Bazarpara High School

Bazarpara High School ♡বাজার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়♡
Bazarpara,Sundargonj,Gaiban ইহা একটি স্কুলের পেজ মাত্র,

খুব বেশি ইনফরমেশন দরকার পরলে inbox এ নক করবেন

#ধন্যবাদ

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ বাংলা
14/04/2026

শুভ নববর্ষ
১৪৩৩ বাংলা

এমন একজন মানুষ, ছবিটা চোখের সামনে আসা মাত্রই চোখ দুইটা ৩/৪ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ হয়ে গেলো! কি ভাবলেন অন্য কিছু! তাকে দেখতে...
31/08/2025

এমন একজন মানুষ, ছবিটা চোখের সামনে আসা মাত্রই চোখ দুইটা ৩/৪ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ হয়ে গেলো! কি ভাবলেন অন্য কিছু! তাকে দেখতে ইচ্ছে করে না! হাহাহা!

'সম্মান আর শ্রদ্ধা' যখন মিলে মিশে আলো দেয়, তখন সেটি অনেকের কাছে সূর্য্যর আলোর চেয়েও প্রখর হয়। ওখানে চোখ খুলে যেমন ভালো দেখা যায় না, ঠিক এখানে চোখ খুলে সম্মান জানানোয় মনে তৃপ্তি আসে না।

আপনারা নিউজফিডে, আমার প্রোফাইলে যেনাকে দেখছেন, তিনি ছিলেন আমাদের 'বাজারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের' প্রধান শিক্ষক, 'জনাব মোঃ বাদশা বিএসসি স্যার'।যদিও ওনাকে সকলেই 'বিএসসি স্যার' নামেই জানে। '২০১৫' আমাদের বিদায় ও স্যারের কর্ম জীবনের সমাপ্তি।

কিছু কিছু সম্মান রুলস্ দিয়ে হয় না।
আমরা কিছু কিছু রুলস্ ভাঙতাম, তারমধ্যে অন্যতম ছিলো ওনাকে দেখলে রাস্তায় উল্টো লেনে হাঁটা, ভয়, সম্মানে ও শ্রদ্ধার একটি অদ্ভূত রসায়ন ছিলো🙂।
হয়তো স্যার ব্যাপারটা বুঝতে পেরে মাঝে সাঝে নিজেই উল্টো লেনে হাঁটা দিতেন 🤗। হয়তো ভাবতেন বাচ্চারা যেনো কোনো দূর্ঘটনায় না পড়ে।
সোজা পথ ছেড়ে স্যার সব সময় মাঠের মধ্যে একটি বক্রতা তেরী করে বাসায় যেতেন। ক্লাসের অনেক গবেষক ও বৈজ্ঞানিকেরা ৫ বছর চুলচেরা বিশ্লেষণ করার পরও এই রহস্যর উন্মোচন সম্ভব হয়নি, আমি ধারণা করছি, কোন ব্যাচের-ই গবেষক তা করতে পারে নাই। ফলাফল এটি আজও আমাদের মাঝে একটি রহস্যই থেকে গেলো।🥹

উনাকে নিয়ে এত কিছু বলা যাবে যা, দিনের পর দিন চলতে থাকবে।
স্যারের সম্মানে আজ এতটুকুই।

আপনাকে সম্মান করি স্যার, এটি অনেক গভীর, সম্ভবত অফুরন্ত। ভালো থাকবেন স্যার🧡।
আমার JSC Certificate টা এখনও আপনার কাছে, ইনশাল্লাহ দেখা হবে, সনদ টা নেবো আর প্রথম কেউ হবো, যে আপনাকে বলবে "রহস্য কী স্যার!!!"

