Gazipur Cantonment Board Girls High School

Gazipur Cantonment Board Girls High School

Share

Online Class

23/08/2024

স্যালুট 🌹
হলি ক্রস কলেজের প্রিন্সিপাল সিস্টার শিখা মহিয়সী ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেছেনঃ

"চোখে চোখ রেখে কথা বলবে, eye contact is very important "

"আমি যেন কখনই না দেখি তোমাদের ভারী ব্যাগের বোঝা বাবা মাকে দিয়েছ, নিজের ব্যাগের ভাড় নিজেই বহন করবে। ঠিক তেমনি নিজের জীবনের ভাড় নিজেই বহন করবে"

"ইতিবাচক বেহায়া হও, নেতিবাচক বেহায়া হবে না"

"Sometimes you cant find out your beauty, someone else can find it out. So never think you are useless"

"কালো কাজল যদি তোমার চোখকে সুন্দর করতে পারে, তবে হতাশা কেনো জীবনকে নয়?"

"মেয়েরা, জীবন কখনও সরলরেখায় চলে না, চলবেও না।"

"মেয়েরা, 'না' বলতে শিখবে।"

"তোমার কষ্টকে তুমি খাবে, তোমার কষ্ট তোমাকে খাবে না"

"the world is burning and someone is pouring petrol in it"

"সব ছেলেরাই সষ্ট্রার সৃষ্টি, তাহলে তোমরা কিভাবে ভাবো কেউ একটু আলাদা হবে? ”

" নারী হলো ঈশ্বরের সবচেয়ে যত্নে তৈরি করা সৃষ্টি৷ নারী হলো ঈশ্বরের ছুটির দিনে বাড়ির কাজের মতো পরম যত্নে তৈরী জিনিস, প্রতিটি নারী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় সুন্দর।"

"এই পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া অপরাধ গুলোর কারণ মূলত তিনটি, 'Money', 'Power', 'Se★ ।"

"মেয়েরা, কখনো কেউ তোমাকে ধোঁকা দিলে, নিজেকে তৈরি করবে, জীবনে সফলতা অর্জন করবে... যেদিন কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারবে, সেদিন এক জোড়া হাই হিল আর একটা শাড়ি কিনবে। তারপর সেই জুতো আর শাড়ি পরে তার আঁচল ছেড়ে যে তোমাকে আ★ত করেছিল তার সামনে দিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজের মহিমায় হেঁটে যাবে..... সেদিন সে তোমার সফলতা দেখে নিজেই অনুতপ্ত হবে।"

"কঠিন প্রশিক্ষন, সহজ পরীক্ষা"

"পৃথিবীর সবথেকে বড় যু★ হলো, আমাকে আমি করে তোলা"

"sit straight, back straight"

"dont waste your tears for silly reasons, they are precious like you"

"Hope for the best, prepare for the worst"

"মেয়েরা ক্রস লেগ এ বসবে না, পা গুটিয়ে বসো। সোজা হয়ে বসো"

"আমার মেয়েরা বস্তিতেও ফিট, রেডিসনেও হিট"

"শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে প্রথমদিন শ্বাশুড়িকে বলবে, মা কড়াইতে আগে তেল দিব নাকি কাচামরিচ দিব? "

"মেয়েরা, আমাদের একটা হৃদয় আছে, একটা মন আছে"

"মেয়েরা মনকে রংগীন করবে, বিআরটিসির লাল বাসের মতো"

"কোনো দিন পার্টনারকে ঝাড়ি দিয়ে বলবে না, 'তোমার মত মানুষ আমি আর একটাও দেখিনি 😠।' বরং ভালোবেসে বলবে 'তোমার মত মানুষ আমি আর একটাওওও দেখিনি 😇।'...সব মানুষ যদি তোমার মন মত হতো তাহলে মেলায় মানুষ কিনতে পাওয়া যেত আর সবাই মেলা থেকে পছন্দমত মানুষ কিনে নিতো।"

"সবসময়ে নিজের শ্বাশুড়ির প্রশংসা করবে, বলবে আপনি এত সুন্দর তাই আপনার ছেলেও এত সুন্দর মানুষ হয়েছে"

