মুক্তিযোদ্ধা হাইস্কুল

মুক্তিযোদ্ধা হাইস্কুল

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মুক্তিযোদ্ধা হাইস্কুল, Middle School, সুকুন্দি, পোঃ কালনী ১৭০০, সদর, গাজীপুর, Gazipur.

13/04/2025

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, সফলতার পথ আসলে কেমন? মানুষ সফলতার আগে আপনাকে অবহেলা করতে পারে, কিন্তু সেই সফলতা অর্জন করার পর আপনিই হয়ে উঠবেন তাদের প্রিয়। আমি নাজিম উদ্দিন হৃদম আজ জানাবো কেন সফলতা আমাদের জীবনে এমন এক জাদুকরি চাবিকাঠি, যা সমস্ত কিছু বদলে দেয়।

✅ সফলতা: এক অদৃশ্য চাবিকাঠি যা আপনাকে সবকিছু বদলে দিতে সাহায্য করে

জীবনে আমরা প্রায় সবাই সফল হতে চাই, কিন্তু সফলতার আসল পথ অনেকটাই একা। এটি এমন এক যাত্রা যেখানে প্রথমে আপনাকে সবাই অদৃশ্যভাবে অবহেলা করে। যখন আপনি শুরু করেন, তখন কেউ আপনার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে না, কেউ আপনার কথা শোনে না, এবং সবাই মনে করে আপনি যেটি করছেন সেটা শুধুই সময়ের অপচয়। তবে, সফলতা এমন একটি শক্তিশালী চাবিকাঠি, যা একদিন আপনার জীবনে সবকিছু বদলে দিতে পারে।

✅ সফলতা অর্জনের আগে কী হয়?
সফলতা অর্জন করার আগে অনেক সময় আপনি একাকীত্বের অনুভূতি অনুভব করবেন। আপনার চারপাশের মানুষ, বন্ধু, পরিবার, এমনকি সহকর্মীও হয়তো আপনার প্রতি অনীহা দেখাবে। তাদের চোখে আপনি এক মুহূর্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নন। যেই ব্যক্তি কখনো আপনার সাথে কথা বলতো না, সেই ব্যক্তি আপনার পাশে না থাকার জন্য অজুহাত খুঁজবে। তখন আপনি প্রমাণ করবেন, শুধু সফলতা অর্জন করলে আপনার মূল্য বেড়ে যায়, অন্যথায় আপনি কোনও মূল্যই রাখেন না।

✅ মানুষ যখন সফলতার পাশে দাঁড়ায়
কিন্তু সেই সফলতার দিনটি একদিন আসবে। যেদিন আপনি সফল হবেন, তখন মানুষ আপনাকে খুঁজে পাবে, তাদের কাছে আপনি হয়ে উঠবেন এক নতুন হিরো। আপনি যদি একসময় খুব ছোট এবং অজ্ঞাত ছিলেন, একদিন আপনি সেই মানুষদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবেন, যারা আপনাকে সাফল্যের পথে বাধা দিয়েছিল। সে সময়, আপনার চারপাশের মানুষ আপনাকে শ্রদ্ধা করতে শুরু করবে, আপনার প্রতি তাদের ভালোবাসা নিঃস্বার্থ হয়ে উঠবে।

যতদিন আপনি সফল হননি, ততদিন হয়তো আপনার পরিচয় এবং আপনার কাজের মূল্য কেউ দেয়নি। কিন্তু, যখন আপনি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সফল হন, তখন সবকিছু বদলে যাবে। মহৎ অর্জনগুলোর জন্য আপনি সমাজের প্রিয় ব্যক্তি হয়ে উঠবেন, যারা আপনার কষ্টের সঙ্গী হবে, আপনার কথার মূল্য দেবে এবং সর্বশেষে আপনাকে সেই সম্মান দেবে, যা আগে কেউ দিত না।

✅ অসফলতার সময় কী হয়?
যদিও সফলতার পথ অনেক কঠিন, তবে অসফলতার পথও কম কঠিন নয়। যখন আপনি সফলতা অর্জন করতে পারেন না, তখন আপনি আবার ফিরে যাবেন সেই পুরনো চেনা পরিবেশে। অসফলতার সময় আপনি কেবল বেকারত্বের শিকার হবেন না, আপনার সমাজের অবহেলা এবং অপমানও সঙ্গী হয়ে আসবে। আপনার পাশের লোকেরা আপনাকে অবজ্ঞা করবে, এবং আপনার ক্যারিয়ার, টাকা এবং অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন তুলবে। আপনি যে একদিন ভালো স্টুডেন্ট ছিলেন, আপনি যে একজন উচ্চশিক্ষিত মানুষ ছিলেন, তা কিছুতেই আপনার কাজে আসবে না।

আপনি যখন সফল হবেন না, তখন আপনার পরিবারের কাছ থেকেও তীব্রভাবে কথা শুনতে হতে পারে। বন্ধুদের তালিকা থেকেও আপনাকে বাদ দেওয়া হতে পারে, এমনকি আপনার থেকেও কম যোগ্য ব্যক্তিরাও আপনাকে অপমান করতে দেখাবে। কারণ, আমাদের সমাজে যোগ্যতা এবং শিক্ষা নয়, মানুষ সুধু টাকা আর ক্যারিয়ারকে মূল্য দেয়।

✅ সফলতার পর কী হয়?
কিন্তু যদি আপনি একদিন সফল হন, তাহলে আপনার পৃথিবী পালটে যাবে। যখন আপনি সফলতা অর্জন করে নিজের পায়ে দাঁড়াবেন, তখন আপনি দেখতে পাবেন যে, পুরো দুনিয়া কিভাবে আপনার চারপাশে পরিবর্তন হচ্ছে। আপনি নিজে উপলব্ধি করবেন, সফলতা কেবলমাত্র আপনার জন্য নয়, এটি আপনার চারপাশের মানুষদেরও আপনার কাছে আকৃষ্ট করবে। তারা যারা একসময় আপনার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতো না, আজ তারা আপনার পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে। আপনার কাজের প্রতি তাদের মনোভাব পরিবর্তিত হবে। আপনি দেখতে পাবেন, সফলতা কীভাবে সমস্ত দুনিয়াকে আপনার দিকে আকর্ষণ করে।

