রহস্যময় রসায়ন

রহস্যময় রসায়ন

Share

Chemistry Theory Technique & MCQ Tricks for
SSC, HSC, Admission
( Engineering, Medical, Science &

22/08/2025

🧑‍🔬 রসায়নের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

🔹 ধাতুর শ্রেণিবিন্যাস
1. মুদ্রাধাতু ➟ অকাজ (Au, Cu, Ag)
2. অপধাতু ➟ আটসি গেটে আসবি সব (At, Si, Ge, Te, As, B, Sb)
3. চুম্বক ধাতু ➟ Fe, Co, Ni, Ru, Rh, Pd, Pt
4. অভিজাত ধাতু ➟ Ag, Au, Pt
5. নিকৃষ্ট ধাতু ➟ লোহা (Fe), তামা (Cu)
6. নরম ধাতু ➟ Pb, Na, K, Ca
7. উদায়ী ধাতু ➟ Zn, Cd, Hg, Cn



🔹 বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য
8. সবচেয়ে হালকা ধাতু ➟ Li (লিথিয়াম)
9. সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু ➟ K (পটাসিয়াম)
10. সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু ➟ Pt (প্লাটিনাম)
11. সবচেয়ে শক্ত পদার্থ ➟ হীরক (Diamond)
12. সবচেয়ে ভারী তরল পদার্থ ➟ Hg (পারদ) ও Cs (সিজিয়াম)
13. স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল ধাতু ➟ Hg (পারদ)
14. গলনাংক সবচেয়ে কম যে ধাতুর ➟ Hg (পারদ)
15. সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু ➟ Fe (লোহা)
16. প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় যে ধাতু ➟ Al (অ্যালুমিনিয়াম)
17. আঘাত করলে শব্দ হয় না ➟ Sb (অ্যান্টিমনি)
18. সবচেয়ে দ্রুত ক্ষয় প্রাপ্ত হয় ➟ Zn (দস্তা)
19. পানিতে ভাসে ➟ Na (সোডিয়াম) ও K (পটাসিয়াম)



🔹 মৌল ও তাদের বৈশিষ্ট্য
20. তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আঘাতে টুনটুন শব্দ করে = ধাতু (যেমন Au, Ag, Cu, Fe)
21. তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী, যৌগে ঋণাত্মক আয়ন গঠন করে = অধাতু (যেমন C, O, I, H)



🔹 খনিজ ও যৌগ
22. কেওলিন → এক প্রকার সাদা মাটি (সিরামিক তৈরির কাঁচামাল)
23. সম্প্রতি ময়মনসিংহে সিরামিক খনি আবিষ্কৃত হয়েছে।
24. NaNO₃ → চিলির সল্টপিটার
25. Na₂CO₃ → বেকিং পাউডার