"শোনো মেয়েরা, বিয়ের পরেও কিন্তু ভালবাসা আসতে পারে। বিয়ের পরও তোমাকে যে কেউ পছন্দ করতে পারে। তোমাকে অনেক ভালবাসা দিতে চাইতে পারে৷ তাতে তুমি কি করবা? সংসার ছেড়ে চলে যাবে? না মেয়েরা৷ যাবে না। তোমাকে বিয়ের পরও কেউ ভালবাসে এতে তুমি খুশি হবে, এতে প্রমান হয় তুমি ভালবাসার যোগ্য, তুমি ভালবাসা পাওয়ার সকল গুনাগুন নিয়েই এসেছ। এতেই তুমি খুশি থাকবে। তাকেও বলে দিবে, আপনার প্রস্তাবে আমি খুশি হয়েছি"

"মেয়েরা, যেখানেই যাবে রানীর মতো থাকবে৷ তুমি যদি ঘরের গৃহিণী ও হও, সেখানেও রানীর মতো থাকবে"

"জিহ্বা সবচেয়ে ভয়ানক অঙ্গ, এই জন্য একে ৩২-টা ধারালো ছুরির ভেতর রাখা, তাও শাসনে রাখা যায় না।"

'"কাউকে 'স্বাগতম' বলার আগে হাজারবার ভাববে।"
[কলেজে আমাদের 'স্বাগতম' জানানো হয়েছিল, কথাটার মর্ম সিস্টারের ভাষায়,"যে সু(ভালো) আগমনে তম(অন্ধকার) গত হয়।"] 🖤

"মনে রাখবে মেয়েরা, তোমরা অনেক মূল্যবান কারন তোমার একটা জঠোর আছে"

"তোমার একটা 'হ্যাঁ'/'না' তোমার জীবন বদলে দিতে পারে।"

"মেয়েরা হলো পানির মত। যখন যে পাত্রে রাখবে সেটারি আকার ধারন করবে"

"মেয়েরা তোমাদের মনটা যেন বাসের হেল্পারের মত বড় হয়। পাবলিক বাসের হেল্পাররা বাসের ভেতর বসার জায়গা না থাকা সত্ত্বেও প্যাসেন্জার ওঠার সুযোগ করে দেয়। তাকে সিট অাছে কিনা জিজ্ঞেস করলে সিট খালি থাকুক বা না থাকুক সে সবাইকে বলে, হ্যাঁ সিট অাছে। সে সবাইকে বাসে টেনে তোলে। জায়গা করে দেয়। কাউকে ফেলে যায় না সে। তোমরাও তোমাদের মনটা তার মত উদার করবে।

"একা চলতে শিখ। একা হতে কখনো ভয় পাবেনা।"

"no news is good news"

"Good luck bad luck, who knows?
Only God knows"

"মেয়েরা নিজেদের বিক্রি করে দিও না। সস্তা বানিয়ে ফেলো না"

"ছেলেরা গ্যাসের চুলা,মেয়েরা মাটির চুলা"

"তোমরা যেখানেই যাও না কেন, be an asset"

"তোমার আকাশে যাকে তুমি সূর্য ভাবো, হতে পারে তার আকাশে তুমি লক্ষ তারার এক তারা।"

"এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ হল আমাকে আমি করে গড়ে তোলা।"

"Celebrate your failure."

"তোমার কষ্ট তোমাকে খাবে না, তুমি তোমার কষ্টকে খাবে।"

"You should be someone, তুমি হেঁটে গেলে যেনো মানুষ দুইবার তাকিয়ে দেখে এমন ভাবে নিজেকে গড়ে তোলো।"

"সবসময় চোখে চোখ রেখে সত্য কথা বলবে, Eye contact is so important"

"আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলবে 'I'm the most beautiful lady in the world, I'm the emperor of my own world.' "

"রাজ্য চালায় রাজা, আর রাজাকে চালায় রাণী... You know the rest, Girls!"

"মনে রেখো, তুমি ভাগ্যবতী, কারণ তোমাকে ভালোবাসার মতো কেউ না কেউ এই পৃথিবীতে আছে।"

"Don't be so expensive, Don't be so cheap!"

" 'ভালো' শব্দটা 'ভালোবাসা'-র অর্ধেক, তাই যা কিছু ভালো সেগুলোকে ভালবাসবে।"

"মনে কর তোমাকে একটি গাজর, একটি ডিম আর কফি দেয়া হলো... সবগুলো কে ফুটন্ত পানিতে দাও, দেখবে গাজর সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে গিয়েছে, ডিমের দিকে লক্ষ্য করলে দেখবে তা কঠিন, শক্ত হয়ে গিয়েছে আর কফিটা পানির সাথে মিশে গিয়ে এক অপূর্ব সুগন্ধ ছড়াচ্ছে... ;
জীবনে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হবে, কখনো গাজরের মতো নরম বা ডিমের মতো শক্ত হয়ে যেও না... মেয়েরা, তোমরা কফির মতো পানির সাথে মিশে গিয়ে এক অপূর্ব সুগন্ধ ছড়াবে...!
আমার মেয়েরা শুভ্র ফুলের মতো, এমনি হয়তো কেউ খেয়াল করবে না... কিন্তু তারা চুপ থেকে নিজের কাজের মাধ্যমে সবার মধ্যে জায়গা করে নিবে, ফুল যেমন সুগন্ধ ছড়ায়....."