এটি এমন একটি জাদুকরি চাবিকাঠি যা আপনার সবার জীবন বদলে দিতে পারে। আপনার কঠোর পরিশ্রমের ফল একদিন দেখা যাবে, তখন সাফল্যের পথে আপনার সমস্ত সংগ্রাম এবং দুঃখগুলো মূল্যবান হয়ে উঠবে।

✅ শেষ বার্তা :
জীবনের চলার পথে আমাদের অনেক বাধা আসে, কিন্তু যদি আপনি নিজের লক্ষ্যের দিকে দৃঢ় মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যান, তাহলে আপনি দেখতে পাবেন একদিন আপনার সফলতা সমস্ত কঠিন সময়ের উপরে দাঁড়িয়ে। এই সফলতা শুধু আপনাকে নয়, বরং আপনার চারপাশের সবার জীবনও বদলে দিতে সাহায্য করবে।

এটি জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা: আপনার অর্জন এবং সফলতার মাধ্যমে আপনি নিজেকে কেবল প্রমাণ করবেন না, বরং সবার চোখে নিজের মূল্য তুলে ধরবেন।

12/04/2025

তুমি নিশ্চয়ই ভাবছো, কিছু মানুষ কেন সফল হয় না? যখন চারপাশে সফল মানুষের গল্প শুনি, তাদের অর্জনগুলো দেখে, তখন মনে হয় আমরা কেন সেই সফলতার অংশ হতে পারি না? আসলে সফলতা কোনো মিথ না, তবে কিছু বাধা থাকে, কিছু অভ্যেস থাকে, যা মানুষকে তাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। আজ আমি তোমাকে এসব বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেবো, যেন তুমি জানো, কোনগুলো এড়িয়ে গেলে তুমি সফল হতে পারবে।

১. স্পষ্ট লক্ষ্য না থাকা
তুমি ভাবো, যদি তুমি জানতেই না পারো কোথায় যাচ্ছ, তাহলে সেখানে পৌঁছাবে কীভাবে? মানুষ যখন সফল হওয়ার জন্য কিছু করতে চায়, কিন্তু তাদের স্পষ্ট লক্ষ্য থাকে না, তখন তারা সঠিক পথে এগিয়ে যেতে পারে না। তুমি যদি জানো না তুমি কোথায় যাচ্ছ, তাহলে পথচলা কেমন হবে?
উদাহরণ: ধরো, তুমি কোনো ছোট ব্যবসা শুরু করতে চাও। কিন্তু তুমি ঠিক জানো না তুমি কী বিক্রি করবে, কার জন্য করবে, বা কীভাবে করবে। এর ফল কী হবে? তুমি হাল ছেড়ে দেবে, কারণ কিছুই পরিষ্কার নয়। কিন্তু যাদের সঠিক লক্ষ্য থাকে, তারা না থেমে, না ক্লান্ত হয়ে, আবার সফল হয়। লক্ষ্য পরিষ্কার হলে, তোমার পথ সহজ হয়ে যাবে।

২. অধ্যবসায়ের অভাব
বেশিরভাগ মানুষ সফল হতে চাইলেও, অধ্যবসায় বা ধৈর্য তাদের মধ্যে থাকে না। সফলতার পথ কখনো সহজ হয় না, তুমি জানো, কেবল একে একে ছোট ছোট পদক্ষেপেই বড় কিছু হয়। কিন্তু যখন সমস্যা আসে, অনেকেই হাল ছেড়ে দেয়। তাদের পক্ষে এতটুকু ধৈর্য রাখা কঠিন হয়ে যায়।

উদাহরণ: ধরো, তোমার ব্যবসা শুরু হয়েছে, কিন্তু প্রথম মাসেই কোনো লাভ হয়নি। এখন, যদি তুমি আশা করো সব কিছু একদিনে চমৎকার হয়ে যাবে, তাহলে তুমি ভুল। কিন্তু যারা সফল হয়, তারা জানে যে, পরিশ্রম এবং ধৈর্যই শেষমেশ জয় এনে দেয়। তারা জানে, প্রথমে কিছুটা কষ্ট হবে, তারপরই আসবে সাফল্য।

৩. আত্মবিশ্বাসের অভাব
আত্মবিশ্বাস—এটা অনেকেরই থাকে না। তারা নিজেদের উপর বিশ্বাস করে না, এবং সবসময় ভয় পায়। "আমি পারব না" এই মানসিকতা তাদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। যখন তুমি নিজের দিকে সন্দেহ করতে থাকো, তখন তুমি কখনোই সেই মানুষ হতে পারো না যাকে তুমি স্বপ্ন দেখো। আত্মবিশ্বাস না থাকলে, তুমি আরেকটি ভালো সুযোগ মিস করো।
উদাহরণ: ধরো, তুমি একটা প্রজেক্টের জন্য আবেদন করেছো। তুমি জানো তুমি কাজটা ভালোভাবে করতে পারবে, কিন্তু তুমি নিজে বিশ্বাসই করো না যে তুমি সফল হতে পারবে। তুমি যখন এই মনোভাব নিয়ে চেষ্টা করবে, তখন তোমার ফলাফল সেভাবে আসবে। কিন্তু যদি তুমি বিশ্বাস রাখতে পারো, তাহলে তুমি সেই প্রজেক্টটি গ্রহণ করো এবং সাফল্য আসবে।

৪. ঝুঁকি নিতে ভয় পাওয়া
সফলতার পথে অনেক সময় ঝুঁকি নিতে হয়। মানুষের ভয়ে, তারা এক জায়গায় আটকে থাকে। তারা কিছু নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায়। সবসময় নিরাপদ পথে থাকতে চায়, কিন্তু নিরাপত্তায় থেকে কখনো কিছু বড় অর্জন করা সম্ভব নয়। সফলরা জানে যে কিছু ঝুঁকি নিতে হবে, এবং তারা সেই ঝুঁকি নিতে কখনো ভয় পায় না।

