20/07/2021
Nexus Welfare Foundation
Nexus Asset Developments Ltd. Is a company that always tried to serve the best service to our honore
20/07/2021
15/08/2020
১৫-ই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবসের প্রতি Nexus পরিবারের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও শোক নিবেদন করছি। জাতির পিতা সহ সকল শাহাদাৎ বরণকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
Managing Director
Nexus Asset Dev. Ltd.
31/07/2020
Eid Ul Adha Mubarak: It is not their meat nor their blood, that reaches Allah: It is your piety that reaches him: he has thus made them subject to you, that ye may glorify Allah for his guidance to you and proclaim the good news to all who do right.
ডিহাইড্রেশন সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়
গরমের তীব্রতা দিনকে দিন বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় শরীরে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়। কারণ প্রচন্ড গরমে শরীর থেকে পানি ও মিনারেল লবণ বের হয়ে যায় দ্রুত। তাই পানিস্বল্পতা দূর করেত শিগগিরই পদক্ষেপ না নিলে তা হতে পারে খুব ক্ষতিকর।
ডিহাইড্রেশন কি?: প্রচন্ড গরমে ঘাম, প্রস্রাব, মল এসবের সঙ্গে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও লবণ বেরিয়ে গেলে ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। এই ডিহাইড্রেশনের কারণে কিডনি, মস্তিষ্ক, লিভার, পাকস্থলী, ফুসফুসের মতো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ : যেসব লক্ষণে আপনার ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতা হয়েছে বুঝবেন-
* ঘুম ঘুম ভাব
* গলা শুকিয়ে যাওয়া
* প্রস্রাব কম হওয়া
* ক্লান্তি
* মাথাব্যথা
* তৃষ্ণাবোধ
* মাথা ঝিম ঝিম করা
* দুর্বলতা
* মাংসপেশির দুর্বলতা
* কোষ্ঠকাঠিন্য
ঘরোয়াভাবে পানিস্বল্পতা দূর করার উপায়
পানি: যেহেতু শরীরে পানিস্বল্পতা দেখা দিয়েছে, তাই প্রতিদিন নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করলে ডিহাইড্রেশন দূর হবে। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে যেহেতু শরীর থেকে পানি দ্রুত বের হয়ে যায়, তাই এ সময় একটু বেশি পান করাই ভালো। এ কারণে প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক থাকে। আপনার শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক আছে, তা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো- প্রস্রাবের রং কেমন আছে তা দেখা। যদি প্রস্রাব হলুদাভ হয়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার শরীরে পানিস্বল্পতার সৃষ্টি হয়েছে।
* লেবু পানি : প্রচন্ড গরমে লেবু পানি খুব উপকারী এক পানীয়। লেবু পানি শরীরের পানির ঘাটতি ও শরীর থেকে চলে যাওয়া মিনারেল ঘাটতিও মেটায়। এক গ্লাস পানিতে অর্ধেকটা লেবু চিপে তাতে মধু মিশিয়ে পান করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।
* ডাবের পানি : ডিহাইড্রেশন দূর করতে ডাবের পানি বেশ উপকারী। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম শরীরের মিনারেল ঘাটতিও দ্রুত মেটায়।
* বার্লি পানি : বার্লি মেশানো পানি পান করলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা দূর হয়। কারণ বার্লিতে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এতে ফোলেট, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এসব থাকে। বার্লি মেশানো পানি আপনার শরীরও ঠান্ডা রাখবে। এক্ষেত্রে ৩/৪ কাপ পানির সঙ্গে এক কাপ বার্লি মেশাতে হবে। এরপর ওই মিশ্রণ ৪০-৫০ মিনিট ফুটাতে হবে। এরপর পানি ছেঁকে নিতে হবে। পরে সেই পানি ঠান্ডা করে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।
* হারবাল চা : ক্যামোমাইল, রোইবস, হিবিসকাস ও রোজের মতো ক্যাফেইনবিহীন হারবাল চা শরীরের পানিস্বল্পতা দূর করতে সহায়তা করে। এসব হারবাল চা নার্ভাস সিস্টেমকে রিলাক্স রাখে ও মনকে করে সতেজ।
* অ্যালোভেরা জুস : প্রচুর পানি থাকে অ্যালাভেরাতে। তাই অ্যালোভেরা জুস পান করলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা দূর হয়। শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূর করতেও সাহায্য করে এই জুস। ব্লেন্ডারে দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ও এক কাপ পানি নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পান করতে হবে।
* পিকল জুস : প্রচুর সোডিয়াম থাকে পিকল জুসে, পটাশিয়ামও থাকে। তাই ডিহাইড্রেশন দূর করতে এটি বেশ কার্যকর। মাংসপেশির ব্যথা থেকেও নিষ্কৃতি দেয় পিকল জুস। দিনে এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ পিকল জুস পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই
দেশে গত ১ মাসে আরো ১ লাখ করোনা রোগী শনাক্ত।
এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত ২ লাখ ২ হাজার ৬৬ জন।
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখার জাদুকরী পাঁচ সহজ উপায়!
