টঙ্গী বাইতুল আকরাম মাদ্রাসা—Tongi Baitul Akram Madrasah Complex

টঙ্গী বাইতুল আকরাম মাদ্রাসা—Tongi Baitul Akram Madrasah Complex

Share

Official page Of Tongi Baitul Akram Madrasah & Masjid Complex

21/03/2025

অনেকেই নিম্নোক্ত ফটোকার্ড শেয়ার করে দাবি করছেন যে, এটি হারামাইন এর ইমাম শাইখ ইয়াসির আদ দাউসারি হাফি.—এর উক্তি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই দাবিটি সঠিক নয়। কারণ হারামাইনের ইমামগণের কোন সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট নেই।
তাদের নামে যেসব আইডি এবং পেজ সোস্যাল মিডিয়ায় রয়েছে সবগুলোই ফেইক-ভুয়া। এগুলোর কোনটাই তাদের দ্বারা পরিচালিত হয় না।

বিগত ৪-ই মে ২০২৪ তারিখে ‘Inside the Haramain’ পেজে
সৌদির গ্র‍্যান্ড মসজিদের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট এর বরাত দিয়ে উল্লেখ করে,

“There are no accounts for the imams of the Two Holy Mosques on social media, and there is no truth to what is published on them.”

অর্থাৎ, সোশ্যাল মিডিয়ায় হারামাইন তথা দুই পবিত্র মসজিদের ইমামদের কোনও সোস্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নেই এবং তাদের নাম উল্লেখ করে বা তাদের দিকে ইঙ্গিত করে যা প্রকাশিত হয়, তার কোনও সত্যতা নেই।

আপনাদের মনে থাকার কথা, ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শাইখ সালেহ আল-তালিব হাফি.—কে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর এক খুতবায় তিনি 'নাহি আনিল মুনকার' তথা মন্দ কাজের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য উল্লেখ করেছিলেন। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২২ সালের আগস্টে সৌদি আরবের আপিল বিভাগ শাইখ সালেহ আল-তালিবকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়।

আমর মিল মারুফ নাফি আনিল মুনকার তথা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ—এর মতো ইসলামের বেসিক বিষয়ে কথা বলার কারণে যেখানে মহামান্য একজন ইমাম গ্রেফতার হয়েছেন সেখানে এই বক্তব্য তো আরো অনেক বড় বিষয়। সুতরাং এইসকল ভুয়া-ফেইক আইডি থেকে দূরে থাকুন। তাদের পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

26/01/2025

ছেলে বাবাকে বললো, আব্বু আমি বিয়ে করতে চাই। একজনকে আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

কোথায় চলো দেখি, সব ঠিক থাকলে আমার আপত্তি নেই।

মেয়েটিকে বাবা দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেলেন। ছেলেকে বললেন, দেখ তুমি এই মেয়ের যোগ্য নও। আমার মতো অভিজ্ঞ একজন মানুষই এই মেয়ের স্বামী হওয়া দরকার।

পিতাপুত্রে তখন মস্ত বিবাদ। মীমাংসার জন্য তারা স্থানীয় বিচারকের কাছে গেলো।

বিচারক বললেন, তোমাদের কথা শুনে এবং মেয়েটিকে দেখে আমার যা মনে হলো, তোমাদের দুজনের কেউই এর নখের যোগ্যও নও। আমার মতো একজন পদস্থ ব্যক্তিই এই মেয়ের বর হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

এভাবে বিচার গড়াতে গড়াতে দেশের প্রধান পর্যন্ত গিয়ে ঠেকলো। রাজা মেয়ে দেখে হুঙ্কার দিয়ে উঠে বললেন, খামোশ! এই মেয়ে রাজার ঘর ছাড়া আর কোথাও মানাবে না।

এই জটিল পরিস্থিতিতে মেয়েটি মুখ খুললো। আমার কাছে এই সমস্যার সমাধান আছে: আমি দৌড় দেবো। যে আমাকে আগে ধরতে পারবে তার সাথেই আমার বিয়ে হবে।

মেয়েটি তীরবেগে দৌড় দিলো। তার পিছু পিছু বরবাহিনীও পড়িমরি করে ছুটলো। দৌড়াতে দৌড়াতে কিছুদূর গিয়ে বরবাহিনী হুড়মুড় করে এক অতল গহ্বরে পড়ে গেলো।

মেয়েটি গর্তের মুখে এসে বললো, তোমরা কি জানো, আমি কে?