লিখেছেন Dewan Muhammad Sohag

বাজারপাড়া মহাবিদ্যালয়ের প্রথম নারী শিক্ষার্থী ভর্তি।  (সাল ১৯৯৮) সেইদিন উপস্থিত ছিলেন মরহুম সামছুল হক খন্দকার। তিনি হক স...
02/10/2024

বাজারপাড়া মহাবিদ্যালয়ের প্রথম নারী শিক্ষার্থী ভর্তি। (সাল ১৯৯৮) সেইদিন উপস্থিত ছিলেন মরহুম সামছুল হক খন্দকার। তিনি হক স্যার নামেই বেশি পরিচিত। তিনি সুন্দরগঞ্জ আঃ মজিদ বয়েজ স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। ছবিটা সংগ্রহ করে রেখেছিলেন, অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল কাদের মিয়া। 🥰

Bazarpara High School -এর প্রধান শিক্ষকের পদবি নিয়ে বর্তমান যে সংঘাত সৃষ্টি হইছে,  এতে আপনি কাকে সাপোর্ট দিবেন।মারামারি ...
27/09/2024

Bazarpara High School -এর প্রধান শিক্ষকের পদবি নিয়ে বর্তমান যে সংঘাত সৃষ্টি হইছে, এতে আপনি কাকে সাপোর্ট দিবেন।

মারামারি কোনো সমাধান নয়।
আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের আহবান জানাচ্ছি।

যমুনা শপিং মলের একটা শো-রুমে শার্ট দেখছি। একটা শার্ট দেখতে বেশ ভালো লাগছে!  এত দামি শার্ট কেনা যাবে না। আমি এখানে মাঝেমধ...
24/09/2024

যমুনা শপিং মলের একটা শো-রুমে শার্ট দেখছি। একটা শার্ট দেখতে বেশ ভালো লাগছে! এত দামি শার্ট কেনা যাবে না। আমি এখানে মাঝেমধ্যে আসি ঘুরে ঘুরে দেখি কখনো কেনা হয় না।

এ সময় হুট করে একজন মহিলা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন! আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। মহিলা আমাকে জড়িয়ে ধরিয়ে কাঁদতে শুরু করলেন!

আমার কেমন আনইজি লাগছে! মহিলা আমার মায়ের চেয়েও বয়সে বড় হবে।

মহিলা কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বলছেন, এতদিন কোথায় ছিলি বাপ? আমার সোনাটা বলেই আমাকে চুমু দিতে শুরু করলেন!

আমি নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলাম। মহিলা আর কঠিন করে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন!

আমার কেমন খারাপ লাগছে! এ সময়ে পিছনে তাকিয়ে দেখি এক আপা হাত জোর করে ক্ষমা চাচ্ছে!

আমি কিছুই বুঝতে পারছি না কী করবো?

মহিলা বললেন, "এই শার্ট তোর পছন্দ হয়েছে বাবা?"

আমি কিছুই বললাম না। উনি একইরকম কয়েকটা শার্ট নিয়ে কাউন্টারের দিকে গেলেন।

এ সময় আপুটা দ্রুত আমার কাছে এসে বলল, "কিছু মনে করো না ভাই। উনি আমার মা। আমার ছোটো ভাইটা ছাত্র আন্দোলনে মারা গেছে! ভাইটা দেখতে তোমার মত ছিলো!"

মহিলা আমাকে ইশারায় ডাকছে এদিকে আয় বাবা! আমার এখন কেমন কান্না পাচ্ছে! মহিলার জন্য মায়া হচ্ছে!

আমি ধীরে ধীরে মহিলার কাছে গেলাম। উনি বললেন," আর কিছু কিনবি না বাবা? কতদিন তোকে নিয়ে শপিংয়ে বের হই না!"

আমি বললাম, "আজ আর কিছু কিনব না। আরেকদিন।"

মহিলা বললেন, "চল বিরিয়ানি খাই। তোর পছন্দের বিরিয়ানি! "

একটা রেস্টুরেন্টে বসে আছি। মহিলা আমাকে বিরিয়ানি খাইয়ে দিচ্ছেন! আমার একটু লজ্জা লাগছে! কিছু বলছি না ওনার জন্য কেমন মায়া হচ্ছে।

আমি বললাম, " আপনি খান।"

মহিলা বললেন," তুই আমাকে আপনি বলছিস কেন বাবা? আপুর দিকে তাকিয়ে বলল, এই লুনা দেখ বাবু আমাকে আপনি বলছে!"