04/06/2024

ভালো লাগার মতো একটা উপলব্ধি___

অধিকাংশ পড়ালেখা আমাদের কোনো কাজে আসে না একথা সত্য। তারপরো আমরা কেন পড়ালেখা করি? এই প্রশ্নের খুব সুন্দর একটা জবাব একজন প্রফেসরের মুখে শুনেছিলাম। উনি বলেছিলেন, "গণিত বইয়ের অনুশীলনী থেকে সমাধান করা অংক আমাদের বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে খুব বেশি কাজে লাগে না। কিন্তু যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা সমস্যা সমাধান করি, সেটা আমাদের কল্পনা শক্তিকে শানিত করে, আমাদের চিন্তাকে নিয়মবদ্ধ করে। তাই পরীক্ষার খাতায় উত্তর মেলানোর চেয়ে একটা সমস্যা নিয়ে চিন্তা করা অনেক বেশি দরকারি!"

লেখাপড়া হল খাদ্য গ্রহণের মত। একজন সাধারণ মানুষ দিনে এক থেকে দেড় কেজি খাবার খায়। বছরে যা প্রায় আধা টনের কাছাকাছি। অথচ এর অধিকাংশই বর্জ্য হিসাবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু নির্যাসটুকু শরীরে পুষ্টি জোগায়। একইভাবে, জীবনে পড়া অসং্খ্য বই, টপিক ও সাবজেক্ট থেকে ছেঁকে নেওয়া নির্যাসটুকুই জ্ঞান। শরীরকে টিকিয়ে রাখে পুষ্টি আর মনকে টিকিয়ে রাখে জ্ঞান।

__শাকিব মুস্তাভী__

22/05/2024

আমাদের ছেলেরা কীভাবে পুরুষ হবে?

গ্রামের বাড়িতে গেছি বেড়াতে।
রাতের বেলা শুধু মুরগির বাচ্চার কিচিরমিচির শুনছি। একটু ডিস্টার্বই হচ্ছে। দোতলার বারান্দায় নাকি আম্মু মুরগির বাচ্চা এনে রেখেছেন। জানতে চাইলাম, মুরগির খোপ রেখে এখানে এগুলো কেন রেখেছেন? আম্মু জানালেন যে, মুরগির বাচ্চা মায়ের সাথে যত বেশিদিন থাকে তত দেরিতে ডিম দেয়, আর মা থেকে আলাদা করে রাখলে দ্রুত ডিম দেওয়া শুরু করে।

চট করে আমার চিন্তাটা মুরগির বাচ্চা থেকে সরে আমাদের বর্তমান সমাজের আধুনিক প্রজন্মের ‘ছেলেবাবুদের’ দিকে সরে গেল, যারা বয়স পচিশ-ত্রিশে এসেও মানসিকভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হতে পারে না।

আমার বন্ধু শরিফ। ওরা দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বৃটিশ। ওর বাবা গিয়েছিলেন ষাটের দশকে। ও ওর নিজের জীবনের দারুণ একটা ঘটনা শুনিয়েছিল আমাকে। ওর বয়স যেদিন ষোলো বছর পূর্ণ হয়ে সতেরোতে পড়ল, সেদিন ওর বাবা ওকে ডেকে বললেন, এখন থেকে তুমি বৃটিশ আইন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন ও স্বনির্ভর পুরুষ।

এখন থেকে তোমার দায়িত্ব তোমাকেই বহন করতে হবে। তোমার লেখাপড়ার খরচা তোমাকেই যোগাতে হবে। আর আমার বাসায় থাকতে হলে বাসা ভাড়া, আর খেতে হলে খাবার খরচ দিতে হবে। যেই কথা সেই কাজ। কোনো ছাড় নেই। শরিফ বাধ্য হয়ে একটা শপে পার্টটাইম কাজ জোগাড় করল। স্কুল শেষে সেখানে কাজ করত।

