শহীদ ক্যাডেট একাডেমী ,মেইন ক্যাম্পাস-৩, টঙ্গী শাখা

শহীদ ক্যাডেট একাডেমী ,মেইন ক্যাম্পাস-৩, টঙ্গী শাখা

Share

আসসালামু আলাইকুম।
শহীদ ক্যাাডেট একাডেমী মেইন ক্যাম্পাসে আপনাকে স্বাগতম।

� শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড এই স্লোগান নিয়ে আমরা শহীদ ক্যাাডেট একাডেমী আছি আপনার সন্তানের ক্যাডেট হওয়ার স্বপ্ন পুরনের হাতিয়ার হিসেবে।

� আমরা মনে করি যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত।

� বর্তমান সময়ে সম্পদশালী হওয়ার চেয়ে শিক্ষিত হওয়া জরুরী।

� তাই আপনি আপনার সন্তানকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে চলে আসুন শহীদ ক্যাডেট একাডেমিতে।

� এখানে আপনার সন্তানকে যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে আমরা প্রতিশ্রুত

10/05/2026
20/04/2026

আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া, এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা,

আল্লাহ পাক আশাতীত কামিয়াবি দান করুন!

14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩💐

14/04/2026

শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ 💐
নতুন বছরের সূচনা হোক নতুন স্বপ্ন, নতুন সাহস আর মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার দিয়ে।

শহীদ ক্যাডেট একাডেমী ,মেইন ক্যাম্পাস-৩, টঙ্গী শাখা এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

13/04/2026

নববর্ষের প্রস্তুতি চলছে........

08/04/2026

Our lovely kids🥰

27/03/2026

ক্যাডেট কলেজ মানে শুধু ডিসিপ্লিন নয়, এটা আসলে এক মস্ত বড় "নিঃসঙ্গতার উৎসব", যেখানে আমরা সবাই একা হয়েও কখনো একা নই। সবাই যখন বলে, "তোদের তো লাইফ সেট," তখন মনের ভেতরটা এক অদ্ভুত বিষাদে ছেয়ে যায়। কেউ দেখে না সেই বারো বছর বয়সের ছোট ছেলেটাকে, যে প্রথমবার মায়ের আঁচল ছেড়ে ক্যাডেট কলেজের লোহার গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকেছিল। কেউ দেখে না সেই পিচ্চি বাচ্চাটার কান্নায় ভেজা বালিশ, যে মাঝরাতে বাথরুমে গিয়ে ট্যাপ ছেড়ে দিয়ে ডুকরে কেঁদেছিল যাতে পাশের বেডের বন্ধুটা টেরও না পায় সে তার মাকে মিস করছে। সেই চোখের জল মুছে পরদিন সকালে আবার খটখটে অক্সফোর্ড জুতা পরে প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘সাবধান’ হতে শেখার নামই ‘ক্যাডেট’ লাইফ।

> তুমি যখন এসি রুমে বসে ইউটিউবে 'মোটিভেশনাল স্পিচ' শোনো, আমি তখন পিটি গ্রাউন্ডে ভোরের কুয়াশার মাঝে নিজের ফুসফুসটাকে শেষ সীমানা পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাই। আমার মোটিভেশন কোনো ভিডিওতে থাকে না, থাকে পাশের ক্লাসমেটের হাপানি ভরা নিঃশ্বাসে—যে আমায় টেনে নিয়ে যায় ফিনিশিং লাইন পর্যন্ত।

> তোমার কাছে বৃষ্টি মানে জানালার পাশে কফি আর রোমান্টিক গান; আর আমার কাছে বৃষ্টি মানে কর্দমাক্ত মাঠে ইন্টার-হাউস ফুটবলের সেই মরণপণ লড়াই, যেখানে স্লাইডিং ট্যাকল দিয়ে উঠে দাঁড়ানোর পর নিজের কাদা মাখা জার্সিটাকেও পৃথিবীর দামী পোশাক মনে হয়।