আপুর চোখে পানি। উনি ভাঙা গলায় বলল, " মা বাবু এখন বড় হয়েছে না!"

মহিলা বললেন, "এই আইসক্রিম দাও এখানে।"

রেস্টুরেন্টের একজন বলল, "ম্যাডাম এখানে আইসক্রিম নেই।"

মহিলা ক্ষেপে গেলেন," কী আমার বাবুর প্রিয় আইসক্রিম নেই?"

আপুটা দ্রুত উঠে গিয়ে ম্যানেজার কে কিছু বললেন, ম্যানেজার সাথে সাথে জড়ান কন্ঠে বললেন, "এক্ষুনি দিচ্ছি ম্যাডাম।" বলে চোখ চোখ মুছতে মুছতে দ্রুত বেরিয়ে গেলেন।

খাওয়া শেষ করে বের হয়েছি। মহিলা আমার হাত ধরে রেখেছেন। এ সময় গাড়ি থেকে একজন লোক নেমে আসল। আমার সামনে এসে কিছুটা সময় তাকিয়ে রইলেন! লোকটা মনে হয় লুনা আপার বাবা।

লোকটা বলল, "বাবুকে ছাড় সায়লা। ওকে হলে দিয়ে আসতে হবে।"

উনি লোকটার দিকে তাকিয়ে বলল, "বাবুকে হলে দিলা কবে? আমার বাবু হলে থাকবে কেন! ঢাকায় আমার এত বড় বাড়ি। আমি বাবুকে বাড়িতে রাখব।"

"তুমিও বলেছিলে বাবু ওর নিজের মত থাকবে ভুলে গেছ?"

আমি লোকটার দিকে তাকিয়ে আছি। ওনার চোখের কোনায় জ্বল জমেছে!

লোকটা বলল, "বাবু তো তোমার সাথে দেখা করতে আসবেই! "

"সত্যি আসবি বাবা? এতদিন আসলি না কেন!"

অনেক কষ্টে আমার হাত ছাড়ান হলো। আমি গাড়িতে উঠে বসলাম। মহিলা কেমন মায়া মায়া চোখে আমার দিকে আছেন। আমার খুব খারাপ লাগছে!

অনেক সময় পরে লোকটা বললেন, "তোমার নাম কী বাবা?"

"আসিফ।"

"তুমি দেখতে অনেকটা বাবুর মত! লুনা যখন তোমার ছবি পাঠাল। আমি প্রথম দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম। তুমি কিছু মনে করো না বাবা।"

আমি কী বলব বুঝতে পারছি না! এদের কষ্টটা বুঝতে পারছি।

উনি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, "বাবু মারা গেছে আজ চল্লিশ দিন হলো! সায়লা কে সহজে কিছুই খাওয়ান যাচ্ছে না। এতদিন পরে আজ ওর মুখে হাসি দেখলাম। লুনা বলল, আজ নাকি তোমার সাথে খেয়েছে!"

আমি নীরব হয়ে বসে আছি! আমার খুব খারাপ লাগছে!

"তোমার বাসা কোথায় বাবা?"

"যাত্রাবাড়ী। আপনি আমাকে এখানে নামিয়ে দেন আমি চলে যেতে পারবো।"

উনি কিছুতেই আমাকে নামতে দিলেন না। গাড়ি চলছে।

অনেকটা সময় পরে উনি বললেন," তুমি মাঝে মাঝে সায়লাকে একটু সময় দিতে পারবা? তুমি যখন ফ্রি থাকবা আমাকে ফোন করো আমি গাড়ি পাঠিয়ে দিবো। আমি ভাবতেই পারছিলাম না সায়লাকে কী করে বাঁচিয়ে রাখবো! আল্লাহ তোমাকে পাঠিয়েছেন! "

বাসার সামনে এসে গাড়ি থামল। আমি নীরবে গাড়ি থেকে নেমে গেলাম। অনেকটা সময় গাড়িটা থেমে থাকল!