সেই টাকা দিয়ে বাসা ভাড়া আর খাবার বিল দিত। লেখাপড়া তো সরকারি স্কুলে, তাই এক বাচা বাঁচল। বৃটিশ কালচারে এটা স্বাভাবিক হলেও বাঙালী হিসেবে বাবার এই আচরণ মেনে নিতে ওর বেশ কষ্ট হয়েছিল। এই সময়টাতে বাবার প্রতি জমেছিল এক রাশ ঘৃণা আর অভিমান। এই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল তা আমরা একটু পরে বলছি।

জীবনের এই প্রথম ধাক্কাই তাকে অনেকটা পরিপক্বতা এনে দিয়েছিল। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিল। এখন মাত্র ৪৫ বছর বয়সে ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেছে।

আমি শরিফকে আমার এই বিশ বছরের বন্ধুত্বের জীবনে অসংখ্য ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। অনেক অসহায় মানুষকে, পরিবারকে ও সাহায্য করেছে।

ঠিক এর বিপরীতে গেলে আমাদের সমাজে অসংখ্য মানুষ দেখতে পাবেন, যারা ত্রিশে এসেও বালকসুলভ জীবন কাটায়, পুরুষ হয় না। কোনো দায়িত্ব নিতে সক্ষম নয়, কোনোকিছুতে স্থির নয়, কোনো লক্ষ্যপানে ধাবিত নয়, কোনো অর্জনের জন্য স্থির নয়।

আমাদের অধিকাংশ মানুষদের দেখবেন বলতে, ছেলেমেয়েদের জন্যই তারা খেটে মরে, বাড়িগাড়ি বানায়। জিজ্ঞেস করলে বলে, আমরা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছি আমার ছেলেমেয়েরা যেন তার মধ্য দিয়ে না যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এ ধরণের চিন্তার বাবা-মায়ের সন্তানরা খুবই অযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়।

যে বাবা-মা তাদের জন্য খেটে মরেছে, তাদের জন্য কিছু করা তো দূরের কথা, তারা নিজেদের দায়িত্বই নিতে সক্ষম হয় না। বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া সম্পদের উপর নির্ভরশীল হয়। সেটা ফুরিয়ে গেলে চরম মানবেতর জীবনযাপন করে।

আমাদের ভিতরে যারা একটু স্মার্ট এবং বাস্তবসম্মত চিন্তা করেন, তারা ভাবেন—ছেলেমেয়েদের জন্য বাড়িগাড়ি রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়, তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই আমাদের দায়িত্ব।

তারা দেখা যায় উন্নত লেখাপড়ার জন্য ছেলেমেয়ের পিছনে অঢেল টাকাপয়সা ব্যয় করেন, দুনিয়ার সকল ঝুটঝামেলা ও বাস্তবতা থেকে এমনভাবে দূরে রাখেন, ফলে তারা হয় ‘শিক্ষিত বলদ’।

সত্যিকারভাবে ছেলেদেরকে পুরুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ খুব কম মানুষই গ্রহণ করতে পারেন। আর এর অবধারিত ফল হলো ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে, সমাজ ও জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়া।

একটা মানুষ যদি পৃথিবীর জন্য পনেরো-ষোলো বছর থেকে অবদান রাখা শুরু করতে পারে, তাহলে তার অবদানের মাত্রা ও মান দুটোই অনেক বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে কথিত মাস্টার্স শেষ করে কর্পোরেট স্লেইভ হতে হতে যে সময় ব্যয় হয়ে যায়, তাতে অবদান রাখার সময় যেমন হারিয়ে যায়, তেমনই অবদানের মানও আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো হয়ে ওঠে না।

আমি ড্রাইভিং শিখেছিলাম ৩৩ বছর বয়সের দিকে। আমার এক বন্ধু তখন বলেছিল—তুমি এখন আর ফার্স্ট ক্লাস এফিশিয়েন্ট ড্রাইভার হতে পারবা না, তুমি হবা ‘আংকেল ড্রাইভার’। সামনের আরেকটা গাড়ির পেছনে পেছনে স্টিয়ারিং ধরে গাড়ি চালিয়ে তোমার জীবন যাবে।

আমি খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম যে, কথা খুবই সত্য। আমার পাশ দিয়ে বহু গাড়ি কাটিয়ে চলে যায়, আর আমার কাছে সামনের গাড়ির পিছনে ধরে রাখাকেই নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে হয়। তাই দেরি করে দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারটা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন করে তা-ই নয়, দায়িত্ববোধের মান ও দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাও হ্রাস করে ফেলে।