> তুমি ডাইনিং টেবিলের খাবার নিয়ে হাজারটা অভিযোগ করো, আর আমরা জানি এক বাটি ডাল আর শক্ত পরোটার মাঝেও কীভাবে আড্ডা জমিয়ে হাসতে হাসতে পেট ভরানো যায়। কারণ আমাদের তৃপ্তি খাবারে নয়, সাথে বসে থাকা টেবিলমেটদের হাসিতে।

> তোমার কাছে হয়তো ব্যক্তিগত স্পেস বা 'প্রাইভেসি' খুব জরুরি। আর আমার কাছে 'প্রাইভেসি' মানে এক রুমে বসে হাউসের সব বন্ধুর সাথে ফিসফিস করে শেয়ার করা গোপন কোনো স্মৃতি। আমরা একা থাকতে শিখিনি, আমরা শিখেছি ভিড়ের মাঝেও নিজের অস্তিত্ব বিলিয়ে দিয়ে কীভাবে "এক" হতে হয়।

> তুমি হয়তো দামী পারফিউম মেখে ডেটে যাও, আর আমরা সারা গায়ে জেসমিন পাউডার মেখে প্রিপারেশন নিই কোনো ইন্টার-হাউস কালচারাল কম্পিটিশনের জন্য। আমাদের হাততালি কোনো বাইরের মানুষের জন্য নয়, সেটা কেবল নিজের হাউজের সম্মান রক্ষার জন্য।

> কষ্ট হলে তুমি হয়তো ফেসবুকে স্যাড মিউজিক দিয়ে স্টোরি দাও, আর আমি হয়তো রাতের অন্ধকারে বাথরুমে গিয়ে দু ফোঁটা অশ্রু ঝরিয়ে চোখ মুছে এসে আবার হাসিমুখে বন্ধুকে টিজ করি। আমরা ভেঙে পড়তে শিখিনি, আমরা শিখেছি একে অপরের কাঁধ হয়ে দাঁড়াতে।

> তুমি যখন স্মার্টফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকো, আমরা তখন আকাশ দেখি। আমরা জানি, গোধূলির পর যখন প্রেপের ঘণ্টা বাজে, তখন ওই আকাশের রংটা ঠিক কতটা মন খারাপ করা হতে পারে।

> তুমি ফেসবুকের নোটিফিকেশনে ভালোবাসা খোঁজো, আর আমরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করি একখানা চিঠির জন্য, কিংবা আইটেলের বাটন ফোনে ওই ছয় মিনিটের জন্য, যেখানে "মা" ডাকতেই অর্ধেক সময় পার হয়ে যায়। আমরা জানি, এক ফোঁটা গলার স্বর শোনার জন্য নব্বই দিন অপেক্ষা করার তৃষ্ণাটা ঠিক কতটা তীব্র।

> তুমি কোনোদিন এক টুকরা সুইট পাঁচজনে মিলে ভাগ করে খাওয়ার তৃপ্তিটা বুঝবে না। তুমি জানো না, রাতের বেলা হাউস চেকিংয়ের পর কম্বল মুড়ি দিয়ে চার-পাঁচজন মিলে লুকানো ফোনে চ্যাম্পিয়নস লীগের খেলা দেখার মাঝে কী রাজকীয় সুখ লুকিয়ে থাকে। আমাদের কাছে বন্ধুত্ব মানে স্রেফ আড্ডা নয়, আমাদের বন্ধুত্ব মানে নিজের একমাত্র সুইটটাও নিঃসংকোচে বন্ধুর মুখে তুলে দেওয়া।

