#ব্রেকিং
চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিতঃ
স্কুল ও কলেজ- ৩১৫০৮টি
মাদ্রাসা,ব্যাবস্থাপনা ও কারিগরি -৩৬৮৮২ টি
#মোটঃ ৬৮,৩৯০ জন শিক্ষকের বিশাল সার্কুলার।
👉 এম পি ও ভুক্ত শিক্ষকগণ সমপর্যায়ের কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন না। (অর্থাৎ স্কুলে চাকরি করে যদি কলেজেরো নিবন্ধন সনদ থাকে তবে কলেজে আবেদন করতে পারেবে, ঠিক তেমনি ভাবে কলেজে চাকরি করে স্কুলের সনদ থাকলে স্কুলে আবেদন করতে পারবে)
👉 একজন প্রার্থী শুধু একটি আবেদন করতে পারবে এবং সর্বোচ্চ ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চয়েস দিতে পারবে।
🌹 বয়সসীমা - ২৫ মার্চ ২০২০ হতে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।
Edu4U Academic Coaching
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Edu4U Academic Coaching, Education, 1st Floor, Khokon Mansion, Great Wall, Mymensingh Road, Chandana Chowrasta, Joydebpur, Gazipur.
13/12/2022
08/04/2022
(১)
গত বছর রামাদানে আব্বা আর আম্মাকে আলাদা আলাদা কিছু টাকা দিয়েছি। টাকাগুলো দিয়ে তাদের বললাম, 'এই টাকাগুলো কীজন্যে দিয়েছি বলতে পারেন?'
তারা বললেন, 'খরচের জন্যে আর কী!'
- 'তা ঠিক, তবে নিজেদের জন্য এই টাকা খরচ করা যাবে না'।
তারা খানিকটা অবাক হয়ে বললেন, 'তাহলে কার জন্যে খরচ করবো এই টাকা?'
তাদের বিস্ময়ের রেশকে দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ না দিয়ে আমি আসল বিষয়টা তাদের সামনে তুলে ধরলাম এভাবে—
'আপনাদের দুইজনের বাবা-মা, মানে আমার দাদা-দাদী, নানা-নানীর কেউ-ই তো বেঁচে নেই। তারা দুনিয়ায় কে কী আমল করে গেছে তা তো আমরা তেমন বলতে পারি না। তাদের আখিরাতের জীবনও কেমন কাটছে সে সম্পর্কেও আমাদের কোন ধারণা নেই। কারো বাবা-মা যখন মারা যায়, তখন সন্তানের ওপর তাদের আলাদা কিছু হক তৈরি হয়। সন্তানেরা তাদের জন্য অবিরত দুয়া করবে, তাদের হয়ে এমন সাদাকার ব্যবস্থা করবে যা বাবা-মা'র আমলনামায় গিয়ে যোগ হবে, ইত্যাদি'।
সাদাকার ব্যাপারটা আব্বা-আম্মা ধরতে পারলেন না। বললেন, 'এটা কীরকম?'
- 'বাবা, ধরুন আপনি কোথাও একটা মসজিদ নির্মাণে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে শরীক হলেন, অথবা পানির কষ্টে আছে এমন কোন অভাবীকে একটা নলকূপ বসিয়ে দিলেন। তবে নিয়্যাত করলেন এভাবে যে— এই সাদাকাটা আপনি করছেন যাতে এই সাদাকা থেকে প্রাপ্ত সওয়াব আপনার বাবা-মা'র আমলনামাতে যুক্ত হয়। যতোদিন ওই মসজিদে মানুষ সালাত আদায় করবে আর যতোদিন ওই নলকূপের পানি মানুষ পান করবে, ততোদিন পর্যন্ত আপনার আব্বা-আম্মার আমলনামাতে সওয়াবগুলো যুক্ত হতে থাকবে। বাবা-মা বেঁচে থাকতে যেমন সন্তানের দায়িত্ব থাকে, বাবা-মা মারা গেলে সেই দায়িত্ব একটুও কমে না, বরং ক্ষেত্রবিশেষে বাড়ে।'
আমার কথাগুলো শুনে দারুনভাবে উৎফুল্ল হলেন আব্বা-আম্মা। বিষয়টাই তাদের কাছে নতুন। তারা এসবের কোনোকিছু জানতেনও না, আর কোনোদিন এমন কিছু করার চিন্তা তাদের মাথাতেও আসেনি।
তো, আব্বার হাতে টাকা দিয়ে বললাম, 'এই টাকাগুলো আপনি এমন কোন মানুষকে দান করবেন যিনি সত্যিই অভাবী। আর নিয়্যাতটা করবেন এরকম যে— এই সাদাকার ওসিলায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা যেন আপনার বাবা-মা'র কবরের জীবনকে প্রশান্তির চাদরে আবৃত করে দেন'।
আম্মার হাতে টাকা দিয়ে বললাম, 'আপনাকেও একই কাজ করতে হবে। আপনার আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে খুব অভাবে আছে এমন কাউকে খুঁজে এই টাকাগুলো দিবেন। আর নিয়্যাত করবেন এর সওয়াবটুকু যেন আপনার আব্বা-আম্মার আমলনামাতে যুক্ত হয়৷ যাতে তাদের কবরের জীবনটা সুন্দর হয়'।
(২)
গত পরশুদিন আব্বার সাথে ভিডিও কলে কথা বলছিলাম। কথার এক পর্যায়ে আব্বা বললেন, 'একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম তোমাকে...'।
- 'জি, বলেন'।
- 'গেলো বছর তুমি আমাদের টাকা দিয়েছিলে একটা ব্যাপারে, মনে আছে তোমার?'
