বাংলা পরিবার-একাডেমিক ও সাহিত্য আলোচনা-by Bristy & Asif.

  • Home
  • Bangladesh
  • Gazipur
  • বাংলা পরিবার-একাডেমিক ও সাহিত্য আলোচনা-by Bristy & Asif.

বাংলা পরিবার-একাডেমিক ও সাহিত্য আলোচনা-by Bristy & Asif. এখানে পাবেন— সাহিত্য বিশ্লেষণ, প্রশ্নোত্তর, নোট, জীবনী ও পরীক্ষার প্রস্তুতি সহ অনেক কিছু�

25/03/2026

আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন?

🔥ব্রেকিং~এবার অনার্স ৪র্থ বর্ষের ইনকোর্স সংক্রান্ত  জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলো। আপকামিং অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফরম পূরণে...
07/12/2025

🔥ব্রেকিং~এবার অনার্স ৪র্থ বর্ষের ইনকোর্স সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলো। আপকামিং অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তির আগে ইনকোর্স নম্বর ও ক্লাসের উপস্থিতির নম্বর এন্ট্রি করতে হবে এবং ফরম পূরণের Probable লিস্ট প্রস্তুত করা হবে।

❌যারা ইনকোর্স পরীক্ষা দিবে না, তারা ফরম পূরণ করতে পারবে না।

07/12/2025

#অনার্স তৃতীয় বর্ষ বর্ষ (২১-২২)
✴️পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার সময় বন্টন ও গুরুত্বপূর্ন কিছু কথা

🥀পরীক্ষার সময়কালঃ ৪ ঘন্টা = ২৪০ মিনিট
🥀পরীক্ষার পূর্ণমানঃ ৮০ মার্ক = প্রতি মার্কের জন্য ৩ মিনিট

🌹ক-বিভাগ: ১০ মার্ক = ৩০ মিনিট
🌹গ-বিভাগ: ৫০ মার্ক = ১৫০ মিনিট
🌹খ-বিভাগ: ২০ মার্ক = ৬০ মিনিট

💞✍️১০ মার্কের একটি প্রশ্ন লেখার জন্য সময় ব্যয় করবেন ৩০ মিনিট। কেউই ৩০ মিনিটের বেশি একটা প্রশ্ন লিখবেন না। পারলে ২/৩ মিনিট সেভ করবেন যাতে যেটা ভাল পারেন সেটাতে সেই সময়টা কাজে লাগানো যায়। ১০ মার্কের জন্য নূন্যতম ৬ পৃষ্ঠা লেখার চেষ্টা করবেন। তাহলে গড়ে এক পৃষ্ঠা লিখতে ৪/৫ মিনিট পাবেন। কারো হাতের লিখা স্পিড ভাল তারা অবশ্যই বেশি লিখবেন।

💞✍️ ৪ মার্কের একটি প্রশ্ন লেখার সময় ব্যয় করবেন ১২ মিনিট করে। এখানে ২.৫ থেকে ৩ পৃষ্টা লিখবেন।

💞✍️ প্রশ্নের সাথে পয়েন্টের মিল রাখার চেষ্টা করবেন।

💞✍️ আবল তাবল লিখে পৃষ্টা বাড়িয়ে কোন লাভ নেই। খাতার পেজেন্টেশন ও হাতের লিখা এবং প্রশ্নের মুল উত্তরটা অল্প কথায় বুঝাতে পারলেও ভাল মার্ক পাবেন। এমন রেকর্ড আছে অতিরিক্ত কাগজ না নিয়েও থিউরিটিকেল একাধিক বিষয়ে A+ পাবার। মূলত স্যাররা প্রথম ১/২ টা প্রশ্ন পড়লেই বুঝতে পারে স্টুডেন্টা কেমন।

💞✍️ কোন লিখা ভুল হলে তা এক টানে কেটে দিবেন বেশি ঘষামাজার দরকার নেই।

💞✍️ দ্রুত লিখতে গিয়ে এমন ভাবে লিখা যাবে না যাতে কিছুই বুঝা যায় না। লিখা বুঝা না গেলে স্যার খাতা দেখে বিরক্ত হবে, নম্বরও কম দিবে।