উদাহরণ: ধরো, তুমি একটা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাও, কিন্তু তুমি ভয় পাচ্ছো, "কি জানি, যদি এটা চলে না যায়?" কিন্তু সফলরা জানে যে, যদি তারা ঝুঁকি না নিতো, তবে তারা কখনোই সফল হতে পারতো না। তাদের মধ্যে এই সাহস ছিল যে, ঝুঁকি নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।

৫. অন্যদের মতামতের উপর অতি নির্ভরতা
অনেক সময়, মানুষ অন্যদের মতামত এবং অনুমোদনের দিকে বেশি নজর দেয়। তারা নিজের মনোভাব ও সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের মতে চলে যায়। এই অভ্যাস তাদের নিজের পথ নির্ধারণ করতে বাধা সৃষ্টি করে।

উদাহরণ: ধরো, তুমি একটি ব্যবসা শুরু করতে চাও, কিন্তু তোমার কিছু বন্ধু বা পরিবার বলছে, "তুমি কি এটা করতে পারবে? এই ব্যবসা তো কঠিন।" তাদের কথা শোনার ফলে, তুমি দ্বিধায় পড়ে যাও, এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারো না। কিন্তু যাদের সফলতা আসে, তারা জানে, নিজের সিদ্ধান্ত এবং বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

৬. বাধা ও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা না নেয়া
বাধা আসা মানে ব্যর্থতা নয়, বরং এটি তোমাকে শক্তিশালী এবং আরও স্মার্ট হতে শেখায়। কিন্তু অনেকেই বাধা পেলে হতাশ হয়ে যায়। তারা ব্যর্থতার থেকে কিছু শেখে না। তবে যারা সফল হয়, তারা জানে, প্রতিটি বাধাই একটি নতুন শিক্ষা নিয়ে আসে।

উদাহরণ: তুমি যদি কোনো ব্যবসা শুরু করো এবং প্রথমে কোনো সফলতা না পায়, কিন্তু তুমি যদি তার কারণ না বুঝে আবার চেষ্টা না করো, তবে তুমি সাফল্যের কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। কিন্তু সফল মানুষরা জানে যে, প্রতিটি ব্যর্থতার মধ্যে একটা শিক্ষা থাকে যা পরবর্তী বিজয়ে সহায়ক হয়।

10/04/2025

যারা হতাশ, তাদের জন্য আজ কিছু অনুপ্রেরণামূলক গল্প !!

পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক... ♥

1) একজন কয়েদী, কয়েদী নাম্বার ৪৬৬৬৪। ২৭ বছর জেলে থাকার পরেও উনি নোবেল শান্তি পুরষ্কার জিতেছেন।

- তিনি "নেলসন মেন্ডেলা"

2) আরেক পিতৃপরিচয়হীন যুবকের কথা জানি।
থাকার কোনো রুম ছিল না তার, বন্ধুদের রুমের ফ্লোরে ঘুমাতেন। ব্যবহৃত কোকের বোতল ফেরত দিয়ে পাঁচ সেন্ট করে কামাই করতেন, যেটা দিয়ে খাবার কিনতেন। প্রতি রোববার রাতে তিনি সাত মাইল হেঁটে মন্দিরে যেতেন শুধু একবেলা ভালো খাবার খাওয়ার জন্য।

- তিনি অ্যাপল এবং পিক্সার অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও- "স্টিভ জবস"

3) আরেক যুবকের নাম জানি, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি। কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তিনি।

- তিনি "বিল গেটস"

4) আরেক এতিমের কথা জানি। ১১ বছর বয়সে এতিম হন। ১২ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যান। হতাশ হয়ে ১৯ বছর বয়সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। অনেক বিখ্যাত বইয়ের লেখন তিনি তার মধ্যে “আমার বিশ্ববিদ্যালয়” একটি, যদিও তিনি কোন দিন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা সুযোগ পান নাই।

- তিনি বিখ্যাত লেখক, নাট্যকার আর রাজনীতিবিদ "মাক্সিম গোর্কি"

5) আরেকজন, বাবার সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারের এতই অভাব ছিলো যে- স্কুল নাগাত পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যাক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।

- তিনি চীনের প্রতিষ্ঠাতা "মাও সেতুং"

6) অভাবের তাড়ানায় কুলিগিরি করতো। একদিন বাসের কন্ডাক্টরের কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হয় ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী।

- নাম "জন মেজর"

7) আরেক ছেলের, বাবা-মা এতই গরিব ছিলো যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতেই দু’দিন দেরি হয়। কে জানেন? সে-ই আজকের ফুটবল কিংবদন্তী!

- নাম "রোনাল্ডো"

8)বাবা ছিলো জেলে। ছেলেকে সাথে করে বাবা মাছ ধরতো কারন অন্য স্বাভাবিক আর ১০ জন থেকে তিনি পানির নিচে মাছকে খুব ভাল ভাবে দেখতে পেতেন। সেই জেলের ছেলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সুপারস্টার !

-"জয়সুরিয়া"

9) পড়ালেখায় মারাত্মক দুর্বল ছিলেন তিনি। কোন কিছু মনে থাকত না। ক্লাস এর শেষ বেঞ্চে বসে থাকেন। ফেল করেছেন বারবার। ক্লার্ক এর চাকরিও করছেন তিনি। পুরো পৃথিবীকে অবাক করেছেন তিনি তার থিউরি অফ রিলিটিবিটি দিয়ে। নোবেল ও জিতেছেন তিনি।

- তার নাম "আলবার্ট আইনস্টাইন"

10) ক্লাস এর সবচেয়ে দুর্বল ছাত্র ছিলেন তিনি। স্কুল থেকে বহিস্কারও করা হয়েছে তাকে। পৃথিবী তিনি আলোকিত করেছেন তার আবিষ্কার দিয়ে।

- তার নাম "টমাস আলভা এডিসন"

11) উল্টা লিখতেন তিনি শব্দগুলোকে। পড়ালেখায় একদম শুন্য। উড়োজাহাজ আবিস্কারের ৪০০ বছর আগে তিনি উড়োজাহাজের মডেল এঁকে গেছেন।

- তিনি "লিওনার্ড দ্য ভিঞ্ছি"

12) পরীক্ষায় তিনি সব সময় ফেল। ২২ টা একাডেমিক পুরষ্কার জিতেছেন জিব্বদশায়। তিনি মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাক এর জন্মদাতা। মিকি মউসের গলার স্বর তার নিজের দেওয়া।

