10/05/2026
মা দিবস হলো মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন, যা প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মায়ের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও অসীম অবদানের কোনো তুলনা হয় না। মাকে খুশি করতে এবং তার প্রতি সম্মান জানাতে দিনটি বিশেষভাবে উদযাপন করা উচিত।
02/04/2026
আজ ২রা এপ্রিল—World Autism Awareness Day 💙
Alor Poth Special School-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, বরং এটি ভিন্নভাবে পৃথিবীকে দেখার এক বিশেষ ক্ষমতা। আমাদের প্রতিটি শিশুই অনন্য—তাদের স্বপ্ন, প্রতিভা আর হাসি পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তোলে 🌟
আসুন, আমরা সবাই মিলে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সম্মানের মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়াই। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলাই হোক আজকের অঙ্গীকার 🤝
💙 Different, not less
20/03/2026
🌙🌙🌙 ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে ভালোবাসা। আসুন, এই ঈদে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ করি। ঈদ মোবারক। 🌙🌙🌙
16/03/2026
🎇 বসুন্ধরা, ঢাকা 🎇 নারায়ণগঞ্জ 🎇 গাজীপুর 🎇
📢📢 ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! 🎉
🌿 আলোর পথ স্পেশাল স্কুল এখন নিয়ে এসেছে বিশেষ ছাড় !!!!!!
👉 ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই পুরো মাস জুড়ে ভর্তি হলে পাচ্ছেন ৫০% ডিসকাউন্ট 🎊
আমাদের স্কুলে রয়েছে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সর্বোচ্চ যত্ন, সঠিক থেরাপি এবং ভালোবাসায় পূর্ণ পরিবেশ। 💙
👩🏫 স্কুলটি পরিচালিত হচ্ছে অভিজ্ঞ সিনিয়র শিক্ষক/শিক্ষিকা এবং স্পেশাল এডুকেটরদের দ্বারা।
আমাদের বিশেষ সেবা সমূহ:
👍 বিহেভিয়ার ম্যানেজমেন্ট
👍 ১:১ এবং ১:২ অনুপাতে স্কুলিং সার্ভিস
👍 অকুপেশনাল থেরাপি
👍 স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি
👍 ফিজিও থেরাপি
👍 এডুকেশনাল থেরাপি
👍 আরবি শিক্ষা প্রদান
👍 ভোকেশনাল ট্রেইনিং
👍 সাইকেলিং ট্রেইনিং 🚴
👍 মিউজিক এন্ড ড্যান্স থেরাপি 🎶🕺
👍 সুইমিং ট্রেইনিং 🏊
👍 প্যারেন্টস কাউন্সেলিং
👍 নিয়মিত সিসিটিভি মনিটরিং (১০০% সেফটি গ্যারান্টি)
📍 ঠিকানা:
লোকনাথ প্লাজা, আমবাগ রোড, কোনাবাড়ি, গাজীপুর
মোবাইল : ০১৩৪৩৪৪৮৪৩১
📞 যোগাযোগ করুন এখনই:
👉 ০১৩৩৭১৪৬৭৪৪ ঢাকা ব্রাঞ্চ
👉 ০১৩৪৩৪৪৮৪৫১ নারায়ণগঞ্জ ব্রাঞ্চ
👉 ০১৩৪৩৪৪৮৪৩১ গাজীপুর ব্রাঞ্চ
🌈 আপনার শিশুর শিক্ষায় এবং জীবনে পরিবর্তন আনতে আজই ভর্তি করুন আলোর পথ স্পেশাল স্কুলে।
সীমিত আসন, তাই দেরি না করে এখনই যোগাযোগ করুন!
09/03/2026
Speech Delay কীভাবে বুঝবেন?
শিশুর মধ্যে Speech Delay (কথা বলতে দেরি) আছে কিনা তা প্রাথমিকভাবে বোঝার উপায় গুলো নিচে দেওয়া হলো:
✅ Speech Delay কী?