💞✍️খাতার বামে ও উপরে ১ ইঞ্চি মার্জিন করবেন, ডানে ও নিচে ½ ইঞ্চি জায়গা রাখবেন তাহলে দেখতে ভাল লাগবে।

💞✍️ একটা প্রশ্ন শেষ করে ওই পৃষ্ঠাতেই কখনই নতুন প্রশ্ন শুরু করবেন না। আর প্রশ্নের নম্বর এমন ভাবে মার্ক করে দিবেন যাতে টিচারের চোখে দ্রুত পরে।

💞✍️ প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের সাইজ একই রাখার ট্রাই করবেন যাতে একটা বেশি বড় আবার একটা বেশি ছোট না হয়৷

💞✍️ সংজ্ঞামূলক প্রশ্নে প্রথমেই সূচনা দিবেন তারপর বইয়ের সংজ্ঞা দেন মনীষীদের দুইটা সংজ্ঞা দিবেন দেন সংজ্ঞাগুলো থেকে কি কি মূল বিষয় পেলে তার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিবেন।

💞✍️ এক মার্কও ছাড়া যাবে না, ৫ মার্ক পরপর সিজিপিএ গ্রেড চেঞ্জ হয় সুতরাং এই দিকটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

💞✍️ পয়েন্ট চিহ্নিত করার জন্য কালার পেন ব্যবহার করতে পারেন।

💞✍️ যারা সময় মেইন্টেন করে ঠিকমত সব দিতে পারবেন তারাই ভাল করবেন। ২/৩ টা পরীক্ষা টাইম মেইন্টেন করে দিতে পারলে পরের গুলাও টাইম মেইন্টেন করতে পারবেন সহজেই।

💞✍️প্রথমে ক এরপর গ এরপর খ বিভাগ দিলে দেখবেন পরীক্ষায় ভাল মতই সবগুলা প্রশ্ন দিতে পেরেছেন। অনেকেই খ আগে দিতে গিয়ে ভাল করে লিখে সময় নষ্ট করে ফেলে পরে গ বিভাগে সময়ের অভাবে শেষের প্রশ্ন গুলা এতটাই ছোট দিয়ে ফেলে যা খ বিভাগের চেয়েও ছোট হয়ে যায়। তাই টাইম মেন্টেন করা মেইন কাজ ঘড়ি ধরে পরীক্ষা দিতে হবে।

🥀আশা করি কথাগুলা সবার কাজে দিবে।
💗"ধন্যবাদ সবাইকে"💗

★মাঝখানে ৩য় বর্ষের বাচ্চারা হযরত টেনশন ইবনে-কম্বল বিনতে-স্ট্রাগল আক্তার মাস্টার হয়ে যাচ্ছে! 🙃 #বাংলা_বিভাগ_৩য়_বর্ষ
04/12/2025

★মাঝখানে ৩য় বর্ষের বাচ্চারা হযরত টেনশন ইবনে-কম্বল বিনতে-স্ট্রাগল আক্তার মাস্টার হয়ে যাচ্ছে! 🙃
#বাংলা_বিভাগ_৩য়_বর্ষ

 #অনার্স_৩য় বর্ষের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নক*ল বা কোনো ধরনের জালি*য়াতির সঙ্...
04/12/2025

#অনার্স_৩য় বর্ষের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নক*ল বা কোনো ধরনের জালি*য়াতির সঙ্গে জড়িত পরীক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হবে। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দেওয়া হবে।

🔥অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার– এডমিট কার্ড প্রকাশ। পরীক্ষা শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর থেকে যথাসময়ে। 🧾কলেজে যোগাযোগ করে এডমিট কার্ড ...
03/12/2025

🔥অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার– এডমিট কার্ড প্রকাশ। পরীক্ষা শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর থেকে যথাসময়ে।
🧾কলেজে যোগাযোগ করে এডমিট কার্ড সংগ্রহ করবেন।