দিন দিন বাড়ছে করনায় আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে মৃত্যুর মিছিলে নাম লেখাচ্ছে লাখো মানুষ। নিশ্চয়ই জানেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ফুসফুসে সংক্রমণ হয়। আর মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার অন্যতম অঙ্গ ফুসফুস।
ফুসফুসে সংক্রমণ মানেই শ্বাসকষ্ট, যার ফলে রোগীর মৃত্যুও ঘটে। তাই এই কঠিন সময়ে আমাদের অবশ্যই উচিত ফুসফুসকে সুস্থ রাখা। ফুসফুস সুস্থ রাখার বিষয়ে খাবারের রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। যা আমাদের ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। হাতের কাছেই এমন কিছু সহজ খাবার আছে যা আমাদের ফুসফুসকে সুস্থ রাখবে। চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত-
কী খেতে হবে?
> পুষ্টিবিদদের মতে, শাক-সবজি, আলু, পটল, কুমড়া-গাজর বেশি করে খান। খোসা না ছাড়িয়ে তরকারি করে খেতে পারলে আরো ভালো।
> আটার রুটি, ব্রাউন রাইস, কিনোয়া, বার্লি ইত্যাদি খান। এতে ফুসফুসের ক্ষতি যেমন কম হবে, ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
> এছাড়া পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের জন্য ভালো। তাই সবুজ শাক, টমেটো, বিট, আলু, কলা খান নিয়মিত। আর প্রোটিনের জন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, দই, ডাল, ছোলা ইত্যাদি।
> ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে দিনে ২ থেকে ৩ লিটার পানি অবশ্যই পান করতে হবে।
যেসব খাবার খাবেন
কয়েকটি বিশেষ খাবার রয়েছে যা ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আসুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু খাবার সম্পর্কে-
আদা
আদা কুচি নিয়মিত খেলে ফুসফুস ভালো থাকে।
কাঁচা মরিচ
কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। সংক্রমণের আশঙ্কা কমে।
হলুদ
হলুদের কারকিউমিন প্রদাহ কমায়। এতে ফুসফুস ভালো থাকে।
পেঁয়াজ ও রসুন
পেঁয়াজ ও রসুন প্রদাহের প্রবণতা কমায় ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়। ‘জার্নাল অব ক্যানসার এপিডেমিওলজি’ ও ‘বায়োমার্কারস অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এ প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যেসব ধূমপায়ী কাঁচা রসুন খান তাদের ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখে ভোগার আশঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায়।
ফল ও সবজি
আপেল, পেয়ারা, শসা, সফেদা ইত্যাদি ফল ফুসফুসের জন্য খুবই ভালো। আপেল ও বাতাবি লেবুর ফ্ল্যাভেনয়েড ও ভিটামিন সি ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়। এছাড়া গাজর, কুমড়া, বেল পেপারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। সারা শরীরের পাশাপাশি ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এসব সবজি।
ভারতের বানানো করোনার প্রথম ভ্যাকসিন আগামী ১৫ আগস্টে দেশটির স্বাধীনতা দিবসের আগেই বাজারে আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে
***ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (বিবিআইএল)***
02/07/2020
বাংলাদেশে প্রথম করোনার 'ভ্যাকসিন' আবিষ্কারের দাবি | Globe Biotech Vaccine Enjoy and stay connected with us: Subscribe to Jamuna Television on YouTube https://Youtube.com/jamunatvbd Like Jamuna Television on Facebook https://fb.com/...
01/07/2020
দেশেই তৈরি হয়েছে করোনার ভ্যাকসিন! বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব বায়োটেক নামে একটি প্রতিষ্ঠান....