> তুমি যখন কোচিংয়ে দেরি করে গেলে স্রেফ একটা বকুনি খাও, আমরা তখন এক মিনিট দেরির জন্য পিচঢালা রাস্তায় 'ফ্রগ জাম্প' দেই। সেই হাঁটু ছড়ে যাওয়া রক্ত আর ঘাম যখন একাকার হয়ে যায়, তখন আমরা একে অপরকে গালি দেই না, বরং পাশ থেকে বন্ধুটা ফিসফিস করে বলে, "আর একটু মামা, আর মাত্র দশটা জাম্প!" এই যে একে অপরকে টেনে তোলা, এটাই আমাদের মেরুদণ্ড তৈরি করে দেয়। আমরা হারতে শিখিনি, আমরা শিখেছি ধুলোবালি মেখে আবার উঠে দাঁড়াতে।

> তুমি হয়তো স্কুল শেষ করে পিকনিক করো, আর আমাদের যখন ছয় বছর শেষ হয়, তখন সেই বিদায়টা হয় এক একটা বিচ্ছেদের মতো। যে ছেলেটার সাথে ছয় বছর একই ডরমিটরিতে পিঠাপিঠি ঘুমানো হয়েছে, যাদের সাথে একই বালতিতে মুড়ি পার্টি করা হয়েছে, তাকে ছেড়ে যাওয়ার সময় মনে হয় শরীরের একটা অংশ ছিঁড়ে যাচ্ছে। সেই শেষ ডিনার, সেই জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদা—যেখানে সিনিয়র-জুনিয়র ভেদাভেদ ভুলে সবাই একাকার হয়ে যায়, সেই দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য কজনার হয়?

> ক্যাডেট লাইফ আমাদের শুধু অফিসার হতে শেখায় না, ক্যাডেট লাইফ আমাদের মানুষ হতে শেখায়। তুমি হয়তো অনেক বড় ক্যারিয়ার গড়বে, অনেক টাকা কামাবে; কিন্তু আমরা শিখি বিপদে পড়লে অন্যের জন্য বুক পেতে দিতে। আমাদের "লাইফ সেট" মানে ব্যাংক ব্যালেন্স নয়, আমাদের "লাইফ সেট" মানে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বিপদে পড়লে কেবল একটা ফোন কলেই ডজনখানেক ভাই এসে পাশে দাঁড়ানো।

আজ যখন সিভিল লাইফে এসে অনেক সুযোগ-সুবিধা দেখি, তখন কেন জানি ওই রুক্ষ লাল মাটির ক্যাম্পাসটাই বেশি টানে। আমাদের শৈশবটা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু বিনিময়ে আমাদের দেওয়া হয়েছে এক একটা পাহাড়সম ব্যক্তিত্ব। আমরা হয়তো রোবটের মতো কথা বলি, কিন্তু আমাদের বুকের বাঁ পাশটা অনেক বেশি স্পন্দিত হয় অন্যের কষ্টে।
হ্যাঁ ভাই, আমাদের লাইফ "set"। তবে সেটা কোনো বিসিএস বা অফিসার হওয়ার নিশ্চয়তায় নয়। আমাদের লাইফ set কারণ আমরা জানি, যদি কোনোদিন পৃথিবীর সব সম্পদ হারিয়েও ফেলি, তবুও আমার এই ক্যাডেট লাইফের একটা বন্ধু আছে যার দরজায় আমি মাঝরাতে গিয়ে লাথি মারলে সে বিরক্ত হবে না, বরং জড়িয়ে ধরে বলবে, "ডোন্ট worry মামা, আমরা তো আছি!"