- তিনি "ওয়াল্ট ডিসনি"

13) শব্দের খেলা তিনি বুজতেন না। 7 নাম্বার কে তিনি বলতেন উল্টা নাক!!!! এই স্প্যানিশ ভদ্রলোক একজন কবি, লেখক, পেইন্টার, কেমিস্ট, স্টেজ ডিজাইনার, ভাস্কর।

- তিনি "পাবলো পিকাসো"

পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক, তার ভাবনাগুলি তার মতই। সবাই যা পারে, আমাকেও তা-ই পারতে হবে - এমন কিছুতো নয় ! শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রমান করতে হবে কেন? আমাদের সমস্যাটা ওখানেই। আমাদের প্রত্যেক ঘরে ঘরে Toppers আর Rankers চাই।
সবাইকেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার, ম্যাজিস্ট্রেট হতেই হবে!!

আঙ্গুলকে টেনে লম্বা করতেই হবে, যে ভাবেই হোক......!!!
দরকার হলে আঙ্গুল ভেঙ্গে যাক!!! একটা কথা মনে রেখো -
""পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস, কিন্তু আপনি যদি একটি মাছকে তাল গাছ বেয়ে ওঠার ক্ষমতা দিয়ে বিচার করেন, তবে সে সারাজীবন নিজেকে অপদার্থই ভেবে যাবে! "
-আলবার্ট আইনস্টাইন।

So choose & follow your passion appropriately.
If your work becomes ur passion, then work will not only be your mainstream bindness, but also a "great fun" to you..

26/03/2025

যেসব অভ্যাস আপনাকে ধনী বানাবে

সঠিক পথে উপার্জন করে ধনী হওয়া মুখের কথা নয়। এজন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও লেগে থাকার মানসিকতা। বিশ্বে যত সফল ও ধনী ব্যক্তি আছেন, তাদের বেশিরভাগই কঠোর পরিশ্রমী এবং কাজকে অবহেলা করে না। তারা আলাদা কোনো গ্রহের নয়, বরং কিছু বৈশিষ্ট্যই তাদের সফলতার শিখরে নিয়ে এসেছে।

তাদের সেই বৈশিষ্ট্যগুলো খেয়াল করে দেখলে এবং মেনে চলার চেষ্টা করলে আপনিও সমৃদ্ধ হয়ে উঠতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন অভ্যাসগুলো একজন মানুষকে ধনী বানাতে সাহায্য করবে।

▪️বই পড়ার অভ্যাস

বিশ্বের সব সফল ও ধনী ব্যক্তিই আগ্রহী পাঠক হয়ে থাকেন। তাদের বেশিরভাগই বছরে প্রায় ৫০টি বই পড়েন যা জ্ঞান প্রসারিত করতে, অবগত থাকতে এবং সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করে। তাই বিজ্ঞান, ব্যবসা, কল্পকাহিনী বা ব্যক্তিগত উন্নয়নের মতো বিভিন্ন ধরণের বই পড়ার প্রতিদিনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

▪️লক্ষ্য নির্ধারণ-কঠোর পরিশ্রম

বিল গেটসের মাইক্রোসফটের জন্য একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ছিল এবং তিনি এর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। মাইক্রোসফটকে আজকের কোম্পানিতে পরিণত করার জন্য তিনি বছরের পর বছর ধরে কঠোর এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন। তার কঠোর পরিশ্রম, মনোযোগ এবং স্থিতিস্থাপকতা এমন গুণাবলী যা তার কাছ থেকে শেখা উচিত এবং আমাদের জীবনেও অনুশীলন করা উচিত।

▪️ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ

সফল ও ধনী ব্যক্তিরা তাদের নিজ ব্যর্থতা স্বীকার করেন যা তাদেরকে মূল্যবান করে তোলে এবং একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করেছে। নিজের ব্যর্থতা এবং ভুলকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করলে তা কাজ এবং জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত এবং পরিমার্জিত করতে সাহায্য করতে পারে।

▪️দান করার মানসিকতা

বিশ্বের অধিকাংশ সফল ও ধনী ব্যক্তিই দানশীল হয়ে থাকেন। তারা গভীরভাবে বিশ্বাস করেন যে প্রকৃত সুখ সম্পদ সঞ্চয় করার বিষয়ে নয়, বরং অর্থপূর্ণ এবং সঠিক উদ্যোগের জন্য সম্পদ ব্যবহার করার মধ্যেই এটি লুকিয়ে আছে। ধনী ব্যক্তিরা বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনাও করে থাকেন। সম্পদ সংগ্রহ করাই ধনী হওয়ার উদ্দেশ্য নয়, বরং সমাজের উন্নতির জন্য সেই অর্থ ব্যবহার করা আসল ধনী মানুষের বৈশিষ্ট্য।

▪️সরল জীবনযাপন

প্রয়াত স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গ অথবা বিল গেটসের মতো বিলিয়নেয়ারদের মধ্যে সাধারণ মিল কোথায়? এই সমস্ত বিলিয়নেয়ার প্রযুক্তিবিদরা সাধারণ পোশাকের নিয়ম অনুসরণ করেন। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বিল গেটস প্রায়শই একটি সাধারণ ভি-নেক সোয়েটার এবং একটি কলারযুক্ত শার্ট পরেন। তিনি বিলিয়নেয়ার হওয়া সত্ত্বেও এখনও ১০ ডলারের ঘড়ি পরেন। গেটস আমাদের শেখান, কীভাবে একটি সাধারণ জীবনযাপন করতে হয় এবং জীবনের জন্য সত্যিকার অর্থে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলোতে বিনিয়োগ করতে হয়- যেমন জ্ঞান এবং সমাজকে প্রতিদান দেওয়া।

23/03/2025

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!•
প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে শিখে যায়। কিন্তু এসবই শিশু করছে মা–বাবার ছায়াতলে থেকে। কোনো কারণে যদি সে বিপদে পড়ে বা তাকে হঠাৎ করেই একা পথ চলতে হয়; তখন সে কী করবে? তাই আপনার শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার আগেই তাকে শিখিয়ে রাখুন কিছু জীবনদক্ষতা। জীবনচলার পথ তো শিশুর জন্য প্রস্তুত করে রাখা যায় না, তার চেয়ে বরং শিশুকেই প্রস্তুত করতে হবে।