আমি হলাম দুনিয়া। আমার পেছনেই সমস্ত মানুষ দৌড়ায়। আমাকে পাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে সবাই নিজের দ্বীনকে ভুলে যায়। এভাবে এক সময় কবরে চলে যায়, কিন্তু আমার নাগাল পায় না।

বইঃ 'জীবনের ক্যানভাসে আঁকা গল্প'

10/12/2024

“আমাদের দিনে ট/র্চা/র করা হতো। রাতে করা হতো ধ/র্ষ/ণ। যখন সিনিয়র অফিসাররা আমাদের ধ/র্ষ/ণ করে করে ক্লান্ত হয়ে যেতো, আমাদেরকে জুনিয়র অফিসারদের কাছে দিতো।

জে ল থেকে বের হবার পর আমি চারবার সু/ই/সা/ই/ড করার চেষ্টা করেছি। আমার চারটা ক্ষুধার্ত বাচ্চা ছিলো। বাসার লোকজন আমার সাথে কথা বলতো না। সমাজ আমায় মেনে নিতো না।

মাঝেমধ্যে ইচ্ছে হতো, যদি ম/রে যেতাম! এরচে' তো ম/রে গেলেই ভালো হতো! অবশ্য এখন আর কিছুই মনে হয় না!

আমার ভেতরে যা কিছুই ছিলো, সব ম/রে গেছে।”

— মীরা, আ সা দের জে লখানার এক সাবেক ব ন্দি নী, বর্তমানে তুরষ্কে শরণার্থী হিসেবে অবস্থানরত।

16/09/2024

শিশু মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন, তখন তিনিও আর বাকি ৮-১০ টা শিশুর মতই ছিলেন। বরং তিনি আরো অসহায় ও অনাথ হয়ে পড়েছিলেন। জন্মের আগেই পিতাকে হারান। ৬ বছর বয়সে মাতাও ইন্তেকাল করেন। সুতরাং ওই শিশু মুহাম্মাদ কে তখন কেউই অসাধারণ মানব হিসেবে দেখেনি।

যার কারণেই রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্ম তারিখ নিয়ে রয়েছে নানান মতভেদ। রবিউল আউয়াল মাসের ৬, ৯, ১২, ১৪ সহ আরো কয়েকটি তারিখ পাওয়া যায় উনার জন্মতারিখ হিসেবে। তবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও তারিখের বিচারে যৌক্তিক হচ্ছে ৯ ই রবিউল আউয়াল, রোজ সোমবার।

বাট,
রাসূল সাঃ এর ওফাতের সময় নিয়ে পুরো পৃথিবীতে কারো মাঝেই বিন্দুমাত্র মতভেদ নেই। ওই ৬৩ বছর বয়সে যখন তিনি ইন্তেকাল করেন- তখন বিশ্বের সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ মহামানব হিসেবে তিনি দুনিয়া ত্যাগ করেছিলেন। আর সেই দিনটি ছিল ১২ ই রবিউল আউয়াল, রোজ সোমবার।

সেই দিন আকাশ বাতাস স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল। মদিনার অলিতে গলিতে কান্নার রোল পড়ে গিয়েছিল। চন্দ্র সূর্য বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল। পাহাড় পর্বত মুমূর্ষুের মত হয়ে গিয়েছিল। সাহাবারা শোকে বারবার মূহ্যমান হয়ে পড়েছিল। পুরো আসমান জমিন সেদিন বেদনায় কাতর হয়ে পড়েছিল.......
———

যারা আজকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মদিন উপলক্ষে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভালোবেসে, তার প্রতি অগাধ মুহাব্বাত দেখিয়ে আনন্দ উৎসব করছেন। নাচছেন, গাইছেন। খুশিতে মাতোয়ারা হচ্ছেন-

- ধরেও নিলাম, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ভালোবাসা দেখিয়ে আপনাদের এসব উৎসব গ্রান্টেড হইলো। এবং ১২ ই রবিউল আউয়ালই রাসূল সাঃ এর প্রকৃত জন্মদিন ছিল। বাট, ওই হাশরের ময়দানে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাউজে কাউসারের সামনে দাঁড়িয়ে যদি আপনাকে জিগ্যেস করে,

" আমার জন্ম তারিখে খুশি হয়ে আনন্দ উৎসব তো করেছিলে। কিন্তু ওইদিন আমার মৃত্যু দিবসও ছিল। আমার সাহাবারা পাগলপ্রায় হয়ে গিয়েছিল। প্রতিটা প্রাণী শোকে মুহ্যমান হয়ে গিয়েছিল..........
আমাকে ভালোবেসে তুমি কতটুকু কষ্ট পেয়েছিলে? বেদনায় কতটুকু কাতর হয়েছিলে?"