নির্দিষ্ট বয়স অনুযায়ী যে ভাষা ও কথা বলার দক্ষতা থাকার কথা, তা যদি শিশুর মধ্যে দেখা না যায় বা অনেক ধীরে বিকশিত হয়—তাকে Speech Delay বলা হয়।
✅ বয়স অনুযায়ী লক্ষণ
➡️ ০–১২ মাস
• নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয় না।
• “বা-বা, মা-মা” জাতীয় শব্দ কম বা একেবারেই বলে না।
• চোখে চোখ রেখে কথা বলার চেষ্টা কম।
➡️ ১–২ বছর
• ১ বছর বয়সেও “মা, বাবা, পানি” এর মতো সহজ শব্দ না বলা।
• আঙুল দিয়ে কিছু দেখানো বা হাত নেড়ে ডাকা কম।
• সহজ কথা বা নির্দেশ বুঝতে পারে না। (যেমন: “বল দাও”, “এখানে এসো”)।
➡️ ২–৩ বছর
• দুই শব্দ একসাথে বলে না। (যেমন: “মা পানি”)
• অপরিচিত মানুষ তার কথা বুঝতে পারে না।
• প্রশ্ন করলে উত্তর দেয় না বা এড়িয়ে যায়।
➡️ ৩–৪ বছর
• ৩–৪ শব্দের বাক্য বলতে পারে না।
• কথা অস্পষ্ট, বারবার বুঝিয়ে বলতে হয়।
• নিজের গল্প বা অভিজ্ঞতা বলতে পারে না।
✅ আচরণগত লক্ষণ
• কথা বলার বদলে হাতের ইশারা বেশি ব্যবহার করে।
• কথা বোঝাতে না পেরে রাগ বা কান্না করে।
• অন্য শিশুদের সাথে কথা কম বলে।
• ডাক দিলে সাড়া কম দেয়।
✅ কখন সতর্ক হবেন?
• বয়স অনুযায়ী কথা শেখায় অনেক দেরি হলে।
• আগে যে শব্দগুলো বলত, হঠাৎ বন্ধ করে দিলে।
• চোখে চোখে যোগাযোগ খুব কম হলে।
• বারবার কানে ইনফেকশন হলে বা শুনতে সমস্যা মনে হলে।
✅ যা করবেন-
• Speech & Language Therapist (SLT)-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
• প্রয়োজনে শ্রবণ পরীক্ষা (Hearing Test) করান।
• ঘরে বেশি কথা বলা, গল্প বলা, গান শোনানো।
• মোবাইল/স্ক্রিন টাইম কমানো।
✅ যা করবেন না-
স্পিচ ডিলে শিশুর ক্ষেত্রে কিছু বিষয় এড়িয়ে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভুল পদ্ধতি অনিচ্ছাকৃতভাবে ভাষা শেখার আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। মোবাইল বা ভিডিও দিয়ে কথা শেখানো কার্যকর নয়, স্ক্রিন শব্দ শোনায়, কিন্তু দুই-পাশের প্রতিক্রিয়াশীল যোগাযোগ তৈরি করে না। শিশুকে কথা বলার জন্য চাপ দিলে শিশুর মধ্যে পারফরম্যান্স anxiety তৈরি হতে পারে, ফলে সে আরও চুপ হয়ে যেতে পারে। ভুল উচ্চারণ ধরিয়ে থামানোও উচিত নয়; বরং সরাসরি সংশোধন না করে সঠিক শব্দটি বলে দিন। আর একসাথে অনেক প্রশ্ন করলে শিশু বিভ্রান্ত হয় ও কথোপকথন এড়িয়ে যেতে পারে। তাই একসাথে অনেক প্রশ্ন করবেন না।
21/02/2026
🌺 মহান একুশে ফেব্রুয়ারির শুভেচ্ছা 🌺
আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি — ভাষার জন্য আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় দিন।
১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অসংখ্য ভাষা শহীদ।
তাদের রক্তে রাঙানো পথেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমাদের ভাষার অধিকার।
এই দিন আমাদের শিখিয়ে দেয় —
মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব, গর্ব ও অঙ্গীকার।
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সকল ভাষা শহীদদের।
শহীদদের আত্মত্যাগ চির অম্লান হোক।
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? 🇧🇩🌼