এসব দক্ষতা তার জীবনকে যেমন সহজ করবে, তেমনি আপনাকেও করবে নিশ্চিন্ত। এসব শিক্ষা সাধারণত প্রথাগত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় না। তাই এ ক্ষেত্রে শিশুর জীবনমুখী শিক্ষার শিক্ষক হয়ে উঠতে হবে মা-বাবাকেই।

আত্মরক্ষার প্রথম পাঠ:

আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর আগে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে জানাতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই মনোবল হারানো চলবে না, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। শারীরিকভাবেও সুস্থ থাকা এবং দৌড়ের অভ্যাস জরুরি। আত্মরক্ষার প্রাথমিক পাঠ হলো কোথায় আঘাত করতে হবে, সেটা জানা। শিশুর জন্য সহজ হলো আক্রমণকারীর হাঁটুতে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া। এ ছাড়া আক্রমণকারীর ঘাড়, চোখ, কান ও নাকও সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; যেখানে আঘাত করলে সহজেই কিছু সময়ের জন্য হামলাকারীকে বিভ্রান্ত করা যায় ও ব্যস্ত রাখা যায়।

মানচিত্র শেখানো এবং দিক চেনানো:

এটা বেশ ছোট বয়স থেকেই শেখানো যায়। শিশুর হাতে একটি গ্লোব দিয়ে দিন কিংবা ঘরের দেয়ালে টানিয়ে দিন বড় একটি বিশ্বের মানচিত্র। শিশু নিজেই অনেক কিছু শিখে যাবে। ছুটির দিনে বা সময় পেলে তাকে নিয়ে বসে দিক চেনান, বাড়ির আশপাশের এলাকাগুলো চিনিয়ে রাখুন। এতে কোনো দিন পথ হারালে বা ভুল করেও যদি কখনো বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারবে।

বাড়ির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর শেখানো:

যখনই শিশু কথা বলতে শিখবে, তাকে বাড়ির ঠিকানা ও মা–বাবার টেলিফোন নম্বর শিখিয়ে ফেলুন। যেন কখনো বিপদে পড়লে সে মা–বাবার নাম, ঠিকানা বা টেলিফোন নম্বর বলতে পারে।

বিপদের বন্ধু চেনান:

শিশুকে চেনান বিপদে কে বন্ধু হতে পারে। পুলিশের পোশাক, র‌্যাব বা সেনাবাহিনীর পোশাক চেনান। কখনো ভিড়ের মধ্যে আপনাকে খুঁজে না পেলে যেন সে পোশাক দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে যেতে পারে এবং তাকে বিপদের কথা বুঝিয়ে বলতে পারে।

‘না’ বলতে শেখান:

আপনার শিশুকে ‘না’ বলতে শেখান। যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কেবল সমাজের চাপে তাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস গড়ে তুললে বড় হয়েও সে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

প্রাথমিক চিকিৎসা:

খেলতে গিয়ে কেটে-ছিঁড়ে গেলে কিংবা বন্ধুর হাত-পা কেটে গেলে শিশু যেন আতঙ্কিত না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারে, তাকে সে জ্ঞান দিন। স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার, ব্যান্ডেজ বাঁধার মতো সহজ কাজগুলো শিখিয়ে দিন। তাকে শেখান হাত কেটে গেলে তা ব্যান্ডেজ করে যেন ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর ঠিক কতটুকু কেটে গেলে দ্রুত বড়দের সাহায্য নিতে হবে, তা–ও বুঝিয়ে বলুন।

অর্থ ব্যবস্থাপনা:

শিশুকে অর্থের মূল্য শেখান। তার হাতখরচ বা ঈদের সালামি যেন সে কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারে, সেটা শেখান। অযথা খেলনা বা খাবারে অর্থ খরচ না করে কীভাবে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করা যায়, টাকা জমিয়ে শখের জিনিস বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যায়, সে শিক্ষা তাকে দিন।

রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ:

আজকাল বাজারে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের ছুরি পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে টুকটাক সবজি কাটা, স্যান্ডউইচ বানানো, সাত বছর বয়সের পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার শেখান। কোনো দিন মা–বাবা বাড়িতে না থাকলে সে যেন ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খেতে পারে বা নিজেই বড় পাত্র থেকে ছোট পাত্রে খাবার নিয়ে খেতে পারে, সেটুকু তাকে শিখিয়ে দিন।

তা ছাড়া বাড়িতে যখন আপনারা রান্না করবেন, তাঁকে সহায়তা করতে উৎসাহ দিন। ছোটখাটো কাজ, যেমন পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ছাড়ানো, ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে আনা, সিংক থেকে প্লেট-চামচ নিয়ে যথাস্থানে রাখা, খাবার টেবিলে প্রত্যেকের গ্লাসে পানি ঢেলে দেওয়ার মতো কাজের দায়িত্ব শিশুকে দিন।

এভাবে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে আপনার শিশু যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, তেমনি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি হতে শুরু করবে। বাড়ি থেকে কখনো দূরে পড়তে গেলে বা নতুন পরিবেশে গেলে খুব সহজেই সে মানিয়ে নিতে পারবে, নিজের যত্ন নিতে পারবে।

21/03/2025

তুমি নিশ্চয়ই ভাবছো, কিছু মানুষ কেন সফল হয় না? যখন চারপাশে সফল মানুষের গল্প শুনি, তাদের অর্জনগুলো দেখে, তখন মনে হয় আমরা কেন সেই সফলতার অংশ হতে পারি না? আসলে সফলতা কোনো মিথ না, তবে কিছু বাধা থাকে, কিছু অভ্যেস থাকে, যা মানুষকে তাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। আজ আমি তোমাকে এসব বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেবো, যেন তুমি জানো, কোনগুলো এড়িয়ে গেলে তুমি সফল হতে পারবে।

১. স্পষ্ট লক্ষ্য না থাকা
তুমি ভাবো, যদি তুমি জানতেই না পারো কোথায় যাচ্ছ, তাহলে সেখানে পৌঁছাবে কীভাবে? মানুষ যখন সফল হওয়ার জন্য কিছু করতে চায়, কিন্তু তাদের স্পষ্ট লক্ষ্য থাকে না, তখন তারা সঠিক পথে এগিয়ে যেতে পারে না। তুমি যদি জানো না তুমি কোথায় যাচ্ছ, তাহলে পথচলা কেমন হবে?