- সেদিন কী উত্তর দিবেন তখন??

12/09/2024

ঢাবিতে গণবিবাহের আয়োজন হচ্ছে মাশাল্লাহ!!
এদের মধ্যে যারা পারিবারিকভাবে বিয়ের জন্য প্রস্তাব করেছেন, তাদের জন্য শুভকামনা এবং অফুরন্ত দোয়া....

বাট, যারা পরিবারকে না জানিয়েই বিয়ে করতে চাচ্ছেন- তাদের জন্য কিছু কথা আছে।

একজন বালেগা মেয়ের গার্জিয়ানের অনুমতি ছাড়া আপনি তাকে বিবাহ করতে পারবেন। কিন্তু এর জন্য এলিজেবল হতে হলে ইসলাম আপনাকে অনেকগুলো শর্ত দিয়ে রেখেছে। পাশাপাশি আপনি যদি কুফু না মিলিয়ে বিয়ে করে থাকেন, তাহলে গার্জিয়ান জানার সাথে সাথে সেই বিবাহ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।


১| মোহর দিতে সক্ষম হওয়া।

- বিয়ে শুধু আবেগের বিষয় না। আপনার মন চাইলেই আপনি বিয়ে করতে পারেন না। এজন্য আগে মোহরানা দেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে।
এক টাকা, এক হাজার এক টাকা, একটা বই, একটা কলম, একটা ফুল এসব আউফাউ মোহরনা হয়না। আপনার মিনিমাম ১০ দিরহাম সমপরিমাণ মোহরানা ধার্য করতে হবে। ( বর্তমানে ৪-৫ হাজার টাকার মত হতে পারে)

যদি মোহরানা নির্ধারণ না করেন কিংবা যথেষ্ট পরিমাণ না হয়- তখন আপনার ওপর মোহরে মিসিল ওয়াজিব হয়ে যাবে। আর মেয়ের মোহরে মিসিল যদি ১০-২০ লাখ হয়, তাইলে আপনার আকাশ ভরা তাঁরা.....

আবার একশ্রেণির লোক আছে, যারা ইচ্ছেমত মোহর নির্ধারণ করে পরে বউয়ের কাছ থেকে নির্লজ্জ, বেহায়ার মত মাফ চেয়ে নেয়। এরকম ফাইজলামি কেউ করবেন না। আর আপুরাও এমন ছ্যাঁচড়া কে বিয়ে কইরা নিজের জীবন নষ্ট কইরেন না। যে কিনা মোহরের ওয়াজিবই আদায় করে না, সে পরবর্তী নাফাকার ওয়াজিব কতটুকু আদায় করবে- সেটা মাথায় রাইখেন।


২| নাফাকা দেওয়ার সক্ষমতা থাকা।

- নাফাকা অর্থ হচ্ছে মেয়ের সম্পূর্ণ ভরণপোষণ বহন করা। এটা স্বামীর ওপর ওয়াজিব। ইভেন, আপনার যদি নাফাকা দেওয়ার সক্ষমতা না থাকে, তাহলে আপনার জন্য বিবাহ করা মাকরূহ।

আবেগে বিয়ে করে বসলেন। দুদিন পর মেয়েকে ফেলে রাখলেন, এসব ফাইজলামি চলবে না। আপনি সক্ষমতা অর্জন করেন। অর্থ উপার্জন করেন। তারপর বিয়ের চিন্তা করেন।