█▒▒▒ ব্রেকিং /Breaking ▒▒▒█
• ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্ত সর্বোচ্চ- ৪০১৪।
• ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু- ৪৫।
• ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন- ২০৫৩।
• ২৪ ঘন্টায় শনাক্তের হার- ২২.৫০%।
• ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষা- ১৭৮৩৭।
• ২৪ ঘন্টায় নমুনা সংগ্রহ- ১৪৪১৩।
• দেশে করোনা মোট শনাক্ত- ১৪১৮০১।
• দেশে করোনায় মোট প্রাণহানি- ১৭৮৩।
• দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন- ৫৭৭৮০।
🇧🇩 করোনাভাইরাস আপডেট- ২৯ জুন 🇧🇩
বিশেষ নিয়মে শ্বাস নিলেই প্রতিরোধ করা যাবে করোনার প্রভাব: নোবেলজয়ী গবেষক
করোনাভাইরাস সংক্রমণে বিশ্বজুড়ে লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। বিভিন্ন প্রতিষেধক, ওষুধ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এখনও কোনো প্রতিকার খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে মানুষের জীবনচারণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধির ওপরই জোর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এবার নোবেলজয়ী ফার্মাকোলজিস্ট লুইস জে ইগনারো জানালেন মানুষ কীভাবে শ্বাস নেয় তারওপর নির্ভর করে ভাইরাসটি তার শরীরে কী রকম প্রভাব ফেলবে।
দ্য কনভারসেশন প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে লুইস জে ইগনারো লিখেছেন, মানুষ কীভাবে শ্বাস নেয় তার ওপর নির্ভর করে তার শরীরের করোনা সংক্রমণ কতটা আটকানো যাবে। তার দাবি, যারা নাক দিয়ে শ্বাস গ্রহণ করে মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়েন তাদের শরীরে করোনার বেশি ভালো থাকে। শুধু ‘ইয়োগা’ ক্লাস নয় সর্বক্ষেত্রেই এই নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ তার।
লুইস জে ইগনারো ১৯৯৮ সালে শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের প্রভাব বিষয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তার গবেষণা অনুযায়ী, যারা নাকে দিয়ে শ্বাস নেয় এবং মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়েন তাদের ন্যাজাল ক্যাভিটিতে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হয়। এই মলিকিউল ফুসফুস গিয়ে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করে, পাশাপাশি রক্তে অক্সিজেনের লেভেল বাড়িয়ে তোলে।
শুধুমাত্র নাক দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া হলে নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছে যায়। এর ফলে করোনাভাইরাসের ফুসফুসে রেপ্লিকেশন আটকে যায়। রক্তে অধিক অক্সিজেন থাকলে মানুষ সতেজ বোধ করে।
মানবদেহ ক্রমাগত নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদন করে যা আমাদের দেহের ধমনী এবং শিরাগুলোতে, বিশেষত ফুসফুসের এন্ডোথেলিয়াম গঠনে সহায়তা করে। এন্ডোথেলিয়াম ধমনীর পেশীগুলি মসৃণ করতে সহায়তা করে যা উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কিত সমস্যাগুলো প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি অন্যান্য অঙ্গগুলোতে রক্ত প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে। তাছাড়াও নাইট্রিক অক্সাইড সাধারণ ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ফলে করোনাভাইরাস সহজে ফুসফুস ও ধমনীকে অকেজো করতে পারে না।
করোনার প্রতিষেধক আসার আগ পর্যন্ত লুইস জে ইগনারোর পরামর্শ কাজে দিতে পারে। অন্তত এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এর জন্য, খরচ হয় না কোনো অর্থও।
দুই দিনেই জাদুর মতো বুকের কফ দূর করবে পেঁয়াজ!
ঠাণ্ডা লেগে বুকে কফ জমে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি সমস্যা। তবে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি বুকের কফ দ্রুত নির্মূল করা সম্ভব না হয় তবে এর দারা শ্বাসযন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর ফলে শ্বাসকষ্টও হয়ে থাকে।
এক্ষেত্রে আপনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়া ঘরোয়া চিকিৎসাতেই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। ঘরোয়া কিছু সহজ উপায়ে এই সর্দি, কফ দূর হবে জাদুর মতো। আর এতে সময়ও লাগবে খুবই কম। দেরি না করে চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এমন কিছু ঘরোয়া উপায়-
পেঁয়াজ
সম পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং পানি একসঙ্গে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। কিছুটা গরম হলে নামিয়ে ফেলুন। কুসুম গরম এই পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এছাড়া পেঁয়াজের ছোট টুকরোও খেতে পারেন। দেখবেন দুই দিনেই বুকের কফ গলে যাবে।
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
এক কাপ কুসুম গরম পানিতে দুই চা চামচ বিশুদ্ধ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে এক চা চামচ মধু মেশান। এইবার এই পানীয়টি দিনে দুই তিনবার পান করুন। এক দুই সপ্তাহ পান করুন। দেখবেন বুকের কফ অনেক কমে গেছে।
লবণ পানি
বুকের সর্দি, কফ দূর করতে সহজ এবং সস্তা উপায় হল লবণ পানি। লবণ শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করে দেয়।এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার কুলকুচি করুন। আরাম মিলবে।
হলুদ
হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা দ্রুত কমিয়ে দেয়।এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন কুলকুচি করুন।
এছাড়া এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে জ্বাল দিন। এর সঙ্গে দুই চা চামচ মধু এবং এক চিমটি গোল মরিচের গুঁড়া মেশান। এই দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন।
লেবু ও মধু
লেবু পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ দূর করে গলা পরিষ্কার করে থাকে।
আদা
এক টেবিল চামচ আদা কুচি এক কাপ পানিতে মেশান। এবার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। বলক আসলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে তিনবার এই পানীয়টি পান করুন।
এছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়া, এবং লবঙ্গের গুঁড়া দুধ অথবা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরা আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Gazipur
1700