19/08/2025
Opportunity – PRAN-RFL Group 🌟
Are you ready to kickstart your career with one of the largest conglomerates in Bangladesh?
We are looking for energetic and motivated talents to join as Interns for
E-Mobility at our Habiganj Industrial Park.
🔹 Position: Intern (3 months)
🔹 Who Can Apply?
Students of Mechanical Engineering or EEE
Passionate about innovation, technology, and the automobile industry
🔹 What We Offer:
Real industry exposure
Full-time dormitory facility
Subsidized lunch & dinner
Attractive remuneration
Opportunity for permanent employment based on performance
📅 Application Deadline: 17th September, 2025
🚀 Don’t miss this chance to gain hands-on experience and shape your career with PRAN-RFL Group!
19/08/2025
ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ও মানারাত ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎসকে হ*ত্যা*র হু*মকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
তারা জানায়, “অ্যান্টার্টিকা চৌধুরী” নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভয়াবহ হ*ত্যা*র হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষাঙ্গন ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য গুরুতর হুমকি।”
এক বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানায়—
১. সংশ্লিষ্ট হুমকিদাতাকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া,
২. হুমকিদাতার পক্ষ নিয়ে যারা প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ,
৩. শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা,
৪. রাষ্ট্রবিরোধী বিভ্রান্তিকর প্রচারকারীদের বিচারের আওতায় আনা,
৫. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ।
শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, শিক্ষক সমাজের নিরাপত্তা মানে পুরো শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা। তাই রাষ্ট্রকে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
© Polytechnic Notice
24/07/2025
📛DUET Admission📛
ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী ডুয়েট এডমিশন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আবেদন সংখ্যা।
✅CE = 1470 (120)
✅EEE = 1763 (120)
✅ME/IPE/MME = 1106 (120+30+30)
✅CSE = 774 (120)
✅TE = 309 (120)
✅Arch = 119 (30)
✅Che = 791 (30)
✅FE = 91 (30)
02/07/2025
মধ্যবিত্তকে সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা। পড়াশোনা ঠিকমতো করলে অন্তত টিউশনি করে হলেও চলা যাবে।
আজ যারা দুনিয়াটাকে ফুটবল ভেবে ঠিকমতো পড়াশোনা করছে না, পরীক্ষায় বসছে না কিংবা লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে না—তাদেরকে মাত্র বছর পনেরো পরে দেখো। দুনিয়াই তাদেরকে ফুটবল বানাবে। এর ওর কাছে হাত পাতবে, সাহায্য চাইবে, করুণা ভিক্ষা করবে।
শিক্ষা বলতে কেবল বই, স্কুল এবং সার্টিফিকেট অর্জনকে বলছি না। দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া দরকার। পৃথিবীর আগামী হবে দক্ষতানির্ভর। জীবন ও জীবিকার জন্য যেকোনো এক অথবা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হতেই হবে। ছাত্রজীবনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসব-উল্লাস করে কাটালে পরিণামে দুঃখ বোধ করতেই হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে যদি টাটা-বিরলার সন্তান না হও, তবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।
সম্প্রতি গুলতেকিন খানের একটি লেখার শেষ লাইনে—“জীবনে যত ঝড় আসুক, পড়াশোনা শেষ করতেই হবে”—চোখ আটকে গেছে। হৃদয় কেড়ে নিয়েছে এই বাক্যটি। দিনভর ভাবাচ্ছে।
বিশ্বের কত দেশের তরুণ-তরুণীরা হাজারো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে-বিদেশে ছুটছে। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রায় দুয়ারে দুয়ারে। রাষ্ট্রীয়ভাবে নাগরিক সেবায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণে বিশেষ কোনো অপ্রতুলতা নেই।
দুঃখ শুধু, শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। অভিভাবককে লেগে থাকতে হয়, শিক্ষকদের রোজ খোঁজ নিতে হয়—তারপরেও শিক্ষার্থীদের পড়ায় মনোযোগ নেই। আজকালকার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজ্যের সব কাজ তরানো যায়, কেবল পড়াশোনা বাদে।
শহরের গ্রন্থাগারগুলো পাঠকের অভাবে ধুঁকছে, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক গল্প-উপন্যাস খোঁজে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণি-পাঠ্যের গাইড বই ছাড়া অন্য কোনো ভালো বইয়ের নাম জানে না! সারা বাংলাদেশের প্রায় একই চিত্র। ক্লাসে উপস্থিতি নেই। পরীক্ষার খাতা পড়ে নম্বর দিলে পাশ করানো কঠিন। হোমওয়ার্ক দিলে সে শিক্ষক অপ্রিয় হয়ে ওঠে।
নানা সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট টিউটরের কাছে যায়। মোটকথা, পেছন থেকে তাগিদ না দিলে সন্তান পড়ছে না। যারা অভিভাবক হিসেবে সচেতন, শুধু তাদের কতিপয় সন্তানেরা ভালো করছে। বাকিদের অবস্থা গতানুগতিক—কেবল সার্টিফিকেট সর্বস্ব পড়াশোনা। এহেন পড়াশোনা জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিচ্ছে।
