েত হোসেন তালুকদার, ও মরহুম শাহাদাৎ হোসেন তালুকদার, দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন স্কুল তথা, সেবায় আত্মনিবেদিত হয়ে কাজ করেন যান । মরহুম নেছারউদ্দিন তালুকদার ১৯৫৮ সালের ১৬ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেলে ৫১ বৎসর বয়সে ইন্তেকাল করেন । (ইন্নালিল্লাহে........রাজিউন) মৃত্য কালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে ও তিন কন্য সন্তান রেখে গেছেন । তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে গতিশীল সমাজ অপূরনীয় ক্ষতির সম্মখীন হয়েছে । ফুলের আয়ু স্বল্প, কিন্তু সৌরভ কত মহিমান্বিত, তার প্রমান পাই এই মহামানবের স্বল্প সময়ে কৃতকর্মের মধ্যে । তাইতো আমরা তাকে এবং তার সহযোগীদের স্মরন করি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে । এই ক্ষনজন্ম পুরুষের বিদায়ের সাথে সাথে যে শৃন্যতার সৃষ্টি হয় আজও তা পুরন করার মত ব্যক্তির আগমন এই পরিবারে ঘটেনি । মানুষ মরে যায় কিন্তু পরিবার, সমাজ প্রকৃতি এগিয়ে চলে । নেছারউদ্দিন তালুকদার সাহেবের মৃত্যর পরে স্কুলটির দেখাশুনা ও উন্নয়নের দায়িত্ব এসে পড়ে তার ছোট ভাই মরহুম শামসুউদ্দিন তালুকদারের উপর । তিনি নিষ্ঠার সাথে স্কুলের শিক্ষকদের মাসিক বেতন নিজেদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তালুকদারের গদি হতে নিয়মিত দিয়ে যান । মূল ভবন নির্মানে রাজমিস্ত্রির সাথে কাজ করে ভবন নির্মান সম্পূর্ন করেন । অক্লান্ত পরিশ্রম করে শিক্ষকদের বেতন দান উন্নতমানের চেয়ার,টেবিল,বেঞ্ঝ গৃহ নির্মান ও বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে দিনে দিনে এই প্রতিষ্ঠানকে গোপালগঞ্জ জেলার মধ্যে প্রথম শ্রেনীর প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়েতোলেন ।
মরহুম শামসুদ্দিন তালুকদার সাহেব দীর্ঘ দিন স্কুল পরিচলানা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন । বর্তমানে স্কুলটি একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সুপরিচিত ।
মরহুম নেছারউদ্দিন তালুকদার সহ স্কুল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করেছেন তাদের আত্মার মাগফরেত কামনা করে অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ।

লেখক- এডভোকেট হালিম ফকির

Photos 17/11/2016

মরহুম নেছারউ‌দ্দিন তালুকদা‌রের (প্রতিষ্ঠাতাঃ নেছারউদ্দিন তালুকদার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ) জম্ম ও মৃত্যু বা‌র্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহ‌ফিলঃ
তা‌রিখঃ ১৮/১১/২০১৬ খ্রিঃ, শুক্রবার, বাদ অাছর।
স্থানঃ ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জা‌মে মস‌জিদ।

Photos 18/10/2016

বঙ্গবন্ধু‌ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৬ এর গোপালগঞ্জ অঞ্চ‌লের ১ম ধা‌পের খেলায়(কোটা‌লিপাড়া উপ‌জেলা চ্যা‌ম্পিয়ন দল) সিতাইকুন্ড সরকা‌রি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয় বনাম মুক‌সেদপুরের মধ্যকার খেলায় সিতাইকুন্ড ২-১ গো‌লে জয়লাভ ক‌রে‌ছে ৷ ওদের জন্য রইল শুভ কামনা......