🐸
03/12/2025

🐸

03/12/2025

অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষা -১১ তারিখ থেকে শুরু।আশা করি সবার প্রিপারেশন আলহামদুলিল্লাহ।হাতে আছে মাএ ৭ দিন।অনেকেই আছে,শুধু পড়ে।কিন্তু খাতায় লিখে নিজেকে যাচাই করেনা।নিজেকে যাচাই করতে + হাতের লিখার স্পিড বাড়াতে অবশ্যই লিখতে হবে।অনেক লিখতে হবে বিষয়'টা এমন নয়,তবে হাতের লেখার স্পিড বাড়াতে লিখার বিকল্প আর কিছুই নেই।অনার্স লাইফে বেশিরভাগ 'ই স্টুডেন্ট লিখে না,জাস্ট পরীক্ষার রুটিন দিলে পড়তে বসে।পরবর্তী তে দেখা যায়, পরীক্ষার হলে লেখার স্পিড বাড়েনা,কিছুক্ষণ লেখার পরেই হাত ব্যথা শুরু হয়।তাই এই কয়েকদিন পড়ার পাশাপাশি অবশ্যই লিখার চর্চা করতে হবে।সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।
✌️ নিজের লক্ষ্য পূরণে মনোবল শক্ত রাখুন 🎯)
~ বৃষ্টি🖋️
্ষ #দিকনির্দেশনা।

তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। জন্মেছিলেন কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরের শংকর মাধবপুর গ্রামে ১৯৫৭ সালের কোনো এক দিনে।মুক্...
01/12/2025

তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। জন্মেছিলেন কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরের শংকর মাধবপুর গ্রামে ১৯৫৭ সালের কোনো এক দিনে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। একদিন তারাবানু হঠাৎ দেখলেন দলে দলে ট্রাকে ট্রাকে সৈন্য নামছে। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে দেশে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের গ্রামটি পড়েছিল ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে। তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের।

একদিন মুহিব হাবিলদার নামে স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা তারাবানুদের বাড়িতে এসে বললেন তাদের কাজের বেশ ঝামেলা, সব পুরুষ মুক্তিযোদ্ধা।

তারাবানু যদি ক্যাম্পে রান্না বান্না ধোয়া মোছা করে দেয় তবে বিনিময়ে তাকে কিছু টাকা দেবে ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধারা। শুনে রাজি হলেন না তারাবানুর মা।

মুহিব হাবিলদার বহু বোঝানোর পরে অবশেষে গ্রামের পাশে দশঘরিয়ায় মুক্তিবাহিনীর সেই ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্ব নিতে মেয়েকে ছাড়তে রাজি হলেন তারাবানুর মা।

মুহিব হাবিলদারই তার নাম নামের শেষে যুক্ত করেন তারামন।

মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে তারামন রান্নার পাশাপাশি, ধোয়ামোছা ও মাঝেমাঝে অস্ত্র সাফ করতেন। মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে তিনিই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।

একবার সম্মুখ যুদ্ধের ঘটনা। মধ্য দুপুরে সবাই খেতে বসেছে তখন, কেবল তারাবানু খেয়ে দেয়ে চারপাশে নজর রাখছেন। এমন সময় তারামন সুপারি গাছের উপরে উঠে দৃষ্টি রাখছেন।

হঠাৎ দেখলেন পাকিস্তানিদের একটি গানবোট দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে জানালেন কমান্ডারকে। সবার খাওয়া চলছে তখন।

খাওয়া ছেড়ে সবাই নিজ নিজ অবস্থান নিয়ে নিলেন মুহূর্তের মধ্যেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত সম্মুখ যুদ্ধ চলেছিল সেদিন। তারাবানু না দেখলে মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন মাটির সঙ্গে মিশে যেত।

সম্মুখযুদ্ধ ছাড়াও গুপ্তচর সেজে পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে ঢুকে তথ্য নিয়ে আসতেন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। তারাবানু দারুণ অভিনয় করতে পারতেন চোখের পলকেই।

বিভিন্ন অপারেশনের আগে কলার ভেলায় করে তারামন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পের রসদ, অস্ত্র গোলাবারুদ পৌঁছে দিয়েছেন জায়গা মতো।

তেমনই এক ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের অক্টোবর মাসের। একপাশে খালিয়াভাঙ্গা অন্যপাশে ভেড়ামারি খাল। এক পাশের গ্রামে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প, অন্য গ্রামে পাকিস্তানিদের।

