30/05/2026
✅পুষ্টি পশুনাং পরি জগ্রভাহং চতুষ্পদাং দ্বিপদাং যচ্চ ধান্যম্ পয়ঃ পশুনাংরসমোষ ধীনাং বৃহস্পতিঃ সবিতা মে নি যাচ্ছাৎ।।
_অর্থাৎ, চতুষ্পদ পশু, দ্বিপদ পশু এবং ধান্য হইতে আমরা পুষ্টি গ্রহণ করি। এজন্য সৃষ্টিকর্তা পরমেশ্বর আমাদিগকে পশুর দুগ্ধ ও ঔষুধির রস প্রদান করিয়াছেন।
~অথর্ববেদ ১৯।৩১/৫
#প্রাণিওসনাতন
#বাংলাদেশ_অগ্নিবীর_মেঘনা
#বেদে_প্রাণি
#বাংলাদেশ_অগ্নিবীর
29/05/2026
✅ রামকৃষ্ণ মিশনের বেদ বিষয়ক ষড়যন্ত্র ফাঁস‼️
▪️"বেদে গোহত্যা নেই”, রামকৃষ্ণ মিশনের করা “মমতাভাষ্য” ~ ব্যাকরণ ও নিরুক্ত অনুযায়ী কতটা সঠিক❓
⚠️ উন্মুক্ত লাইভ-ডিবেট এর আহ্বান [ওপেন চ্যালেঞ্জ ~ লাইভ-ডিবেট]
📍৩১শে মে, রবিবার, রাত ৯টা, বাংলাদেশ অগ্নিবীর পেইজে
29/05/2026
বাংলাদেশ অগ্নিবীর, মেঘনা শাখা'র সদস্যদের তত্ত্বাবধানে,
গাছবাড়ীয়া বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র
(শুভপুর, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা)
⏭️অন্ন শুধু শরীরের আহার নয়,
এটি কৃতজ্ঞতারও প্রতীক।
আজ গীতা স্কুলের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের খাবারের পূর্ব মন্ত্র শিক্ষা প্রদান করা হয়।
পরমেশ্বর সবার মঙ্গল করুক🌼✨
#বেদবাণী
#গাছবাড়িয়াগীতাশিক্ষাকেন্দ্র
#বাংলাদেশঅগ্নিবীর
29/05/2026
☞প্রানী মাত্রের নিকটেই আমাকে প্রিয় করো।
~অর্থর্ববেদ ১৬/৬২/১
28/05/2026
ও চাচি, আপনি হি/ন্দু হইলে দাওয়াত পাইতেন!😂
হিন্দুদের প্রতি বাঙ্গুর কত দরদ আহারে কারণ বাঙ্গু জানে যে হিন্দুরা জীবনেও এইটা খাবে না, আর যে খাবে তারে একবারটি জিজ্ঞেসও করবেনা, বরং সবটা নিয়ে ফ্রি'জে ঢুকিয়ে রাখবে...
উস্কানি দেওয়া ও জনসেবার মধ্যে পার্থক্য আছে ৷ ফেসবুকে সারাদিন হিন্দুদের বিরুদ্ধে গো-মাং'স খাওয়াবে বলে চিল্লানো বাঙ্গুরে দেখবেন, দুটো খাবার নিয়ে গিয়ে নিজ স্বজাতিকে তুলে দেবার সামর্থ্য বা হেডাম নেই...
26/05/2026
সনাতনী সমাজের উন্নতিতে অনেকসময় একটি বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় নিচের ২ টি বিষয়-
১. বিভিন্ন মন্দিরের বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি
২. স্থানীয় প্রভাবশালী নামধারী প্রভাবশালী হিন্দু ব্যক্তিগণ
উদাহরণ স্বরূপ:
১. খুলনার দৌলতপুর, গাছতলার মন্দির বসে আমরা নিয়মিত ধর্মচর্চা (স্বাধ্যায় করতাম)। কিন্তু পরবর্তীতে সেখানে মন্দির কমিটির বাঁধায় আর ধর্মচর্চা করতে পারি না কারণ আমরা নাকি সনাতনীদের ধর্মীয় জ্ঞান প্রদান করে বিপথে নিয়ে যাচ্ছি! ধর্মীয় জ্ঞান চর্চা করলে ধর্মান্তর বন্ধ হয়ে যাবে, সনাতন ধর্ম নিয়ে অপপ্রচারকে রুখে দেয়া যাবে, সনাতন ধর্মের অনুষ্ঠানকে অজুহাত দিয়ে নাচাগানা বন্ধ হয়ে যাবে এগুলা খুবই খারাপ!
২. সম্প্রতি বেদমন্ত্র ও গীতা পাঠ আয়োজন করা হয় কপিলেশ্বরী মন্দির, সাতক্ষীরায়। এই তীব্র গরম ও বর্ষা মৌসুমেও মন্দিরের ভেতরে অনুষ্ঠান করার অনুমতি পায়নি আয়োজক কমিটি। যদি ডিজে পার্টি করতে চাইতেন তাহলে হয়তো অনুমতি পাওয়া যেত!
আমরা কী করতে ভালো পারি জানেন?
১. ১২ মাসে ১৩ পার্বণে প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে লাখ লাখ টাকা খরচ করতে (যেগুলোর অধিকাংশই বৈদিক নয়)।
২. মন্দিরে পূজার সময় স্বাত্ত্বিকতা না রেখে ডিজে বাজিয়ে মদ্য পান করে মাতাল হতে।
৩. বর্তমানে গ্রামীণ সমাজে দ্বন্দ্ব এমন হারে বেড়েছে যে প্রতিযোগিতা করে দুর্গা পূজার অনুকরণে লাখ লাখ টাকা খরচ করে লক্ষ্মী পূজা ও নাম সংকীর্তন করা হচ্ছে।
৪. নাম সংকীর্তন ও প্যান্ডেল খরচ ৫-১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ সেই অনুষ্ঠানে কোন ধর্মীয় প্রবচন, শাস্ত্র শিক্ষা, সনাতন ধর্মের গৌরব কিছুই বলা হচ্ছেনা। দিনরাত উদ্ভট সব আজগুবি গল্প ও আউটডেটেড কেচ্ছাকাহিনী চিৎকার করে বিকট সুরে গেয়ে মানুষের ব্রেইনের শান্তি দফারফাই যেন একমাত্র উদ্দেশ্য।
এসব থেকে পরিত্রাণের উপায় কী হতে পারে?
আমরা এই জাতি কি আবার সেই ঋষিদের প্রদত্ত শাস্ত্র ও শস্ত্রে, ধমে ও কর্মে নিপুণ হতে পারবো না?
[ লিখে পাঠিয়েছেন আমাদেরই এক পাঠক, ঈষৎ সম্পাদিত]