বাবার প্রতি শরিফের ঘৃণা আর অভিমানের কথা মনে আছে? এবার বলি সেই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল। বিয়ের দু’বছর পর যখন একটা ব্যবসা দাড় করানোর জন্য ভালো অংকের একটা নগদ অর্থ দরকার হলো তখন সেই কঠোর বাবা তার হাতে পাউন্ডের একটা বান্ডিল দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা বাসা ভাড়া আর খাওয়ার খরচ হিসেবে দেওয়া তোমার সেই অর্থ।

এমন কোনো প্রয়োজনের সময় দেওয়ার জন্য জমা করে রেখেছিলাম’। জীবনে কোনো এক সময় যদিও বাবার প্রতি শরিফের ঘৃণা জন্মেছিল, কিন্তু এখন বাবার সেই কঠোরতাটুকুকে সে তার জীবনের অমুল্য সম্বল মনে করে এবং বাবাকে নিয়ে সে আজ সত্যিকারে গর্ব অনুভব করে।

সেই মুরগির গল্পে ফিরে আসুন। ফিরে আসুন ইসলামের বাতলানো সমাজ চিন্তায়। মুরগির বাচ্চা যেমন মায়ের ডানার তলে থাকলে ডিম দেবে না, তেমনি আপনার ছেলেকে যতদিন ডানার নিচে রাখবেন সে দায়িত্বশীল হবে না। এটা সৃষ্টির প্রকৃতির মধ্যে দেওয়া স্রষ্টার অমোঘ নিয়ম। ইসলাম বলে একটা ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার তিনটা সাইন:

১. স্বপ্ন*দো-ষ হওয়া
২. নাভির নিচে লো+ম গজানো, কিংবা
৩. বয়স পনেরো বছরে উপনীত হওয়া

এরপর ইসলামি আইনমতে সে একজন পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। তার উপর শরিয়তের সকল আইন কার্যকর। মহান আল্লাহ এই সীমাটা এইজন্যই নির্ধারণ করেছেন যে, এই বয়স থেকে সে জীবন ও জগতে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন শুরু করবে।

আমাদের উচিত ছিলো, আমাদের সন্তানদেরকে এই বয়সে উপনীত হওয়ার আগেই তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ও যোগ্য করে গড়ে তোলা; কিন্তু সেটা না করে একটা দীর্ঘ সময় তাদেরকে স্পুন ফিডিং করে আমরা একটি অকর্মন্য ও অযোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলছি।

🖋️🖋️সংগৃহীত।।

31/03/2023

শিক্ষক নিয়ে একজন ব্যাংকারের উপলব্ধি:

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা। দেশ সেরা এক প্রতিষ্ঠানের নাম।
আমার মেয়ে মুগদা শাখায় তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ছে। আইডিয়াল স্কুলের বেশ কিছু ভার্চুয়াল পেইজ/গ্রুপ রয়েছে। নিজের প্রয়োজনেই এড হ‌ই গ্রুপে। কিন্তু গ্রুপে একটা বিষয় প্রায়‌ই লক্ষ্য করি- অল্পতেই টিচারদের দিকে আঙ্গুল তোলা হয়। আমি অবাক হয়ে যাই গার্ডিয়ানদের পোস্ট দেখে। টিচারদের আমরা গার্ডিয়ানরা যত বেশি সম্মান দেখাবো, আমাদের সন্তানদের তত‌ই মঙ্গল, এটা একটা ধর্মীয় নির্দেশনাও।

ছোট্ট একটা ঘটনা উল্লেখ করি-
আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। হল থেকে বাইশ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম শহরে টিউশনি করি। উদ্দেশ্য একটাই, মাস শেষে ভালো সম্মানী। চট্টগ্রাম মহসীন কলেজের একজন ছাত্র ছিল আমার। ম্যাথ, ফিজিক্স ও ক্যামিস্ট্রি, তিনটা সাবজেক্ট পড়াই। ওর বাবা ছিলেন বান্দরবান লামা ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল। ওর বাবার সাথে আমার যতদিন দেখা হতো ততদিন খেয়াল করেছি, আমি সোফায় না বসা পর্যন্ত তিনি দাঁড়িয়ে থাকেন। আমার বেশ অস্বস্তি লাগতো।