07/02/2025

😆

25/12/2024

#সংকরণ

17/12/2023

* #সাধারণ পাতনঃ* অনুদ্বায়ী কঠিন পদার্থ ও উদ্বায়ী তরলের মিশ্রণ থেকে ঐ তরলকে অথবা দুটি তরলের মিশ্রণে উভয় তরলের স্ফুটনাঙ্কের ব্যবধান 40°C এর বেশি হলে সংশ্লিষ্ট তরলকে সাধারণ পাতন পদ্ধতিতে পৃথক করা সম্ভব।
* #আংশিক পাতনঃ* তরল মিশ্রণের উপাদানসমূহের স্ফুটনাঙ্কের ব্যবধান 40°C এর কম হলে তখন আংশিক পাতন পদ্ধতিতে তরল উপাদানসমূহ পৃথক করা সম্ভব।
* #সমস্ফুটন পাতনঃ* যখন নির্দিষ্ট সংযুক্তির দুই বা ততোধিক তরল-তরল মিশ্রণের বাষ্পে ও তরল মিশ্রণে একই সংযুক্ত থাকে এবং প্রত্যেক তরল উপাদানের স্ফুটনাঙ্কের কম তাপমাত্রায় অথবা সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফুটে থাকে; তখন সমস্ফুটন পাতন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
* #বাষ্প বা স্টিম পাতনঃ* পানিতে অদ্রবণীয় ও স্টিমে বা উত্তপ্ত পানি বাষ্পে উদ্বায়ী কঠিন ও তরল জৈব যৌগকে স্টিম পাতন দ্বারা বিশোধন করা হয়।
* #নিম্নচাপ পাতনঃ* বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ও স্বাভাবিক স্ফুটনাঙ্কে বিয়োজনযোগ্য তরল জৈব যৌগকে অপেক্ষাকৃত নিম্নচাপে তথা নিম্নতাপমাত্রায় পাতন করা হয়।
* #ঊর্ধ্বপাতনঃ* বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ও স্বাভাবিক গলনাঙ্কে সরাসরি বাষ্পে পরিবর্তনযোগ্য কঠিন পদার্থকে পৃথক করা যায়।

21/12/2022

⭕বিভিন্ন রাসায়নিক এসিডের নাম ও সংকেতঃ-

➺সাইট্রিক এসিড→ C₆H₈O₇
➺অক্সালিক এসিড→ HOOC-COOH
➺সালফিউরিক এসিড→ H₂SO₄
➺নাইট্রিক এসিড→ HNO₃
➺পাইরুভিক এসিড→ C₃H₄O₃
➺কার্বলিক এসিড→ C₆H₆O
➺কার্বনিক এসিড→ H₂CO₃
➺টারটারিক এসিড→ C₄H₆O₆
➺ল্যাকটিক এসিড→ CH₃-CH(OH)COOH
➺ফসফরিক এসিড→ H₃PO₄
➺ক্লোরিক এসিড→ HClO₃
➺থায়োয়ানিক এসিড→ HCNS
➺থায়োসালফিউরিক এসিড→ H₂S₂O₃
➺নাইট্রাস এসিড→ HNO₂
➺নাইট্রিক এসিড→ HNO₃
➺পাইরোবোরিক এসিড→ H₂B₄O₇
➺পাইরো সালফিউরিক এসিড→ H₂S₂O₇
➺পারম্যাঙ্গানিক এসিড→ HMnO₄
➺পারক্লোরিক এসিড→ HClO₄
➺ফসফরাস এসিড→ H₃PO₃
➺বোরিক এসিড→ H₃BO₃
➺সায়ানিক এসিড→ HCNO
➺সালফিউরাস এসিড→ H₂SO₃
➺সিলিকিক এসিড→ H₂SiO₃
➺অলিক এসিড→ C₁₇H₃₅COOH
➺অ্যাসিটিক এসিড→ CH₃COOH
➺পাইরোভিক এসিড→ CH₃-CO-COOH
➺ফরমিক এসিড→ HCOOH
➺স্টিয়ারিক এসিড→ C₁₇H₃₅COOH
🔸হাইড্রো ক্লোরিক এসিড → HCl
🔹সালফিউরিক এসিড → H₂SO₄
🔹সালফিউরাস এসিড → H₂SO₃
🔸ফসফরাস এসিড → H₃PO₃
🔹ফসফরিক এসিড → H₃PO₄
🔸কার্বনিক এসিড → H₂CO₃
🔹ক্লোরিক এসিড → HClO₃
🔸পারক্লোরিক অ্যাসিড HClO₄
🔹নাইট্রাস এসিড → HNO₂
🔸নাইট্রিক এসিড → HNO₃
🔹সাইট্রিক এসিড → C₆H₈O₇ (লেবুর রসে থাকে)
🔸টারটারিক এসিড → C₄H₆O₆ (তেঁতুলে থাকে)
🔹অক্সালিক এসিড → HOOC-COOH
🔸ফরমিক এসিড → HCOOH (পিঁপড়ার কামড়ে থাকে)
🔹অ্যাসিটিক এসিড → CH₃COOH 🔸(ভিনেগারের টক স্বাদ ও গন্ধের জন্য দায়ী)
🔹হাইড্রোজোয়িক এসিড → N₃H (ব্যতিক্রমি এসিড)
🔹অলিক এসিড → C₁₇H₃₃COOH
🔸সায়ানিক এসিড → HCNO
🔹পামিটিক এসিড → C₁₅H₃₁COOH
🔸হাইপো ক্লোরাস এসিড → HClO
🔹হাইড্রো ব্রোমিক এসিড → HBr
🔹হাইড্রো আয়োডিক এসিড → Hꕯ
🔸গুকোনিক এসিড → C₆H₁₂O₇
🔹স্টিয়ারিক এসিড → C₁₇H₃₅COOH