আমার মতে ইনি হেড মাস্টার পদে থাকার যোগ্য আপনারা কি বলেন..? বাজার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০/৯/২০২৪ ইং তারিখে প্রধান শিক্ষকের...
23/09/2024

আমার মতে ইনি হেড মাস্টার পদে থাকার যোগ্য আপনারা কি বলেন..? বাজার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০/৯/২০২৪ ইং তারিখে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়ায়, ১১/৯/২০২৪ ইং তারিখ থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত) পদে আছেন আমাদের সকলে প্রিয় শ্রদ্ধা ভাজন স্যার মোঃ আবু রায়হান মিয়া। রায়হান স্যার এখন স্কুলটি সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে আসতেছেন। প্রায় ৯০% অভিভাবক, এলাকা বাসী ও ছাত্র ছাত্রী চায় এই ভালবাসার মানুষটা কে। এই চেয়ারের উপযুক্ত এক মাত্র এই স্যারেই। তাই সকলের কাছে আমরা ওনার জন্য দোয়া ও ভালবাসা চাই। ইনশাআল্লাহ

রামজীবন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ রাজনীতিবিদ শাহ মনোয়ার হোসেনআনুমানিক ১.০ PM টার সময় রংপুরে চিকিৎসাধীন...
29/06/2024

রামজীবন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক
প্রবীণ রাজনীতিবিদ শাহ মনোয়ার হোসেন
আনুমানিক ১.০ PM টার সময় রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"
মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
সেই সাথে শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য সমবেদনা জানাচ্ছি।

- আপনার পরিবার জানে না যে আপনি আপনার দৈনন্দিন জীবনে বা আপনার চাকরি/ব্যবসায় কতটা অসুবিধা এবং চাপের মধ্য দিয়ে যান।- এবং ...
14/05/2024

- আপনার পরিবার জানে না যে আপনি আপনার দৈনন্দিন জীবনে বা আপনার চাকরি/ব্যবসায় কতটা অসুবিধা এবং চাপের মধ্য দিয়ে যান।

- এবং আপনার বস/কাজ জানে না আপনার জীবন এবং আপনার বাড়ির পরিস্থিতি কেমন।

- আপনার বন্ধু, প্রিয়জন এবং প্রিয়জনরা আপনার উপরে থাকা নতুন এবং পুরানো দায়িত্বগুলির আকার বুঝতে পারবে না।

- আপনার সঙ্গী সর্বদা আপনার কাছ থেকে ভালবাসা ও সমর্থনের জন্য অপেক্ষা করছে এবং আপনি যে চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তার সাথে যতই কথা বলুন এবং ব্যাখ্যা করুন না কেন তা তিনি কখনই বুঝতে পারবেন না।

সর্বশেষে, আপনি ছাড়া কেউ আপনাকে বুজতে পারে না.. আপনি কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তা কেউ বুঝবে না এবং প্রশংসাও করবে না।

এই জন্যই জীবন রহস্যময় এবং সুন্দর।

তাই চালিয়ে যান.. সংগ্রাম করেন.. এবং বাঁচেন..

Everyone

সাধারণত ছেলেরা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হয় ১৫/১৭ এর মধ্যেই বা তার আগেই।মেয়েরা ১৫ এর আগেই।সেখানে আমরা মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধা...
12/05/2024

সাধারণত ছেলেরা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হয় ১৫/১৭ এর মধ্যেই বা তার আগেই।
মেয়েরা ১৫ এর আগেই।

সেখানে আমরা মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধারণ করেছি ১৮ বছর ও ছেলেদের ২১ বছর। কিন্তু সিস্টেম করে দিয়েছি আবার অন্য রকম। ছেলেদের চাকরির বয়স সীমা ৩২ বছর। গ্রাজুয়েশান শেষ করতে করতে বয়স হয়ে যায় ২৬/২৭ বছর।

গড় আয়ু যদি ৬৫ হয়- তাহলে ৩২ বছর বয়স পযর্ন্ত সে অন্যের টাকায় চলবে। এর পর স্বাবলম্বী হয়ে মানে জব পেয়ে বিয়ে করবে ৩২ এর পর।

যে ছেলেটা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হইলো ১৭ তে। সে বিয়ে করলো আরো ১৫ বছর পর।
এই ১৫ বছর সে কি করবে?