একদিন প্রিন্সিপাল স্যারকে সাহস করে বিষয়টি বললাম। স্যার, সোফায় বসে ওনার ঢাকা ভার্সিটি লাইফের ঘটনা শুনালেন। তিনি তৎকালীন প্রধান বিচারপতির ছেলেকে পড়াতেন। পড়ানো শেষ হলে বিচারপতি মহোদয় সবসময়ই স্যারের পেছনে পেছনে গিয়ে গেইট পর্যন্ত এগিয়ে দিতেন। এভাবে কয়েকদিন দেখার পর, স্যার একদিন থমকে দাঁড়ালেন বিচারপতি মহোদয়কে এভাবে এগিয়ে না আসার অনুরোধ করতে। বিচারপতি মহোদয় বিষয়টি আঁচ করতে পেরে, বলতে শুরু করলেন- আপনি কেন দাঁড়িয়েছেন আমি জানি। ঐ দেখুন বারান্দায় আমার ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। ওকে বলা আছে আপনি গেইট পার না হ‌ওয়া পর্যন্ত বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে।

ও মূলত আমার এই আচরণ থেকে বুঝতে পারবে, বাবা প্রধান বিচারপতি হয়ে যদি শিক্ষককে গেইট পর্যন্ত এগিয়ে দিতে পারে তবে ছাত্র হিসেবে ওর কতটুকু সম্মান করা উচিত!
গল্প এখানেই শেষ।

লামা ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েও আমাকে যে পরিমাণ সম্মান করতেন তা আমি আজীবন মনে রাখবো। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকেও বঞ্চিত করেননি।

অবিভাবক হিসেবে আপনি যখন একজন শিক্ষকের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বেড়াবেন, খুঁতখুঁতে আচরণ দেখাবেন সন্তানেরও শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে যাবে, এভাবেই জেনেশুনে আমরা সন্তানের ক্ষতি করছি, শিক্ষককে অসম্মানকারী অবিভাবকদের সন্তানরা বাবা

Photos from Gazipur Cantonment Board Girls High School's post 21/12/2022
07/09/2022

সম্মানিত অভিভাবকদের অতি বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, আপনাদের সন্তানদের প্রতি নজর দিন, নিয়মিত খোঁজ খবর রাখুন, সারাদিন কি করল, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন।

সাথে নিম্নোক্ত ১৪টি বিষয় খেয়াল রাখবেন -
১. সে কখন স্কুলে যায়।
২. স্কুল থেকে কখন বাসায় ফিরে।
৩. স্কুলে আসার সময় মোবাইল ফোন নিয়ে আসে কি না সাথে ব্লুটুথ ইয়ার ফোন।
৪. স্কুল ড্রেসের বাইরে অন্য কোন ড্রেস অতিরিক্ত হিসাবে রাখে কি না এমনকি কোন জার্সি পরে আসে কি না।
৫. মাথার চুল স্বাভাবিক আছে কি না।
৬. যদি প্রাইভেট পড়ে, কোথায় প্রাইভেট পড়ে, কখন পড়ে, সেখানে যোগাযোগ রাখবেন।
৭. মাঝে মধ্যে স্কুলে আসবেন তাকে না জানিয়ে।
৮. শ্রেণি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
৯. কার সাথে চলাফেরা করে জানতে চেষ্টা করুন।
১০. প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা দিবেন না।
১১. মাঝেমধ্যে স্কুলের ব্যাগ ও মানিব্যাগ(যদি থাকে) চেক করুন।
১২. স্মার্টফোন ব্যবহার করা নিষেধ করে দিবেন, যদি কোন তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে আপনি পাশে থেকে সহায়তা করুন।
১৩. আপনার সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন।
১৪. যেকোনো সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে, সম্ভব হলে শ্রেণি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে এটার সত্যতা যাচাই করবেন।
সর্বোপরি আপনার সন্তানকে সময় দিন। কাছ থেকে ভালমন্দ বুঝানোর চেষ্টা করুন, যাতে সে বুঝতে পারে এবং একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

30/08/2022

হারিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। এখন আর সন্ধ্যার পর এক জনের পড়া শুনে আরেকজন পাল্লা দিয়ে বই পড়ে না। কোন মা-বাবা তার সন্তানকেও বলে না যে অমুক পড়তেছে তুই বসে আছিস!