- 'অবশ্যই মনে আছে। দাদা-দাদীর জন্যে সাদাকা করবার উদ্দেশ্যে'।
- 'হ্যাঁ। তো, বলছিলাম কী, এবারও কি আমাদের সেরকম কিছু টাকা দেওয়া যায়?'
(আব্বা-আম্মা যতোদিন বেঁচে আছেন, ততোদিন এই কাজ করার নিয়্যাত আমার আছে আলহামদুলিল্লাহ। তবু, কৌতূহল থেকে জিগ্যেশ করলাম)
- 'আব্বা, ওই ব্যাপারটা কি আপনার ভালো লেগেছিলো?'
- 'হুম, খুব ভালো লেগেছিলো'।
- 'বাবা-মা'র জন্যে কিছু করতে পারলে প্রতিটা সন্তানের-ই ভালো লাগার কথা। আর, এমনকিছু যদি করা যায় যা তাদের আখিরাতের জীবনে উপকারে আসবে, তাহলে তো কথাই নেই'।
(আব্বা চুপ করে আছেন আমার কথা শুনে)।
আমি নীরবতা ভেঙে বললাম, 'আব্বা, এই কাজের জন্য আপনাদের দু'জনকে গতবার যে পরিমাণ টাকা দিয়েছিলাম, এবার তার ডাবল করে দেবো ইন শা আল্লাহ। যাতে আপনারা আরো বেশি সাদাকা আপনাদের বাবা-মা'র জন্যে করতে পারেন।'
আমি খেয়াল করলাম বাবার চোখ দুটো ছলছল করে উঠলো। দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে আখিরাতে পাড়ি জমানো বাবা-মা'র জন্যে কিছু করতে পারার আনন্দে হয়তো...
19/08/2021
*বাচ্চারা আনন্দ পায়না বলে স্কুলে আসেনা।* *এক শিক্ষক সেই রকম একটা স্কুলে গেলেন পড়াবার জন্য।*
*আচ্ছা লিখতো এক অক্ষরে "ডাকাত"।*
*কেউ লিখতে পারলোনা।*
*তিনি "ডা' কাত করে লিখে বললেন- এই হলো ডাকাত।*
*সবাই হেসে হেসে কূটিকূটি।*
*আচ্ছা এবার বলোতো কীভাবে এক অক্ষরে "কাতলা" লিখবে।*
*সবাই আবার অবাক।*
*শিক্ষক 'লা' কাত করে লিখে বললেন- এই হলো কাতলা।*
*শিশুরা হাসছে তো হাসছে।*
*তারপর তিনি "কা" লিখে মুছে দিয়ে বললেন- বলো এবার কী লিখলাম।*
*সবাই আবারো অবাক।*
*তিনি বললেন - এবার লিখলাম কানাই।*
*শিশুদের হাসির বাঁধ ভেঙ্গেছে।*
*এবার তিনি ছাত্রদের বললেন- বলো তো আমি কেমন পড়ালাম।*
*ছোট একটা শিশু দাঁড়িয়ে বললো- আপনি আমাদের আজ কিছুই পড়ান-নি।*
*কিছুই পড়াইনি। কি বলো?*
*এবার শিশুটি বোর্ডে গিয়ে একটা সূর্য আঁকলো। সূর্যের চারপাশে কিরণ এঁকে বললো- আজকে রবি শুধু তার আলো ছড়িয়েছে।*
*পরদিন সেই স্কুলে বাচ্চাদের ভীড় জমেছে।*
শিক্ষক টি কে জানেন?" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর"।
আর ছাত্রটি সুকুমার রায়। 🙏🙏
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Gazipur
1702