🔶প্রয়োজনীয় কিছু ক্ষারকের নাম ও সংকেতঃ-

🔸সোডিয়াম অক্সাইড Na₂O
🔹সোডিয়াম হাইডক্সাইড NaOH
🔹অ্যামোনিয়াম হাইডক্সাইড NH₄OH
🔸ক্যালসিয়াম অক্সাইড CaO
🔹পটাসিয়াম হাইডক্সাইড KOH
🔸ক্যালসিয়াম হাইডক্সাইড Ca(OH)₂

🔷প্রয়োজনীয় কিছু লবণের নাম ও সংকেতঃ-

🔸সোডিয়াম কোরাইড (খাদ্য লবণ) NaCl
🔹অ্যামোনিয়াম কোরাইড (নিশাদল) NH₄Cl
🔸পটাসিয়াম কোরাইড KCl
🔹ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) CaCO₃
🔸সোডিয়াম সালফেট Na₂SO₄
🔹পটাসিয়াম ফেরোসায়ানাইড K₄[Fe(CN)₆]
🔸অ্যামোনিয়াম ফসফেট (NH₄)₃PO₄
🔹জিপসাম CaSO₄.2H₂O
🔸গ্লুবার সল্ট Na₂SO₄.10H₂O
🔹জিঙ্ক সালফেট ZnSO₄
🔸গোল্ড কোরাইড AuCl₃

05/10/2022
01/10/2022

রসায়নে একটি বহুল ব্যবহৃত কনসেপ্ট হলো ইলেকট্রোনেগেটোভিটি । দুটি পরমানুর মধ্যে বিদ্যমান শেয়ারকৃত ইলেকট্রনগুলোকে নিজের দিকে নিয়ে আসার যে প্রবনতা তা ইলেকট্রোনেগেটোভিটি নামে পরিচিত । কোনো মৌলের ইলেকট্রোনেগেটোভিটি পরিমাপ করার জন্য ১৯৩২ সালে লিনাস পলিং একটি স্কেল প্রকাশ করেন । সেই স্কেল অনুযায়ী ফ্লোরিনের ইলেকট্রোনেগেটোভিটি ৪.০ এবং হাইড্রোজেনের ২.২ । তবে কিভাবে লিনাস পলিং এই স্কেলটি তৈরি করেছিলেন তা রসায়নের বইতে ব্যাখা করা হয় না ফলে রসায়নের শিক্ষক ও ছাত্ররা অনেকটা না-জেনেই পলিং-এর স্কেলটি ব্যবহার করেন ।