অথচ ৫/১০ বছর আগেও সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন স্বর ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত। পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই। কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হত।

সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো। যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই। এ চর্চাটার জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিল।

বোর্ড পরীক্ষার আগে প্রত্যাশা ,পাঞ্জেরী, শিওর সাকসেস, টপ ব্রিলিয়ান্ট সাজেশন্সেরও খুব কদর ছিল। আগের বছর পাশ করা ভাই বোনদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ চলতো।

মাত্র ৫/১০ বছরের ব্যবধানে সবই প্রায় বিলীন হয়ে গেল। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও কোন পড়ার শব্দ নেই। গ্রূপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস,পাব্জি, ফ্রী ফায়ার, টিকটক,চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি,গ্রুপিং করা,শিক্ষা গুরুর সাথে বেয়াদবী, শিক্ষককের নামে মিথ্যাচার করা, নিয়ম ভাঙ্গা, বেয়াদবী এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকা।
,,,,সংগৃহীত

07/06/2022

শিক্ষক নিয়ে একজন ব্যাংকারের উপলব্ধি:

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা। দেশ সেরা এক প্রতিষ্ঠানের নাম। এস‌এসসির ফলাফলে এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে গৌরবান্বিত ইতিহাস। স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার ধরণ‌ও অবশ্য একটু ভিন্ন। যেহেতু, প্রতিষ্ঠানটি নিজেকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, তাই এর কিছু প্যাটার্ণ‌ও সবার থেকে আলাদা।
আমার মেয়ে মুগদা শাখায় তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ছে। আইডিয়াল স্কুলের বেশ কিছু ভার্চুয়াল পেইজ/গ্রুপ রয়েছে। নিজের প্রয়োজনেই এড হ‌ই গ্রুপে। কিন্তু গ্রুপে একটা বিষয় প্রায়‌ই লক্ষ্য করি- অল্পতেই টিচারদের দিকে আঙ্গুল তোলা হয়। আমি অবাক হয়ে যাই গার্ডিয়ানদের পোস্ট দেখে। টিচারদের আমরা গার্ডিয়ানরা যত বেশি সম্মান দেখাবো, আমাদের সন্তানদের তত‌ই মঙ্গল, এটা একটা ধর্মীয় নির্দেশনাও।
ছোট্ট একটা ঘটনা উল্লেখ করি-
আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। হল থেকে বাইশ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম শহরে টিউশনি করি। উদ্দেশ্য একটাই, মাস শেষে ভালো সম্মানী। চট্টগ্রাম মহসীন কলেজের একজন ছাত্র ছিল আমার। ম্যাথ, ফিজিক্স ও ক্যামিস্ট্রি, তিনটা সাবজেক্ট পড়াই। ওর বাবা ছিলেন বান্দরবান লামা ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল। ওর বাবার সাথে আমার যতদিন দেখা হতো ততদিন খেয়াল করেছি, আমি সোফায় না বসা পর্যন্ত তিনি দাঁড়িয়ে থাকেন। আমার বেশ অস্বস্তি লাগতো। একদিন স্যারকে সাহস করে বিষয়টি বললাম। স্যার, সোফায় বসে ওনার ঢাকা ভার্সিটি লাইফের ঘটনা শুনালেন। তিনি তৎকালীন প্রধান বিচারপতির ছেলেকে পড়াতেন। পড়ানো শেষ হলে বিচারপতি মহোদয় সবসময়ই স্যারের পেছনে পেছনে গিয়ে গেইট পর্যন্ত এগিয়ে দিতেন। এভাবে কয়েকদিন দেখার পর, স্যার একদিন থমকে দাঁড়ালেন বিচারপতি মহোদয়কে এভাবে এগিয়ে না আসার অনুরোধ করতে। বিচারপতি মহোদয় বিষয়টি আঁচ করতে পেরে, বলতে শুরু করলেন- আপনি কেন দাঁড়িয়েছেন আমি জানি। ঐ দেখুন বারান্দায় আমার ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। ওকে বলা আছে আপনি গেইট পার না হ‌ওয়া পর্যন্ত বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে।
ও মূলত আমার এই আচরণ থেকে বুঝতে পারবে, বাবা প্রধান বিচারপতি হয়ে যদি শিক্ষককে গেইট পর্যন্ত এগিয়ে দিতে পারে তবে ছাত্র হিসেবে ওর কতটুকু সম্মান করা উচিত!
গল্প এখানেই শেষ।
লামা ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েও আমাকে যে পরিমাণ সম্মান করতেন তা আমি আজীবন মনে রাখবো। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকেও বঞ্চিত করেননি। জাহিদুল ইসলাম শাওন (আমার ছাত্র) বুয়েট থেকে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে বর্তমানে এডমিন ক্যাডার হিসেবে ভোলা ডিসি অফিসে কর্মরত। ওর একমাত্র ছোট বোনটাও বুয়েটেই পড়াশোনা করে এখন সম্ভবত দেশের বাইরে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে গিয়েছে।
শিক্ষককে অসসম্মান করে কেউ ভালো অবস্থানে আছে, আমার জানা নেই। তাঁদের দোয়া ও ভালোবাসা থাকে বলেই আমরা এগিয়ে যাই। সেই প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত স্যারদের সহযোগিতা ও ভালোবাসা ছিল বলেই আজ কিছু করে খেতে পারছি।
বাদশাহ আলমগীর এর সেই বিখ্যাত উক্তি দিয়ে শেষ করি।
বাদশাহ্ কহেন, ”সেদিন প্রভাতে দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল না’ক কেন সে চরণ, স্মরি ব্যথা পাই মনে।”
আমরা সবাই বাদশাহ আলমগীর হতে পারবো না হয়তো, কিন্তু সন্তানকে শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষায় কি করতে হবে এটুকু তো বলতে পারবো!
# # লেখক Muhammad Moznu বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্মরত # # কপি বন্ধু Ismail Hossain Jewel