মেয়ের নাফাকা হবে তার পিতা তাকে এতদিন যেভাবে ভরণপোষণ দিয়ে এসেছে, তার সমপরিমাণ। কিছুটা ১৯-২০ হতে পারে। কিন্তু মেয়ে এতদিন থেকে এসেছে ৫০ হাজার টাকা খরচে আর আপনি তাকে দিবেন ৫০০ টাকার খরচ- এমন আকাশ পাতাল কখনোই উচিত না। ইসলাম আপনাকে সাজেস্ট করছে আপনার আর্থিক সম লেভেলের কিংবা কিছুটা নিচের মেয়ে বিয়ে করতে, যাতে বৈবাহিক জীবন সুন্দর ও স্বাচ্ছন্দ্যের হয়।

বিয়ের ক্ষেত্রে সর্বদা কুফু মিলিয়ে বিবাহ করা চাই।


৩| চুক্তিবদ্ধ বিবাহ করা যাবে না।

- অনেকে এই হারাম কাজটা করে।
প্রেম করে, তারপর হারাম সম্পর্ককে হালাল করার জন্য পরিবারকে না জানিয়ে বিবাহ করে এই চুক্তিতে যে, আমরা এখন বিবাহ করবো। গ্রাজুয়েট হওয়া পর্যন্ত দেখবো। যদি ইচ্ছে হয় থাকবো নতুবা আলাদা হয়ে যাব।

সাবধান! এরকম চুক্তিবদ্ধ বিবাহ সম্পূর্ণ হারাম। এটাকে মুতা বিবাহ বলা হয়। জাহেলি যুগে আরবে এমন বিয়ে প্রচলিত ছিল।
এরকম বিয়ের ওপর রাসূল সাঃ এর লা'নত......
———

- বিয়ে অনেক সহজ একটা জিনিস। আবার খুব কঠিনও বটে।
আপনি যদি এলিজেবল হোন, তাহলে আপনার জন্য এটা সুখকর। নতুবা, এটা আপনার জন্যও দুঃখ পরিবারের জন্যও সমস্যা।

আবেগে ভাইসা বিয়ে করার আগে কুফু মিলাইয়া বিয়ে কইরেন। নাইলে পরিবার জানার পর তৎক্ষণাৎ বিয়ে ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা গার্জিয়ানের থাকবে- এটা মাথায় রাইখেন।

আর আপুরাও বুঝে শুনে সামনে আগায়েন। বিয়ে কোন আবেগের জিনিস না শুধু। এটার সাথে আপনার সারাজীবন জড়িত। পুরো লাইফের বিষয় এটা। সুতরাং কাকে কিভাবে কি দেখে বিয়ে করতেছেন- ভালোভাবে বুঝেশুনে কইরেন।

এমন যেন না হয় যে, দু'দিন পর দুইজন দুইদিকে। বিবাহ যেমন আনন্দের, বিবাহ ভেঙে যাওয়া তার চেয়েও বহুগুণ কষ্টের.........

06/09/2024

যদি আপনার স্ত্রী আপনাকে বলে যে সে কয়েক দিনের জন্যে বাপের বাড়ি যেতে চায় তবে―

- সম্মতি দিয়ে "ঠিক আছে, যাও" বলবেন না। কারণ সে ভাববে আপনি তাকে আপনার থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

- দ্বিমত করে "না, যেতে পারবা না" বলবেন না। কারণ সে ভাববে আপনি তার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছেন, সংসারের ঘানি টানা থেকে একটু বিশ্রাম নেওয়ারও সুযোগ দিচ্ছেন না।

- আর চুপ করে থাকা থেকেও সাবধান! কারণ সে এতে ভাববে তার ভালোলাগা মন্দ লাগার ব্যাপারে আপনার কোনো আগ্রহ নেই।

- "যা ইচ্ছে করো" বলা থেকে আরও সাবধান! কারণ এটাকে সে তার প্রতি আপনার উদাসীনতা মনে করবে, যে তার থাকা না থাকাতে আপনার কিছুই আসে যায় না।

অতএব, কিছু বলা থেকে সতর্ক থাকুন। সতর্ক থাকুন কিছু না বলা থেকেও🤭

27/07/2024

শহীদ আব্দুল্লাহ আল তাহির। মা তাকে শেষ বিদায় দিচ্ছেন। পরম মমতায়, গভীর যত্নে। ঠিক ছোটবেলায় ঘুম পাড়ানোর মত।