উদাহরণ: ধরো, তুমি কোনো ছোট ব্যবসা শুরু করতে চাও। কিন্তু তুমি ঠিক জানো না তুমি কী বিক্রি করবে, কার জন্য করবে, বা কীভাবে করবে। এর ফল কী হবে? তুমি হাল ছেড়ে দেবে, কারণ কিছুই পরিষ্কার নয়। কিন্তু যাদের সঠিক লক্ষ্য থাকে, তারা না থেমে, না ক্লান্ত হয়ে, আবার সফল হয়। লক্ষ্য পরিষ্কার হলে, তোমার পথ সহজ হয়ে যাবে।

২. অধ্যবসায়ের অভাব
বেশিরভাগ মানুষ সফল হতে চাইলেও, অধ্যবসায় বা ধৈর্য তাদের মধ্যে থাকে না। সফলতার পথ কখনো সহজ হয় না, তুমি জানো, কেবল একে একে ছোট ছোট পদক্ষেপেই বড় কিছু হয়। কিন্তু যখন সমস্যা আসে, অনেকেই হাল ছেড়ে দেয়। তাদের পক্ষে এতটুকু ধৈর্য রাখা কঠিন হয়ে যায়।

উদাহরণ: ধরো, তোমার ব্যবসা শুরু হয়েছে, কিন্তু প্রথম মাসেই কোনো লাভ হয়নি। এখন, যদি তুমি আশা করো সব কিছু একদিনে চমৎকার হয়ে যাবে, তাহলে তুমি ভুল। কিন্তু যারা সফল হয়, তারা জানে যে, পরিশ্রম এবং ধৈর্যই শেষমেশ জয় এনে দেয়। তারা জানে, প্রথমে কিছুটা কষ্ট হবে, তারপরই আসবে সাফল্য।

৩. আত্মবিশ্বাসের অভাব
আত্মবিশ্বাস—এটা অনেকেরই থাকে না। তারা নিজেদের উপর বিশ্বাস করে না, এবং সবসময় ভয় পায়। "আমি পারব না" এই মানসিকতা তাদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। যখন তুমি নিজের দিকে সন্দেহ করতে থাকো, তখন তুমি কখনোই সেই মানুষ হতে পারো না যাকে তুমি স্বপ্ন দেখো। আত্মবিশ্বাস না থাকলে, তুমি আরেকটি ভালো সুযোগ মিস করো।

উদাহরণ: ধরো, তুমি একটা প্রজেক্টের জন্য আবেদন করেছো। তুমি জানো তুমি কাজটা ভালোভাবে করতে পারবে, কিন্তু তুমি নিজে বিশ্বাসই করো না যে তুমি সফল হতে পারবে। তুমি যখন এই মনোভাব নিয়ে চেষ্টা করবে, তখন তোমার ফলাফল সেভাবে আসবে। কিন্তু যদি তুমি বিশ্বাস রাখতে পারো, তাহলে তুমি সেই প্রজেক্টটি গ্রহণ করো এবং সাফল্য আসবে।

৪. ঝুঁকি নিতে ভয় পাওয়া
সফলতার পথে অনেক সময় ঝুঁকি নিতে হয়। মানুষের ভয়ে, তারা এক জায়গায় আটকে থাকে। তারা কিছু নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায়। সবসময় নিরাপদ পথে থাকতে চায়, কিন্তু নিরাপত্তায় থেকে কখনো কিছু বড় অর্জন করা সম্ভব নয়। সফলরা জানে যে কিছু ঝুঁকি নিতে হবে, এবং তারা সেই ঝুঁকি নিতে কখনো ভয় পায় না।

উদাহরণ: ধরো, তুমি একটা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাও, কিন্তু তুমি ভয় পাচ্ছো, "কি জানি, যদি এটা চলে না যায়?" কিন্তু সফলরা জানে যে, যদি তারা ঝুঁকি না নিতো, তবে তারা কখনোই সফল হতে পারতো না। তাদের মধ্যে এই সাহস ছিল যে, ঝুঁকি নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।

৫. অন্যদের মতামতের উপর অতি নির্ভরতা
অনেক সময়, মানুষ অন্যদের মতামত এবং অনুমোদনের দিকে বেশি নজর দেয়। তারা নিজের মনোভাব ও সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের মতে চলে যায়। এই অভ্যাস তাদের নিজের পথ নির্ধারণ করতে বাধা সৃষ্টি করে।

উদাহরণ: ধরো, তুমি একটি ব্যবসা শুরু করতে চাও, কিন্তু তোমার কিছু বন্ধু বা পরিবার বলছে, "তুমি কি এটা করতে পারবে? এই ব্যবসা তো কঠিন।" তাদের কথা শোনার ফলে, তুমি দ্বিধায় পড়ে যাও, এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারো না। কিন্তু যাদের সফলতা আসে, তারা জানে, নিজের সিদ্ধান্ত এবং বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

৬. বাধা ও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা না নেয়া
বাধা আসা মানে ব্যর্থতা নয়, বরং এটি তোমাকে শক্তিশালী এবং আরও স্মার্ট হতে শেখায়। কিন্তু অনেকেই বাধা পেলে হতাশ হয়ে যায়। তারা ব্যর্থতার থেকে কিছু শেখে না। তবে যারা সফল হয়, তারা জানে, প্রতিটি বাধাই একটি নতুন শিক্ষা নিয়ে আসে।

উদাহরণ: তুমি যদি কোনো ব্যবসা শুরু করো এবং প্রথমে কোনো সফলতা না পায়, কিন্তু তুমি যদি তার কারণ না বুঝে আবার চেষ্টা না করো, তবে তুমি সাফল্যের কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। কিন্তু সফল মানুষরা জানে যে, প্রতিটি ব্যর্থতার মধ্যে একটা শিক্ষা থাকে যা পরবর্তী বিজয়ে সহায়ক হয়।

