আল্লাহ আমাদের জন্য কতো কিছু করে। সর্বোচ্চ দিয়েছে আমাদের। তাও কেনো আমরা আল্লাহ কে সর্বোচ্চ ভালোবাসি না।
NooR O NeKi - নূর ও নেকী
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NooR O NeKi - নূর ও নেকী, Mirpur 01, Gazipur.
NooR O NeKi একটি প্রিমিয়াম ইসলামিক গিফট ব্র্যান্ড, যেখানে নূরের আলো আর নেক আমলের ভাবনা একসাথে মিলিত।
আমরা রুচিশীল, অর্থবহ ও বিশ্বাসভিত্তিক ইসলামিক উপহার নিয়ে আসি—যা উপহার দেওয়ার পাশাপাশি সওয়াবের অনুভূতিও জাগায়।
Premium Islamic Gifts
04/06/2026
আল্লাহ আমাদের জন্য কতো সুস্বাদু খাবার দিয়েছে। আমরা যেগুলো খেলে উপকার সেগুলো না খেয়ে যেগুলো খেলে ক্ষতি সেগুলোই বেশি পছন্দ করি এবং খাই। এই খাবারই আমাদের বিপদ ডেকে আনছে।
03/06/2026
বাকা চিরুনি সোজা করার উপায় কি?
17/05/2026
আমার ছেলের প্রথম ব্রাশ পেস্ট। ছোট দাত গুলো ব্রাশ করবে।
16/05/2026
গিয়েছিলাম কিন্তু বসার ই জায়গা দিতে পারেন নাই।
৮৩০ কোটি টাকার বেশি মানে ১লক্ষ দিনার ছিলো তালহা রাঃ এর মেয়ে আয়েশা বিনতে তালহা (রাহি.) এর ১ম বিয়ের মোহর,,ওনার ২য় বিয়েতেও তাই ছিলো।
__তবে আপনাকে যে এতো টাকামোহর দিয়ে বিয়ে করতে হবে এমনটা নয়। পুরোটা পড়বেন তারপর মন্তব্য করতে আসবেন ওখেএ.!!
মোহরানা স্ত্রীর অধিকার,,এটা ফরজ আল্লাহ করছেন,, তখনকার সময় বেশিরভাগ সাহাবী তাদের সাধ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ মহোর দিতো,,বিশাল বাগান বাড়িও দিসেন,, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাঃ ৩০,০০০ দিরহাম মোহর দিছেন যা ২কোটির উপর এখনকার সময়ে।
আমাদের সমাজে হুজুররা বয়ান থেকে সব জায়গায় শুধু কম মোহরের কথা বলে কারণ এই সমাজে নারী অধিকার গুলো তারা প্রকাশ করতে চায় না, পুরুষরা যেন কম মোহরে বিয়ে করে সস্তায় তালাক দিতে পারে নিজ স্বার্থে ওরা সবসময় ইসলাম কে ব্যবহার করে নারীর সব অধিকার নষ্ট করতে চায় কারণ নারীরা ইসলাম সম্পর্কে কিছু জানেনা তাদের জানানো হয়না।
যদি ফাতেমি মোহর ধরেন তাহলেও হিসাবে বর্তমানে আসে ৭লাখ এর উপর,,আর যদি নবী করিম (সা.)-এর পবিত্র স্ত্রীগণের (উম্মাহাতুল মুমিনীন) অধিকাংশের মোহরানা ছিল ৫০০ দিরহাম, যা প্রায় ১২.৫ উকিয়া বা ১.৫ কেজি রুপার সমান। তবে হযরত খাদিজা (রা.)-এর ক্ষেত্রে মোহরানা ছিল ২০টি উট। এছাড়া উম্মে হাবিবা (রা.)-এর মোহরানা নাজ্জাশী (আবিসিনিয়ার রাজা) দিয়েছিলেন, যা ছিল ৪০০ দিনার মানে বর্তমান সময়ে টাকার হিসাব করলে তা দারায় প্রায় ৮২ লাখের মতো আর সোনার হিসাবে হিসাব করলে ৩ কোটি টাকার বেশি ,, আর রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সময় তার সাহাবীরা সব থেকে বেশি মোহর দিয়ে বিয়ে করতেন + নারীরাও নিজের মতো মোহর ছারা বিয়ে বসতেন না।
সুতরাং কোন নারী যদি সত্বি হয় সে উচ্চ বংশ হয় সে মনে করে তার এই মোহর অধিক হওয়া উচিৎ সেটা কোন অপরাধ নয়,,বরং ছেলে যদি ঐ মোহর দেওয়ার সাধ্য না থাকে তার উচিৎ তার সমপরিমাণ বংশ/ পরিবারে নিজ সামর্থ অনুযায়ী বিবাহ করা।
এখনকার হাজারের মধ্যে ৯৯% ই দ্বীনদ্বারিতা বাদ দিয়ে সুন্দরী এবং উচ্চ বংশীয় মেয়েদের প্রেমে পড়ে। তো বলি কি যে, নিজের থেকে বড় ঘরের মেয়ে সুন্দরী রুপসী বিয়ে করতে যাবেন আর মোহরানা দিতে চাইবেন ফকিরের মতো তখন তারা না মানলে বলবেন নারী লোভী!!! যেটা আল্লাহ ফরজ করছেন সেটা নিয়ে কথা বলার আপনি কে??