মায়ের প্রতি অন্যরকম ভালোবাসা ছিলো আব্দুল্লাহ আল তাহিরের। জীবনের প্রতিটি বিষয় মায়ের সাথে শেয়ার করতেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তে মায়ের পরামর্শ নিতেন। আজকাল ছেলেরা সারাদিন গার্লফ্রেন্ডের সাথে কলে সময় কাটায়, তাহির কথা বলতেন মায়ের সাথে। এজন্য মা-ছেলের বুঝাপড়া, আন্তরিকতা ছিলো সম্পর্কের অনেক গভীরে।

তাহির ঢাকায় ছিলেন, ঢাকায় পড়াশোনা করছিলেন। প্রিয় মা ও বাবা দুজনই বেশ অসুস্থ থাকায় সিদ্ধান্ত নিলেন গ্রামে চলে যাবেন। পিতামাতার পাশে থাকবেন তাদের এই বৃদ্ধ বয়সে। ঢাকার অনেকরকম বাস্তবতাকে একটা সুন্দর সমাপ্তিতে নিয়ে আসলেন। সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন নিজ শহর রংপুরে। যাওয়ার ঠিক আগের রাতে আমরা কয়েকজন একসাথে দীর্ঘসময় গান-আড্ডা করলাম। এইতো, কয়দিন আর হবে? এ আন্দোলনের অল্পকিছুদিন আগে তিনি বাড়ি গিয়েছিলেন।

বাড়ি গিয়ে তিনি আর বাড়িতে থাকতে পারেননি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলো। সর্বদা সত্যের পক্ষের তাহির নিজেকে বিরত রাখলেন না, যদিও সরকারি চাকরির বয়স তার শেষ। তবুও নামলেন বৈষম্যের বিরুদ্ধে। পুলিশের এ নামাটা পছন্দ হলো না, চালিয়ে দিলেন গুলি। দেহের একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেকপাশ দিয়ে বের হয়ে গেল গুলিটি। পাষাণ্ডরা ছাড় দিলো না পবিত্র চেহারার এ সৌম্য-সুদর্শন তরুণটিকেও।

আব্দুল্লাহ আল তাহিরের আম্মা ঢাকায় কল দিয়ে জানালেন ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা, আইসিউতে চলে গেলো আব্দুল্লাহ আল তাহির। আমরা ঢাকায় থেকে দোয়া করতে থাকলাম। এমন বিনয়ী, মানবিকগুণের প্রিয় মানুষটির জন্য কলিজা কেঁপে উঠলো। তথাপিও পরেরদিন শুনতে হলো একটি নির্মম সত্য। আব্দুল্লাহ আল তাহির শহীদ হয়ে গিয়েছেন।

এমন ছেলের জন্য মায়ের কষ্ট কেমন হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একমাত্র মা-ই জানেন সন্তান হারানোর কষ্ট। মা জানালেন, 'তাহির তাকে অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরাতে নিয়ে গিয়েছিল, এখন আর কে দেখাবে এমন সুন্দর জায়গা? নিজেই ফের বললেন, নিশ্চয়ই জান্নাতে আরো সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে, তাহির ওগুলো ঘুরে দেখাবে'।

– জুবায়ের বিন ইয়াছিন

30/05/2024

"আমি আমার ৬ বাচ্চাকে টেন্টে রেখে খাবার জোগাড় করতে বের হয়েছিলাম, এয়ার আ্যটাকের কথা শুনে ফিরে এসে কাউকে খুজে পেলাম না, খুজে পেলাম এক মুঠো ছাই। আমার পুরো পৃথিবী এখন মুঠো ছাইয়ের সমান।" - এক ফি*স্তিনি মা।

https://www.facebook.com/Rudaw.net/videos/419264544355255/

03/04/2024

সে উম্মাহর পরাজয়ের কারণ আর জিজ্ঞেস করতে এসো না...🙂

29/03/2024

আহা স্বাধীনতা!

29/03/2024

যারা রামাদান মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইফতার প্রোগ্রাম নিষিদ্ধ করে ও রামাদানে সেই ক্যাম্পাসেই হোলির উৎসব করার অনুমতি সহ মদদ দেয় তাদের উপর আল্লাহ্‌র লানত পড়ুক! ধ্বংস করে দিক এদের!!

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Tongi Cherag Ali, Surtarongo Road, Middle Auchpara
Gazipur

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 04:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00