19/03/2025

ক্যারিয়ার তৈরী করতে ব্যর্থ। যোগ্য ছেলে হয়ে উঠতে পারার ক্ষেত্রে ব্যর্থ।
নিজের শরীরিক আকার আকৃতিও ঠিক রাখতে পারোনি। প্রতিটা ছোটখাটো বিষয় দুশ্চিন্তা করো। যাদের নিজের বলে ভাবতে, তারা একে একে সবাই ছেড়ে গেছে। কোথাও সেভাবে সম্মান, ভালোবাসা পাও না। যাকে ভালোবাসতে, সেও তোমাকে যোগ্য মনে করেনি।
জীবনের সবকিছুর থেকেই প্রায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছো। কোথায় যাবে, কি করবে কিছুই স্পষ্ট নয়।
তোমার মনে হচ্ছে যে বয়স হয়ে যাচ্ছে, আর সেভাবে কিছু করে ওঠা যাবে না। ঘরের ভেতর চুপচাপ পড়ে থাকাতেই কিছুটা শান্তি খুঁজে পাও।

ওপরের সবকটা বা কয়েকটা যদি তোমার সঙ্গে হয়ে থাকে, তাহলে নিজের সম্পর্কে একেবারেই ঠিক ভাবছো। তোমার দ্বারা কিছু হবার নয়। সম্ভবই না। কোনোভাবেই না।

কাট টু : আর নাহলে যদি পরিস্থিতি বদলাতে চাও, বসে বসে মার না খেয়ে, সবকিছু ছিনিয়ে নিতে শেখো। নিজের জীবনের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নাও। ঘাড় নীচু করে পরিশ্রম করো। একটা পথেই অন্ধের মতো টিকে থেকো না। কোনো কোনো পথে নিজের সম্ভাবনাকে খতিয়ে দেখতে পারো, সেই সমস্ত পথ আবিষ্কার করো। কষ্ট হবে, যন্ত্রণা হবে, একদম ভালো লাগবে না। কিন্তু মনে রেখো, জীবনে কড়া ওষুধ তোমায় খেতেই হবে। কেউ এসে তোমায় চামচে করে দুর্দান্ত একটা জীবন উপহার দিয়ে যাবে না। আজ অব্দি তুমি অনেককিছুই পারো নি মানে আজ পর্যন্ত পেরে যেতে যেটা লাগে, সেই অব্দি পৌঁছাতেই পারোনি তুমি। লজ্জা লাগে না নিজেকে এভাবে পড়ে পড়ে মার খেতে দেখে! বাইরেটা দেখো, দুনিয়া ক্রমশ এগিয়ে চলেছে। তোমার থেকেও যারা দূর্বল ছিল কখনো, জাস্ট পরিশ্রমের জোরে তারাও নিজেদের জন্য একটা সম্মানজনক জায়গা তৈরী করে নিতে পেরেছে নিজেদের জন্য। আর তুমি বসে বসে হতাশা বিলাস করছো! গায়ে অস্বস্তি হয়না এই জীবনটা নিয়ে! মনে হয়না অনেক হলো এবার কিছু করতেই হবে!

নিজেকে দূর্বল ভেবে বসে থাকলে কেউ তোমার সাহায্যে উঠে আসবে না। নিজেকে ভাঙো। নতুন স্কিল শেখো। একটু একটু করে উন্নতি করো। ভালো লাগুক না লাগুক, অবিরাম লেগে থাকো। আর শোনো, যে বয়সেই থাকো না কেন, আজই যদি নিজেকে না বদলাতে শুরু করো, জীবনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে না দেখতে শুরু করো, এই হতাশার উপলব্ধি যেটা আজ করছো না, আগামী দশ বছর পরেও করবে, আর সম্ভাবনা আছে পুরো জীবনই করবে।

তাই ওঠো। নিজেকে জেনুইন একটা ঝাঁকুনি দাও। দেখো, এতগুলো বছর ধরে কি মারাত্মক ক্ষতিটা তুমি নিজের সাথে করে এসেছো। এসব আর করা যাবে না।
নিজের আত্মসম্মান, মর্যাদা, সাফল্য সবকিছু অর্জন করতে হবে এবার। সবকিছু। আর তুমি পারবেও। বিশ্বাস রাখো আর লেগে থাকো। কারণ তুমি না বদলালে, তোমার পরিস্থিতি কোনোদিন বদলাবে না।
তোমার বর্তমান পরিস্থিতিটা তোমার এখনকার অবস্থা মাত্র, ভবিষ্যতের বাস্তবতা নয়, মানুষ চেষ্টা করলে সব হয়।

লেগে থাকো। জেদে থাকো।

16/03/2025

মানব মনের গভীরে খেলা করে যা

মানুষের মনের মতো রহস্যময় কিছু কি আর আছে? মনের গভীরে কতো কিছুর যে বসবাস, কখন যে মন কেমন হয়ে যায়, কখন সে কী করে বসে—সেগুলো এখনো রহস্যের আবরণেই ঢাকা। তবে মনস্তত্ত্বের গভীর পাঠ সেই রহস্যকে অনেকাংশেই উন্মোচিত করতে পারে। মানুষের মনের গভীরতম প্রদেশের এরকম রহস্যের পাঠ নিয়েই লেখা হয়েছে অ্যামাজন বেস্টসেলার বই “ডার্ক সাইকোলজি সিক্রেটস”।

এই বইটিতে বিশ্ববিখ্যাত মার্কিন মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম কুপার তুলে ধরেছেন মানুষের অন্ধকার মনস্তত্ত্ব কীভাবে কাজ করে। চির পরিচিত এই দুনিয়াকে পুরোপুরি ভিন্ন এক আলোয় দেখাবে এই বইটি। আপনি জানবেন, কীভাবে আবেগের ব্যবহারে মানুষের উপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা যায়। কীভাবে অন্যের চিন্তাভাবনা ও ব্যবহারকে নিজের প্রয়োজনে পরিবর্তন করে নেওয়া যায়। অন্যের মনকে নিয়ন্ত্রণের নানারকম কলাকৌশল নিয়েও এই বইটি হাজির করেছে বিচিত্র সব আলাপ।