ছেলের মাস্টার্সের সার্টিফিকেট আছে, কাজেই তার দ্বারা কৃষিকাজ হবে না; শ্রমিক ভিসায় বিদেশে যেতে পারবে না। ফলাফলে দেশে লাখ তিরিশেক বেকার।
মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাশ, তবুও বিয়ে হচ্ছে না। বয়স এবং শিক্ষা মিলিয়ে পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলাফলে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
আজ যারা নামকাওয়াস্তে পড়াশোনা করছে, তাদের সামনের দুর্দিন তারা অনুধাবন করতে পারছে না। ঠিকমতো পড়াশোনা না করলে সার্টিফিকেট গলার কাঁটা হবে।
কাজেই মধ্যবিত্ত থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষতানির্ভর পড়াশোনা করতে হবে। আর কিছু না হোক, শিক্ষার নিজস্ব মূল্য আছে। পরিণামে যদি ধ্বংসও থাকে, তবুও তা যদি শিক্ষিতের পন্থানুসরণে হয়—তাহলে তা সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
বারবার বলি, পড়াশোনায় মনোযোগী হও। রোজ নিজেকে অতিক্রম করো। পড়াশোনা কোনোদিন কাউকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেনি। পড়াশোনায় ভালো না হলে সারা দুনিয়া তোমাকে লজ্জা দেবে।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে স্বাক্ষর না হলে রোজ পিছিয়ে পড়বে। নিজেকে আবিষ্কারের জন্য, জাত চেনানোর জন্য বই মানুষকে পথ দেখায়। যারা তোমায় পড়তে বলে, রোজ নতুন কিছু শিখতে বলে—তাদের কথা ও ভাষা এই সময়ে তিক্ত ঠেকতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে আফসোস করবে।
মাত্র কয়েকটি বছর জ্ঞানসাধনায় ব্যয় করলে সারাজীবন সুখেই যেতো। জ্ঞানের নিজস্ব আলো আছে। সকল সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণের জন্য জ্ঞান পথ সৃষ্টি করে। যারা জ্ঞানী এবং যারা জ্ঞানী নয়—তারা কোনোভাবেই এক নয়।
অশিক্ষিত মানুষ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হলে তা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়। সম্পদ যদি সুপথে ব্যয় করা না যায় তবে তা ধ্বংস অনিবার্য করে।
সেজন্য শিক্ষিতজন সীমিত সম্পদের মালিক হলেও, সেসব সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সুখ-প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে। অশিক্ষিত ধনবান অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসুখী।
শিক্ষার্থীরা, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। শিক্ষা অর্জনে ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ সূত্রে দশটি বছর বিনিয়োগ করো। বাকি সত্তর বছর সেটার ফল পাবে। উত্তরাধিকারের জন্য রেখে যেতে পারবে সোনালি দিন।
তুমি অন্ধকারে থেকে এই সমাজের কাউকে আলোর সন্ধান দিতে পারবে না। অথচ প্রত্যেকের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে হওয়ার সুযোগ ছিল।
শিক্ষা সেই সুযোগ সবার সামনে এনেছিল। কেউ হাত বাড়িয়ে নিয়েছে, কেউ পিঠ দেখিয়ে অবহেলা করেছে। কে জিতেছে আর কে ঠকেছে—ইতিহাস থেকে শিখো।
আজ যারা সঠিক পথে নেই, চাইলেই কাল পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। শিক্ষা সবসময় দ্বিতীয় সুযোগ দেয়, যদি মনোযোগী হও।
শিক্ষা আলোর পথ, যার পাশে হেঁটে তুমি হতে পারো উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিজেকে গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় হলো আজ, এখন। বিলম্ব মানেই পিছিয়ে যাওয়া।
পড়ো, শিখো, জ্ঞানী হও—কারণ অন্ধকারে আলোর খোঁজ শুধুই বিভ্রম।
- অন্বেষণ পাবনা শাখা
02/07/2025
এটা শাকিল ভাইয়ের রুম উনার লিখা পড়েন-
আহা বিসিএস! তোমার জন্যই জানালাবিহীন এই রুমে কেটেছে কত নির্ঘুম রাত। তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্বপ্ন আর সংগ্রামে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল শুধু তোমারই জন্য।
অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তুমি এলে!
তুমি এলে এক বুক আনন্দ, গর্ব আর কৃতজ্ঞতা নিয়ে। 🤲
-শাকিল আহমেদ ভাইয়া
কৃতিত্বের সাথে ৪৪তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার-এ সুপারিশপ্রাপ্ত/ 🌸 অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা 🌸
02/06/2025
🔰সারাদেশের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিগুলোতে যখন ভিসির পদত্যাগ চাওয়া নিয়ে নানা রকম আন্দোলন ও সমালোচনা চলছে। ঠিক তখনই ডুয়েটের ভিসি, শ্রদ্ধেয় জয়নাল আবেদীন স্যার ডুয়েটের CSE 22 সিরিজের এক শিক্ষার্থীকে দেখতে ছুটে গিয়েছিলেন শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।।।
ডুয়েটের ভিসির সমালোচনা তো দূরের কথা, শিক্ষার্থীরা মাঝে মধ্যে কনফিউজড হয়ে যায়, স্যারের কোন কাজ রেখে কোন কাজের প্রশংসা করবে।। এমন ভিসি দেশের সকল ইউনিভার্সিটিতে হোক।।।।
সেলুট স্যার আপনাকে। 🫡🫡
27/05/2025
🔰সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা—যারা পাশে ছিলেন, যারা কণ্ঠ তুলেছেন, যারা হার মানেননি।
চলো এবার গড়ি আগামীর পলিটেকনিক,
গড়ি আগামীর বাংলা
25/05/2025
Admission🔰🔰 test 10/08/25