মোহরানা বাকি রেখে মারা গেলে সেটা ঋণ এটার জন্য আখিরাতে নিজের আমলনামা থেকে পরিশোধ করতে হবে।
আবার এমনটাও নয় যে উচ্চ ঘরের মেয়ে বিয়ে করতে হলে আপনাদের কোটি টাকা দিতে হবে। তবে তাদের চাওয়া যদি হয় কয়েক লাখের মধ্যে থাকতে হবে তাহলে আপনি না করবেন কিভাবে?
এই জন্য বলি চোখ সবসময় উচ্চ লেভেলে না রেখে একটু নিজের পর্যায়ে এনে কুফু মিলিয়ে দ্বীনদ্বারিতায় প্রাধান্য দিয়ে বিয়ে করুন আর মহর কম বেশি করুন কেমন!
...Farha....
12/05/2026
ছেলেদের মেয়েদের কাপড় পরা ঠিক না। এক ভাতিজিকে বানিয়ে দিয়েছি আমার ছেলে পরে বসে আছে। কি আর করবো ছবি তুলে রেখেছি। ছেলের বাবাকে দেখানোর পরে সে বকতেছে।
#গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না।
#কেন এই সিদ্ধান্ত?
#কন্যাভ্রূণ হত্যা রোধ: আমাদের সমাজের কিছু স্তরে এখনো পুত্র সন্তানের প্রতি বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। লিঙ্গ পরিচয় জানার পর যদি তা কন্যা সন্তান হয়, তবে অনেক ক্ষেত্রে গর্ভপাতের মতো অমানবিক ও বেআইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
#মানসিক চাপ কমানো: লিঙ্গ পরিচয় জানার পর অনেক গর্ভবতী নারী পারিবারিক বা সামাজিকভাবে মানসিক চাপের শিকার হন, যা মা ও শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকর।
#বৈষম্য নিরসন: লিঙ্গ বৈষম্য দূর করে জন্মের আগেই শিশুর বেঁচে থাকার এবং সমানভাবে পৃথিবীতে আসার অধিকার নিশ্চিত করাই এই আদেশের মূল লক্ষ্য।
SANJANA AENY
L.L.B(Hon's), L.L.M
Advocate
Dhaka judge court.
10/05/2026
বোনেরা, ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।
১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। ১/২ হাজার যত পারেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব,মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দুআ কবুল হবে।
২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দুআ পাওয়া যায়।
৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে৷ ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়।
৪) ছোট কাজ হোক,তবুও তা বিসমিল্লাহ পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷
৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন।
৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার-পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদমুক্তির উসিলা।
৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল,সন্ধ্যা,ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন।
৮) টাকা-পয়সা,সম্পদ,ঘরের আসবাব,জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়,মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷
৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা,জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন,সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে।
১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন,আল্লাহকে আগে বলবেন,পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দুআর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে।
১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই,তুমি দাও নাই,কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দুআ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।
এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।
লিখেছেনঃ তাহিয়া ইসলাম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Gazipur
1216