চারপাশের মানুষজনকে বুঝতে পারা, তাদের অভিরুচি-অভিসন্ধি ও চিন্তাভাবনা সম্পর্কে অবগত হতে এই বইটির পাঠ মনোবিজ্ঞানের আগ্রহী পাঠকের জন্য সুখপাঠ্য এক গ্রন্থ।

ডার্ক সাইকোলজি সিক্রেটস
লেখক : উইলিয়াম কুপার
প্রকাশনী : এশিয়া পাবলিকেশন্স
লিংক: https://www.wafilife.com/?p=1226669

16/03/2025

অসামান্য স্বামী -
কালিদাস গুপ্ত

আশাপূর্ণা দেবীর বিয়েতে দারুণ একটি ঘটনা ঘটেছিল।

কনে যখন বিদায় হচ্ছে, তখন যাবতীয় দান সামগ্রীর সঙ্গে দুটো বড় বড় ট্রাঙ্কও দেওয়া হল, রাসভারী বর়কর্তা জিঙ্গেস করলেন - এই গুলো কী দিচ্ছেন? এই বড় বড় ট্রাঙ্ক দুটোতে কী আছে ?

কন্যাকর্তা কাঁচুমাচু স্বরে বললেন -
আমাদের মেয়েটি তো খুব পড়তে ভালোবাসে
তাই ওর বইগুলো সঙ্গে দিয়ে দিলাম।

তখন বরকর্তা বললেন -
না না এসব বই টই দিতে হবে না।
এগুলো সরিয়ে নিন। এগুলো যাবে না।

ঠিক তখনই কনে আশাপূর্ণা শুনলেন তাঁর পাশ থেকেই একটি আওয়াজ গমগম করে বেজে উঠল -
"না, এগুলোও যাবে।"

বললেন বর বেশী কালিদাস গুপ্ত।

এটা কিন্তু বিশাল ব্যাপার।
সেই আমলে বর হয়ে বরকর্তার বিপক্ষে কথা বলা চাট্টিখানি কথা নয়।

আশাপূর্ণা চেয়েছিলেন লাইব্রেরীয়ান বর বা রেল চাকুরে বর।
যাতে প্রচুর বই পড়তে পারেন বা অনেক দেশ দেখতে পারেন।

কিন্তু কালিদাস গুপ্ত ব্যাঙ্কে চাকরী করতেন।

আশাপূর্ণা বলতেন - "আমার স্বামী একজন সামান্য ব্যাঙ্ক চাকুরে।"

~~~সামান্য নন।~~~
~~~সামান্য নন। ~~~

তিনি অসামান্য।
স্ত্রীর গগনচুম্বী খ্যাতিতেও যে স্বামীর অহং বিন্দুমাত্র আহত হয় না, সেই স্বামী অসামান্য তো বটেই।
(সংগৃহীত হয়েছে)

14/03/2025

জীবনের দৌড় শেষ হয় না, জীবন এক অদ্ভুত দৌড়।
কেউ শুরু করে জুতাসহ, কেউ খালি পায়ে।
কেউ জন্ম থেকেই একশো মিটার এগিয়ে থাকে, আবার কেউ হাঁটার আগেই হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়।
সময়ের সাথে আপনি বুঝতে পারবেন, এই দৌড়ের নিয়ম গুলো কখনোই সবার জন্য একরকম নয়।

আপনি হয়তো দেখবেন, কেউ সহজেই সব শিখে নেয়, পরীক্ষার আগের রাতে কয়েক ঘণ্টা পড়েই অসাধারণ ফলাফল করে।
আর আপনি দিনের পর দিন খেটে গেলেও কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পাচ্ছেন না।

আপনার আশেপাশে এমন অনেক মানুষ থাকবে, যাদের জীবন কোনো বাধাবিহীন রাস্তায় চলতে থাকে। তাদের কখনো টাকার চিন্তা করতে হয় না, বাবা-মায়ের দেওয়া ক্রেডিট কার্ডে বিল মেটায়। আর আপনি একবার টিউশন ফি চাওয়ার আগে কতবার চিন্তা করবেন, সেটার কোনো হিসাব নেই।

জীবনের এই খেলা কেউ একদিনেই জিতে যায়, আর কেউ বছরের পর বছর খেলে করেও বোর্ডে নাম লিখাতে পারে না। কেউ একটা স্টার্টআপ শুরু করেই সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে যায়, আর কেউ দশটা উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়ে লোনের বোঝা টানতে টানতে হারিয়ে যায়।(ফাইসু)

কখনো এমন হবে, আপনি দেখবেন আপনার চেয়ে কম দক্ষ, কম পরিশ্রমী কেউ আপনার স্বপ্নের চাকরিটা পেয়ে গেছে। কারণ হয়তো সে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় ছিল, হয়তো তার রেফারেন্স ছিল, হয়তো ভাগ্য তার পক্ষে ছিল। এসব ভেবে হয়তো আপনার নিজের ওপর রাগ হবে, জীবনকে অন্যায় মনে হবে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই প্রতিযোগিতায় আপনি যদি শুধুই তুলনায় ব্যস্ত থাকেন, তাহলে ক্লান্তি ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। এখানে কেউ একটা গাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে, আরেকজন সেই গাড়িটা বদলে আরও দামি কিছু চায়। বড় ফ্ল্যাটের মালিক হওয়া মানুষেরও স্বপ্ন থাকে আরও বড় কিছুর।

তাহলে উপায় কী?

উপায় হলো নিজের লেন ঠিক করা। এই দৌড় কারও জন্য নয়, আপনার নিজের জন্য। অন্যের জীবনের দিকে না তাকিয়ে, নিজের গতিতে এগিয়ে যাওয়া।
জীবন সবসময় ফেয়ার হবে না, কিন্তু আপনি নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন—সময়ের সাথে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন।

কারণ, সত্যিকারের জয়ী হওয়ার জন্য গন্তব্যে পৌঁছানো দরকার নেই।
দরকার শুধু এক পা এক পা করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

সুকুন্দি, পোঃ কালনী ১৭০০, সদর, গাজীপুর
Gazipur
1700