হ্যাঁ ভাই, আমরা ক্যাডেট। আমাদের গল্পটা একটু অন্যরকম। এখানে ইমোশনগুলো লুকানো থাকে খাকিতে থাকা মেটালের পেছনে, আর ভালোবাসাটা মিশে থাকে জুতো পলিশের ব্রাশের টানে। এই ছয় বছর আমাদের শুধু পড়াশোনা করায় না, আমাদের শিখিয়ে দেয়—জীবন মানে শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবা নয়, জীবন মানে পাশের মানুষটার হাত শক্ত করে ধরা।

এই আত্মবিশ্বাস, এই ভ্রাতৃত্ব আর এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কোনো সিলেবাসে থাকে না। এটা কেবল ক্যাডেট কলেজের ওই কয়েক একর মাটিতেই জন্মায়।

©️ লেখক : Khalid Mahmud Sajid
১৭ মার্চ, ২০২৬ ( ১৬:০০ )

25/02/2026

একজন শ্রেনি শিক্ষকের দায়িত্ব কী??
একজন শ্রেণি শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব হলো নিজের ক্লাসের শিক্ষার্থীদের পাঠদান, হাজিরা সংরক্ষণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তাদের সামগ্রিক অগ্রগতির তদারকি করা। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা ও আচরণ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অভিভাবকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করেন। এছাড়া, পরীক্ষা, ফলাফল তৈরি এবং সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা তার অন্যতম দায়িত্ব।
শ্রেণি শিক্ষকের মূল দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ:
শিক্ষার্থী হাজিরা ও তথ্য সংরক্ষণ: নিয়মিত হাজিরা নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যাদি (পিতা-মাতার নাম, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা) ডায়েরি বা নথিতে সংরক্ষণ করা।
পাঠদান ও মূল্যায়ন: প্রতিদিনের ক্লাস রুটিন অনুযায়ী পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের সবল, দুর্বল ও অনুপস্থিতির রেকর্ড রাখা।
শৃঙ্খলা রক্ষা: শ্রেণি কক্ষের পরিবেশ শান্ত ও আনন্দদায়ক রাখা এবং শিক্ষার্থীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করা।
পরীক্ষা ও ফলাফল: পরীক্ষার সময়সূচি, প্রশ্নপত্র তৈরি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করে ফলাফল বা প্রোগ্রেস রিপোর্ট তৈরি করা।
অভিভাবক যোগাযোগ: নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উন্নতি ও আচরণ সম্পর্কে অবহিত করা।
সাংস্কৃতিক ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম: খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য সহ-পাঠ্যক্রমিক কাজে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা [৪]।
লক্ষ্য নির্ধারণ ও মোটিভেশন: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে অনুপ্রাণিত করা এবং তাদের মেধা বিকাশে সহায়তা করা।
একজন আদর্শ শ্রেণি শিক্ষককে অবশ্যই নিরপেক্ষ, ধৈর্যশীল এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হতে হবে।
#শ্রেণিশিক্ষক

02/02/2026

Arpita Chowdhury ক্যাডেট কলেজের রাইটিং পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। এই অর্জনের পর তার আত্মবিশ্বাস ও প্রস্তুতি যাচাই করতে আমরা আজ তার একটি ভাইবা মক টেস্ট গ্রহণ করেছি। মক টেস্টে সে ছিল সাবলীল, আত্মবিশ্বাসী এবং প্রশ্নের উত্তরে যথেষ্ট সচেতন। আশা করি এই ধারাবাহিক প্রস্তুতি তাকে চূড়ান্ত ভাইবা পরীক্ষায় আরও ভালো করতে সাহায্য করবে। Arpita-র জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা 🌸

27/01/2026

শহীদ ক্যাডেট একাডেমী ,মেইন ক্যাম্পাস-৩, টঙ্গী শাখার ছাত্রী অর্পিতা চৌধুরী আজ ক্যাডেট কলেজের ভাইবার প্রস্তুতির জন্য মক টেস্টে অংশগ্রহণ করেছে।
আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও স্পষ্ট উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে সে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে।
এই মক টেস্ট তার প্রস্তুতিকে আরও দৃঢ় করেছে বলে আশা করা যায়।
তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আন্তরিক শুভকামনা 🌟

পার্ট - ২ coming.....

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

অভিযান ৬৩ , শফিউদ্দিন রোড, আউচপাড়া, টঙ্গী গাজীপুর, ঢাকা।
Gazipur