পাড়ায় যাবে না? প্রেমিকাকে নিয়ে লিটনের ফ্লাটে যাবে না? পার্কের চিপায় প্রেমিকার শরীরে হাত দিবে না?
দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে পাথর বানিয়ে রাখবে?
কতটুকু পসিবল? লজিক্যালি কতটুকু পসিবল? বোথ ফর বয়েজ অ্যান্ড গার্লস?

এই দেশে ম-দ বিক্রি নি-ষি-দ্ধ না। কিন্তু ম-দ সহ ধরা পড়লে পুলিশ কে চা পানি খাওয়াইতে হয়!
একটা ছেলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে ১৭ বছরের আগের ক্ষুধা মিটানোর জন্য। যেহেতু আমরা জীব পাথর না। আমাদের ফিজিক্যাল চাহিদা আছে। তাই বলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে একটা ছেলে/মেয়ে ?

আপনি বা কেউ কি বিলিভ করেন যে কেউ অপেক্ষা করে?
অপেক্ষা করে না দেখেই এই দেশে রেস্টুরেন্টে প্রাইভেট জোন লাগে। মিরপুর মাজার রোডে ছোট ছোট খুপরি ঘর ওয়ালা রেস্টুরেন্ট লাগে। পার্কে ছাতা ওয়ালা প্রাইভেসি লাগে। সবই এই সমাজ জানে। একসেপ্ট করে। এক্সেপ্ট না করলে এসব বন্ধ হয়ে যেত। এসবই আমরা মেনে নিচ্ছি। শুধু ছেলে স্টাব্লিশড না হওয়া পযর্ন্ত বিয়ে মেনে নিতে পারতেছি না।

আপনি যদি এই দেশের সুপার সাকসেসফুল কোন বিজনেস ম্যান এর জিবনী পড়েন, দেখবেন তারা সাকসেসফুল হয়েছে অনেক পরে। অন্তত ৪০/৪৫/৫০ বছর বয়সে। আপনি কি তত দিন অপেক্ষা করবেন?মেয়ে তাদের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য ?

আমাদের পিতামাতাগণ সব কিছু ইসলাম অনুয়ায়ী করেন। খালি এই একটা বিষয়ে উনারা ইসলাম মানেন না। সেটা হইলো বিয়ে। পাত্র ভালো জব করে না দেখে উনারা বিয়ে দেন না। সমাজ বলে আগে প্রতিষ্ঠিত হওতার পর বিয়ে কর!

কুরআন বলে আগে বিয়ে করো,গরীব হলে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আল্লাহ্‌র!🌸 -(সূরা নূর)❤️
অথচ ইসলাম বলেছে সাবালক হইলেই বিয়ে দিয়ে দাও।

"বউ কে খাওয়াবি কি? "
এটা হচ্ছে আমাদের দেশের বিয়ের সব চেয়ে বড় বাঁধা।
বউ কি হাতি? নাকি ঘোড়া? তার তো ১০ কেজি বিচুলি লাগে না ডেইলি। তাইনা?

বিসিএস দিয়ে ৩৫ বছর বয়সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে তার পর বিয়ে করতে হবে ।
নিজের পায়ে ঠিক-ঠাক দাঁড়াতে দাঁড়াতে সঠিক জিনিসটি দাঁড়ানোর সময় পেরিয়ে যায়.....
এখন ভাবুন, ইসলাম ধর্মে বিয়েকে অর্ধেক দ্বীন কেন বলা হয় !

তারপরও পরিবার এবং সবার ব্যক্তিগত মতা মত থাকতেই পারে 😊

Address

Sundargonj
Gaibandha

Opening Hours

Monday 09:30 - 16:00
Tuesday 09:30 - 04:00
Wednesday 09:30 - 16:00
Thursday 09:30 - 14:00
Saturday 09:30 - 16:00
Sunday 09:30 - 16:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bazarpara High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category