13/01/2022
29/09/2021

👑জীবনের SUCCESS কি?👑
এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া অসাধারণ একটি চিঠি :
যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের "Success"!
যখন হাঁটতে শিখলাম মনে হল এটাই success!
যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হল এটাই success!
এরপর স্কুলে গেলাম, শিখলাম first হওয়াটা বা সবার চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়াই success!
এরপর বুঝলাম, না, আসলে মাধ্যমিকে স্টার পাওয়াটাই success!
ভুল ভাঙল, বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেজাল্টটা ধরে রাখাই success!
এখানেই শেষ নয়, এরপর বুঝলাম ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো কোনো জায়গায় চান্স পাওয়াটাই success, যেটা পড়লে একটা ভালো চাকরি পাওয়া যাবে।
আরো পরে বুঝলাম যে, পড়া শেষে ভালো চাকরী পাওয়া এবং অনেক রোজগার করাটাই success।
এরপর বুঝলাম, নিজের টাকায় একটি ছোট বাড়ি করাই success।
পরে বুঝলাম, সেটাও নয়, নিজের টাকায় এরপর গাড়ি কেনাটাই আসল success!
আবার ভুল ভাঙল, এরপর দেখলাম ভাল দেখে বিয়ে করে সুখে সংসার করাটাই আসল success।
বছর ঘুরলো, দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে ভালো ভাবে বড় করাটাই success, ছেলে হলে তাকে প্রতিষ্ঠিত করাটাই success, মেয়ে হলে একটা ভালো ফ‍্যামেলীর ভালো চাকুরীর ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়াটাই success।
এরপর এলো আমার রিটায়ারমেন্ট, সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক investment করে utilization করতে পারাই success!
এরপর যখন সবাই মিলে একাকী কবরে রেখে মাটি চাপার প্রস্তুতি নিল, মরার একটু আগেই বুঝলাম, পৃথিবীতে success বলে কোন কিছুই স্থায়ী লক্ষ্য নেই!
পুরোটাই এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের তৈরী করা একটা competition। যার মূলে আছে আকাশ ছোঁয়া আকাঙ্খা, যা কখনো পূর্ণ হবার নয়। যদি ও জীবনের প্রতিটি অর্জনই আল্লাহর দেয়া নিয়ামত এবং চলার পথে খুবই প্রয়োজনীয় ছিল।
তখন বুঝতে পারলাম এর থেকে জীবনের প্রতিদিন বা প্রতি মূহুর্ত আনন্দের সঙ্গে সুস্থ থাকা ও অন্যের জন্য কাজ করতে পারাই success এর মূল লক্ষ্য হলে অনেক ভালো হতো!
কিন্তু এটা বুঝতে অনেক দেরী করে ফেলেছি।
জীবন কে খুঁজুন, জীবন কে বুঝুন!
নিজেকে ভালবাসুন।
অন্যদের সম্মান দিন, ভালবাসুন। বিশেষ করে যাদের ভালবাসার খুবই প্রয়োজন।
কারও ক্ষতি করা বা বদনাম করা কল্পনাতে আনবেন না। কারও খারাপ করে ভাল থাকা যায় না। উপর থেকে একজন সব দেখেন তা মনে রাখবেন।
শেষ অবধি ভালবাসাপূর্ণ, আনন্দঘন আর সুস্থ একটি জীবনযাত্রা সম্পন্ন করতে পারাই সফলতা!
(সংগ্রিহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

BOF
Gazipur