31/10/2015

শুনলাম হুজুর স্যার(ডিসেম্বর)এবং মুজিবুর স্যার(জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি) অবসরে যাচ্ছেন।খুব খারাপ লাগল শুনে ।বিশেষ করে হুজুর স্যার কে অনেক মিস করব ।মুজিবুর স্যারের সাথে তো সব সময় দেখা হবে ।

11/08/2015

৮২ জনে মাত্র ৩৬ জন পাশ।এই হলো আমাদের এইচ.এস.সি ফলাফল ।

31/12/2014

রেজাল্ট-২০১৪
JSC-
Total-97
pass-89
A+=3
A =21
A-=30
B =19
C =08
F =08

PSC-
Total-76
Pass-76
A+=12
A =22
A-=11
B =14
C =14
D =3

Photos 16/12/2014

The Biology of Cancer
------------------------------
A biomedical revolution is advancing knowledge of the causes of cancer, yielding new and more effective treatments and inspiring greater hope for cancer prevention. This revolution is built on scientific investigation of the basic processes that cause cancer.

The body is a living, growing system that contains billions of individual cells. These cells carry out all of the body’s functions, such as metabolism, transportation, excretion, reproduction, and locomotion. The body grows and develops as a result of increases in numbers of new cells and their changes into different types of tissue. New cells are created through the process of cell division (mitosis). Different types of cells are created by a process called cell differentiation, by which they acquire specialized function. Cell division results in the normal pattern of human growth; cell differentiation makes possible the normal, orderly pattern of growth and development.

Cancer cells, left untreated, invade and pe*****te the walls of blood and lymph vessels. Once in these systems, they travel to other sites, such as the lungs, bone, or brain.

Cancer cells, left untreated, invade and pe*****te the walls of blood and lymph vessels. Once in these systems, they travel to other sites, such as the lungs, bone, or brain.

Unlike normal cells, cancer cells lack the control mechanisms that stop, or "switch off," growth. They divide without restraint, displacing neighboring normal cells, affecting their normal function and growth, and competing with them for available nutrients. These uncontrolled cells can grow into a mass called a tumor and invade and destroy nearby normal tissue. They also can migrate in a process called "metastasis," spreading via the blood or lymph system to other parts of the body. Not all cells that have rapid or uncontrolled growth are cancerous. Cells may amass as benign tumors, which do not invade or destroy surrounding tissues.

Although science has yet to understand the processes by which all cells grow, divide, communicate, and differentiate, much has been learned about how normal cells are activated or altered into cancerous cells in both inherited and non-inherited forms of cancer.

The Causes of Cancer
-----------------------------

Cancer is caused by factors that are external (chemicals, radiation, viruses, and diet) and internal (hormones, immune and metabolic conditions, and inherited [genetic] alterations). Some of these factors are avoidable; others are not. Scientists have identified many of the controllable risk factors that increase the chances of getting cancer. A complex mix of these factors, acting together or in some cascade of events, promotes cancer cell growth.

When the genetic programming of a normal cell is disrupted, its malignant potential is released. Everyone carries this malignant potential within them in normal genes known as proto-oncogenes. Products of these genes perform useful functions, such as regulating cell division and cell differentiation. These functions, however, may be compromised with aging or by exposure to cancer-causing (carcinogenic) agents. When this happens, they may be activated to become oncogenes, coordinating the conversion of normal cells to cancer cells.

Nutrition can influence any of the steps involved in the development of cancer. The development of cancer (carcinogenesis) and its relationship to nutrition is a complex process. Isolating and proving dietary cause-and-effect relationships can be difficult. In addition, studies can be confusing and sometimes show conflicting results. Nevertheless, the potential for nutrition to increase or decrease the risk of various cancers is compelling.

Dietary Guidelines to Reduce the Risk of Cancer
-------------------------------------------------------------

Just as negative dietary and lifestyle choices can significantly increase the risk of cancer, evidence is mounting that appropriate food choices can be powerful tools in reducing risk and even defensive shields in preventing cancer. The American Cancer Society offers these four guidelines to reduce cancer risk:

• Choose most of the foods you eat from plant sources.

• Limit your intake of high-fat foods, particularly from animal sources.

• Be physically active: achieve and maintain a healthful weight .

• Limit consumption of alcoholic beverages, if you drink at all.

The Society’s recommendations are consistent with the U.S. Department of Agriculture Food Guide Pyramid and the Dietary Guidelines for Americans. Although no diet can guarantee full protection against disease, the American Cancer Society believes that these recommendations offer the best nutrition information currently available to help reduce your risk of cancer.

Want your school to be the top-listed School/college in Gopalganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Sitaikunda, Kotalipara
Gopalganj
8110

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00