লিনাস পলিং দুটি পরমানুর মধ্যে ইলেকট্রোনেগেটোভিটির পাথর্ক্য পরিমাপ করার জন্য বন্ড ডিসোসিয়েশন শক্তিকে ব্যবহার করেন । এক্ষেত্রে তিনি নিন্মোক্ত সমীকরন ব্যবহার করেন (ছবিতে সংযুক্ত করা হয়েছে) । তিনি ধারনা করেন যে, দুটি ভিন্ন পরমানুর (A-B) মধ্যে বিদ্যমান বন্ধন শক্তি, একই পরমানু দুটির (A-A) এবং (B-B) মধ্যে বিদ্যমান বন্ধন শক্তির গড় অপেক্ষা বেশী যেহেতু ভিন্ন পরমানুর দুটি বন্ধন গঠন করার পরেও ইলেকট্রোনেগেটোভিটি পার্থক্য থাকায় তারা আংশিক চার্জিত অবস্হায় থাকে এবং শক্তিশালী বন্ধন গঠন করে ।

এই ধারনার উপর ভিওি করে তিনি হাইড্রোজেনের সাপেক্ষে ৩৩টি মৌলের জন্য ইলেকট্রোনেগেটোভিটির পার্থক্য পরিমাপ করেন এক্সপেরিমেন্টাল বন্ড ডিসোসিয়েশন শক্তি থেকে । যেমন: H-F, F-F এবং H-H বন্ড ডিসোসিয়েশন শক্তি যথাত্রুমে ৫.৮৫, ১.৬০ এবং ৪.৪৭ ইলেকট্রন ভোল্ট (eV) । এই শক্তিগুলোকে সমীকরনে বসালে H-F এর ইলেকট্রোনেগেটোভিটির পার্থক্য পাওয়া যায় ১.৬৭ ।

একইভাবে H-Cl, H-Br, এবং H-I ইলেকট্রোনেগেটোভিটির পার্থক্য পাওয়া যায় ০.৯৮, ০.৭৩, ০.২২ । এই সংখ্যাগুলোর সাথে পলিং হাইড্রোজেনের ইলেকট্রোনেগেটোভিটি ২.২ যোগ করেন তার স্কেলটিকে ‘৪’-এ প্রকাশ করার জন্য । সেক্ষেত্রে F, Cl, Br, এবং I ইলেকট্রোনেগেটোভিটি হয় ৩.৮৮, ৩.১৮, ২.৯৩ এবং ২.৪২ ।

আমি এখানে NIST ডাটাবেজে থাকা ১৯৭০ সালের বন্ড ডিসোসিয়েশন শক্তি ব্যবহার করে পলিং স্কেলটি দেখানোর চেষ্টা করেছি যাতে পলিং স্কেলের সাথে সামান্য পার্থক্য পাওয়া যায় । ১৯৬১ সালে আধ্যাপক অলরেড ৬৯টি মৌলের জন্য পলিং স্কেলটি সংশোধন করেন নতুন বন্ড ডিসোসিয়েশন শক্তি ব্যবহার করে । পলিং ছাড়াও আরও অনেকে ইলেকট্রোনেগেটোভিটির স্কেল প্রদান করেছেন ভিন্নভাবে এরমধ্যে অন্যতম হলে রবার্ট মুলিকেন, যা নিয়ে পরে আরেকদিন আলোচনা করবো ।

ড. হালিম স্যার

15/09/2022

HSC 2022 ব্যাচ
রসায়ন ২য় পত্র এক্সাম😄😄

Photos from রহস্যময় রসায়ন's post 12/09/2022

HSC-2022 পরীক্ষার সময় সূচি

আগামী ৬ ই নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে৷ 💓

09/09/2022

১০০ জনরে জিজ্ঞেস কইরা দেখেন 😅

Photos from রহস্যময় রসায়ন's post 08/09/2022

যে অবস্থায় কোনো উভমূখী বিক্রিয়ার সম্মূখ ও পশ্চাৎমূখী বিক্রিয়ার হার সমান হয় এবং বিক্রিয়ক ও উৎপাদের ঘনমাত্রার আর কোনো পরিবর্তন হবে না, তাকে রাসায়নিক সাম্যবস্থা বলা হয়। এ বিষয়টিকে নিম্নের লেখচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হল-

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka-Gazipur
Gazipur