মধ্যে একটা খাল পড়েছে। সারা শরীরে কাদা আর পাগলের বেশ ধরে সেবার পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে গিয়েছিলেন তারামন। সামনে তখন হানাদার বাহিনীর সদস্যরা।

তারামনের সারা গায়ে কাদা, মাথায় চুলের জট, কাপড় ছেঁড়া, হাত পা যেন অনেকখানি বিকলাঙ্গ।

তারামনকে দেখে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা অশ্লীল ভাবে গালি দিচ্ছিলো, জবাবে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করছিলেন তারামন। এদিকে আর্মির সদস্যরা ভাবলো পাগলের কতো রকমফের।

নিজেদের মধ্যে হাসি ঠাট্টায় লিপ্ত হলো তারা। এই ফাঁকে তারামন পাগলের বেশে মোটামুটি অনুমান করে নিলো ক্যাম্পের সমস্ত জায়গার।

কোন পাশে হামলা করলে সবচেয়ে ভয়ংকর হবে পাকিস্তানিদের জন্য, কোন পয়েন্ট দিয়ে পাকিস্তানিদের উপর হামলা করতে হবে এসব মনে রেখে বেরোতে গিয়ে কোন বাধার সম্মুখীন হলেন না তারামন।

পাকিস্তানিদের ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সাঁতরে খাল পেরিয়ে ওপর পাড়ে উঠে তারামন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে এলেন। গোপন খবরের অপেক্ষায় তখন মুক্তিযোদ্ধারা।

তারামন পাকিস্তানিদের ক্যাম্পের অবস্থা মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডারকে সব বললেন খোলাখুলিভাবে।

তার নির্ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে নদীর অপর পাড়ে পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে আক্রমণ হলো পরদিনই।

কেবল এই দুটো অপারেশনই নয়। মোহনগঞ্জ, তারাবর কোদালকাটি, গাইবান্ধার ফুলছড়ির বহু বিখ্যাত যুদ্ধে পুরুষ সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্মুখসমরে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন তারামন বিবি।

মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে শেখ মুজিব সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে। কিন্তু এ খবরও জানতে পারেননি তারামন।

একসময় পুরোপুরি লোক চক্ষুর অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন তারামন বিবি। ১৯৯৫ সালে তার খোঁজ মিলে ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজের অধ্যাপক গবেষক বিমল কান্তি দের মাধ্যমে।

তাকে সহযোগিতা করেছিলেন তারামন বিবির জন্মস্থান কুড়িগ্রামের রাজীবপুরের কলেজের অধ্যাপক আবদুস সবুর ফারুকী।

এমনকি বিয়ের পর তারামন বিবির স্বামী আব্দুল মজিদও জানতেন না, তার স্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধা।

এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তিনি 'হ্যায় যে মুক্তিযোদ্ধা, হেইটা বিয়ের পরও বুঝি নাই। লেহা পড়া নাই। চর্যার মধ্যে বাড়ি। পেটের ভাত জোগাড় কোরতেই দিন চইলা যাইত, হ্যাই খবর কেমনে নিমু?'

তারা তাকে জানতেন তারাবানু। তাদের বাড়িতে তারামন বিবির খোঁজে গিয়ে খোঁজ নেয়া অধ্যাপকেরাই কাগজপত্র দেখিয়ে বললেন এই তারা বানুই হচ্ছে তারামন।

তাকে খুঁজে পাওয়ার খবরটি ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম পাতায় ছাপা হয়েছিল।

১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তারামন বিবির হাতে তুলে দেন বীর প্রতীক সম্মাননা।

২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সবাইকে ছেড়ে যান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক।

বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে তার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি এই কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধাকে।

লেখা: আহমাদ ইশতিয়াক (TDS)

01/12/2025

তুমি আসবে ব'লে হে স্বাধীনতা
সাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো।
#শামসুররহমান

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসেম্বর মাসের আপডেটসমূহঃ
01/12/2025

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসেম্বর মাসের আপডেটসমূহঃ

Address

Gazipur
1700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলা পরিবার-একাডেমিক ও সাহিত্য আলোচনা-by Bristy & Asif. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share